বকর-ব্লগর

কিছু মানুষ অতীত নিয়ে পড়ে থাকে, অনেক চিন্তা করে দেখলাম আমিও মনে হয় সেই দলে। শীত আসছে, আর সেই সময়ে আমিও শীত আগে কেমন ছিল সেই চিন্তায় পড়ে আছি। সকাল বেলায় বের হতেই হালকা যেই বাতাসটা গায়ে লাগে সেই বাতাসটা কত বছর আগের ঠিক কোন সময়কার কথা মনে করিয়ে দেয় সেই হিসাব খুলে বসি। বলা চলে, নিজের অজান্তেই এসব শুরু হয়। শীতের শুরুর দিকে কলেজের স্টোর থেকে দুটো কম্বল দিত। জুনিয়র থাকতে রঙিন কম্বল ভাগ্যে জুটত। সিনিয়র হতে থাকলে কালোর সংখ্যা বাড়তে থাকত। ফাইনালি তিনটা করে কম্বল নিয়ে শীত পাড়ি দিতাম। বেড শীটটা সিল্কি ছিল,

বিস্তারিত»

হৃৎপ্রাচীর

মাঝে মাঝে এমন ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ দিন আসে। ভোরের আলোর মোলায়েম পরশ থাকে না। স্লেটের মতো ছাইমাখা আকাশ ভয়ঙ্কর থমথমে চোখে চেয়ে থাকে। তার নিচেই ধাতব শীতল বাতাস এলোমেলো ঘুরতে থাকে। এমন দিনে রাস্তায় বেরুলে কোন মানুষ দেখবে না, দেখবে সারি সারি মৃত মুখ, নিস্প্রভ আলোহীন অবয়বে হেঁটে যাচ্ছে। সূর্যহীন আকাশের কারণে অবয়বগুলোর কোন ছায়া পড়ে না মাটিতে। তারা যেন মসৃণ কালো রাস্তার পাশ দিয়ে কিছুটা পিছলে পিছলে চলে যেতে থাকে। তোমাকে ছাড়িয়ে উঁচু উঁচু দালানগুলোও সেদিন ভেঙে চুরে আসে। তোমার মাথার ‘পরে দুমড়ে মুচড়ে পড়তে থাকে। তুমি দালানের সীমানা পেরিয়ে গেলে তারা আবার ঐ উঁচুতেই ফিরে যায়। তুমি পেছন ফিরে তাকালে দেখো স্লেটরঙা আকাশের জমিনে কালো খড়ের মতো সারি সারি দালান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তোমাকে দেখতে পেয়ে তারা অট্টহাসিতে ফেটে পড়তে থাকে। তাদের ধাতব শীতল শরীরে হরেক রঙের জানালা-চোখ তোমাকে দেখে ক্রূর ঠাট্টার স্বরে কথা বলে ওঠে। এমন দিনে রাস্তায় কোন সুন্দরীকে দেখে তোমার থমকে দাঁড়াতে ইচ্ছা হবে। তুমি ভাববে এক মুহূর্তের অবসর পেলে তার চোখের দিকে তাকাবো। ভাববে এলোবাতাসে তার পিঙ্গল চুল উড়ে বেড়ালে তুমি সেই সুবাস নিবে। হয়তো অনুমান করার চেষ্টা করবে মেয়েটি কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করেছে। গারনিয়ের ফ্রুকটিস?

বিস্তারিত»

অণু ব্লগঃ এক

আমার পড়শী শ্রীমতী ঊর্মিলা আর তার স্বামী শ্রীমান বলরাম সিং কে ছুটির দুপুরে দুটি ডাল ভাতের নিমন্ত্রন করেছিলাম। বিচিত্র কারণে এই দম্পতি আমাদের মা মেয়েকে খানিক স্নেহ করেন। উইকেন্ডে, জন্মদিনে অথবা পড়শীদের পটলাক পার্টিতে আমাদের কদাচিৎ দেখা সাক্ষাৎ ঘটে।

ওদের একমাত্র পুত্র অজয় আসে নাই সাথে, ও জর্জিয়া টেকে পড়ে। ছুটির দুপুরে ক্যাম্পাসে গেছে গ্রুপ স্টাডি করতে।

মোরগ পোলাউ, ভেড়ার রেজালা আর রায়তায় আমাদের সাদামাটা আয়োজন। ঊর্মিলার থেকে সদ্য শেখা কালাকান্দ বানিয়েছি ডেসার্টে। সবশেষে সুগন্ধি দার্জিলিং চা। গল্প জমে উঠেছে সবে। অপরাপর অনেক প্রবাসী মানুষের মত তাদেরও জমিদারী ছিল একদা। পাজেরোর শোফার,

বিস্তারিত»

টাইটেল

টাইটেল আমি বলিনা
বললে কেমন তৃপ্ত লাগে
না বললে
অপরে আড়চোখে তাকায়।

টাইটেল ছাড়া মানুষ
মানুষ ছাড়া টাইটেল
আভজাত্য কি বেমানান।
টাইটেলে কি লেখা থাকে
আভিজাত্যের অপর নাম?
মন-মনুষ্য দিয়ে কি
করা যায় না মানুষের বিচার?

টাকা দিয়ে টাইটেল হয়
টাইটেল দিয়ে বিচার নয়
তাই টাইটেল দেখে বিচার
ভ্রান্ত বলেই গণ্য হয়  B-)

বিস্তারিত»

ফিরিঙ্গি হাইকু

Fate

Millions of rebirths
But the result is same.
Always looser in preset game!

Crocodile Tears

Two footed reptiles,
Shedding crocodile tears.
How treacherous!!

Hot Autumn

Hot autumn evening
My flesh is boiling
In open oven!

বিস্তারিত»

তিনটে লিমেরিক

নিধিরাম

লড়াইয়ের ময়দানে নিধিরাম সরদার
লড়ে যায় খালি হাতে নাই ঢাল তলোয়ার
জনম নিযুত কোটি
না বদলায় নিয়তি
পরাজয়ে নত হয় বারবার।

গুমট আশ্বিন

মেঘ যেন কাশফুল একেবারে শুকনা
প্রাণবায়ু যায় বুঝি তবু পাতা নড়ে না
শারদীয় গরমে
মাথা ভরা ঘামে
আশ্বিনে ঝকাসটা এলো না।

কুম্ভিলক

মায়াকান্নায় নক্র মশাই সাজেন বড় স্তাবক
মহান কাজে ভিখ মাগেন গিরিগিটি তঞ্চক
কল্কে বোতল
শুকনো গরল
গড্ডালিকার কুম্ভিলক।

বিস্তারিত»

টাইমপাস নাম্বার – ৫

ভর্তি হইয়া বিএসসিতে
বসে থাকি একা টিএসসিতে
চারপাশে কত সুন্দরী মেয়ে
তাহাদের দিকে শুধু থাকি চেয়ে

এমনই একদা মেয়েটিকে দেখে
ইশারায় তাকে একপাশে ডেকে
কহিলাম : ওগো,ললনা
বিলটা না হয় আমিই দিবো
চটপটি খাই চলো না!

বিস্তারিত»

একরাশ কবিতা – ১

আজ কেন মন?
————- ড. রমিত আজাদ

ঘুমিয়ে ছিলাম ঘুমপুড়িতে ঘুমপাড়ানী গানে,
ঘুম কেন মোর ভাঙিয়ে দিলে, লাগিয়ে দোলা প্রাণে?
স্বপ্ন গুলো হেসে কেঁদে, পড়তো আঁখির ফাঁদে,
আজ কেন মন উদাস হয়ে গাইলো নতুন রাগে?

বিজন বনে, মনের কোনে রাঙিয়ে দিলে আঁখি,
প্রজাপতির ডানায় ভেসে গাইলো নতুন পাখী।
কোন তারা আজ খসে পড়ে জ্বালিয়ে দিলো বন,

বিস্তারিত»

নিশীথ প্রলাপ।

রিয়ার ভিউ মিররে পেছনের গাড়ির তীব্র হেডলাইটের প্রতিফলনে চোখ যেন ঝলসে যায়। এদেশে কি কোন আইন কানুন নাই? এভাবে হাই-বিম মেরে এরা কি রাস্তায় মানুষ খুন করতে নামসে? রাস্তা ভর্তি লাইট। আলোর কোন কমতি নাই। তারপরও এত প্রকট আলো জ্বালিয়ে কি লাভ, শুনি? রাস্তার এপারে গাড়ি অনেক আস্তে চলছে। পাঁচ লেনের প্রশস্ত হাইওয়ে। রাত ১২টা ছুঁই ছুঁই। মঙ্গলবার পেরিয়ে বুধবার হবে। তারপরও এত জ্যাম কেন?

বিস্তারিত»

সুলতানের স্কেচ বুক

sm-sultan-5

এস এম সুলতান বা লাল মিয়া আমাদের সমাজের আর দশজনের চোখে পাগল ছিলেন বলা যায়। মেয়েদের মতো শাড়ি পড়তেন, কখনো বাঁশি বাজাতে বাজাতে ছুটতেন অজানায়, কখনো ঢাকার বুড়িগঙ্গার দিকে। ছোট চুলের কোন ছবি দেখি নি সুলতানের। হয়তো একই সাথে তিনি ছিলেন কৃষ্ণ আবার রাঁধা। স্যুট কোট, ক্যাডিলাক, পশ্চিমের আরাম-আয়েশ ছেড়ে অজ পাড়া গায়ে গিয়ে থাকা সহজ ব্যাপার নয়। সুলতান হয়তো পেরেছিলেন কারণ তিনি এই মাটিরই সন্তান ছিলেন।

বিস্তারিত»

মহুয়া

অমৃত সরবরে ডুবে দেখি, অনেকটা অবাক হয়েই যেন; হঠাৎ তোমার মুখ । ভাবছি, তুমি এখানে কিভাবে এলে !? এটা তো আমার, একান্তই আমার । বাস্তবতাকে লুকিয়ে, ব্যাথার নীলকে এড়িয়ে, স্মৃতির মেলে ধরা পাখাটিকে কোনরকমে ধোঁকা দিয়ে আমি প্রায়শই যেখানে হারিয়ে যাই, এটাই সেই অমৃত সরবর ।

এখানে না আছে সময়ের আধিপত্য, না তোমার ঐন্দ্রজালিক প্রভাব । এখানে আমার মন চাইলেই ছোট্ট একফালি চাঁদ তার খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসে পূর্ণিমার রূপোলিতবক মোড়া সজ্জায় । আমি হাত বাড়ালেই টুপ করে মহুয়ার ফুলটি তার মাতাল করা গন্ধ নিয় মিশে যায় আমার অস্তিত্বে । এ জগৎ আমার ……

বিস্তারিত»

শিশু যৌন নিপীরণ- সচেতন হতে হবে এখনই!

সাত বছরের বাচ্চারা যেমন হয় তেমনই হাসিখুশি, উচ্ছ্বল ও বাবা-মা এর আদরের মেয়ে কমল। ওর বাবার পুরনো বন্ধু মি. বকশি আগের বাসা বদলে ওদের ঠিক সামনের ফ্ল্যাটে ওঠেন। মি এবং মিসেস বকশি দুজনেই চাকুরিজীবী, পরিবারের সদস্য সংখ্যাও দুজনই। খুব দ্রুত মি. বকশি’র সাথে কমলের ভাল বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে- কেননা তিনি হাসিখুশি, কমলকে চকলেট-আইসক্রিম সহ নানা উপহার কিনে দেন, কমলকে মাঝে মাঝে গাড়ি করে স্কুলে নামিয়ে দেন,

বিস্তারিত»

তখনও জানতে বাঁকী

তখনও জানতে বাঁকী

তখনও জানতে বাঁকী, তুমি আর আমি,
কার চেয়ে কে বেশী, কাকে ভালবাসি?
এখন আর তখনের জীবনসীমায়,
তোমার ছলনাগুলো এখনো কাঁদায়।।
তখনও জানতে বাঁকী, তুমি আর আমি,
কার চেয়ে কে বেশী, কাকে ভালবাসি?

প্রথম যেদিন তুমি ভালবেসেছিলে,
প্রবল সুখে এ চোঁখ ভরা ছিল জলে।
প্রথম যেদিন তুমি বিদায় জানালে,
ব্যাথায় ভরা দুটি চোঁখ ভরেছিল জলে।
তখনও জানতে বাঁকী,

বিস্তারিত»

ডিজিটাল সুখ দুঃখ

পাঁচ মাস ফেইসবুক আর জিমেইলে ইলেক্ট্রনিক বার্তা চালাচালির পর অবশেষে স্কাইপে দেখা হলো রোদেলার সাথে।

: হ্যালো বিউটিফুল! ফাইনালি পাওয়া গেলো তোমাকে

আমি হাত নেড়ে বলি

: হাই, প্রিন্স অব নোভাই!

দুই হাত আর একমাথা ঝাঁকড়া চুল দুলিয়ে রোদেলা আমাকে উইশ করে

রোদেলাকে ভড়কে দিতে আমার চুলগুলোকে অনেক কায়দা করে একটা মোহক স্টাইল দিয়েছি একটু আগেই,

বিস্তারিত»

দুটি গান

আউলা-ঝাউলা চুল
——————– ড রমিত আজাদ

আউলা-ঝাউলা চুল, তোমার আউলা-ঝাউলা চুল,
সেই চুলেরই খোপায় তুমি রাখছো জবার ফুল।
মিষ্টি-মধুর মুখ, তোমার মিষ্টি-মধুর মুখ,
ঐ মুখে চাইয়া আমি পাই যে মনে সুখ।

বাঁকা দুইটা চউখ, তোমার বাঁকা দুইটা চউখ,
ঐ দুই চউখে আমার পরাণ পইড়া রউখ।
মিঠা মিঠা হাসি, তোমার মিঠা মিঠা হাসি,
ঐ হাসিরই জালে পইড়া তোমায় ভালোবাসি।

কুসুম কুসুম হাত,

বিস্তারিত»