random header image

তাইফুর (৯২-৯৮) এর ব্লগ

পুরো নাম :  মোহাম্মদ তাইফুর মাহবুব পাভেল
ক্যাডেট নাম :   তাইফুর
ক্যাডেট নম্বর :   ১৬৪৪
ব্যাচ :   ৩০
কলেজ :  মির্জাপুর
অবস্থান সময়কাল :   ৯২-৯৮
বর্তমানে যা করছেন : দুনিয়াতে আছি এবং মোটেই ভাল কিছু করছি না।

ইয়েস, দে আর এ লুলু পাগল … পর্ব -১

ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “ইত্যাদি”তে ‘পাগল সম্মেলন’ নিয়ে একটা পর্ব হইছিল … পাগল সম্রাট লুলু পাগল সেই সম্মেলনের উদ্দোক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলছিলেন “ইয়েস আই এ্যাম এ লুলু পাগল, এ্যান্ড মাই ওয়াইফ নূর-জাহান, সে মাছ কোটে আর গান গায়”। জনৈকা পাগলী তার পাগল হওয়ার রোমহর্ষক কাহিণী বর্ননায় বলছিলেন “মাছি দিয়া ভাত খাইছিলাম”।
ক্যাডেট কলেজের প্রতিটা ব্যাচেই দুই [...]

এ্যাডাম টিজিং

ডিসক্লেইমারঃ আমি নারী বিদ্বেষী নই মোটেও …
ইভ টিজিং নিয়ে অনেক কথা হয়, পত্র-পত্রিকা-তে লেখালেখিও হয় প্রচুর। কিন্তু এ্যাডাম টিজিং নিয়ে এ জীবনে কাউকে কিছু লিখতে বা বলতে শুনলাম না। এ্যাডাম টিজিং শব্দটা ডিকশনারী-তে আছে কিনা তাতেও অবশ্য আমার সন্দেহ আছে। না থাকারই কথা। একেতো ডিকশনারী নিজে নারী, তার উপর আবার পূরুষ শাসিত সমাজে এই শব্দ [...]

উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি -২ (সৌমিত্রের প্যালিন্ড্রোম)

ঝিনাইদা’র পুলাপাইন গুলা যা সব শক্ত শক্ত কোবতে লেখে। পড়তে গিয়ে কতদিন চশমা ভেঙ্গেছি, অনুবাদ করতে গিয়ে ভেঙ্গেছি দাঁত, তার ইয়ত্তা নাই। আজকে সৌমিত্র মশাইয়ের প্যালিন্ড্রোম পড়ে পুরাই গেছি … প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও নাকি একই শোনায়। লেখা তো দুরের কথা, এই ধরনের আইডিয়া মাথায় আসার জন্য যতটুকু মাল মাথায় থাকা দরকার ততটুকু মালও [...]

দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে …

অনেক দিন ধরে “ব্লগ লিখি, ব্লগ লিখি” করেও ব্লগ লিখা হচ্ছে না। সময়ের অভাব, টপিকের অভাব এবং সর্বোপরি “কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি”র চক্করে ঘুরপাক খেতে খেতে, কি-বোর্ড আর আঙ্গুলের শত্রুতা চিরস্থায়ী হওয়ার আগেই তাই উপস্থিতি জানান দেয়া টাইপ পোষ্ট … বিয়াপওক তাড়াহুড়ায় লিখা … তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করতেই পারি।
“দন্ডিতের সাথে, [...]

সুখের অসুখ

একটা প্রশ্ন ইদানিং ঘুরে ফিরে আমাকে বড় বেশি বিরক্ত করে যাচ্ছে। বিয়ে করে কি ভুল করে ফেললাম? কিছুদিন আগেও তো দিনগুলো এত দ্রুত পার হয়ে যেত না! উলটো স্থবির, শ্লথ, শম্বুক গতির দিনগুলোর একেকটা ঘন্টা এত বেশি সময় ধরে চলত যে বিরক্তি এসে যেত। আর এখন আমার সময় কাটে ঘড়ির কাটার সাথে পাল্লা [...]

একুশ নিয়ে … (আদিখ্যেতা নয় মোটেও)

একুশ এলেই আমরা বাংলা নিয়ে খুব মাতামাতি করি … বাইশ এলে আবার ভুলেও যাই। তেইশ থেকে বাংলিশ আবার শুরু … তাও তো মন্দের ভাল। বইমেলা, শহীদ মিনার তবু তো মনে করিয়ে দেয় একুশের কথা। আহ্লাদের আতিশায্যে লিখলামই না হয় একটা দুইটা কবিতা।
একুশ এলেই লিখতে বসি, লেখালেখি বেড়ে যায়।
একুশ নিয়ে লেখালেখির মাত্রা যেন ছেড়ে যায় [...]

একজন পর্দা নিয়ন্ত্রকের পারফর্মার হয়ে ওঠা

মূলতঃ ক্লাস সেভেনের ট্যালেন্ট শো থেকেই শুরু হয় ক্যাডেটদের ষ্টেজ পারফর্মেন্স। ওই সময় থেকেই প্রায় নির্দিষ্ট হয়ে যায় ব্যাচের কালচারাল প্রোগ্রাম হলে কোন দায়িত্ব কাকে নিতে হবে। দায়িত্ব ভাগাভাগির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ থেকেই আমার বন্ধু ‘পর্দা নিয়ন্ত্রক’ হিসেবে ব্যাপক নাম করে ফেলল। প্রায় সব শাখায় জান-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেও বিফল আর ওয়াশ-আউট হয়ে শেষ পর্যন্ত ‘পর্দা [...]

একডজন অণূকাব্য … অনেকগুলা কম (নামকরণের কপিরাইটঃ টিটো)

১।
দখিনা বাতাসে তার এলোচুল উড়ে যায়
উড়ে যায়
উড়ে যায়
ছুয়ে যায় আমার বুকের তপ্ত বালুচর
নিঃস্বঙ্গ মরুকে যেমন অকস্মাৎ ছুয়ে যায়
সাইমুম ঝড়

কল্পনার এপিটাফ

ঘুম ভেঙ্গে চোখ মেলে চাইলাম,
নিশ্ছিদ্র অন্ধকার, ছন্দপতনহীন নীরবতা মাঝে।
যখন জেগে ছিলাম মূমুর্ষূ আমার চারপাশে ছিল কত কি!
মা, বাবা, আত্মাহীন আত্মীয়,
ফিনাইলের গন্ধ, সাদা চাদর, নিষ্প্রাণ ডাক্তার
আর ছিল শুকিয়ে যাওয়া কালো গোলাপ, সাদা রজনীগন্ধা।

ফালতু কবিতা এ্যাক্রস্টিক … কাম ব্যাক পোষ্ট

অস্তগামী সূর্য্যটাকে আজ বড় বিষন্ন, বিধ্বস্ত লাগছে।
রুদ্র প্রখর দিন পেরিয়ে রাতের করুণ আধারে হারাবার কালে
নিস্ব, রিক্ত মনে হচ্ছে
মাত্রাতিরিক্ত মন খারাপ আজ সুর্য্যের
আমার মনটাও আজ কেন জানি বারবার
মিলেমিশে একাকার হয় আধার কালো বিষাদের রঙে
তোমাকে কাছে পেয়ে প্রখর সূর্য্যালোকের মত তারুন্যের স্পর্শ পেয়েছিলাম
মাত্র ক্ষণকাল স্থায়ী হল সে অনুভব, তারপর
কেমন করে বিষন্নতা আমাকে গ্রাস করল, নির্জীব রাতের আধারের [...]

উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি

বলতে দ্বীধা নাই, আরও অনেকের মত আমিও আন্দালিবের বিশাল ভক্ত। ছেলেটার লেখা যতই পড়ি ততই ওর চিন্তা ভাবনার রসাল রসে রসসিক্ত হই। মাঝে মাঝে এও ভাবি, সেদিন হয়ত দূরে নয়, আন্দালিবের কবিতা পাঠ্য বইয়ে চলে আসবে। সে যুগের কথা ভেবেই … ‘এ পৃথিবীকে শিশুর বাসযোগ্য করে দিয়ে যাব’ টাইপ কবিতার নোটবই …
আন্দালিব নিশ্চই মাইন্ড করবে [...]

আন্দা … গদ্যায়িত পদ্য …

আন্দা’র কবিতা পড়ে পড়ে নিজেকে বড় নিঃস্ব, রিক্ত মনে হয়। শক্ত, কঠিন, রস রসায়িত গদ্যায়িত পদ্য লিখতে উসখুশ করে মন ও মগজ। কলম, কাগজ, কি-বোর্ড আর মাউস বড় বেশি মিছিল, মিটিং আর আন্দোলন করে … তবু … বাঁধাগুলোই যেহেতু চিরজীবন আমার প্রেরনা, বাঁধা গূলোকে বেঁধে লিখতে থাকি … ঋণাত্বক আর ধণাত্বকের কাষ্ঠ্য কোবতে …
হর্ষেরা [...]

বিশ বছর পর … বিশ বছর আগে …

বিশ বছর আগে …
১। মফস্বল শহরগুলোতে কোন গৃহশিক্ষক একবার কোন পরিবারে ঢুকে গেলে ব্যাস … ওই পরিবারের সবগুলো সন্তান তখন সতীর্থ না হয়ে যায় কোথায়। উপরন্তু সেই গৃহশিক্ষক যদি ডাকসাইটে, স্বনামধন্য কেউ হন তবে তো কথাই নাই। পরিবারের কর্তা, কর্তৃ তখন নিশ্চিন্ত মনে সবগুলো সন্তানকে তার কাছে সপে দিয়ে নিশ্চিন্ত হন। বড় দুই বোন কে পড়িয়ে [...]

কে বলে পাগল … সে যেন কোথায় …

স্কুলে যাবার পথে যেকোন একটা কিছুকে টার্গেট করে ছোট ছোট লাথি দিতে দিতে স্কুলের গেট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া ছিল আমার জন্য প্রতিদিনের ঘটনা। সেদিনও সেই রকমই এক টার্গেট নিয়ে নিমগ্ন হয়ে স্কুলের পথ চলছি, হঠাৎ কে যেন খপ করে আমার ডান হাতের কবজি ধরে ফেলল। তাকিয়ে দেখি পৌনে নগ্ন এক পাগল। (অর্ধ বলার অবকাশ নাই, [...]

একটি সিরিয়াস পোষ্ট দেবার এখনি সময়

আমার নিজের লিখা ব্লগের ঝুলিতে সিরিয়াস টাইপ পোষ্টের বড় অভাব। খুব সিরিয়াস একটা বিষয় নিয়ে লিখব লিখব করেও লিখা হচ্ছে না। ‘এখন যৌবন যার, একটা সিরিয়াস পোষ্ট দেবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’ … যৌবন পার হবার আগেই তাই …
ঋণী হবার গল্প …
২০০৪ সালের জানুয়ারি। বাস্কেটবল খেলতে গিয়ে এ্যাঙ্কেল টুইস্ট করে আমি হাসপাতালে ভর্তি। ভিজিটিং আওয়ারে, শুভাকাঙ্খীদের [...]