সিন্দুরমতি দিঘী

‘‘আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয়, ক্যান পাশ ফিরা শোয়,
ঘরের বিছান নিয়া ক্যান অন্য ধানখ্যাত রোয়?
অথচ বিয়ার আগে আমি তার আছিলাম ধ্যান।
আছিলাম ঘুমের ভিতরে তার য্যান জলপিপি,
বাঁশির লহরে ডোবা পরানের ঘাসের ভিতরে,
এখন শুকনা পাতা উঠানের পরে খেলা করে,
এখন সংসার ভরা ইন্দুরের বড় বড় ঢিপি।
মানুষ এমন ভাবে বদলায়া যায়, ক্যান যায়?
পুন্নিমার চান হয় অমাবস্যা কিভাবে আবার?
সাধের পিনিস ক্যান রঙচটা রদ্দুরে শুকায়?
সিন্দুরমতি মেলা হয় ক্যান বিরান পাথার?
মানুষ এমন তয়, একবার পাইবার পর
নিতান্ত মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর।।”

পরানের গহীন ভিতরসৈয়দ শামসুল হক

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক’র কালজয়ী কবিতায় যে ‘সিন্দুরমতি’র উল্লেখ রয়েছে তা তার লেখনীর মধ্য দিয়ে আজ সকলের কাছে সুপরিচিত। সিন্দুরমতি আজ শুধু মামুলি এক দিঘীই নয়, বরং বাংলার লোকজ উৎসবের এক অনন্য পাদপীঠ। আজ আপনাদের সিন্দুরমতির গল্প শুনাবো।

লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার যথাক্রমে সদর ও রাজারহাট উপজেলার অংশ নিয়ে অবস্থিত সিন্দুরমতি দিঘী। ১৬.০৫ একর আয়তনের দিঘীটি পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতি গ্রামের তথা বাংলাদেশের একটি দর্শনীয় স্থান। দিঘীটি কে, কখন, কি উদ্দেশ্যে খনন করেছিল তার কোন ঐতিহাসিক তথ্য সংরক্ষিত হয়নি। ফলে দিঘীকে ঘিরে তৈরী হয়েছে নানা উপাখ্যন আর পৌরানিক কিচ্ছা-কাহিনী।

পাটনা রাজা(স্থানীয়দের ভাষ্যমতে যে রাজা শুকর পুষতো বা চড়াত/ভিন্ন মতে, ব্রাহ্মন)’র ছিল দুই মেয়ে, নাম তাদের সিন্দুর আর মতি। পানীয় জলের অভাব দূর করতে এক রাতের মধ্যে দিঘীর ১৩ একর আয়তনের জলকর খনন করা হলেও সেখানে পানির দেখা মিলল না। পানি প্রাপ্তির আশায় রাজা পুকুরের মাঝে মন্ডপ তৈরী করে পূজার আয়োজন করলেন। যথা সময়ে পুজা নিবেদন করা হল, এতে দেব-দেবীরা প্রসন্ন হলেন, দিঘীর তলদেশ থেকে পানি উঠতে লাগল। এক সময় পানি হাঁটু, কোমর পর্যন্ত উঠে এল। পূজা মন্ডপে সিন্দুর ও মতিও উপস্থিত ছিল। পানি তাদেরকেও স্পর্শ করল। ক্রমান্নয়ে পানি আরো বৃদ্ধি পেতে থাকলে সবাই হুড়োহুড়ি করে পাড়ে/ঘাটের দিকে ছুটল। কিন্তু দুই বোন সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকল। সবার আহাজারি আর আর্ত-চিৎকারের মধ্য থেকেও তাদেরকে বারবার উপরে উঠে আসার আহ্বান জানানো হল। এক সময় পানি কোমর ছাপিয়ে গলা ছুই-ছুই… তখনও তাদেরকে উঠে আসার অনুরোধ জানানো অব্যাহত থাকলো। কিন্তু সকল আহ্বান, অনুরোধ আর অনুনয় উপেক্ষা করে তারা সেখান থেকে নড়ল না। পরিনতি যা হবার তাই হল। পানি তাদের চুল পর্যন্ত ছুয়ে গেলে, সবার দৃষ্টির আড়াল হয়ে ডুবেও গেল। সলিল সমাধি হল ‍সিন্দুর আর মতির। তাদের স্মরণে সেই থেকে দিঘীর নাম ‘সিন্দুরমতি’ দিঘী। কালে গ্রামের নামও হয়ে যায় সিন্দুরমতি গ্রাম।

এর অনেকদিন পর, এক সন্ধ্যাবেলা; দিনের কাজ শেষে এক বাইন্ন্যা (স্বর্ণাকার) দিঘীর পাড় ধরে বাড়ি ফিরছিল। তাকে দেখে দুই বোন পানি থেকে উঠে স্বর্ণাকারের কাছে নোলক ও কানের দুল দেখতে চায়। পছন্দ হলে তারা সেগুলো নিতে চায়। স্বর্ণকার দাম চাইলে তারা কাগজের চিরকুটে লিখে তাকে বলে “আমার বাবার কাছে এটা নিয়ে গেলে তিনি আপনাকে এর দাম দিয়ে দিবেন।”

গ্রামের প্রবীনেরা শুনেছেন যে, কোন মন্দিরে পূজা নিবেদনের জন্য দিঘীর কাছে পূজার সামগ্রী চাইলে দিঘীর মাঝখান থেকে ভেসে ভেসে সেই সব সামগ্রী চলে আসত। ভালই চলছিল সব, কিন্তু একদিন এক লোভী, দিঘী হতে ভেসে আসা পাত্র ফেরৎ না দিলে সেই থেকে সব বন্ধ হয়ে যায়। প্রাচীন মানুষেরা বিশ্বাস করতো যে, এই দিঘীর পানি পান করলে অসুখও ভাল হয়ে যায়।

দিঘীর পানি সেচা দরকার। লাগানো হল ৪টি সেচ যন্ত্র। কোমর পর্যন্ত পানি সেচা হল কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই। কিন্তু বাধ সাধল তখনই যখন দুটো যন্ত্র অজানা কারনে বিকল হয়ে গেল। কোন রকমে মেরামত করে তা আবার সচল করা হল, কিন্তু বিগড়ে গেল অপর দুটি। সে দুটিকে মেরামত করে সচল করলে আবার আগের দুটি অকেজো হয়ে গেল। কি মুশকিল!!! চললো এভাবেই, পানি কিন্তু আর উঠল না! স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন যে, ব্রহ্মপুত্র আর এই দিঘীর মধ্যে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক গুপ্ত সুরঙ্গ রয়েছে, ফলে সারা বছর এই কারনে এর পানির উচ্চতার কোন তারতম্য হয় না।

পুকুরটি উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘ। গভীরতা আনুমানিক ১০ মিটার। পানি স্বচ্ছ ও ব্যবহার উপযোগী। দিঘীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে দুটি শান বাঁধানো ঘাট ছিল। ইটের তৈরী ঘাটদ্বয় ধ্বংস হয়েছে অনেককাল আগেই, কোন চিহ্নই এখন আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। ২০০৩ খ্রীঃ স্থানীয় সাংসদ দিঘীর দক্ষিণে বেশ বড় ও দর্শনীয় একটি ঘাট তৈরী করেছেন। এই ঘাট নির্মানের সময় একটি প্রাচীন ঘাটের সন্ধান পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। মহিলাদের সুবিধার জন্য ২০১২ খ্রীঃ ঘাট সংলগ্ন একটি ‘ফ্রেসরুম’ তৈরী করা হয়েছে। দিঘীর পাড় অনুচ্চ ও বেশ প্রশস্ত। পাড়ের উপর প্রাচীন আম ও বট গাছ এখনো চোখে পড়বে। শোনা যায়, এই সব গাছ রাজার আমলের। সাম্প্রতিক সময়ে এখানে নানা জাতের দেশী-বিদেশী গাছও লাগানো হয়েছে। পাড়ের বিভিন্ন অংশে নতুন নতুন স্থাপনা তৈরী করা হচ্ছে, ফলে খর্ব হচ্ছে এর ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা। রাজবাড়িটি অদূরেই অবস্থিত, তবে সেই বাড়ির আজ আর কোন অস্তিত্ব নেই। বরং দখলদারদের কবলে পড়ে সেখানে নতুন সব বাড়ি-ঘর গড়ে উঠেছে।

দিঘীর দক্ষিণ-পশ্চিম কোণায় ৫টি মন্দির আছে। মন্দিরগুলো হলঃ দূর্গামন্দির, কালীমন্দির, রাধা-গোবিন্দ মন্দির, শিবমন্দির ও সিন্দুরমতি মন্দির। দূর্গামন্দিরটি সব থেকে প্রাচীন। প্রতিটি মন্দিরেই প্রতিমা আছে এবং সেখানে নিয়মিত পূজা-অর্চনা হয়। সিন্দুরমতি মন্দিরটি বেশ নান্দনিক শৈলীতে নির্মিত। তবে শ্বেতপাথরের হালফিল চিত্রটি দেখে এর আদিরূপটি বোঝা দুস্কর। বেশ কয়েকবার সংস্কারের ফলে এমন অবস্থা হয়েছে। মন্দিরের পাশে একজন সাধু আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু বেশ কয়েকদিন আগে সে স্থান ত্যাগ করে অন্যত্র চলে গেছে। মন্দিরের পাশে ২টি বিশ্রামাগার আছে, এর একটি উম্মুক্ত ও অপরটিতে ছাউনি আছে।

 

১৯৭৫ খ্রীঃ সরকারের প্রচেষ্টায় সংস্কার কাজ পরিচালনা করা হয়। সেই সময় এখান থেকে প্রাচীন তামার মুদ্রা, খননাস্ত্র, গহনা, সোনা-রূপা ও রাম-লক্ষণের ধাতব মূর্তি পাওয়া যায়, যা এখন জাতীয় জাদুঘরে রক্ষিত আছে। ২০০৩ খ্রীঃ পাকা ঘাট নির্মানের সময় এখানে সাদা পাথর উদ্ধার করা হয়। অসমর্থিত একটি সূত্র থেকে এখানে একটি শিলালিপি প্রাপ্তির খবর পাওয়া যায়, তবে সেটির বর্তমান হাল কি তা জানতে পারিনি। শিলালিপির পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলেও জানা যায়। স্থানীয়রা মনে করেন শিলালিপির পাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হলে ইতিহাস সম্মৃদ্ধ এ দিঘীর অজানা অনেক তথ্য উৎঘাটিত হত।

এলাকার বহুল প্রচলিত লোককথা থেকে দিঘীকে নিয়ে প্রাচীন এক কাহিনী শোনা যায়, সে অনেক অনেক কাল আগের কথা। সিংহল (শ্রীলংকা)দেশে বাস করতো এক সম্ভান্ত জমিদার। শ্রী রাজনারায়ণ চক্রবর্তী তার নাম। স্ত্রী শ্রীমতি মেনকা দেবীকে নিয়ে সুখেই কাটছিল তার দিন। কিন্তু সুখ বেশী দিন থাকল না, কেননা তারা সন্তানের মুখ দর্শন করতে পারেননি। সন্তানের আশায় তারা প্রায়শঃ পৃথিবীর নানা তীর্থে ঘুরে বেড়াতেন। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে এক দিন এলেন আমাদের এই গ্রামে। গ্রামের পরিবেশ খুব ভাল লাগায় তারা এখানেই স্থায়ীভাবে থেকে গেলেন। পত্তন করলেন জমিদারী। দেবতাদের কৃপায় প্রজাবৎসল জমিদার অচিরেই দু’কণ্যার পিতা হলেন। রাজ্যজুড়ে উচ্ছাস আর আনন্দের বন্যা বয়ে গেল। আর এই সবের মধ্যেই প্রজাগনের দিন কাটছিল বেশ আনন্দেই।

হঠাৎ রাজ্যজুড়ে দেখা দিল প্রচন্ড খরা। জমিদার উড়িষ্যা থেকে শ্রমিক এনে কয়েক মাসের পরিশ্রমের ফলে খনন করালেন এক বিশাল দিঘী। কিন্তু এত পরিশ্রমের ফল যেন বৃথা যেতে বসল, দিঘীতে পানির দেখা মিলল না। জমিদার স্বপ্ন দেখলেন যে, দিঘীর মাঝখানে তার দু’কণ্যাসহ পূজা নিবেদন করলে মরা দিঘীতে পানি উঠবে। দেবতার আদেশে তাই তিনি চৈত্র মাসের নবমী তিথিতে একটি কালো ও একটি সাদা পাঠা, একটি কালো ও সাদা সিন্দুক ও আনুষঙ্গিক উপকরনসহ পূজার আয়োজন করলেন। কিশরী কণ্যাদের নিয়ে তিনি যথা সময়ে পূজা মন্ডপে গেলেন। রাজ্যের প্রজারাও এল সেই পূজা দেখতে। সকল আয়োজনের মধ্য দিয়ে পূজা শেষ হল বটে, কিন্তু পানির দেখা মিলল না। সবাই হতাশায় ডুবে গেল। এমন সময় জমিদারের মনে পড়ল তিনি তুলশী পাতা নিয়ে আসেননি। দ্রূত স্থান ত্যাগ করে ছুটলেন রাজবাড়ি অভিমুখে। ঠিক তখনই প্রচন্ড বেগে মাটি ফুড়ে বের হয়ে এল অথৈই জলরাশি।

দিঘীর জলে সলিল সমাধি হল টগবগে দুই কিশরীর। এই দিকে জমিদার দম্পতির আকাশে নেমে এল চরম অশান্তি। এমন সময় জমিদার দৈববানী পেলেন যে, তার কণ্যাদ্বয় মৃত্যুবরণ করেনি, বরং দিঘীর তলদেশে দেবত্ব প্রাপ্ত হয়ে অমরত্ব লাভ করেছে। পরদিন সকালে জমিদারকে তার কণ্যারা পানির নীচ থেকে আঙ্গুল ভাসিয়ে দর্শন দেয় এবং তার সাথে কথা বলে। এতে তাদের মনে খানিকটা স্বস্তি ফিরে আসে। সেই থেকে ফি বছর চৈত্র মাসের নবমী তিথিতে এখানে স্নানোৎসব পালিত হয়ে থাকে আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করেই বাংলার বিখ্যাত বিরাট এক মেলা ৩০০ বছর ধরে উৎযাপিত হয়ে আসছে।

এর এক বছর পর চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে মেনকা দেবী এক পুত্র সন্তানের জম্ম দেন। নাম রাখেন ব্রহ্মদেব। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আবারো জমিদার দৈবাদেশ পেলেন যে, চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের বুধাষ্টমীতে চিলমারীর ব্রহ্মপুত্রের ত্রি-ধারায় (ত্রিবেণী) ব্রহ্মদেবকে পূণ্যস্নান করাতে হবে। মহাষ্টমীর এক দিন আগে জমিদার হাতিতে চড়ে ৭ বছরের পুত্রসহ যথাস্থানে উপস্থিত হলেন এবং ব্রাহ্মমুহূর্তে পুত্রকে নিয়ে স্নান করতে নামলেন। প্রথমে জমিদার স্নান করে উঠে এলেন, এর পর পুত্র নামলেন পানিতে… আর ফিরলেন না, চলে গেলেন না ফেরার দেশে। অত্যন্ত ভগ্নহৃদয়ে জমিদার ফিরে এলেন প্রাসাদে। রাতে স্বপ্নে জানতে পারলেন যে, তার সন্তানদের আত্ম উৎসর্গের স্থানগুলো সর্বকালে সর্বমানুষের কল্যাণের জন্য নিবেদিত হবে। সেই থেকে সিন্দুরমতিতে নবমীতে আর তার আগের দিন অর্থাৎ অষ্টমীতে এখানে স্নানোৎসব হয়ে থাকে। এই সময় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন স্থান যথাঃ কোলকাতা, দার্জিলিং, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, শিলিগুড়ি হতে এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।

‘‘সিন্দুরমতি এই সেই দিঘী হিন্দু তীর্থস্থান

পূণ্যের লাগি হিন্দুরা সব করে যায় হেথা স্নান।”

আজ এই দিঘী পরিনত হয়েছে তীর্থস্থানে, সারা বছর জুড়ে পূণ্যার্থীদের ভীড় লেগেই থাকে। পূজা, ধর্মীয় রীতি আর আরাধনার মধ্য দিয়ে চলে উপাসনা পর্ব। ইদানিং মেলার সময় বর্ধিত হয়ে দুই দিনে গড়িয়েছে। শোকাহত এক জমিদারের সন্তান হারানোর বেদনাকে ভুলিয়ে দিতে তীর্থস্নান ও মেলার সময় যে বহু মানুষের সমাগম ঘটে তা পরিনত হয় প্রাণের উচ্ছলতায়। সার্বজনীন মেলার চিত্র যেন সাম্প্রদায়িকতাকে পরিহাস করে পরিনত হয় হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের এক শ্বাশত মিলন মেলায়।

————————————————————————————————————————————————

২৭ নভেম্বর ২০১৬/বীর উত্তম শহীদ মাহাবুব সেনানিবাস/খোলাহাটি

 

তথ্যসূত্রঃ

১. রংপুরের প্রত্নসম্পদ, রংপুর গবেষণা পরিষদ, পৃঃ ১২৮/

২. আলোকচিত্রে ইতিহাস, বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর, এরিয়া সদর দপ্তর, রংপুর, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পৃঃ ৭৯/

৩. ৬৪ জেলা ভ্রমণ, লিয়াকত হোসেন খোকন, পৃঃ ৪১১/

৪. রহস্যময় সিন্দুরমতির ইতিবৃত্ত, শ্রী ইন্দ্র কমল রায় দেবসিংহ

৫. kurigramlive.wordpress.com/

৬. দৈনিক জনকন্ঠ ১৫ এপ্রিল ২০১৬/

২১৭ বার দেখা হয়েছে

৭ টি মন্তব্য : “সিন্দুরমতি দিঘী”

  1. আজ এই দিঘী পরিনত হয়েছে তীর্থস্থানে, সারা বছর জুড়ে পূণ্যার্থীদের ভীড় লেগেই থাকে। পূজা, ধর্মীয় রীতি আর আরাধনার মধ্য দিয়ে চলে উপাসনা পর্ব। ইদানিং মেলার সময় বর্ধিত হয়ে দুই দিনে গড়িয়েছে। শোকাহত এক জমিদারের সন্তান হারানোর বেদনাকে ভুলিয়ে দিতে তীর্থস্নান ও মেলার সময় যে বহু মানুষের সমাগম ঘটে তা পরিনত হয় প্রাণের উচ্ছলতায়। সার্বজনীন মেলার চিত্র যেন সাম্প্রদায়িকতাকে পরিহাস করে পরিনত হয় হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের এক শ্বাশত মিলন মেলায়।

    :clap: :clap: :clap:


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  2. পরাণের গহীন ভিতরের আর এক গল্প ছুঁয়ে গেলো। অনেক অনেক সাধুবাদ লেখাটার জন্যে। এমন লেখা আমার মতোন অনেক গ্রন্থ ও সব্যসাচী গুণগ্রাহীকে উদ্বেলিত করবে নিশ্চিত। :thumbup: :thumbup:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।

:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »

ফেসবুক মন্তব্য