শান্তির দেশ ভুটান ভ্রমণ — ১

প্রায় হঠাৎ করেই এক অনির্ধারিত সাক্ষাতে আমরা চার বন্ধু দম্পতি ইচ্ছে প্রকাশ করলাম, শান্তির দেশ ভুটান সফরে যাব। শুধু ইচ্ছে প্রকাশ করলেই তো হবেনা, অর্থকড়ি ছাড়াও কিছু কাঠ খড়ও পোড়াতে হবে। আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম কথা বলে যে বন্ধুটি, সেই দায়িত্ব নিল সবার পক্ষ থেকে হোটেল বুকিং, টিকেট বুকিং, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার। শুধু তাই নয়, ০৬ মে ১৭ তারিখে তার বাসায় বাকী তিন যুগলকে দাওয়াত করে সফরের উপর একটা নাতিদীর্ঘ প্রারম্ভিক ব্রীফিং দিল এবং টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজপত্র হস্তান্তর করলো।

বিস্তারিত»

বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা : কিছু ভাবনা

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খুব সাধারণ একটা অভিযোগ হল, এখানে যা শেখান হয়, বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগে খুবি কম। আর বাস্তব জীবনে যা কাজে লাগে, সেগুলো সবাই শেখে ঠেলায় পড়ে। কথারটার মধ্যে সত্যতা আছে বলেই মনে করি। আমার মতে এই ব্যাপারগুলো আমাদের স্কুল সিলেবাসে থাকা উচিত যেগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে-

রান্না ও পুষ্টি: সাধারণ রান্নার নিয়ম-কানুন জানা ও অভিজ্ঞতা থাকা সবারই দরকার।

বিস্তারিত»

ডিভোর্স এণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া

কিছু বিষয়ের অহেতুক সমালোচনা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। বিশাল এই সমাজের নিতান্তই একটা ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে আমার ধারণা, কিছু-কিছু সমালোচনা, হাসি-তামাসা বা তিরস্কার, ব্যাক্তি এবং সমাজ উভয়ের দৃষ্টিতেই অগ্রহনযোগ্য। হাসি-তামাসা টাইপের সমালোচনা বা কটাক্ষ, যা ইদানিং “ট্রল” নামে ব্যপকভাবে পরিচিত, এসবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু প্রকৃতার্থে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং রুচিজ্ঞানকেই জনসম্মুখে নিয়ে আসি। অনেকেই হয়ত মুখে কিছু বলে আমাদের এই অসুস্থ মানসিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন না,

বিস্তারিত»

‘লুয়াং প্রেবাং’ – বিলীয়মান নান্দনিক ইতিহাস দ্বিতীয় পর্ব

‘লুয়াং প্রেবাং’ – বিলীয়মান নান্দনিক ইতিহাস

 

দ্বিতীয় পর্ব

 

চন্দন গাছের শহরে বাইসাইকেল আরোহী

 

“Where I went in my travels, it’s impossible for me to recall. I remember the sights and sounds and smells clearly enough, but the names of the towns are gone, as well as any sense of the order in which I traveled from place to place.”- Haruki Murakami,

বিস্তারিত»

অস্তাচলের ভাবনা

সন্ধ্যা ঘনায়ে এলো,পাখি খোঁজে নীড়,
মেঘ তুমি ভেসে যাবে ছড়িয়ে আবির।
আমি হেথা দেখে যাবো রঙের খেলায়
তোমার হারিয়ে যাওয়া আঁধার বেলায়।

মেঘ তুমি ভেসে যাবে কোন দেশেতে?
অনুপম এ রঙে তোমায় কে এঁকেছে?
সোনালী আভায় মোড়া নীল ধুপছায়া
প্রেয়সীর কপোল সম কোমল কায়া!

বিস্তারিত»

বারো শিবালয় মন্দির – জয়পুরহাট

জয়পুরহাট জেলা সদরের হেলকুন্ডা গ্রামে বাস করতেন কান্ত মন্ডল ও তার পরিবার। পেশায় গন্ধ-বনিক কান্ত মন্ডল নবাবী আমলে (১৭০৭ – ১৭৫৭ খ্রীঃ) অর্থ-বিত্ত-ঐশ্বর্য্যে এতটাই সম্মৃদ্ধি অর্জন করেন যে, তাকে মূর্শিদাবাদের তৎকালীন ধন্যাঢ্য ব্যাক্তি জগৎশেঠের সাথে তুলনা করা হতো। এই বংশেরই অন্যতম সফল পুরুষ রাজীব লোচন মন্ডল।

সম্ভবতঃ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে অথবা উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে রাজীব লোচন মন্ডল জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার বেল আমলা গ্রামে ‘বারো শিবালয় মন্দির’ নামে একটি মন্দির নির্মাণ করেন।

বিস্তারিত»

প্রভুর ক্ষমা, মায়ের আশীষ

নিজের লেখায় কখনো তৃপ্ত বোধ করি না। যতবার পড়ি, ততবারই সম্পাদনা করতে ইচ্ছে হয়। নিজের লেখা পুরনো কবিতার ঝাঁপি খুলে আজ এই কবিতাটাকে হাতের কাছে পেলাম। পড়ে ভাল লাগলো, কবিতা লেখার পেছনের অনুভূতিটার কথা মনে পড়ে গেল। সাথে সাথে মাকে ফোন করলাম, দোয়া চাইলাম। মা জানালেন, সব সময় আমরা তাঁর দোয়ায় আছি। মাথায় তাঁর অদৃশ্য হাতের পরশ অনুভব করলাম। মায়ের হাসিমাখা কথাগুলো কানে গেঁথে রইলো।

বিস্তারিত»

তউফিক স্যারের জন্যে প্রার্থনা!

আমি নিজে বিখ্যাত মানুষ না হলেও অনেক বিখ্যাত মানুষদের সাথে আমার পরিচিতি ও সখ্যতা ছিল। কৈশোরকাল হতেই। এই সুযোগটা মূলত সৃষ্টি হয়েছিলো মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে আমার পড়াশুনা করার সুবাদে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৩ সাল। ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে সবার একটা সাধারণ ধারণা যে সমাজের বিত্তবান শ্রেণীর অভিভাবকদের সন্তানরা এখানে পড়াশুনা করে। বিষয়টার বর্তমান সত্যতা সম্পর্কে আমি খুব বেশি ওয়াকিবহাল নই। তবে আমাদের সময়ে, তৎপূর্বে, এমনকি আমাদের পরের অনেকটা সময় জুড়েও ধারণাটা সত্য ছিল না।

বিস্তারিত»

নামে কী বা আসে? কী বা যায়?

এই তো মাত্র বছর তিনেক  আগের ঘটনা। তখন ক্রিকেটে বাংলা-বয়েজ এর শনির দশা চলছিল। ৫ মার্চ ২০১৪, এশিয়া কাপের ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছেও নাস্তানাবুদ হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ২২ বলে ৪১ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলে আমাদের সবার নয়নের মণি হয়ে গিয়েছিল জিয়াউর রহমান নামের অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল এক চৌকস খেলোয়াড়। বাংলা-ক্রিকেটের ভক্ত সমর্থকদের গভীর হতাশার মাঝে সে যেন এক হঠাৎ আলোর ঝলকানি। এই ছেলেটা আগামী দিনে আমাদের ক্রিকেটের একটা বড় নক্ষত্র হয়ে উঠবে এমনটা ভেবে ভেবে আমরা সবাই কমবেশি উচ্ছ্বসিত।

বিস্তারিত»

জয়পুরহাট

বাংলার পাল সাম্রাজ্যের (৭৫০ – ১২০০ খ্রীঃ) দ্বিতীয় নৃপতি ধর্মপালের (৭৭০ – ৮১০ খ্রীঃ) ভাই বাকপালের পুত্র জয়পাল। অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, ধর্মপালের অপর ভাই দেবপাল (৮১০ – ৮৫০ আনুঃ খ্রীঃ) তার শাসনামলে জয়পালকে তার প্রধান সেনাপতি হিসাবে নির্বাচিত করে। জয়পাল পরবর্তী কালে এই অঞ্চল শাসন করার সুযোগ/অধিকার পান। স্থানীয়রা খঞ্জনপুরের দক্ষিণ দিকে আনুমানিক ২.৪ কিলোমিটার দূরে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপত্যের নিদর্শনকে জয়পালের রাজবাড়ি বলে চিহ্নিত করে থাকেন।

বিস্তারিত»

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো

সে রাতে আকাশ যেন ভেঙে পড়েছিলো,
জলভরা মেঘগুলো নেমে এসেছিলো,
পাখিদের নীড়গুলো ভিজে গিয়েছিলো,
নিশাচর পথিকেরা বাড়ী ফিরেছিলো।

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো,
মেঘ ভরা জলধারা ঝরে পড়েছিলো,
সরীসৃপেরা সারারাত বিবরে ছিলো,
বাহিরের কিছু প্রাণী ভেসে গিয়েছিলো।

সে রাতে আকাশ থেকে নেমে এসেছিলো,
এক সুন্দরী জলপরী মায়ায় ভরা।
এক ঘুমহারা পাখিকে ঘুম পাড়িয়ে,

বিস্তারিত»

ডিপ্রেশন সম্পর্কে কম জানা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ডিপ্রেশন সম্পর্কিত যে ব্যাপারগুলো আমরা খুব একটা গুরুত্ব দেই না, তা হলো:

১) ডিপ্রেশন আমাদের ভাবনা-চিন্তার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, চিন্তা-ভাবনায় বিক্ষিপ্ততা নিয়ে আসে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দূরে ঠেলে রেখে অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কালক্ষেপণ করায়। ডিপ্রেশন কালে যে আত্মবিধ্বংসি ভাবনাগুলো আসে, সেটা এই বিক্ষিপ্ততার কারনেই।

২) ডিপ্রেশনের কারনে অন্যের প্রতি সহানুভুতি, এমপ্যাথি, ইত্যাদি হ্রাস পায়। আর তা হবেইবা না কেন? নিজেকে সারাক্ষণ দুঃখের চাদরে মুড়ে রাখলে অন্যকে দেয়ার মত সময় পাওয়া যাবে কিভাবে?

বিস্তারিত»

চিত্রার হাতে ত্রিশ টাকা

জীবনে সর্বপ্রথম সৌমিত্রের আয় হয়েছিল জয়েন করার দ্বিতীয় দিনে। তখন স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। শিক্ষক-প্রভাষকগণ এক এক শ্রেণীর ইনভিজিলেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সৌমিত্র নিজেও সেদিন স্বেচ্ছায় এই দায়িত্ব নিয়েছিলো। পরীক্ষা শেষ হলে শহরের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবার আগে হেড ক্লার্ক শরৎ বাবু ওর রুমে আসেন। এবং ত্রিশটি টাকা দিয়ে রেজিস্টারে ওর স্বাক্ষর নিয়ে নেন। কিসের টাকা জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছিলেন,
– ইনভিজিলেটর হিসেবে আজকের সম্মানী স্যার।

বিস্তারিত»

বিয়ে বিচ্ছেদ, বিশেষজ্ঞ মতামত ও আমাদের সমাজবিজ্ঞানীরা-১

সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বিয়ে বিচ্ছেদ মহামারী আকার ধারণ করেছে যা কয়েকমাস আগে মিডিয়াতে এসেছিল। অনেকগুলো পত্রিকা এবিষয়ে সাম্প্রতিক তথ্য ও উপাত্তের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেইসব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আমি এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, বিয়ে বিচ্ছেদকে রোধ করার জন্য বাংলাদেশকে তালেবানী আফগানিস্তান বানাতে হবে। পাশাপাশি, সমাজবিজ্ঞান এমন একটি বিষয়, যেখানে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য সামজবিজ্ঞান না পড়লেও চলে। কিভাবে এইসব অনুসিদ্ধান্তে আসলাম,

বিস্তারিত»

রেপ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ভাবনা (শেষ পর্ব)

রেপ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ভাবনা (প্রথম পর্ব)

তৃতীয় অংশ
এডাল্ট ভিক্টিমের ক্ষেত্রে এখনো রেপের সবচেয়ে প্রচলিত সংজ্ঞা হলো “the carnal knowledge of a woman when achieved by force and against her will by a man who was not her husband”.
জানা যায়, এই সংজ্ঞার অরিজিন হলো প্রাচিন ইংলিশ আইন।
আর সেই আইনের বেসিস ছিল ততকালিন বৃটিশ সমাজ ব্যবস্থা যেখানে নারীকে পরিবারের সম্পত্তি জ্ঞান করা হতো।

বিস্তারিত»