বাংলাদেশের প্রাচীনতম পাথরের সেতু – জয়পুরহাট

আটাপুর-উচাই-মহীপুর জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ৩টি প্রাচীন গ্রাম। আটপাড়া/আটাপুর/আতাপুর ইউনিয়নের আতাপুর/নোয়াপাড়া মৌজার দক্ষিণে উচাই মৌজা। আটাপুর ও উচাই মৌজাদ্বয়কে পূর্ব ও দক্ষিন দিক দিয়ে তুলশীগঙ্গা নদী ইংরেজী Y অক্ষরের মাথার ন্যায় জড়িয়ে ধরে আছে। উচাই মৌজার দক্ষিণে, তুলশীগঙ্গা নদীর দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে মহীপুর/মাহীপুর মৌজা। পরস্পরের সাথে জড়াজড়ি করে থাকা গ্রামত্রয় বাংলাদেশের সভ্যতার অনন্য পাদপীঠ। আনুমানিক ৮-১০ বর্গকিলোমিটারের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে নিদেন পক্ষে সুলতানি আমলের প্রাচীন নিদর্শনের অস্তিত্ব বাঙলায় এক উন্নত নগর সভ্যতার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। পুরোনো ইট, পাথর, মাটির পাত্রের ভাঙ্গা অংশ, ইট বাঁধানো পুকুর, গড়, পরিখা, দেবালয়ের সম্ভাব্য অস্তিত্ব ইত্যাদি এক সম্মৃদ্ধ জনপদের চিহ্ন বহন করে আছে। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের বিলাঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে আটাপুরের ‘পাথরঘাটা’ নামক স্থানে তুলশীগঙ্গার দু’বাহু একত্রে মিলিত হয়ে আনুমানিক ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী দক্ষিণমূখী হয়েছে। প্রাচীন বাংলার একমাত্র পাথরের তৈরী সেতুটি তুলশীগঙ্গার এই দু’তীরের সংযোগ ঘটিয়েছিল।

নদীর দু’তীরে পাথরের ভিত্তি ও একাধিক খিলানের সাহায্যে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ৪৫.৭২ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ উপকরণ হিসাবে গ্রানাইট পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। পর্যাপ্ত তথ্য সংরক্ষণের আগেই কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আমাদের গৌরবের সেই সেতুটি। শুধু ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে নানা আকার-আকৃতির পাথর। পেশাদার হাতের শৈল্পিক ছোঁয়ায় পাথরের উপরের সেই সব কারুকাজ দেখলেই বোঝা যায় এর শিল্প মান। নদীর তলদেশেও এই সব পাথরের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। সেতুর কারণে নাকি ভগ্ন সেতুর পাথরের স্তুপের কারণে কিংবা পাথরের আধিক্যের কারণে স্থানের নাম পাথরঘাটা – তা নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে কিন্তু স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব যে অপরিসীম তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সেতুর দু’পাড়ের সড়ক দু’দিকে কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল জানি না, তবে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে বলিধর রাজার রাজবাড়ির সাথে সংযোগ স্থাপন করেছিল বলে জনশ্রূতি রয়েছে। পাঁচবিবি উপজেলার দক্ষিণে জয়পুরহাট সদর আর এর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্ষেতলাল উপজেলা। ক্ষেতলাল উপজেলায় বলিগ্রাম বলে যে গ্রামটি আছে তা রাজা বলিধরের নামে প্রবর্তিত বলে কথিত। কসবা গ্রামের পশ্চিম দিকে মহীপুর গ্রাম, স্থানীয়রা একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ইমারতকে/ছোট ছোট ঢিবি দেখিয়ে রাজা মহীপালের রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে উল্লেখ করে থাকেন। প্রাচীন একটি বিশাল দিঘীর কাছেই এই সব ঢিবির অবস্থান। কসবা-উচাই গ্রামে গড় ও পরিখার অস্তিত্বও লক্ষ্য করা যায়।

পাল সাম্রাজ্যের সাড়ে চারশত বছরের শাসনে ২ জন মহীপাল নামের নৃপতি ছিল। এর ১ম জন ১ম মহীপাল (৯৮৮ – ১০৩৬ (আনুমানিক) খ্রীঃ) আর ২য় জন ২য় মহীপাল (১০৭২ – ১০৭৫ খ্রীঃ) নামে ইতিহাসে পরিচিত। মহীপুর/মাহীপুর গ্রামখানি এই দু’জন নৃপতির কোন একজনের স্মৃতি বহন করে চলছে – মহীপালের নাম অনুসারে গ্রামের নাম মহীপুর/মাহীপুর হয়েছে।

গ্রামে একটি জনশ্রূতি প্রচলিত আছে যে, শাহ সুলতান বলখী মাহী সওয়ার বগুড়ার মহাস্থান দখল করে নিলে পর এখানকার রাজা মহীপাল রাজ্যচ্যূত হন। পরবর্তীতে বলখীর এক শিষ্য ইসলাম প্রচারের মহান ব্রত নিয়ে কসবা-উঁচাই গ্রামে আগমন করে এবং আস্তানা গাড়ে। মৃত্যূর পর তুলশীগঙ্গা নদীর পশ্চিম তীরে তার সমাধিসৌধ গড়ে ওঠে যা সকলের কাছে আজ শাহ নিমাই পীরের দরগাহ/পীর কেবলা নাসির উদ্দিনের মাজার নামে পরিচিত। দরবেশ, ফকির ইত্যাদি নামে পরিচিতি নিমাই পীর দরগাহর উত্তর পাশে রাজা মহীপালের দরবার হল ছিল বলে অনেকে ধারনা করে থাকেন। প্রতি বছর এখানে ওরস ও বারূণী স্নান উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানাদির আয়োজন হয়ে থাকে। জৈষ্ঠ্য মাসে একটি মেলাও বসে। বৃটিশ শাসনামলে (১৭৬৫ -১৯৪৭ খ্রীঃ) ইংরেজরা এখানে তুঁতের কারবার খুলে বসে। নিমাই সাহ ফকিরের দরগাহর দক্ষিণে বীরনগরে ইংরেজদের তুঁতের কারখানার ভগ্নাবশেষ লক্ষ্য করা য়ায়। বর্তমানে এখানেই মিশনারী কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

পোড়ামাটির চিত্রফলক ও বল, মাটির পাত্র, মসৃন মাটির পাত্রের টুকরা, পুরোনো ইট, নকশা করা ইট, পাথরের বোধিসত্ব মূর্তি, বিষ্ণু মূর্তি, যক্ষিণী মূর্তি, ধাতুর তৈরী শ্রী মূর্তি, বিভিন্ন মূর্তির ভাঙ্গা অংশ, শিবলিঙ্গ, পাথরের সিঁড়ি/ভিত্তি, গ্রানাইট-ব্যাসল্ট পাথরের ধূসর ও কালো রংয়ের বিশাল আকৃতির খন্ড/খিলান/স্তম্ভ/ব্রাকেট/চৌকাঠ, গৌরীপট্ট, স্বল্প মূল্য পাথরের পুঁতি, বাঘের ৪ মুখ বিশিষ্ট পাথরের স্তম্ভ, অলংকৃত পোড়া মাটির পাত্র, পাড় বাঁধানো পুকুর, লোহার খন্ড, মুদ্রা, কাঁচের টুকরা, তামার চুরি, সুরমাদান শলাকা, ইট বাঁধানো পোতাশ্রয় ইত্যাদি পাওয়া গেছে এখানে। নিমাই সাহ ফকিরের দরগাহসহ স্থানীয় বেশ ‍কিছু স্থাপনায় এখানকার পাথরের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। নিমাই সাহ ফকিরের দরগাহর পাশে একটি মসজিদ আছে। এই মসজিদের দক্ষিণমুখী দরজার চৌকাঠে ফার্সি লিপিতে লেখা একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। শিলালিপিতে ছৈয়দ নাসির উদ্দীন আবুল মোজাফ্ফর নসরৎ শাহের (৯২৬ – ৯৩৯ হিজরী/১৫১৯ – ১৫৩২ খ্রীঃ) শাসনামল উল্লেখ আছে। দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার চোরগাছা গ্রামের সুলতানি আমলের সুরা মসজিদের দিঘীর পাড়ের কালো পাথরের সাথে এই সব পাথরের মিল/নকশার সাদৃশ্য আছে। এমনকি ঘোড়াঘাট সদরের দাড়িয়া বোখারীর মাযারে পড়ে থাকা পাথরের সাথেও মিল থাকতে পারে। এখানে প্রাপ্ত কুশান, গুপ্ত, পাল, সুলতানি, মুঘল আমলের প্রত্ন-নিদর্শনসমূহ আমাদের জাতীয় জাদুঘরসহ বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘরে প্রদর্শিত/সংরক্ষিত আছে।

বাংলাদেশে পাথর সহজলভ্য না হওয়ায় প্রত্ন-নিদর্শনে পাথরের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় না। তথাপি, পাথরের প্রাচীন যে সব কীর্তি অদ্যাবধি আবিষ্কৃত হয়েছে, সেসবের মধ্যে গ্রানাইট, বেলে ও কালো পাথরের অস্তিত্ব লক্ষ্যণীয়। ধারনা করি, এই সব বিশাল বিশাল পাথরখন্ড হয় মধ্য বা দক্ষিণ ভারত নয়তো চুনার ও রাজমহল থেকে বয়ে/সংগ্রহ করে আনতে হয়েছে। সভাবতই পরিবহনের জন্য রাজকীয় পৃষ্টপোষকতার প্রয়োজন হয়েছিল। গুপ্ত আমল (খ্রীঃ ৪র্থ – ৬ষ্ঠ শতক) বিশেষ করে সমুদ্রগুপ্তের (৩৩৫ – ৩৮০ খ্রীঃ) আমলে সমগ্র ভারতের উত্তরাপথ ও দক্ষিণাপথ একক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত হয়। গুপ্ত আমলে ব্যবহৃত পাথরগুলো বেলে ও গ্রানাইট প্রকৃতির কিন্তু পাল আমলে (৭৫০ – ১২০০ খ্রীঃ) ব্যবহৃত পাথরগুলো হয় বেলে না হয় কাল। গ্রানাইট পাথরের সংখ্যাধিক্য এবং রাজকীয় পৃষ্টপোষকতার সুবিধা থাকায় এই জনপদের প্রাচীনতা গুপ্ত শাসনামলকেই অগ্রাধিকার দেয়। অতএব, নিঃসন্দেহে এই সভ্যতা গুপ্ত বা তৎপূর্ব সময়ের বলেই প্রতীয়মান এবং গুপ্ত ও পাল আমলে তা ব্যাপক সম্মৃদ্ধি লাভ করে বলে ধারনা করা যুক্তিসংগত।

গুপ্ত আমলের অব্যাবহিতর পরপরই পাল আমলে সম্ভবতঃ পাথরঘাটা-কসবা-উচাই-মহীপুর কেন্দ্রীক আরেকবার আরেকটি সম্মৃদ্ধ জনপদের সৃষ্টি হয়। সম্ভবতঃ ১ম মহীপালের রাজত্ব্যের সময় নদীর তীর ধরে অসংখ্য দেবালয় গড়ে তোলা হয়। ১ম মহীপাল প্রায় ৪৮ বছর আর ২য় মহীপাল অনধিক ৩ বছর রাজত্ব্য করার সুযোগ পান, সুতরাং মনে হয় এই সবই ১ম মহীপালেরই কীর্তি। বিয়ালা গ্রামে ১ম মহীপালদেবের তাম্রলিপি আবিষ্কার এই বক্তব্যকে আরো জোরালো সমর্থন দেয়। সেন আমলের (১০৯৭ – ১২২৩ খ্রীঃ) কাল পাথরের বিভিন্ন মূর্তি প্রাপ্তির কারনে ধরে নেওয়া যায় যে, সেন যুগেও এখানে জনপদের অস্তিত্ব ছিল। গ্রামের নাম যখন ‘কসবা’ – তাহলে মুসলিম আমলেও সেই জনপদে তাদের প্রভাব বিস্তৃত হয়েছিল। নিমাই সাহের দরগাহ, নুসরত শাহের শিলালিপি এই সবই এর উজ্জল দৃষ্টান্ত। এরপর কিছুকালের জন্য হয়তো পুরো এলাকাটি জনশূণ্য হয়ে পড়ে ও জঙ্গলে ভরে যায়। পরবর্তীতে অসংখ্য পাথর প্রাপ্তির কারণে স্থানের নাম হয় পাথরঘাটা। বৃটিশ দখলদারীত্বের সময় খ্রীষ্টান মিশনারী ও বেনিয়াচক্রের কারবারে প্রাক্তন নগর-কঙ্কালের উপর পুনরায় জনবসতি গড়ে উঠে।

মৌর্য্য সাম্রাজ্য (৩২১ – ১৮৫ খ্রীঃপূঃ) ও শুঙ্গ সাম্রাজ্যের অব্যাবহিতর পরপরই খ্রীঃ ৪র্থ – ৬ষ্ঠ শতকে অভিন্ন বাংলায় (ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ) এটিই ছিল একমাত্র পাথরের সেতু। গ্রীক সূত্র থেকে বাংলায় যে ‘পেন্টাপলিস বা পঞ্চনগরী’ ও হেলেনেস্টিক চিহ্নের কথা জানা/শোনা যায়, অনেক প্রত্ন-তাত্বিক মনে করেন এখানেই ছিল সেই নগরীসমূহ এবং পাঁচবিবির পাথরঘাটায় পাওয়া গিয়েছিল সেই হেলেনেস্টিক চিহ্ন। পাথরঘাটার চারিদিকে পাথরের এমন ছড়ানো-ছিটানো অবস্থান ও প্রত্ন-তাত্বিক গুরুত্ব অনুধাবন করে অনেকেই মনে করেন যে, এখানে মানব সভ্যতার ক্রমধারায় সম্মৃদ্ধ সব জনপদ গড়ে উঠেছিল – যেখানে বৌদ্ধস্তুপসহ নগর কেন্দ্রীক সকল উপকরণ উপস্থিত করা হয়েছিল। হতে পারে পাথরের ভাস্কর্য নির্মাণের কোন কারখানা/কেন্দ্র ছিল এই পাথরঘাটায়। আর একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, রাজকীয় কোন পৃষ্ঠপোষকতা ব্যতীত তা কখনই সম্ভব হয়নি। জনপদসমূহ ধাপে ধাপে ধ্বংস হয়ে যাবার পর সম্পূর্ণ এলাকাটির জঙ্গলে আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে, সেই জঙ্গলও এক সময় বিলীন হয়ে এখন সমুদয় এলাকা কৃষি জমিতে পরিনত হয়েছে – ক্ষুধার চাহিদা মিটেছে বটে; হারিয়েছি পিতৃপুরুষের গৌরবগাঁথা।

নির্বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখা ও পূর্ত প্রযুক্তির উৎকর্ষতার উদাহরন হিসাবে প্রাচীন বাংলায় যে সেতু গড়ে তোলা হয়েছিল নিঃসন্দেহে তা আমাদের অগ্রসর জীবন ব্যবস্থাকেই ঈঙ্গিত করে। নদীমার্তৃক বাংলাদেশে সাঁকো একটি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ। আর আমাদের সহজলভ্য বাঁশ-কাঠ দিয়েই যে সেতু তৈরী হবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু দেড় হাজার বছর আগের গোটা একটা পাথরের সেতু আমাদের কাছে তাই কেবল ‘কোহিনূর’সমই নয় বরং অত্যাশ্চর্যও বটে। এখানে কেবল পাথরের দ্বারাই সেতু তৈরী হয়নি বরং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাম্যবাদের নিবিড় বন্ধনকে বিনি সূঁতোয় গেঁথে তুলশীগঙ্গার এক পাড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের রাধামাধব মন্দির ও মহাশ্মশান, অন্যপাড়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের পীরের দরগাহ আর অনতিদূরে যীশু খ্রীষ্টের অনুসারীদের গীর্জার অবস্থান কাল অতিক্রম করে ‘শান্তি-সেতু’ রচনা করে রেখেছে। পাষানের সেতু আজ  বিধ্বস্ত বটে… বিবেক-বিবেচনা নয় তো !!??

—————————————————————-

০৪ আগষ্ট ২০১৭/ঢাকা-১২৩০

তথ্যসূত্রঃ

১. বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাচীন, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৩৫৭ – ৩৬১/

২. বাংলায় ভ্রমণ, ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে (১৯৪০)/BANGLAY BHRAMAN, a `Travelogue on historical documents and legends by E. B. RAILWAY (1940), পৃঃ ৮৬/

৩. প্রাচীন বাংলার পথ থেকে পথে, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ২১/

৪. বগুড়ার ইতিকাহিনী, কাজী মোহাম্মদ মিছের, পৃঃ ৫৮/৮৩-৮৫/২০৫-২১২/

৫. বাঙলাদেশের প্রত্নসম্পদ, আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া, পৃঃ ২২২-২৩১/

৬. বাঙ্গালার ইতিহাস, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, ১ম খন্ড, পৃঃ ৩৪/

৭. বাংলা অঞ্চলের ইতিহাস, নতুন দৃষ্টিকোণে একটি সমীক্ষা, সৈয়দ আমীরুল ইসলাম, পৃঃ ৪২/

৮. প্রাচীন বাংলার ধুলো মাখা পথে, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৫৫৫-৫৫৬/

৯. দিনাজপুরের ইতিহাস, ড. মুহম্মদ মনিরুজ্জামান, পৃt ১৭৫-১৭৬/

১০. বাংলাদেশের মুসলিম পুরাকীর্তি, ড. সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ২৬১/

১১. প্রাচীন বাংলার পথে প্রান্তরে, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৮৫-৮৮/

১২. বাংলার পুরাকীর্তির সন্ধানে, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৫৫-৫৬/

১৩. প্রাচীন বাংলার প্রত্নকীর্তি, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ২১৩/

১৪. প্রাচীন বাংলার লুপ্তনগরী, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৭৫-৮০/১১৭-১২১/

১৫. প্রাচীন বাংলার আনাচে কানাচে, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ১১/

১৬. বাংলার প্রাচীন সভ্যতা ও পুরাকীর্তি, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৮৪/১৫০-১৫২/

১৭. বাঙালীর ইতিকথা, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, পৃঃ ৩২-৩৫/

১৮. বাংলাদেশের প্রাচীনতম পাথরের সেতু, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, দৈনিক প্রথম আলো, ১১ অক্টোবর ২০০২/

১৯. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন/জয়পুরহাট

২০. অন্তঃজাল, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া

২১. পাথরঘাটা যেনো ইতিহাস আর প্রকৃতির মিলনের ধ্রূপদী সংগীত!দেবী সরকার

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।

:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »

ফেসবুক মন্তব্য