চলে গেলো রুশো

“সার্ভিং দ্য হিউম্যানিটি”, সংক্ষেপে এসটিএইচ (“Serving the Humanity- STH”) নামের একটি ছোট্ট সংগঠন গঠিত হয়েছিল আজ থেকে ৭/৮ বছর আগে। প্রথম প্রথম একটু অগোছালো ভাবেই কাজ শুরু হয়েছিল, পরে স্থপতি জগলুল এর গুলশানের অফিসে বসে একটা আনুষ্ঠানিক আলোচনার মাধ্যমে এ সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী নিয়ে একটা প্রাথমিক রূপরেখা তৈরী করা হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের কিছু উপকারে আসা এবং এ লক্ষ্যে যার যার সাধ্যমত অবদান রাখা।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ আজকের পূর্বাহ্নে

রাতে ঘুমাতে যাবার আগে আমি সাধারণতঃ সেলফোনটা অফ করে দিয়ে বেডসাইড টেবিলে রেখে ঘুমাই। সকালে ফজরের নামাযের সময় যখন উঠি, তখন আবার অন করে নেই। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে যখন ফোনটা অন করলাম, তখন দেখি আমার বন্ধু মেজর লুৎফুল কবির ভূঞা (অবঃ)ফেইসবুকে প্রকাশিত আমার একটি অনুবাদ কবিতা “পাহাড়টাকেই নিলাম বেছে” পড়ে গতরাতে সেখানে অনুবাদের প্রশংসা করে একটা মন্তব্য করেছে। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে মনটা খুশী হয়ে গেলো।

বিস্তারিত»

আমার ইজিপ্টনামা

এক
……………………………………………………………………………………………………
ইউ এন মিশনের ছুটি থেকে ৯ দিনের ছুটি জমিয়ে রেখেছিলাম। হিসাবটা এরকম- ৫ দিন ইজিপ্ট যাবো আর ৪ দিনের জন্য ঈদের সময় দেশে গিয়ে সবাইকে সারপ্রাইজ দিব। সারপ্রাইজ জিনিষটা জীবনে আমি কখনও দিতে পারিনা; হয় কিছু একটা ঝামেলা লাগে, নয়তো আগেই লোকজন জেনে যায়। পরিবারকে ঈদের সারপ্রাইজ দিতে গিয়েও একই অবস্থা। আমি নিজেই সারপ্রাইজড! প্রায় ৩ মাস আগে কাতার এয়ারওয়েজের ১টা অফার ছিল।

বিস্তারিত»

যুগোত্তর নস্টালজিয়া

আমার সেদিনের সকালের ঘুম ভেঙ্গেছিল একটা ফোন কলে। আর সেই দূর্বিসহ দূঃসংবাদ। প্রাথমিক শক কাটিয়ে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এখানে ওখানে ফোন করছিলাম, এই আশায়, কেউ একজন বলুক যে সংবাদটা সঠিক ছিল না।

আগের রাতেও হিমেলের সাথে ফোনে অনেক্ষণ ধরে কথা হলো। সে কিছুদিনের মধ্যেই ঢাকায় আসবে বলছিল, তার ইণ্টার্ণ রিপোর্ট জমা দেবার জন্য। হিমেল শুধু আমার ছোট ভাই (কাজিন) ছিল না, আমরা দুজন ছিলাম সুখ দুখের সাথী।

বিস্তারিত»

পাহাড়টাকেই নিলাম বেছে (অনুবাদ কবিতা)

নিম্ন-সমতলভূমি আমায় ডেকে
স্বাধীন বসতি গড়ার আহ্বান জানায়
দখলদারিত্বের কোন শ্রম ব্যতিরেকে,
আমি তাতে সাড়া দিতে উদ্যত হই।

তাই না দেখে পাহাড়টাও গুরুভার,
চাল মেরে দেয় তার। কঠিন পথের
পিচ্ছিল বাঁক বেয়ে ওপরে ওঠার
ইশারায় আমন্ত্রণ জানায় সে আমায়।

দুটো আমন্ত্রণেই একসাথে সাড়া দিতে
পারি না আমি; যে কোন একটা পথ
বেছে নিতে হবে আমায়,

বিস্তারিত»

চন্দ্রনাথ পাহাড় এবং গুলিয়াখালি সি বীচ ভ্রমণ

মাঝে মাঝে নিজের মন কে ছুটি দিতে হয় এই শহুরে কোলাহল থেকে। ক্লান্ত-শ্রান্ত মন কে নিয়ে যেতে হয়  প্রকৃতির কাছে, সবুজের মাঝে। এজন্যই গত সপ্তাহে ঘুরতে গিয়েছিলাম সীতাকুণ্ড এর চন্দ্রনাথ পাহাড়ে।

শহর থেকেমাত্র ২৫ কিমি দূরেই সীতাকুণ্ড। সেখানে সিএনজি অটো বা মাইক্রো ভারা করে আপনি সহজেই যেতে পারেন। আমরা ১৩ জন মিলে লেগুনা ভাড়া করেছিলাম। সকাল ৮ টায় চিটাগাং এ কে খান বাস স্টপ থেকে যাত্রা শুর করে দেড় ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে যাই।

বিস্তারিত»

এই বেশ আছি

এই বেশ আছি।
থাকা না থাকায় আছি; দেখা না দেখায় আছি।

জীবন অচল ভেবেছো যাকে ছাড়া, সে দিব্যি চষে বেড়াচ্ছে পৃথিবী।

ফিরবে আবার ক্লান্ত এ’মুখো হয়ে রোজকার মতো।
পথ তাঁর ঠিকই ফুরোবে শুধু ক্ষয়ে যাবে সময়,
বদলে যাবে আশপাশটা।
ধ্রুপদী অস্পষ্টতায়ে মলিন হবে ভাবনারা
বটের পাতার মতো নুয়ে রোদপোড়া মুখটা হয়তো ঢেকে দেবো না আর।
কালো-কষ্টের রং নদীর মৌনতায় ধুয়ে যাবে;

বিস্তারিত»

বোবার কান্না

‘রাজা, তোমার বাবা এখন কোথায়’?

ছোট ফুপির এ কথাটা শোনার সাথে সাথে রাজার দু’চোখ বেয়ে প্রথমে নীরবে ফোঁটা ফোঁটায়, পরে ঝর ঝর করে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। ও কী বুঝলো, কী ভাবলো, কে জানে! ফুপি যখন এ প্রশ্নটা করেছিলো, তখন কেবলমাত্র ও ছাড়া ওদের বাড়ীর এবং আশে পাশের সব বাড়ীর পুরুষ লোকেরা গিয়েছে স্থানীয় মাসজিদে, জুম্মার নামাযে। তবে অন্যান্য দিনে জুম্মার নামাযের সময় এরকমভাবে সবার বাড়ী পুরুষ শূন্য থাকেনা বা হয়না।

বিস্তারিত»

বৃত্তস্থ ত্রিভুজ

জেবা আফরোজ। বিজনেস ম্যাথের কোর্স টিচারের নামটা চোখের সামনে ঘুরঘুর করলেও আর দশটা সাধারণ সাদামাটা নামের মতই একে আমলে নিইনি। ক্লাসের কেউ কেউ বিশেষত্বহীন জেবা থেকে জেব্রা বের করে হাসাহাসি করতে থাকলে তাতে দু’একবার তাল দিয়েছি, ব্যাস। নতুন শিক্ষক; তাই যাবতীয় প্রাথমিক কৌতূহলসমেত প্রস্তুত আমরা। তা সত্ত্বেও জেবা বা জেব্রা ম্যাম যখন ক্লাসে ঢুকলেন, তার চেনাচেনা চেহারায় ‘জেবা আফরোজ’ খাপে খাপ মিলে যেতেই চমকে উঠলাম!

বিস্তারিত»

ইডি কথন

শরীরটা ভালো না। আমার একটা পার্মানেন্ট অসুখ আছে। এটা আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। কিছুদিন পর পর ই এটা আসে এবং আমি এর আগমনের সিম্পটম গুলোর ক্রমধারা অবলীলায় বলে দিতে পারি। এই অসুখের অনেকগুলো উপসর্গের একটি উপসর্গ হচ্ছে মাথা ব্যাথা। মাথা ব্যাথা হলেই আমার কলেজের কিছু স্মৃতি মনে পড়ে যায়। অবশ্য স্মৃতি না বলে দু:সহ স্মৃতিও বলা যেতে পারে। এই মাথা ব্যাথা-ই আমার কলেজ জীবনের একটি স্মরণীয় ঘটনার কারণ হয়ে যায় পরবর্তীতে।

বিস্তারিত»

অনলাইন ডায়েরীর পাতা থেকে

এক

একান্ত অনুগত ভালোবাসা
প্রত্যেক অভিব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্ত
চিনির পরিমাণ সঙ্গত
১১.০৮.২০১৮

দুই

truth  isn’t beautiful
it never was
even the gods play tricks

31.07.2017

তিন

Geometry of life
third quadrant
occupied largely

30.07.2017

চার

কালপুরুষ অন্যপাশে
সেকেন্ডের প্রতি পদক্ষেপে
বাড়ে অশ্লীল নিরবতা
২৭.০৭.২০১৮

পাঁচ

সিমেন্টের জঙ্গল
ছপেয়ে পাখির দল
পনপনিয়ে রাত জাগায়।

বিস্তারিত»

স্বগতোক্তি

আসসালাতু খায়রুম মিনান্নাউম
রাতের আঁধার চিরে দৃপ্ত ঘোষনা
কথা গুলো এখনো কানে ভাসে
“বেটা ওঠ, বেলা দশটা বাজে“
মুচকি হাসি চলে আসে
জানি, কেন এমন বলতে।
আমি কি কম চালাক ছিলাম?
দরোজা একটু ফাঁক করে
নিশ্চিন্তে লম্বা ঘুম দিতাম।
এভাবে তোমাকে ঠকাতে গিয়ে
নিজেকেই ঠকিয়েছি বারবার।
এখন বড্ড কষ্ট লাগে
বাবা হবার আগে কেন
বাবাকে বোঝা যায় না?

বিস্তারিত»

রোমাঞ্চের তীব্রতা

খুব সম্ভবত ঘটনাটা ১৯৯০-এর। আমরা তখন সবেমাত্র ক্লাস নাইনে উঠেছি। ক্যাডেট কলেজের জুনিয়র গ্রুপের মধ্যে সিনিয়র ক্লাস। একদিকে হালকা মাত্রার সিনিয়রিটির ভাব, অন্যদিকে আবার জুনিয়রের সামনেই মাঝে-মধ্যে প্রিফেক্ট, স্টাফ বা টিচারদের দ্বারা পানিশমেন্ট। এক আজব সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা তখন। প্রথম বয়োসন্ধির নাকের নিচে হালকা গোঁফের রেখা। এরই মধ্যে আবার দুয়েকজন এই হালকা গোঁফে লুকিয়ে রেজার চালিয়ে ফেলেছে। তাই নিয়ে আবার একেকদিন একেকজনকে নিয়ে চলে হাসাহাসি।

বিস্তারিত»

লুকোচুরি

টিল্লো–ও, ধাপ্পু, টুকি টুকি
ছোটরা খেলে লুকোচুরি
খুজে পায় বা নাই পায়
খেলাতেই মজা ভারি।
বড়রাও খেলে লুকোচুরি
লুকায় লুকায় চুরি চুরি
কি লুকায় খুজে দেখি
কে বা আছে এত সাহসী!

একান্ত সেই গোপন কোটরে
লুকিয়ে রাখি কত কী যে!
না পাওয়ার দুঃখ রোগ
টাকা কড়ি গোপন ভোগ
লুকিয়ে রাখি চোখের জল
আর লুকাই বুকের অনল।

বিস্তারিত»

দাগ

১।
লোকটা মুচী না হয়ে, কোনো মাসাজ পার্লারেও কাজ করতে পারতেন! এমন সুনিপুণ হাতে জুতার উপর ব্রাশ ঘষছেন যে, আরামে জুতা যখন তখনই ঘুমিয়ে যেতে পারে। মুচী জনার্দন হলের কাছের ক্যাম্পাসের এ পাশটায় বেশ পরিচিত মুখ। তার হাতে পালিশ করা জুতা পরে, কত পদযুগলের মালিক আজ সমাজে উঁচু পদে অসিন হয়েছেন!
আজও যেমন একজনের ইন্টার্ভিউ। তার কাছেই জুতা পালিশ করাচ্ছে।
জনার্দনের বুট পালিশের সুগন্ধে একটা মাছি সেই তখন থেকেই পেরেক ঠোকার হাতুড়িটার উপর বসার চেষ্টা করছে।

বিস্তারিত»