random header image

সালাম তোমায় বন্ধু…(জীবনের গল্প)

বাবা-মা আর দুই বোন যখন রাতুল (ছদ্মনাম) এর সাথে প্রথমদিন ক্যাডেট কলেজে এসেছিল, তখন সবাই এই পরিবারের সদস্যদের সুখী মুখ দেখে তৃপ্ত ছিলেন। আর হবেই বা না কেন? এরকম ছোট নির্ঝঞ্জাট পরিবারের বড় ছেলেটি আজ ক্যাডেট কলেজে জয়েন করলো। দেখতে দেখতে ছয়টি বছর কেটে যাবে। এরপরে সংসারের বিদ্যমান এই সুখ আরো বহুগুনে বেড়ে যাবে। বোন দুটির ভালো বিয়ে হবে, নিজে বিয়ে করবে। বাবা হয়তো চাকুরী থেকে অবসর নিবেন। জীবনের পড়ন্ত বেলায় তাঁরা তিন ছেলে মেয়ের কাছে ঘুড়ে বেড়াবেন…কিংবা ছেলে মেয়েরা নাতি-নাতনী নেয়ে বেড়াতে আসবে। আনাগত আনন্দময় দিনগুলো আসলেই খুব আপন আর নিজেদের মনে হচ্ছিল তখন।

রাতুল ছাত্র হিসেবে ভালোই ছিল। লেখা পড়ার বাইরেও ক্লাশের সবাই ওকে মোটামুটি জিনিয়াস বলেই জানতো। বন্ধু মহলে সে কখনোই গাঁধা গোত্রীয় কিংবা নির্বুদ্ধি শ্রেণীর ছিলনা। অর্থাৎ, বন্ধুমহলে তার যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা ছিল। দিন যায়, মাস যায়‌ বছর যায়… এভাবেই ক্লাশ সেভেনের সেই ছোট্ট ছেলেটি বড় হতে থাকে। বাবা, মা আর ছোট দুইটি বোন স্বপ্নের জাল বুনতে থাকে।

১৯৯২ সাল। এস এস সি পরীক্ষার আর কিছুদিন বাকী। সবাই পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত। রাতুল নিজেও। সমস্ত কমিটমেন্ট থেকে পরীক্ষার্থীরা তখন অফ। হাউসে থেকে তখন পরীক্ষার্থীদের কেবলই পড়াশুনা আর পড়াশুনা। এমনি একদিনে রাতুলকে ডেকে পাঠানো হলো। কারণ, রাতুলের মা অ্যাক্সিডেন্ট করেছে। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হলো। তিনদিন হাসপাতালে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে পরিবারের প্রিয় মানুষগুলোকে ছেড়ে সকল মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে পরোপারে পাড়ি জমালেন তিনি।

জীবনযুদ্ধে রাতুলের প্রথম পরীক্ষা ছিল এটি। এর মাঝেও আমাদের লড়াকু এই বন্ধুটি পরীক্ষা শেষ করলো। পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে গেল মা হারা ছোট বোন দু’টির কাছে। কান্ডারীনিহীন সংসার নামক এই ছোট্ট তরীটিকে কি করে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সাগরের তীরে আনা যায় তাই নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে হয়েছিল আমাদের এই বন্ধুটিকে। মোটামুটি সামাল দিয়ে ছুটি শেষ করে ফিরে এল কলেজে।

নব উদ্যমে জীবনকে সাজানোর জন্য নতুন অধ্যায় শুরু করতে ব্যস্ত রাতুল তখন। ক্লাশ ইলেভেনের একদিন (সম্ভবত এসএসসি’র ছুটি শেষে কলেজে জয়েনের এক মাস পরে) । কমনরুমে ক্যারাম খেলছিল বোধহয় ও তখন। হাউস অফিসে ডাক পড়ল। ছুটিতে যাবার জন্য ব্যাগ গোছাতে বলা হলো। জানা গেল, বিধাতা রাতুলকে আরো পরীক্ষা করতে চান। আর এ পরীক্ষার অস্ত্র হিসেবে রাতুলের ছোট্ট কাঁধে সংসারের সমস্ত বোঝা চাপিয়ে দিয়ে ওর বাবাকে এ ধরা থেকে তুলে নিতেই বিধাতা সবচেয়ে বেশী পছন্দ করলেন। ছোট্ট দু’টি বোনকে নিয়ে রাতুল তখন দিশেহারা। ক্লাশ ইলেভেনে পড়ুয়া একটি ছেলের কাছে এই পরিস্থিতিটুকু কতটা সহনীয় তা আমি আজো কল্পণাতে আনতে পারছিনা। বাবার পেনশনের টাকা তুলতে ছোট্ট রাতুল তখন দিশেহারা হয়ে ঢাকার এই অফিস, সেই অফিস করে বেড়িয়েছে। দুর্নীতিময় অফিসগুলোতে বারবার হোচট খেয়েছে রাতুল, কিন্তু তারপরেও লড়াই করে গেছে। হয়তো বোন দু’টির অসহায় মায়াভরা মুখ তাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি।

ছোটবেলাতে ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বইতে “ইয়াতিম” এর সংজ্ঞা পড়েছিলাম। আমার মনে হয় রাতুল এবং তার ছোট্ট দু’টি বোনই এর প্রকৃত সংজ্ঞা। ধীরে ধীরে রাতুল কেমন যেন হয়ে গেল। আগের সেই উচ্ছ্বলতা নেই। সারাক্ষণ চুপচাপ থাকে। কি যেন ভাবে। কি হবে তার, কিংবা ছোট্ট বোন দু’টির ভবিষ্যৎ- এই চিন্তা যেন সারাক্ষণ ওকে আচ্ছন্ন করে রাখে। বন্ধুরাও যেন ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা কিভাবে ওকে সান্ত্বনা দেবে। আদৌ কি আছে কোন সান্ত্বনার ভাষা?

এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ করে কলেজ থেকে বের হয়ে আসলো রাতুল। জীবন যুদ্ধের সবচেয়ে কঠিনতম অধ্যায় শুরু হলো। মাথার উপরে পুরো সংসার, বিশেষ করে ছোট্ট বোন দু’টি। অন্য কোন উপায় না দেখে দ্রুত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাতুল আর্মিতে যোগ দেয়াটাকেই প্রাধান্য দিল। ক্যাডেট কলেজের সেই জিনিয়াস ছেলেটি বিএমএ’তে এসে কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেললো। সবার কাছে রাতুল তখন “মাথা কাজ না করা ক্যালাস” নামক এক চরিত্র। প্লাটুন বা কোর্সের সবাই রাতুলের উপর বিরক্ত। কারণ, রাতুলের মাথা নাকি ঠিকমত কাজ করেনা। একের পর এক ভূল করেই যাচ্ছে। রাতুলের জন্য সবাইকে বেশী পানিশমেন্ট খেতে হয়। এমনকি বিএমএ’তে সোনার চেয়েও দামী ফ্রি টাইম গুলাতেও এভাবে পানিশমেন্ট খেতে হয় রাতুলের কারণে। সবাই রাতুলকে বকা দেয়। কেউ কেউ অবহেলাও করে। কিন্তু কেউই একটিবারের জন্যও ভাবেনা রাতুলের এমন অবস্থার পিছনে কোন কারণ আছে কিনা। রাতুলকে শুধু কিছু বলেনা ওর কলেজের বন্ধুরা, যারা জানে কতটা মানসিক বিপর্যয়ের মাঝ দিয়ে নরকতুল্য কষ্টকর দিনগুলো পার করছে ও। রাতুল আমার কলেজের না হওয়ায় আমি নিজেও জানতাম না এই ঘটনাগুলো। কলেজের বন্ধুদের বাইরে রাতুলের রুমমেট শুধু জানতো ওর হৃদয়ের রক্তক্ষরণের এই কাহিনী। ওর রুমমেট অবশ্য বাইরের কলেজের ছিল।

অতঃপর রাতুল বিএমএ’র নরকময় দিনগুলো শেষ করে অফিসার হিসেবে ইউনিটে জয়েন করলো। সময়ের স্রোতে তার ছোট্ট বোন দু’টোও যে কখন বড় হয়ে গেছে তা রাতুল খেয়ালই করেনি। বিবাহযোগ্যা বোনকে সুপাত্রে সম্প্রদানের ব্যাপারটি তাকে আবার অন্তহীন গভীর ভাবনায় ডুবিয়ে দিল। সময় বয়ে চলে তার নিজ গতিতে। একে একে আমাদের কোর্সের বন্ধুরা বিয়ে করতে আরম্ভ করলো আর রাতুল তখন উদ্ভ্রান্ত বিবাহযোগ্যা বোনকে সুপাত্রস্থ করার জন্য।

রাতুলের এত কষ্ট, এত ত্যাগ কিছুটা হলেও মনে হয় বিধাতাকে স্পর্শ করতে পেরেছিল। আর তাই ঠিক এই সময়ই আবির্ভাব হলো মানুষরূপী এক ফেরেশতার। কোন কিছু না জেনে, কখনো না দেখে রাতুলের বোনকে বিয়ে করতে রাজী হলো রাতুলের বিএমএ’র সেই রুমমেট যে খুব কাছ থেকে দেখেছে রাতুলের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ। জানিনা আমি নিজে কখনো এতটা উদার হতে পারতাম কিনা যা হয়েছে আমাদের এই বন্ধুটি। রাতুলের বোন এখন সুখেই আছে আমার সেই বন্ধুটির ঘরণী হয়ে।

পৃথিবীতে কেন এখনো কেয়ামত হয়নি, তা আমি আজ উপলব্ধি করছি। হয়তো আমার এই বন্ধুটির মত ভালো মানুষগুলোর জন্যই আমরা এখনো এই সুন্দর পৃথিবীকে উপহার হিসেবে পেয়েছি।

রাতুল এখনো বিয়ে করেনি। যুদ্ধ করে যাচ্ছে সবচেয়ে ছোট বোনটিকে সুপাত্রস্থ করার। নিজের জীবনের সব সুখ, আশা, স্বপ্ন সব কিছু বিসর্জন দিয়ে চলেছে আমাদের রাতুল। জীবন যুদ্ধে লড়াকু সৈনিকের মত হার না মানা মনোভাব নিয়ে এখনো যুদ্ধ করে যাচ্ছে। জানিনা কবে ওর এই যুদ্ধ শেষ হবে। কবে হবে ওর নিজের একটা সাজানো গোছানো সংসার। কবে ও বাবা-মা’র ছবির সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারবে, “দেখেছ তোমরা, আমি তোমাদের যোগ্য সন্তান। তোমাদের আদরের মেয়ে দু’টিকে আমি ফেলে দেইনি। মুছে যেতে দেইনি ওদের মুখের হাসি।”

সবার কাছে আমার করজোরে অনুরোধ, সবাই একটু রাতুলের জন্য দোয়া করবেন যেন এই দিনটির জন্য রাতুলকে খুব বেশী অপেক্ষা করতে না হয়। আর দোয়া করবেন ফেরেশতার মত আমার সেই বন্ধু কোর্সমেটটির জন্যও।

==========================================================================

অফটপিকঃ
• ধন্যবাদ রেজওয়ান। তোমার জীবনের গল্প সিরিজের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েই আমার এই পোস্টটি।
• ইচ্ছে করেই ছদ্মনামটি ব্যাবহার করা হয়েছে। কারণ, রাতুলের মত লড়াকু সৈনিকেরা কখনো কারো করুণা পেতে চায়না।
• রাতুলের জীবন থেকে আমরা সবাই যেন শিক্ষা গ্রহণ করি। আমাদের সবার জীবনেই ছোট খাট অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু তা কি রাতুলের জীবনের সমস্যাগুলির চেয়ে বড়? সুতরাং, আসুন মহান আল্লাহর কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করি আমাদেরকে রাতুলের চেয়ে ভালো অবস্থানে রাখার জন্য।
• রাতুল আজ জানে বাবা এবং মা’র মূল্য জীবনে কতখানি। আমরা এখনো ঘরে ঢুকে বলতে পারি, “মা ক্ষিদে পেয়েছে, খেতে দাও।” কিংবা ফোনে বাবাকে বলতে পারি, “আমার এ মাসে কিছু টাকা লাগবে।” কিন্তু রাতুল বা ওর দু’টি বোন তা পারেনা। আমরা অনেক ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী। ………আমরা যেন আমাদের বাবা-মা’কে কষ্ট না দেই।
• ভালো থাকবেন সবাই। সব বাবা-মা’কে আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৩৯ টি মন্তব্য

  1. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৮:১০ অপরাহ্ন |

    জীবন যুদ্ধের অসম সাহসী যোদ্ধা ভাইটাকে সশ্রদ্ধ :salute:
    উপরওয়ালা তার আগামী দিনগুলোকে সাফল্যমণ্ডিত ও আনন্দময় করে দিক- এই কামনা করছি…

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৩ অপরাহ্ন |

    আমিন।

    [ জবাব দিন ]

  2. শঙ্খচিল (১৯৯৯-২০০৫)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৮:২১ অপরাহ্ন |

    এই সব মানুষ গুলো আমাদের সবার প্রেরণা।
    আমার কেন যেন ড্রাগ-আসক্তদের কথা মনে হচ্ছে! এর থেকে অনেক তুচ্ছ কারণে তারা আসক্ত হয়ে যায়। তাদের জন্য ফিরে আসার প্রেরণা হতে পারেন এই রকম লড়াকু সৈনিকরা।
    রাতুল ভাইকে :salute: :salute: :hatsoff: :hatsoff:

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৪ অপরাহ্ন |

    মনের গভীর থেকে রাতুলের জন্য :salute:

    [ জবাব দিন ]

  3. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৮:৩২ অপরাহ্ন |

    আমি বিদ্রোহী ভৃগু,ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদচিহ্ন
    আমি স্রষ্টা সূদন শোক তাপ হানা খেয়ালি এ বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন”

    ……………নজরুল এই কবিতা রাতুল ভাইয়ের মত কাউকে নিয়েই লিখেছিলেন।
    আহসান ভাই,চোখে পানি এসে গেল লেখাটি পড়ে।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৫ অপরাহ্ন |

    কি-বোর্ডটা আসলেই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে…

    [ জবাব দিন ]

  4. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৮:৪৪ অপরাহ্ন |

    কখনো না দেখা বড় ভাইটির জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা।
    যে বয়সে উনি তার দৃঢ়তা দেখিয়েছেন বাবা মা দুজনকেই হারিয়ে, আমাদের অনেকের পক্ষেই হয়তো সেটা সম্ভব হোতোনা।
    ভাইকে আবারো :salute:
    আহসান ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৬ অপরাহ্ন |

    রাতুলকে দেখে জীবনের শিক্ষা নেবার চেষ্টা করছি…
    দোয়া করো যেন সফল হই…

    [ জবাব দিন ]

  5.    ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৮:৫৪ অপরাহ্ন |

    মাঝে মাঝে নিজেকে এতো ছোট মনে ……………..।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৭ অপরাহ্ন |

    মনুষ্যত্ত্ববোধের প্রমাণ…

    [ জবাব দিন ]

  6. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৯:৪১ অপরাহ্ন |

    ধন্যবাদ আহসান ভাই…অনেক অনেক ধন্যবাদ…আসলে কয়েকদিন ধরে শুধু মাথার মধ্যে এই ব্যাপারগুলো বেশী ঘুরপাক খাচ্ছিল, হয়তোবা কখনো কখনো নিজেও খুজছিলাম অনুপ্রানিত হবার মত কোন উদাহরন। আর আজকে আপনি যার কথা বল্লেন…আমি সত্যিই তার মানসিক দৃঢ়তা দেখে মুগ্ধ। :salute: :salute: :salute:
    আল্লাহ পাক তার এবং তার বোন দুটির উপর তার অশেষ রহমত নাজিল করুক… :boss: :boss: :boss: :boss:

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৭ অপরাহ্ন |

    আল্লাহ পাক তার এবং তার বোন দুটির উপর তার অশেষ রহমত নাজিল করুক…

    আমিন।

    [ জবাব দিন ]

  7. সামিয়া (৯৯-০৫)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ৯:৪৮ অপরাহ্ন |

    ………………

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৯ অপরাহ্ন |

    আসলেই বলার মত শব্দ খুঁজে পাইনা মাঝে মাঝে…

    [ জবাব দিন ]

  8. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০০ অপরাহ্ন |

    :salute: রাতুল। সামনে পেলে ওকে বুকে জড়িয়ে ধরতাম।

    আর :salute: তোমাকে আহসান, এমন অসাধারণ মানুষের গল্প বলার জন্য।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:১০ অপরাহ্ন |

    ধন্যবাদ সানাউল্লাহ ভাই…।
    রাতুল যদি জানতো…

    [ জবাব দিন ]

  9. রকিব (০১-০৭)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:০৫ অপরাহ্ন |

    :salute: :salute: – রাতুল ভাইকে
    :hatsoff: :hatsoff: – আহসান ভাইয়েরও প্রাপ্য।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১২:২০ পুর্বাহ্ন |

    যা কিছু প্রাপ্য তা সবই আমার এই লড়াকু বন্ধুটির।
    কামরুলের মত শুধু বারবার নিজেকে খুব ছোট মনে হয়…

    [ জবাব দিন ]

  10. মঞ্জুর (১৯৯৯-২০০৫)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:৩৫ অপরাহ্ন |

    রাতুল ভাই এর জন্য রইলো অনেক দোয়া…।।আহসান ভাই কে ধন্যবাদ এত সুন্দর মনের একজন মানুষের কথা আমাদের জানাবার জন্য। :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১২:২১ পুর্বাহ্ন |

    দোয়া করো যেন রাতুলের মত লড়াকু হতে পারি…

    [ জবাব দিন ]

  11. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
       ডিসেম্বর ২৬, ২০০৮ at ১০:৫২ অপরাহ্ন |

    ভাই আমি কাঁদতে পছন্দ করি না,কিন্তু কেন যেন চোখ দুটো ঝাঁপসা হয়ে আসছে। রাতুল ভাইকে শ্রদ্ধা,সালাম আর আল্লাহর নিকট প্রার্থনা যেন ভাইয়ের দুঃখের শেষ খুবই দ্রুত হয়।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১২:২১ পুর্বাহ্ন |

    আর আল্লাহর নিকট প্রার্থনা যেন ভাইয়ের দুঃখের শেষ খুবই দ্রুত হয়।

    আমিন।

    [ জবাব দিন ]

  12. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১:৫৯ পুর্বাহ্ন |

    কি আর বলব???

    আপনি যেই সময়ের কথা বলছেন তখন কেবল আমরা কলেজে আমাদের রঙ্গিন দিনগুলি শুরু করেছি। একই জায়গায় কি দুঃসহ পরীক্ষায় পড়েছেন রাতুল ভাই……..ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে।
    আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হোন।

    [ জবাব দিন ]

  13. আহ্সান (৮৮-৯৪)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ২:১৭ পুর্বাহ্ন |

    আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হোন।

    আমিন।

    [ জবাব দিন ]

  14. রহমান (৯২-৯৮)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ৩:৫৫ পুর্বাহ্ন |

    আল্লাহ পাক তার এবং তার বোন দুটির উপর তার অশেষ রহমত নাজিল করুক…

    - আমিন

    [ জবাব দিন ]

  15. তৌফিক (৯৬-০২)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ৫:১৮ পুর্বাহ্ন |

    ভীষন ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন কালপুরুষ।

    রাতুল ভাইয়ের মতো সব কালপুরুষদের :salute:

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৯, ২০০৮ at ১০:১৪ অপরাহ্ন |

    :salute:

    [ জবাব দিন ]

  16. শহীদ (১৯৯৪-২০০০)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ৮:৫৯ পুর্বাহ্ন |

    সেই সাথে সালাম :salute: আপনার সেই কোর্সমেটকেও যিনি এত বড় একটা সাহসী পদক্ষেপ নিতে পেরেছেন।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ২৯, ২০০৮ at ১০:৫২ অপরাহ্ন |

    ওর প্রতি আমার শ্রদ্ধা কোনদিন শেষ হবার নয়।
    আমি আসলেই জানিনা ওকি সত্যিই মানুষ নাকি মানুষরুপী ফেরেশতা…।

    [ জবাব দিন ]

  17. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১০:১১ পুর্বাহ্ন |

    Ratul vaike salute

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ৩০, ২০০৮ at ১২:২১ পুর্বাহ্ন |

    Salute to Ratul…

    [ জবাব দিন ]

  18. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ১২:৪৪ অপরাহ্ন |

    কি কথা শুনাইলা আহসান। রাতুলকে ব্লগে আইতে কও। স্যালুট দিমু।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ৩০, ২০০৮ at ১২:১৮ পুর্বাহ্ন |

    ফয়েজ ভাই,
    রাতুল যদি জানে ওকে নিয়ে আমি এইখানে ব্লগ লিখেছি, তাহলে হয়তো অনেক রাগ করবে।
    তাই হয়তো কখনই ওকে আমার বলা হবেনা যে, সবাই ওকে কি রকম ভালোবাসে।
    আশা করি আপনি ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পারছেন।
    হয়তো রাতুলেরা এমনটাই হয়…

    [ জবাব দিন ]

  19.    ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮ at ২:৩৯ অপরাহ্ন |

    মাত্র ইন্টার পাস করা একটি ছেলের কি পরিমাণ মানসিক শক্তি থাকলে এরকম প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথে আসতে পারে, এই রাতুল ভাই তার প্রমাণ।
    নাহ, বস মানুষটা কে :salute: :salute: :salute: এবং শুভ কামনা রইল।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ৩০, ২০০৮ at ১২:১৯ পুর্বাহ্ন |

    মাত্র ইন্টার পাস করা একটি ছেলের কি পরিমাণ মানসিক শক্তি থাকলে এরকম প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথে আসতে পারে, এই রাতুল ভাই তার প্রমাণ।

    ব্যাপারটি আমাকেও প্রচন্ড ভাবায়…

    [ জবাব দিন ]

  20. হাসনাইন (৯৯-০৫)
       ডিসেম্বর ২৮, ২০০৮ at ১:৩৯ পুর্বাহ্ন |

    ভাই একজনের কথা মনে পড়ে গেল, হুবহু রাতুল ভাইয়ের মত।
    সকল সংগ্রামীদের :salute: :salute: :salute: :salute:

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ৩০, ২০০৮ at ১২:২০ পুর্বাহ্ন |

    সালাম

    [ জবাব দিন ]

  21. তানভীর (৯৪-০০)
       ডিসেম্বর ২৮, ২০০৮ at ৮:০৮ পুর্বাহ্ন |

    রাতুল ভাইকে :salute: । উনাকে সামনে পেলে পা ছুঁইয়ে সালাম করে নিতাম।

    আহসান ভাই, চমৎকার করে লিখেছেন।

    [ জবাব দিন ]

    আহ্সান (৮৮-৯৪)
        ডিসেম্বর ৩০, ২০০৮ at ১২:২১ পুর্বাহ্ন |

    ধন্যবাদ ভাইয়া।
    রাতুলের জন্য দোয়া কইরো।

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard