না-গল্প পাঁচ(ঘ) – তোড়ার কথা: ফেরা

প্রথম কিস্তি
না-গল্প পাঁচ(ক) – তোড়ার কথা: ফ্ল্যাশব্যাক-১

দ্বিতীয় কিস্তি
না-গল্প পাঁচ(খ) – তোড়ার কথা: শাওন-রিটা অধ্যায়

তৃতীয় কিস্তি
না-গল্প পাঁচ(গ) – তোড়ার কথা: নেপাল অধ্যায়

চতুর্থ ও শেষ কিস্তি
মায়ের বাসায় ফেসবুকের স্ট্যাটাস চেক করছে তোড়া। ঘুরেফিরে ইচ্ছা, রাশেদ কিছু দিল কিনা, সেটা জানার।
নাহ্‌ তেমন কোন কিছু চোখে পড়ে না।

বিস্তারিত»

শেষ ক’টি মুহূর্তের অভিজিৎ

ধুয়ে মুছে তৈরি হয়েছে তলোয়ার
সেজেগুজে গুঁজে গেছে কোমরে —
চারপায়ে তখন খুরের ধ্বনি,
মোবাইল বেজে উঠেছে
দিক আর নির্দেশ নিয়ে;
কীবোর্ডে অগুনতি ফলোয়ার
চাপাতি-কোপ দেবার জন্যে
নিয়ে নিচ্ছে দম

কেবল বইমেলার ধুলো পেয়েছিল টের
সেকেন্ড আগে ঢের
ওদের পা জড়িয়ে ছিল
ইনিয়ে বিনিয়ে
চেয়েছিল
আরেকটু দেরি হোক
কুশলাদি আর অটোগ্রাফ চেয়ে
আরো আসুক লোক
আরেকটু আটকে থাক
অভিজিৎ আর বন্যা

অথচ ধুলোর চেয়ে বেশি কে জানে
তা তো হবার না

এমন কি বইগুলো সব
পাতায় পাতায় অস্থির খসখস
বারংবার,

বিস্তারিত»

অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু ও এইসব মানুষেরা

কাক কি কাকের মাংস খায়? কিংবা কুকুর কুকুরের? বহুদিন আগে আমার এক বন্ধুর প্রশ্নে কিছুটা চিন্তিত হয়ে গিয়েছিলাম। তাকে জানাই, বিষয়টা জেনে আমি জানাবো। জেনে বলতে বইপত্র ঘেঁটে নয়, কাক এবং কুকুর মানুষের খুব কাছাকাছি থাকায় চাইলেই এদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। আমার বন্ধু আলি খুব কাকপ্রিয় মানুষ। কাক সম্পর্কে আলিকে প্রশ্ন করতেই আলি জানায়, তুমি ভালো করে খেয়াল করে দেখো। কাকের মধ্যে ভালোবাসাবোধ অনেক।

বিস্তারিত»

বাংলাস্তান সম্পর্কিত আলাপ

[ধর্মনুনুভূতি আহত হতে পারে। ঢুইকেন না। সত্য কথা তিতা লাগবে।]

বাংলাদেশের গলিতে গলিতে চিপায় চাপায় মসজিদ। প্রতি ওয়াক্তের নামাজে দুইচারজন বুড়োমানুষ আর হুজুর ছাড়া লোক হয় না। তবে জুম্মার দিন ভিড় উপচায় পড়ে। এতোই উপচে পড়ে, যে রাস্তাঘাট সব বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি চলে না।

অথচ এই দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন! ক্যামনে হইলো? যে দেশে এত ধার্ম্মিক, সেখানে দুর্নীতি হয় ক্যামনে?

তারপর ধরেন,

বিস্তারিত»

বিশেষ দিনে- অগোছালো কিছু অনুভূতি

cake

রাতে বাসায় ফিরেই বললাম চলো কনসার্ট দেখে আসি। আমার সহধর্মিণী বলল, না অনেক রাত হয়েছে, তা ছাড়া রাতে কারোরই খাওয়া দাওয়া করা হয়নি। বাসায় আমার পরিবার ছাড়াও আমার সহধর্মিণীর আপন বড় বোন, বোন জামাই ও তাদের বড় কন্যা মানে ভাগ্নি রয়েছে।

ভাগ্নি সবে ভার্সিটিতে ঢুকেছে আর আমার ছেলে ডিজিটাল যুগের স্ট্যান্ডার্ড থ্রিতে। কনসার্ট শুনে দুই জনেই সুর মিলায়ে চোখের পলকের মধ্যে রেডি হয়ে আমার সামনে।

বিস্তারিত»

জে সুইস অভিজিৎ-আমিই অভিজিৎ

গতকাল দুপুরে ভরপেট খেলাম। খেতে খেতে খাবারের কিছু ছবিও পোষ্ট করলাম। ফেসবুকে ঢুকে দেখি প্রিয় লেখক/ব্লগার অভিজিৎ রায় বিডি নিউজে তার একটা লেখা দিয়েছেন “কেনো কোন কিছু থাকার বদলে কিছু আছে” শিরোনামে। খেতে খেতেই কিছু অংশ পড়লাম। লেখাটিতে লাইক দিলাম। খেয়ে দেয়ে একটা ভাতঘুম টাইপ দিলাম (যদিও ভাত ছিলো না মেনুতে)।

আমাদের ব্যাচের ছেলেপেলে এই তো কদিন আগে হোয়াটস এপে একটা গ্রুপ খুলেছে।

বিস্তারিত»

অভিজিত রায়ের মৃত্যু পরবর্তী ফেসবুকীয় চোথা (টু হুম ইট মে কনসার্ন)–

অভিজিত রায়ের সাথে পলিটিক্যালি বা ফিলোসফিক্যালি আপনি এলাইনড না, আবার তার হত্যাকান্ডের নিয়ে নীরবও থাকতে পারছেন না। অতএব, অভিজিত রায়ের মৃত্যুর সংবাদে বেকায়দায় পড়ে গেছেন? তাহলে এই চোথা আপনার জন্য।
১) প্রথমেই ইহা ‘প্রকৃত’ ইসলাম না বলে ফেলুন। এবার আপনার কাজ সহজ। ইসলামের দৃষ্টিতে নন মুসলিমদের সাথে কীভাবে আচরণ করতে হবে তা নিয়ে আলোচনায় খুন ইত্যাদি অনেক দুরে নিয়ে এটাকে ইসলামী আলোচনা বানিয়ে ফেলুন।

বিস্তারিত»

তবু মনে পড়ে……।।

কষ্টগুলো, দুঃখগুলো ভুলে থাকতে চাই। সব সময়। তবু মনে পড়ে যায়।

২৫শে ফেব্রুয়ারী এলেই মনে পড়ে মেজর শাহনেওয়াজ ভাই আর মেজর আজিজুল হাকিম স্যারকে। পিলখানায় যাদেরকে বিনা অপরাধের খুন করা হয়েছে আরো পাঁচ ডজন অভাগা বীর সেনানীর সাথে।

আল্লাহর কাছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

বিস্তারিত»

বাঁচতে হলে লিখতে হবে!

অনেক বছর হয়ে গেছে লিখিনা, আমিও যেন লেখা ভুলে গেছি! বারবারই লেখার কথা ভাবলে আমার হারানো ডায়েরী টার কথা মনে পড়ে, স্ট্যান্ডিং অ্যাট দি এজ পার্ট ২ এর কথা মনে পড়ে, এখকারশনের সাত দিনের যত গল্লপ মনে পড়ে। আমার মনেও নাই কি কি লিখেছিলাম। এগুলা ভাবলে আর লেখার ইচ্ছে হয় না। কিন্তু সত্যি বলতে কি, এক অজুহাত দিয়ে কত বছর নিজের থেকে পালানো যায়? সবাই নাহয় বিশ্বাস করছে,

বিস্তারিত»

না-গল্প চার : আড়াইখানা ব্রেক-আপ কাহিনী

গল্প নাম্বার – এক
একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নবম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত থাকাকালে সহপাঠি রুমমেট রুমার কাছ থেকে রাজুর ঠিকানা পেয়েছিল মিতু। রুমা তখন চুটিয়ে প্রেমালাপ চালাচ্ছে রনির সাথে আর মিতুর সাথে এমন একটা ভাব করছে যে, “এত সুন্দরি, সুকন্ঠি হয়ে কি লাভটা হলো রে তোর, যদি একটা বয়ফ্রেন্ডই না থাকলো জীবনে?”
প্রথম প্রথম ভালই যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থানকে শ্রেয়তর প্রমান করে ছাড়তো মিতু।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৪: অথঃ ইমিগ্রেশান)

এদেশে এসেছিলাম এক বছরের ভিসা নিয়ে। তবে ভিসা হাতে পাওয়ার তিন মাস পরে এদেশে আসার কারনে হাতে আর সময় ছিল মাত্র নয় মাস। এর মাঝেই চাকরী-বাকরী খোঁজা, গোধূলির জন্ম, এসব করতে করতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলো। তখন মেয়াদ বাড়ানোর জন্য অ্যাপ্লাই করলাম, পেয়ে গেলাম আরও চার বছরের জন্য। এই চার বছর যখন শেষ হবে তখন আমাদের এদেশে অবস্থানের সময়কাল হবে চার বছর নয় মাস।

বিস্তারিত»

সংখ্যা : কপিল, পিথাগোরাস

সংখ্যা : কপিল, পিথাগোরাস

আয়োনীয় গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদ পিথাগোরাস সংখ্যা ও সংখ্যাসংক্রান্ত দর্শন সম্পর্কে কথা বলে ঝড় তুলেছিলেন। সেই হিসাবে উনাকে এই দর্শনের অগ্রণীও ধরা হয়। তবে সেটা কেবল পাশ্চাত্যেই। আসলে পিথাগোরাসের জন্মের একশত বছর আগেই এই সংখ্যা দর্শন প্রবর্তন করেছিলেন আমাদের বাংলারই সন্তান কপিল।

প্রথমে আমি পিথাগোরাস সম্পর্কে দুকথা বলবো তারপর কপিল সম্পর্কে কিছুকথা বলবো।

পিথাগোরাস

সামোসের পিথাগোরাস (প্রাচীন গ্রিক: Πυθαγόρας ὁ Σάμιος Pythagoras the Samian,

বিস্তারিত»

থালেস (খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬): গ্রিসের প্রথম দার্শনিক

থেলিস (খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬): গ্রিসের প্রথম দার্শনিক

থেলিস (মিলেটাসের থালেস, Thales of Miletus (/ˈθeɪliːz/; Greek : Θαλῆς (ὁ Μιλήσιος); খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬)। তাঁকেই গ্রিসের প্রথম দার্শনিক ধরা হয়। সেই হিসাবে তিনিই পাশ্চাত্য দর্শনের জনক।

থালেস ছিলেন এশিয়া মাইনর-এর মাইলেটাসের অধিবাসি। এটি ছিলো একটি উন্নত বাণিজ্যিক শহর। সেখানে এক সময় ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়। সেই শ্রেণী-সংগ্রামে প্রথমে দাসরা জয়লাভ করে ও ধনীদের শিশু ও নারীদের হত্যা করতে শুরু করে।

বিস্তারিত»

হাত ও প্রভাতফেরী

হাত

“এইখানে, স্যার, শালা মুক্তির বাচ্চা এই পোড়া ঘরের মইদ্দে মইরা পইড়া আছে , আমি খবর পাইয়া আপনেরে জানাইলাম-পাকিস্তানরে বাচাইতে এইগুলারে শ্যাষ করন লাগবো”-এক নি:শ্বাসে শুনলাম রাজাকারটার কথা| একা ছিলাম, আশে পাশে কাউকে না পেয়ে নিজেই ঢুকলাম ওর সাথে| মুক্তিবাহিনীর এই কমান্ডার খুব জ্বালিয়েছে, ব্যাটার লাশটা নিয়ে যেতে পারলে ক্যাপ্টেন থেকে আমার মেজর হওয়া ঠেকায় কে! পাক আর্মি বলে কথা!!

উল্টে পড়ে আছে লাশটা,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবন নিয়ে বই প্রকাশ সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি: আলীম হায়দার।

ক্যাডেট কলেজের জীবনে বেড়ে ওঠা শৈশব কৈশোরের আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না, বিদ্রোহ ও প্রেম নিয়ে দুটি উপন্যাস পাওয়া যাচ্ছে এবারের অমর একুশে বই মেলায়, প্রথম উপন্যাস : রক ক্যাডেট, দ্বিতীয় উপন্যাস: বুড়ো বালকের দল, স্টল নাম্বার ২২০-২২১, জয়তী প্রকাশনী, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এছাড়া আমার দুটি কবিতার বই (১) চিত্রপট এবং (২) গাঙ গিরি গন্ধবহে পিঙ্গলে পিঙ্গলে, বইদুটিও পাওয়া যাচ্ছে একই স্টলে।
ধন্যবাদ ।

বিস্তারিত»