পাঠকের ডায়েরিঃ স্মৃতি উসকে দেওয়া বই- খাকি চত্বরের খোয়ারি

ফেসবুকে বইপড়ুয়া বলে একটা গ্রুপ আছে। শাহাদুজ্জামানের বইয়ের খবরটা সেখান থেকেই পাই। লেখক হিসেবে শাহাদুজ্জামান এমনিতেই পছন্দের তালিকায় আছেন তার উপরে বইটা যখন ক্যাডেট কলেজ নিয়ে লেখা তখন আর তার উপর নজর না দিয়ে পারি নাই। ক্যাডেট কলেজ নিয়ে যেখানে যা পাই পড়ি, নিজের অভিজ্ঞতার সাথে অন্যদেরটা মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করি। তাই আজিজে বইটা চোখে পড়তেই কিনে ফেললাম। এরপর শুধু চুপচাপ পাতা উলটে যাওয়া।

শুরু টা একটু জড়সড়। তারপর ভাষাটা খাপ খুলে যায়। ততক্ষণে প্রধান চরিত্রদের সাথে পরিচয় হয়ে যায়,

বিস্তারিত»

হঠাৎ একদিন এবং কিছু সত্য মিথ্যা গল্প

শয়তানের কারখানাঃ

অলস লোকদের বিশাল সমস্যা, তারা ঘুম আর শুয়ে বসে থাকা ছাড়া পৃথিবীর যে কোন কিছুর প্রতি খুব বেশিদিন আগ্রহ ধরে রাখতে পারে না। আমি অবশ্য নিজে কে নিজে কখনো অলস ভাবি না কিন্তু সমস্যা হল আমার চারপাশের সবাই ভাবে। কিছুদিন মানুষের এই ভুল ধারণা ভাঙ্গানোর চেষ্টা করে সে চেষ্টাতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। তাই যুগের আবর্তনে সেই ভুল ধারণা একটি ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে আমার চারপাশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে লোকজন যখন অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা জাতীয় উপদেশ দেওয়া শুরু করে তখন হাই তুলতে তুলতে মনে মনেই ভাবি,

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরিঃ বন্দীশালা পাকিস্তান

সন্ধ্যার সময় কাজ না থাকলে প্রায়ই বইয়ের দোকানে ঘোরাঘুরি করি, খুব যে একটা বই কিনি তা না বরং এসি বা ফ্যানের হাওয়া খাইতে খাইতে বই দেখাই মূল উদ্দেশ্য। এরকম গত কয়েকদিন আগে গরমের মধ্যে “মধ্যমা” নামক দোকানে এসির হাওয়া খাইতে খাইতে হঠাত তাকের একটা বইয়ের দিকে চোখ পড়ল, হালকা পাতলা হলুদ রঙের একটা বই। কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই আগ্রহ জাগল তবে বইয়ের দোকানে বই আগ্রহ জাগালেও সব সময় তা গরীব ছাত্রদের পকেটের অবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না। সবসময় না হলেও এইক্ষেত্রে দুইয়ে দুইয়ে চার হল। কারণ বইটার দাম মাত্র ৫৬ টাকা।

বিস্তারিত»

আজম খান

চুপ,চুপ,চুপ, অনামিকা চুপঃ

তখন সম্ভবত সেভেন বা এইটে পড়ি, বাসায় টিভি চ্যানেল বলতে সেই আদি অকৃ্ত্রিম বিটিভি। ডিশের স্বাদ পেতে তখনো অনেক দেরি তাই পড়াশোনা বাদে বাসায় থাকার সময়টাতে বাংলা সিনেমা, নাটক, বির্তক, খবর সব দেখি। এমনকী মাঝে মাঝে জনি প্রিন্ট শাড়ির এ্যাড দেখার জন্যও বসে থাকি। সেই সময় একদিন হঠাৎ বিটিভি ছাড়তেই দেখি এক টিঙটিঙে বুড়ো গান গাইছে- চুপ, চুপ,চুপ, অনামিকা চুপ

বিস্তারিত»

এইসব সাদাকাল দিনে-০৪

০।
আজকাল প্রায় সকাল আটটার ক্লাস করা হয় না। স্যার ক্লাসে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলে আর ঢুকার উপায় নেই তাই প্রায় দিন চার তলায় উঠে দেখি ক্লাসের দরজা বন্ধ ঘড়িতে তখন হয়ত আট’টা পাঁচ বা ছয়। এইভাবে ক্লাস মিস করতে করতে ভাবি কীভাবে যে কলেজে থাকতে সকালে পিটিতে যেতাম তা শুধু আল্লায় মালুম। সেভেন এইটে ডিউটি ক্যাডেট থাকতে হুইসেলেরো আর অনেক আগে উঠে কীভাবে অন্যদের জাগাতাম এইটা এখন আমার নিজের কাছেই এক সপ্তমাশ্চার্য। এখন তাই ক্লাস মিস করলে কলেজের কথা মনে আসে আর কলেজের কথা মনে আসলে রাজ্জাক স্টাফের

বিস্তারিত»

একজন শেখ আহমেদ জালাল এবং মুক্তিযুদ্ধের এক তথ্য ভান্ডার

একটা দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গূরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাদের স্বাধীনতার ইতিহাস। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস সংরক্ষণের দ্বায়িত্ব সাধারণত প্রত্যেক রাষ্ট্রেই নেয় সরকার কিন্তু আমাদের দেশ যেন এক উলটো রাজার দেশ। তাই এদেশের পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতার ইতিহাস পরিবর্তন হয় প্রতি পাঁচ বছর পর পর, জাতীয় পতাকা উড়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে। প্রায়া আড়াইশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া যুক্তরাষ্ট্র যেখানে তাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিখতে ব্যবহৃত কলম পর্যন্ত সংরক্ষণ করে তখন চল্লিশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া আমাদের জাতীয় আর্কাইভ থেকে অযত্নে,

বিস্তারিত»

আজ রুমকির বাবার জন্মদিন

আজকে সিসিবির জন্মদিন গেল, বলা যায় এই উপলক্ষ্যে অনেক পুরাতন পাপীদের লেখা দেখা গেল আজ। মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য আর ফ্রিজ খুলে মিষ্টি খাওয়ার মাঝে সিসিবি বেশ কয়েকমাসের মধ্যে আজকেই সবচাইতে জমজমাট। তবে এই উতসব উতসব ভাবের মাঝে সম্ভবত সবার অলক্ষ্যেই চলে যাচ্ছে এই ব্লগের এক পুরাতন পাপীর জন্মদিন। এদিকে মাস্ফু ভাই নাকি এই শীতের রাতে চোর ডাকাতের ডিউটিতে ব্যস্ত আর রকিব মিয়া নাকি সুন্দরী বালিকাদের চা বিলানোতে ব্যস্ত কিন্তু তাই বলেতো জন্মদিনের পোস্ট থেমে থাকতে পারে না তাই আজকে রাতের এই কী-বোর্ডবাজি আমাদের ভাতিজি রুমকির বাবার জন্য :D

তা এই রুমকির বাবার সাথে আমাদের অনেকের পরিচয় ইন দ্যা ইয়ার নাইন্টিন নাইন্টি নাইন। তখন আমরা সবে কুমিল্লা থেকে একটু দূরে ময়নামতির তীরে কোন এক লাল হাউজের সদ্য আগত বাসিন্দা। সেই সময় ক্লাস সেভেনের এক বালক কে প্রথম দিন ডিনারের আগে তার গাইড শিখায় টেবিলে তোমার হাতের ডান পাশের টেবিল লিডারের চেয়ারে যে এসে বসবে তার নাম পারভেজ,

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরিঃ একজন শহীদুল জহির এবং জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার গল্প

আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা লেখকদের চিনতে বড় দেরি করে ফেলি। ঘড়ির কাটা ঘুরে, সময় যায় কিন্তু সময়ের স্রোতে আমরা আসল লোকদের চিনতে বড় দেরি করে ফেলি। আমরা শুধু বাজার কাটতি লেখকদের চিনি আর চিনি টিভি নাটকের লেখকদের। তারপরেও আমরা নিজেদের পাঠক বলি। তাই সামান্য কিছু পাঠকগন্ডি পেরিয়ে একজন শহীদুল জহির কিংবা মাহমুদুল হকের সাথে আমাদের পরিচিত হতে অনেক দিন লাগে। কে জানি একবার বলেছিল সত্যিকার লেখকেরা একসময় না একসময় বেরিয়ে আসে তাই মৃত্যুর পরে হলেও তাদের লেখা ডানা মেলে।

বিস্তারিত»

মফস্বল সংবাদ

আমাদের এই ছোট্ট শহরে আমার মত যুবক বয়সী ছেলেপেলেদের আড্ডা দেওয়ার জায়গা আসলে তেমন একটা নেই। এই পাড়ার মুখে, ঐ পাড়ার চায়ের দোকানে কিংবা বালিকা স্কুলের রাস্তার উপর কালী মন্দিরের সামনে। এইসব জায়গায় অবশ্য বহু পোলাপাইন আড্ডা দেয় কিন্তু আমারা তেমন একটা জুত পাই না। আরে আড্ডা দিলে দিতে হয় দিল খুলে কিন্তু এইসব জায়গায় কি আর তার জো আছে? পাড়ার মুখে আড্ডা দিলে হাজারটা মুরব্বির সামনে পড়তে হয়। তাদের এই প্রশ্ন,

বিস্তারিত»

আমার চারপাশ ০৪

আজকে সকালটা শুরু হল বৃষ্টি দিয়ে। ভোরে প্রচন্ড শব্দে একটা বাজ পরল, তখন প্রায় ছয়টা বাজে। বাজের শব্দ আর ঠান্ডা বাতাস এই দুইয়ে মিলে ঘুম ভেঙ্গে গেল। রাতে ঘুমিয়েছি অনেক দেরীতে তাই এই ঠান্ডা ঠান্ডা বৃষ্টি মুখর পরিবেশে আবার ঘুম। দারুন ঘুম। ঘুমানোর সময় একটা স্বপ্ন দেখলাম। কলেজ নিয়ে। কলেজে থাকতে সকাল বেলা বৃষ্টি ছিল সবার বহু প্রতিক্ষীত কিন্তু তার দেখা পাওয়া যেত ভোর বেলা কদাচিত। দেখা যেত ভোরবেলা প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু পিটির বাঁশি দেওয়ার একটু আগেই থেমে যেত ব্যাটা,

বিস্তারিত»

সত্যজিৎ এর “নায়ক”

সিনেমা আমার কম দেখা হয়। মাঝে মাঝে এর তার থেকে শুনে শুনে দু’য়েকটা সিনেমা দেখা হয়। এর মাঝে অবশ্য বাংলা সিনেমার পরিমাণ খুব কম, প্রায় নেই বললেই চলে। অভিজ্ঞতা যা আছে তার কিছুটা আগে দেখা শুক্রবার দুপুর তিনটা বিশের বাংলা সিনেমার সুবাদে। ব্যাপারটা নিয়ে আগে তেমন একটা গা করি নি কিন্তু কয়েক দিন বাংলা সিনেমা কে প্রটেকশন দেওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বির্তক ব্লগের পাতা গড়িয়ে আমাদের আড্ডাতেও একদিন এসে পরল। সেই আড্ডাতেই তর্ক করতে করতে হঠাত টের পেলাম বাংলা সিনেমা সম্পর্কে আমার জ্ঞান অল্প কয়েকটা সিনেমার মধ্যেই সীমাবন্ধ। আর এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হল বেশী বেশী বাংলা সিনেমা দেখা। আমার স্বল্প জ্ঞানে বাংলা সিনেমার পরিচালকদের মধ্যে ছোটকাল থেকেই শুনে আসছি সত্যজিতের নাম। তাই সত্যজিৎ এর পুরো মুভি কালেকশনটাই কিনে ফেললাম গতকাল রাইফেলস স্কয়ার থেকে। এর মধ্যে প্রথমেই দেখা হল “নায়ক”।

নায়কের কাহিনী গড়ে উঠেছে পর্দার এক নায়ক কে ঘিরে। সিনেমার শুরুতে পত্রিকার একটা খবর আমাদের জানান দেয় নায়কের উদ্দাম জীবন সম্পর্কে। নায়ক চলছেন দিল্লী,

বিস্তারিত»

রেবেকা

আজ রাতে শীত আসলেই বেশি পড়েছে, সামান্য এই চাদরে কিছুতেই মানতে চাইছে না। শীতে খাটের উপর রেবেকা কেমন গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে, দেখে মায়াই লাগে। আহারে মেয়েটা কত রাত না জানি, না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে। কম্বলটাও পুরান, পাতলা। রেবেকার শীত মানছে বলে মনে হয় না, কিন্তু শালা কিছুই করার নেই। বিয়ের পর মেজ ভাই যে নতুন কম্বলটা পাঠিয়েছিলেন করাচী থেকে বেশ ওম হত ওটাতে। কিন্তু সোলাইমানের বাচ্চা সব নিয়ে গেল। শখ করে বানানো সেগুন কাঠের টেবিল টা,

বিস্তারিত»

তারেক ভাই এবং তার কাঠের সেনাপতি

কাঠের সেনাপতি
বই মেলা আসলেই ক্যাম্পাসে একটা অন্য রকম সুবাস পাওয়া যায়, বইয়ের সুবাস। এই সময়ে শামসুন্নাহার হলের কোণায় বা লাইব্রেরীর সামনে আড্ডা গুলোর থেকেও বেশী টানে মেলা। অবশ্য টানারই কথা, বালিকা আর বই দর্শনের এমন সুযোগ আর কোথায় পাওয়া যাবে বলেন। তবে অনেক সময় এই দর্শনটাই সার হয় কারণ বালিকারা যেমন আমাদের পাত্তা দেয় না তেমন সব বই এই গরীব মেধাবী ছাত্রদের পক্ষে কিনা সম্ভব হয় না। তবে আমার মত গরীবরা সুযোগ ছাড়ে না,

বিস্তারিত»

জনৈক ছড়াকারের জন্মদিন আজ

আজকে জনৈক ছড়াকারের জন্মদিন। জন্মদিনের প্রিফেক্ট মাস্ফু ভাই নাকি মিষ্টি খেতে চীন দেশ আছেন আর সেইসাথে চৈনিক বালিকা দর্শনে চা’ওয়ালা রকিবও সেইখানে অবস্থান করছে তাই বাধ্য হয়ে অনেকদিন পর কিবোর্ডে আঙ্গুল চালাতে হচ্ছে।

এই ছেলেটা কে অবশ্য আপনারা সবাই চিনেন। ব্লগের আনাচে কানাচে তার নানা কীর্তি ছড়ানো ছিটানো আছে। শোনা যায় মাসরুফ ভাইয়ের “মাস্ফু” নাম হওয়ার পিছনে তার একটা পোস্টের হাত আছে। অবশ্য এইটা লেখার পর সে মাস্ফু ভাই থেকে কিছু শিখতে পেরেছিল কিনা সেইটা আমাদের জানা নেই :D

আজকে অবশ্য রাত অনেক হইছে তাই পোস্ট আর বেশী বড় না করি। আসেন সবাই জামাতে নিচে মন্তব্যের ঘরে ছেলেটা সম্পর্কে দুয়েকটা ভাল কথা বলে যান। আর সেই সাথে আমি খালি বলি শুভ জন্মদিন জিহাদ :)

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরীঃ লারা

কিছু কিছু বই আছে কেন জানি পড়া হয় না। পড়া হয় না মানে হয়ত বইটা কাছেই আছে কিংবা চাইলেই পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় তবুও কেন জানি আর পড়া হয় না। কলেজে টেস্ট বা প্রিটেস্ট কোন একটা পরীক্ষার আগে ফর্মে আমার পাশে বসে বসে ইরফান একটা বই পড়ে, উলটে পালটে আবার পড়ে এবং পড়া শেষে প্রত্যেকবার বলে- রাশেদ বইটা পড়িস কিন্তু। কিন্তু আমার আর পড়া হয় না। এর মাঝে অনেক সময় চলে যায়। দুই হাজার দুই তিন থেকে আমি চলে আসি দুই হাজার দশে আর হাতে উঠে আসে পুরান সেই বই,

বিস্তারিত»