<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?> <rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" ><channel><title>ক্যাডেট কলেজ ব্লগ &#187; রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</title> <atom:link href="http://www.cadetcollegeblog.com/author/Rahat/feed" rel="self" type="application/rss+xml" /><link>http://www.cadetcollegeblog.com</link> <description></description> <lastBuildDate>Wed, 08 Sep 2010 22:04:27 +0000</lastBuildDate> <language>en</language> <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod> <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency> <item><title>লজ্জা আর ঘৃণা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/21265</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/21265#comments</comments> <pubDate>Tue, 23 Feb 2010 22:14:58 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=21265</guid> <description><![CDATA[গত কয়েকদিনে অনেক কিছুই হয়ে গেল। ১৩ তারিখ আমরা পহেলা বসন্ত উদযাপন করলাম। অনেক মজা। হাজার হোক বসন্তের প্রথম দিন। তার পরের দিন আবার ছিলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আরো একটা উৎসব। অনেক মজা!! তার পর আসলো ২১ ফেব্রুয়ারি। আমরা অনেকেই দুনিয়া কাপাইলাম। অনেকে দেখলাম শহীদ মিনারে গিয়ে লাফাইতেছে! ভাল! শহীদদের আত্মাও মনে হয় অনেক শান্তি পাবে [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>গত কয়েকদিনে অনেক কিছুই হয়ে গেল। ১৩ তারিখ আমরা পহেলা বসন্ত উদযাপন করলাম। অনেক মজা। হাজার হোক বসন্তের প্রথম দিন। তার পরের দিন আবার ছিলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আরো একটা উৎসব। অনেক মজা!! তার পর আসলো ২১ ফেব্রুয়ারি। আমরা অনেকেই দুনিয়া কাপাইলাম। অনেকে দেখলাম শহীদ মিনারে গিয়ে লাফাইতেছে! ভাল! শহীদদের আত্মাও মনে হয় অনেক শান্তি পাবে এতে। নোয়াখালীতে দেখলাম ফুল দেয়া নিয়ে মারামারিতে একজন মারাও গেছে! মাশাল্লাহ! একমাত্র এদেশেই শহীদদের ফুল দিতে গিয়েও শহীদ হয় মানুষ! আমাদের একজন বস মানুষ আবার স্যার উপাধিও পেয়ে আসলেন। আমরা অনেক বস একটা জাতি। একটা নোবেল, এখন একটা নাইট। জোশ!  এদিকে দেশের আলো বুয়েটিয়ানরা পরীক্ষা ২ সপ্তাহ পিছায় দিয়ে আসলো!  মজায় মজা!!ঘরে বসে বসে ঘাস কাটো পরীক্ষা কেন দিবা??</p><p>এদিকে দেশের অন্য দিকে একটা চরম ঘটনা ঘটে গেলো। আমরা কেউ কি দেখছি সেটা?? দেখে থাকলে তো ভালই! না দেখে থাকলে দেখে আসেন&#8230;.<a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/kungothangblog/29103608">এখানে</a></p><p>&#8220;১৯৪৭ সালে যে পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জনসংখ্যা ছিল শতকরা ৯৭ ভাগ, ’৬১ সালে তা কমে ৮৫ ভাগে দাঁড়ায়। ১৯৯৭-এ শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জনসংখ্যা ছিল শতকরা ৫২ ভাগ ।&#8221; আমার কথা না। <a href="http://opinion.bdnews24.com/bangla/2010/01/07/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE/">এখানে</a> বলা আছে।</p><p>আমার কিছু বলার নাই। খালি তাদের এই বলি যারা পাকিদের গালায়। দয়া করে পাকিদের আর গালাবেন না। কততুকু নিচে নামলে আমরা তাদের ধর্ম পালনস্থানে হামলা চালাই??<br /> ওরা যদি একটা মসজিদ জালাতো তখন আমরা কি করতাম??</p><p>মুখে অনেক গালি আসতেছে আসলে। আজ একটা জিনিষ ঠিক করলাম। আর পাকি দের গালাবো না। আমরাও ওদের মতই। বাংলা ইংলিশ আরবী সব মিডিয়াম এই আছে আমাদের। খালি ওদের ভাষার কিছু নাই। ওহ ভুলে গেছি। আমরা তো বস জাতি। আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবষ এর জনক!!</p><p>নিজেকে গালি দেবার ভাষাও নাই। মাফ করবেন। কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু লিখা হয় নাই। আসলে তখনই খারাপ লাগে যখন দেখি এই খারাপ লাগানো ছাড়া আমার আর কিছুই করার নাই!</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/21265/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>54</slash:comments> </item> <item><title>এলোমেলো ভাবনাগুলোর গন্তব্যহীন পথচলা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/16077</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/16077#comments</comments> <pubDate>Tue, 29 Sep 2009 16:19:34 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=16077</guid> <description><![CDATA[                           সেদিন মেসেঞ্জারে আমার ফ্রেন্ড ফারহানের সাথে কথা বলছিলাম। সে সিসিআর। কথা প্রসঙ্গে হঠাৎ সে বলে উঠলো দোস্ত আমি আমার কলেজ লাইফটা খুব মিস করতেছি। কলেজের ফ্রেন্ড, অর্থহীন খুনসুটিগুলো [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p> সেদিন মেসেঞ্জারে আমার ফ্রেন্ড ফারহানের সাথে কথা বলছিলাম। সে সিসিআর। কথা প্রসঙ্গে হঠাৎ সে বলে উঠলো দোস্ত আমি আমার কলেজ লাইফটা খুব মিস করতেছি। কলেজের ফ্রেন্ড, অর্থহীন খুনসুটিগুলো আরো অনেক কিছু। আমার তখন একটা খুব সুন্দর কথা মনে পড়লো। কোথায় যেনো পড়েছিলাম “this life is too short to whine about how short the life is!!”. কথাটা আসলেই ভাবনার উদ্রেক জোগায়। আমরা কখনো পুরোনো জিনিসকে এতোটাই মিস করে থাকি যে মহামুল্যবান বর্তমানের মাঝে যে বিশাল মাহাত্ন্য  লুকিয়ে আছে তার কথাটা বেমালুম ভুলে যাই।  কেনো এসব কথা বলছি আমি? আমি যখন ক্যাডেট এ ছিলাম বিশেষকরে শেষ দুই বছরের দিকে তখন আমাদের ব্যাচের উপর দিয়ে অথরিটির কিছু ফালতু টাইপের কাজকর্মের কারনে কলেজের কলেজের প্রতি একধরনের বিতৃষ্ণা মনের মাঝে দানা বেধেছিলো। সামান্য একটা খেলা দেখতে পারতাম না কারো পারমিশন না পাবার কারনে। জরিমানা, এক্সট্রা ড্রিল, পেরেন্টস কল, ব্যাচের মধ্যে ইন্টার্নাল পলিটিক্স, হাউস চ্যাম্পিয়ন্সিপ করা নিয়ে হাউসে হাউসে কোন্দল সব কিছু মিলিয়ে শেষ কয়েকটা দিন  অনেকটা পারতে না পারতে কাটাইছিলাম। তখন মনে হয়েছিলো জীবনের সেরা টাইম টীন লাইফটা আমি মনে হয় এসব ফালতু লেফট রাইট মার্কা কাজ কারবার করে কাটায়ে দিলাম। আমাদের মধ্যে অনেকেই তখন এতোটাই হতাশ হয়ে পড়েছিলো যে ঘোষণা দিয়েছিলো কলেজ থেকে বের হবার পর আর ওই  জেলখানার দিকে যাবে না। পোলাপান তখন বলত এস এস সি এক্সামিনী থাকাকালে কত মজা হয়েছিলো। তখন কলেজ অনেক লুজ ছিলো বিধায় আমরা মোটামোটি পুরো কলেজ মাথায় তুলে নিছিলাম। অথচ ক্লাস টুয়েল্ভে থাকাকালে ওই কাজকর্মের ৩০% ও করতে না পারার দুঃখে সবার কাছে এমনটা মনে হয়েছিলো। তারপর কলেজ থেকে বের হলাম। সবাই যে যার দিকে চলে গেলো। আমি ভার্সিটিতে ঢুকলাম। দুটা বছর পার হল। এখনো প্রায়ই গেট  টুগেদার হয়। অনেকে আসে। সবার মুখে একটাই কথা। দোস্ত বাইরের লাইফ ভালো লাগতেছে না। কলেজে ইলেভেন টুয়েল্ভে কত মজায় ছিলাম। হাস্যকর তাই না? যখন ওই পজিসনে ছিলাম তখন কিন্তু তার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করেছিলাম। সব বাধা বিবেধ ভুলে গেলাম কত সহজে। দীর্ঘ বিচ্ছেদ নিজেদের মধ্যেকার পুরোনো মনোমালিন্যটাকেও কিভাবে যেনো এক ফুৎকারে  নিভিয়ে দিয়েছে। আমার আজকে হঠাৎ তাই মনে হলো সেই ৬ টা বছরকে আমি আরো কতোটা অর্থপুর্ণ করে তুলতে পারতাম যদি পুরোনো সময়কে মিস না করে, তৎকালীন বাধাগুলোকে পাত্তা না দিয়ে যা হাতের কাছে  ছিলো তা দিয়েই সময়টাকে আরো বেশি করে উপভোগ্য করে তুলতাম । আরো মজার ব্যাপার হলো আমি সেই ভুলটাই আবার করছি। আমি আবারো পুরোনো ক্যাডেট জীবটাকে মিস করার জন্য হয়তো এই মুল্যবান ভার্সিটি লাইফটাকেও অগ্রাহ্য করে চলেছি।  পরে হয়তো দেখা যাবে ভার্সিটি লাইফ শেষ করার পর আবারো সেই একইভাবে বলবো আহা ভার্সিটি লাইফটা এভাবে ছেলেখেলা করে পার করে দিলাম। কতকিছু করার ছিলো। কিছুই করতে পারলাম না। আমার এখন খুবি ইচ্ছে হয় জীবনখাতার সেই ফেলে আসা পাতাগুলোতে গিয়ে অনুতাপ আর নতুন কিছু অনুভবের ফ্লুইড দিয়ে মেমোরির লিখাগুলো মুছে আবার নতুনভাবে লিখার।</p><p> একটা মানুষের জীবনটা কি দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়?তার সফলতা নাকি তার ভুলগুলো?  The  Curious Case Of Benjamin Button মুভিটাতে একটা খুব সুন্দর কথা ছিলো।  “ a man’s life is defined by the opportunities. even by those he missed”। আসলে ভুলগুলো আমাদের লজ্জা নয়। এটা আসলে আমাদের একধরনের opportunity. অন্য একটা পথের তরে আরো একটা নতুন জানালা । হয়তো?নাকি?কি জানি? হয়তো জীবনে এতো ভুল করেছি যে এসব কথা বলে মনটাকে প্রবোধ দিচ্ছি!</p><p>টি ভি তে প্রায়ই একটা এড দেখি। safari dicor এর। এডটা খুবি টাচি। ওখানে একটা প্রশ্ন করা হয়। আপনি যদি আপনার জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোর দিকে ফিরে তাকান তাহলে কোন জিনিসটা আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে? আমি ভাবলাম আমি কি দেখবো?? কি করলাম আমি এই ২১ টা বছরের জীবনে? নিজের জীবনের বা নিজের হৃদয়ের সকল ইচ্ছেঘুড়িকে কি উড়াতে পেরেছি? স্বার্থহীনভাবে কি কোনো একজনের একটা উপকার করতে পেরেছি? কখনো একটা নিস্পাপ হাসির কারন হতে পেরেছি? নিজেকে আর নিজের অস্তিত্বকে এই বিশাল জগতে হঠাৎই খাপছাড়া লাগতে লাগল। কি দেখব? দেখবো কি আমার বাবা মার সাথে কাটানো কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত? নাকি দেখবো সেই মুহূর্তটা যেদিন খবর পেলাম আমি ক্যাডেটে চান্স পেলাম?নাকি আমার ২ টা পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্টের ছবি? নাকি ফ্রেন্ডদের সাথে কাটানো হাসি কান্না সুখ দুঃখ মেশানো ক্ষণগুলো? নাকি জীবনে প্রথমবারের মতো যাকে পছন্দ করেছিলাম তার ছবি? নাকি এগুলো আসলে অনেক বিস্তারিত স্মৃতি । আমি যা বলছি কোন পার্টিকুলার স্মৃতিটা চোখের সামনে দেখবো? উফফ&#8230;.আসলেই আজাইরা প্যাচাল পাড়তেছি মনে হয়।<br /> একটা গান শেয়ার করলাম। ব্র্যাড পেইজলির <a href="http://www.mediafire.com/download.php?1dty1oidmdm">লেটার টু মি</a>.country song. অসাধারন লিরিক্স গানটার। একটা প্রাপ্ত বয়স্ক লোক ভাবছে সে যদি একটা চিঠি দিতে পারত তাকেই যখন সে ছিলো ১৭ বছর তখন সে বলতো নিজেকে  হতাশ না হতে কারন ওই সময়ের সকল সমস্যাই সে পার করে এসেছে কত সুন্দরভাবে।বেশি কিছু বলবো না। গানটাই শুনলেই বুঝবেন।ভাল লাগবে আশা করি।</p><p> লেখাটা আমার<a href="http://freakrahat.blogspot.com/">ব্লগস্পটে </a>আগেও লিখেছি। এখানে আজকে দিলাম।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/16077/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>19</slash:comments> </item> <item><title>শিরোনামহীন প্যাচাল(২) ফাকিবাজী পোষ্ট</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15930</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15930#comments</comments> <pubDate>Sat, 26 Sep 2009 14:03:32 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15930</guid> <description><![CDATA[কলেজের কোনো রকম ঘটনা নিয়ে এটাই আমার প্রথম পোষ্ট। আসলে আজকে সকালের দিকে এই ব্লগের প্রথম দিককার কিছু লিখা পড়ে আমার পেটে খিল ধরে গেছিল। তাই ভাবলাম আমিও কিছু শেয়ার করি। অনেকটা ফাকিবাজি দেবার মতো।    পোষ্ট লিখার বিষয় নাই তো কি হইছে??ছয় বছরের অসংখ্য কাহিনী এই মাথায় গোল পাকিয়ে আছে।  কাজ [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>কলেজের কোনো রকম ঘটনা নিয়ে এটাই আমার প্রথম পোষ্ট। আসলে আজকে সকালের দিকে এই ব্লগের প্রথম দিককার কিছু লিখা পড়ে আমার পেটে খিল ধরে গেছিল। তাই ভাবলাম আমিও কিছু শেয়ার করি। অনেকটা ফাকিবাজি দেবার মতো। <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/10.gif' alt=':P' class='wp-smiley' /> পোষ্ট লিখার বিষয় নাই তো কি হইছে??ছয় বছরের অসংখ্য কাহিনী এই মাথায় গোল পাকিয়ে আছে।  কাজ কারবার নাই তো সেই জট এর একটা পার্ট খুলো।</p><p>১। আমরা তখন কেবল কলেজে ঢুকছি। প্রথম দিন ডিনার করে পোলাপান টয়লেটে গিয়ে ব্রাশ করতেছে। বেসিন ছিলো ৪ টা। ন্যাচারালি শেয়ার করতে হতো। তো আমাদের তানভীর ব্রাশ করতেছে এমন সময় যোবায়ের ওর মুখের পেষ্ট আর পানি সমেত একটা কুলি করলো তানভীর  যে বেসিনে ব্রাশ করতেছিলো সেটায়। সাথে সাথে তানভীর” এই ছেলে তুমি এইটা কি করলা?? আর কখনো আমি যে বেসিনে ব্রাশ করি সেটায় এভাবে কুলি করবা না..”। তখন যথারীতি যোবায়ের এর জওয়াব” এটা কি তোমার বাপের বেসিন নাকি? ”।তখন তানভীর এর বিখ্যাত ডায়লোগ “ত্রিপল এইচ কে চিনো? ও কিন্তু আমার প্রিয় রেসলার.. <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/armyman8.gif' alt=':gulli2:' class='wp-smiley' /> ”। বেচারা পরে এই একটা কথা বলার জন্য অনেক ভুগছিল!</p><p>২। আমার জীবনে অনেক চাপাবাজ দেখছি কিন্তু বি ডি এর মত চাপাবাজ আর দেখি নাই। বি ডি অরফে বদরুদ্দোজা স্যার কে রংপুর এর পোলাপানেরো ভাল চিনার কথা।  জিনিশটা আসলেই আশ্চর্যজনক কোনো ক্যাডেট না একজন শিক্ষক আমার দেখা সেরা চাপাবাজ(আসলে উনি নিজেও একজন এক্স ক্যাডেট তাও রাজশাহীরই)। তার অনেকগুলা গুণের মধ্য একটা হল কেমিষ্ট্রি বাদে(উনি কেমিষ্ট্রি পড়াতেন দুর্ভাগ্যজনকভাবে) দুনিয়ার বাকি সকল বিষয়ে সুবিশাল জ্ঞ্যান থাকা এবং সময়ে অসময়ে তার ক্যাডেটদের মাঝে অকৃত্রিমভাবে বিতরন করা। তার চাপাবাজির কিছু নমুনাঃ<br /> ১। আমি তো একবার বড়সি দিয়ে বক শিকার করছিলাম। <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/armyman8.gif' alt=':gulli2:' class='wp-smiley' /><br /> ২। কেমিষ্ট্রি সোসাইটিতে বোম বানায়ে”এই বোম পুকুরে ফাটালে সব মাছ মরে ভেসে উঠবে।মাছ আহরনের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি তাই না??”<br /> ৩। পাকিস্তানে নাকি একটা পুকুর আছে যেখানে গোসোল করলে যার যত গুপ্ত রোগ আছে তার আমূল প্রতিকার হবে।</p><p>স্যার যখন প্রথম দিকে কলেজে আসছিলেন তখন তার জোক্স এর বহর দেখে আমরা বেশ মজা পেলেও পরে আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম স্যার এর বেসাতি তে ওই কয়েকটাই জোক্স আছে। ঘুরে ফিরে একই জোক্স আর কতবার শোনা যায়? এজন্য পরেরদিকে স্যার ওপেনলি আমাদের ক্লাসে পচানি খেতেন।</p><p>৩। ইকবাল হাসান তালুকদার স্যার আমাদের কলেজে একটা ক্রেজ ছিলেন।ঊনার বিখ্যাত কাজকারবার  দেখে আর কথাবার্তা শুনে ক্যাডেটরা বুঝতো না কি করা উচিত।কিছু নমুনা দেই<br /> ১।উনার ওয়াইফ মারা যাবার কিছু দিন পর উনি প্রেপ ডি এম আমাদের ফ্লোরে। আমাদের ফর্ম এ এসে বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ পিছনে বসে থাকার পর হঠাৎ তার ডায়লোগঃ আজ থেকে আমি ব্যাচেলর।<br /> ২। উনি ছিলেন কাশিম হাউজের হাউজ মাষ্টার। বেচারাদের নানা কিম্ভুতকিমাকার রুলস এর মধ্যে জীবন যাপন করতে হতো এর কারনে।  হাউস অফিসে তিনি একটা বেঞ্চ নিয়ে তার উপর জুনিওরদের শোয়ায়ে সাতার প্রাকটিস করাতেন ইন্টার  হাউস সুইমিং কম্পিটিসনের আগে। আরো একবার তিনি তার হাউসের হকি টীমকে ব্রিফিং দিচ্ছেন এভাবেঃ বাশার একটা খাতা কলম দাও। খাতা কলম দিলে তিনি এগারোটা প্লেয়ার আকলেন খাতায়। তারপর বললেন এইটা হলো কাসিম হাউস টীম । এইটা হল গোল্কিপার কাইয়ুম ।ও দিবে একে বল।ও একে। তারপর ও ওকে। ও তখন গোল দিবে। ব্যাস আমরা জিতে যাবো।বেচারা টিম ক্যাপ্টেন বাশার বলল”স্যার অন্য টীম কি বসে থাকবে??”। স্যার বললেন” হুউম..তাইতো।।এখানে তো সমস্যা। ওদের কিভাবে বসায় রাখা যায়??বল তো বাশার”।</p><p>আরো কিছু ছিলো। পরে লিখবো।খেলা দেখতে যাবো তাই আজকে এতোটুকুই&#8230;<br /> <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/10.gif' alt=':P' class='wp-smiley' /></p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15930/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>30</slash:comments> </item> <item><title>শিরোনামহীন প্যাচাল&#8230;</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15449</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15449#comments</comments> <pubDate>Wed, 16 Sep 2009 00:04:37 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=15449</guid> <description><![CDATA[ওমেকাতে কোচিং করবার সময় এক বড়ভাই বলেছিলেন বুয়েটে ঢোকো তারপর প্রতিদিনই নাকি ঈদের দিন। বড়ভাই যদি সত্যি কথা বলে থাকেন তাহলে আমার আজকে ১০১৮ তম ঈদের দিন। মাত্র ২ টা লেভেল গেছে। আল্লাহর রহমতে ঈদের দিন যে আরো হাজারটা আছে তা আর বলতে হবে না। কন্টিনিউয়াস ঈদের দিন পালন করতে করতে আমি ক্লান্ত। আমার যত [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ওমেকাতে কোচিং করবার সময় এক বড়ভাই বলেছিলেন বুয়েটে ঢোকো তারপর প্রতিদিনই নাকি ঈদের দিন। বড়ভাই যদি সত্যি কথা বলে থাকেন তাহলে আমার আজকে ১০১৮ তম ঈদের দিন। মাত্র ২ টা লেভেল গেছে। আল্লাহর রহমতে ঈদের দিন যে আরো হাজারটা আছে তা আর বলতে হবে না। কন্টিনিউয়াস ঈদের দিন পালন করতে করতে আমি ক্লান্ত। আমার যত নন-বুয়েটিয়ান বন্ধু আছে সবার মুখে এক কথা “বেটা বুয়েটে পড়িস ভাব এ বাচিস না..আর প্যাচাল পাড়িস না..তোরা বস ব্লা ব্লা ব্লা”। কেমনে বুঝাই এইটা আসলে একটা দিল্লিকা লাড্ডু। আমার বাকি ফ্রেন্ডগুলা যেখানে ৩ টা ইয়ার শেষ করে ফেলছে সেখানে আমরা এখনো সেকেন্ড ইয়ার  সেকেন্ড সেমিষ্টারের এর রেজাল্ট পাই নাই। কষ্টের কথা কারে শোনাই।</p><p>তবে কিছু পজিটিভ জিনিষও আছে । ভার্সিটি লাইফটা অসাধারন স্বাধীনতার জিনিসটা দেখলে। যা ইচ্ছা তাই করতে পারি।<br /> কাম কাজ নাই পুরাদিন ১০ টা মুভি দেখার রেকর্ড ও আছে। বাবা মা কেনো জানি আর পড়ালেখার কথা বলে না। আমার রেজাল্টও কখনো জানতে চায় নাই আমার আম্মা আব্বা যেটা আমার কোন ক্যাডেট ফ্রেন্ড বিশ্বাস করবে বলে মনে হয় না। আমার আব্বা কেমন কড়া কেমন সিরিয়াস সেটা প্রত্যেক প্যারেন্টস ডে তে খালি আমি না..আমার সাথে কিছু পোলাপানও টের পাইতো। কেনো জানি নিজের মধ্যে একটা বড় বড় ভাব এসে গেছে। এমনকি আমার ছোটো ভাই ও আজকাল আমার কথা শোনে কোনো বিরোধিতা করে না যেখানে  ইন্টার দেবার সময়ও আমি আর আমার ভাই মিলে রেস্লিং খেলতাম। কেনো জানি সবকিছু পালটে গেছে।</p><p>এইবারের ছুটির টাইমিং এতো বাজে পড়ছে যে কি বলবো। রোজা পুরা ছুটিটারই বারোটা বাজায় দিছে। তার উপর ডে লাইট সেভিংস সব কিছু মিলায়ে আমার দিনকাল রুটিন  সব ছেড়াবেড়া হয়ে গেছে। উলটা উলটা টাইমে উলটা উলটা কাজ করি। ঘুম থেকে উঠি ১২ টায়। তারপর একটা টিউশনিতে যাই। টিউসনি থেকে আসার পর  আমি জানি না কোনো একটা রহস্যময় প্রানশক্তির প্রভাবে আমার আবার ঘুম আসে। ১২ টায় ঘুম থেকে উঠার পরেও আমি আবার ৩ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত  ঘুমাই..আল্লাহ ই জানে আমাকে কুম্ভকর্ন আছর করছে নাকি। তারপর ইফতার কইরে একটু পি সি ছাড়লেই শুরু হয় ইলেক্ট্রিসিটি এর খেলা। মাশাল্লাহ  আগের চেয়ে তাদের লোডশেডিং এর সিষ্টেমের উন্নতি হইছে। আগে ১ ঘন্টা করে রাখতো কিন্তু এখন তারা নতুন সিষ্টেম চালু  করছে যা কি না হইতেছে ইউনুসের মাইক্রোক্রেডিট এর মতো মাইক্রোলোডশেডিং। মানে এখন তারা ২০ মিনিট করে করে ৩ বার নিয়ে এক ঘন্টার কোর্স কমপ্লিট করবে। কিছুই ঠিকমতো করা হয় না। ফলে ভালমত একটা মুভি দেখে হাত পা খিলাতে বসলেই দেখি রাত বাজে ২ টা। আজিব। আবার ঘুমাও। এই ভাবে গত ১৫ দিন কাটাইতেছি। মাঝখানে পোলাপানসহ চিড়িয়াখানা গেছিলাম ঘুরতে। সেই ক্লাস টু না থ্রি এর পর আর চিড়িয়াখানায় যাই নাই। অনেকদিন পর গেলাম। ভালই মজা হইল মাগার কিছু কিছু প্রানীর খাচার কাছে গন্ধের ঠেলায় যাওয়া যায় নাই। এইটা কি ওই প্রানীর দোষ নাকি চিড়িয়াখানার  ঢিলামি আল্লাহই জানে।</p><p>এইবার আগে থেকেই শুনতেছিলাম বুয়েটে নাকি সিট বাড়াবে। আমি ভাবছিলাম হয়তো নতুন কোনো ডিপার্টমেন্ট করবে। কেউ কেউ ভাবছিল সি এস ই তে সিট বাড়াবে। আমিও তাই ভাবছিলাম। বুয়েটের নতুন বিল্ডিং টা দেখলে মনে হবে এইখানে না জানি কয় জন ক্লাস করে। আমি বুঝি না। কেবল আমরা সি এস ই আর ইলেক্ট্রিক্যাল এই দুইটা ডিপার্টমেন্ট এর জন্য ১০+ তালা বিল্ডিং করে রাখছে। এতো বড় দালান এর মাহাত্ন্য কি আমি এখনো বুঝি নাই। আমাদের সময়ে ইইই তে ৬০ টা সিট বাড়াইছিল। ভালই করছিলো এই কারনেই সি এস ই পাইছি হেহে। কিন্তু এইবার শুনলাম তারা নাকি আবারো ইইই তে আরো ১৫ টা সিট বাড়াইতেছে। আজিব অবস্থা। অথচ আমি যা জানি ইইই এর বাজার দর নিম্নগামী।বাকি বাড়াইছে মেকানিক্যাল এ ৫০ টা। সি এস ই যা ছিল তাই আছে। অবস্য সি এস ই তে সিট না বাড়ানোর কারন আছে। আমাদের ডিপার্টমেন্টের টিচার এর সংকট আছে। আমি জানি না আমাদের ডিপার্টমেন্টের একটা টিচার ও থাকে না। সবগুলা ব্রাইট টিচার বাইরে  চলে যায়। এবার চলে গেছে ২ টা বস টিচার।এদের মধ্যে একজন হল আতিফ স্যার যিনি জি আর ই তে পাইছেন ১৫৭৫. ভাবা যায়?? এসব বস বস পাবলিক চলে গিয়ে  ডিপার্টমেন্ট টাকে পুরাই কাহ্লি করে দিচ্ছে।</p><p>সেদিন ব্লগে দেখলাম আমার কলেজমেট মাহবুব আসছে ব্লগে। ওকে যে কতবার  ব্লগ লিখা শুরু করতে বলছি। যাক খুব খুশি হলাম ওকে ব্লগ এ পেয়ে। আমার প্রেপ টাইমের অলস সময় কাটানোর সেরা উপাদান ছিলো ওর ডায়রী পড়া। গল্প; কবিতা সব মিলায়ে জোশ লিখে আমার বন্ধুটা।</p><p>দিনকাল ভাল কাটতেছে না। আর্সেনাল এর জন্য তো নয়ই। পিচ্চিগুলা আবারো হারছে। তাও অই বেয়াদ্দপ আদেবায়ের এর<br /> টীম এর কাছে। হারামখোর এর ব্যবহার দেখে মনে হইতেছিলো একটা জুতা নিয়ে..নাহ&#8230;রোজার মাস থাক।ভয় লাগতেছে এইবার কিছু না পাইলে ফেব্রেগাস কে হারাতে হবে। ওয়েঙ্গার এর মনে কি আছে সে ছাড়া আর কেউ জানে না।</p><p>আগামী ২৯ তারিখ আমরা বুয়েটের বন্ধুগুলা  মিলে সুন্দরবন যাইতেছি।সবাই দোয়া কইরেন যাতে বেচে ফিরে আসতে পারি। ওই জায়গায় নাকি প্রায়ই পাবলিক পটল তুলে। যাই হোক  অনেক কষ্টে বাবা মা রে রাজি করাইছি&#8230;প্রমিজ করছি কোনো অবস্থাতেই পানিতে নামতেছি না..সেদিন নাকি কয়েকটা বুয়েটিয়ান পানিতে ডুবে মারা গেছে&#8230;.আরো অনেক কিছু।<br /> বেচে ফিরে আসতে পারলে কিছু ছবি শেয়ার করবো ইনশাল্লাহ!!</p><p>আর সবার শেষে একটা গান শেয়ার করলাম।  জার্মানটাউনের <a href="http://www.mediafire.com/download.php?gmmyozmytmj">আমরা স্বাধীন</a> লিরিক্স ওতোটা ভাল না বাট গানটা catchy.<br /> আশা করি সবার ভাল লাগবে!!</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/15449/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>59</slash:comments> </item> <item><title>মা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/14734</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/14734#comments</comments> <pubDate>Thu, 03 Sep 2009 19:23:52 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=14734</guid> <description><![CDATA[“সাহিদ রাহিদ এসেছিস?” মিসেস রহমান রান্নাঘর থেকে চুলার ওপর থেকে চোখ না সরিয়েই জিগ্যেস করলেন। “হ্যা মামনি” রাহিদের জবাব আসল। “সাহিদ তোর সাথে এসেছে?”মিসেস রহমানের প্রশ্ন। “না”; ছেলে জবাব দিলো। “কোথায় সে?” জিগ্যেস করাতে ছেলের জবাব “কোথায় আবার..সব সময় যেখানে থাকে স্কুলের পর।” মামনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার বড়ো ছেলেটার ইদানিং ভিডিও গেম খেলার কি [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>“সাহিদ রাহিদ এসেছিস?” মিসেস রহমান রান্নাঘর থেকে চুলার ওপর থেকে চোখ না সরিয়েই জিগ্যেস করলেন। “হ্যা মামনি” রাহিদের জবাব আসল। “সাহিদ তোর সাথে এসেছে?”মিসেস রহমানের প্রশ্ন। “না”; ছেলে জবাব দিলো। “কোথায় সে?” জিগ্যেস করাতে ছেলের জবাব “কোথায় আবার..সব সময় যেখানে থাকে স্কুলের পর।” মামনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার বড়ো ছেলেটার ইদানিং ভিডিও গেম খেলার কি একটা নেশা হয়েছে। রাস্তার পাশে  ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা খোপের মত দোকানগুলোতে বসে থাকে। তার এ ছেলেটাকে নিয়ে তিনি বড়ই চিন্তিত। কখন কার সাথে মেশে, কি করে, খারাপ ছেলেদের সাথে মিশছে কিনা এসব নানা চিন্তা তাকে ঘিরে ধরে। কেমন যেন হালকা বেয়াড়া হয়ে গেছে সে। কথা বললে কথাও শোনে না। তার স্বামীকে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই তিনি জানেন। তার মত খামখেয়ালি মানুষ যে নিজের কাজ করতেই হিমশিম খায় তাকে এর কোনো বিহিত করতে বলা অর্থহীন।</p><p>আজ মিসেস রহমানের খুব খুশির দিন। তার ছেলে রাহিদ আমেরিকাতে স্কলারশিপ পেয়েছে। বেশ ভালই স্কলারশিপ। তার এই ছেলে অসাধারন মেধাবী। তিনি কারো সাথে দেখা হলে সুযোগ পেলেই রাহিদের কথা শোনান। আর শোনাবেন নাই না কেন? তার এই ছেলে পড়েছে দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে.. দুটি বোর্ড পরীক্ষাতেই গোল্ডেন এ প্লাস। তারপর  ভার্সিটিতে ঈর্ষনীয় ফলাফল। তারপর এ স্কলারশিপ। তার এ ছেলে তার সোনার টুকরো ছেলে।  বাসায় মিলাদ দিলেন তিনি। ছেলের জন্য দোয়া চলছে। হুযুর তার গলার স্বরকে যথাসম্ভব উচুতে নিয়ে তার ছেলের জীবনের সকল ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য বিধাতের কাছে দোয়া চাচ্ছেন আর মেহমানরা ততোধিক উচ্চস্বরে আমিন আমিন বলছেন এমন সময় ঠাস করে একটা আওয়াজ। ঘরে একটা আগন্তুকের আবির্ভাব হলো। দেখে মনে হলো কোনো পাগল। পাগলটা সরাসরি মিসেস রহমানের কাছে গিয়ে বলল “মামনি আমার কিছু টাকা দরকার..খুব জরুরী।” মিসেস রহমান তখন আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। “তোর এতো বড়ো সাহস।।তুই আবার এসেছিস??? আমার চোখের সামনে থেকে যা তুই..একটা পয়সাও তুই পাবি না আমার কাছ থেকে ।“ “কিন্তু মামনি আমার আসলেই খুব দরকার..বিশ্বাস করো আর চাইবো না”কাতরালো সাহিদ। “মিথ্যাবাদী কোথাকার&#8230;আমি কি কিছু বুঝি না ভেবেছিস..তুই আমার পেটের ছেলে এটা মানুষকে বলতেও আমার বিবেকে বাধে।তুই এখনই বাসা থেকে বের হয়ে যা। যা বলছি।“ চিৎকার করে উঠলেন মিসেস রহমান। “বেশ..ভাল থেকো..মামনি।।ভাল থাকিস রাহিদ..”বলে চলে গেলো সাহিদ। সবকিছু আবার আগের জায়গায় ফিরে গেলো। আবার সেই প্রার্থনা আর আমিন আমিন।</p><p>“মিসেস রহমান আপনার জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে।”ডাক্তার এর একথা শুনেই মিসেস রহমানের বুকটা ধ্বক করে উঠলো।“আপনার দুটো কিডনিই অচল হয়ে গেছে।খুব তাড়াতাড়ি একজন ডোনার খুজে বের করুন before its too late!” মিসেস রহমানের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। তার স্বামী গতো হয়েছেন বছর দেড়েক হলো। তার ছোটো ছেলে এখন হাজারখানেক মাইল দূরে। তিনি কি করবেন?? তার একজন খালাতো বোন কেবল আছে তার পাশে। “বুবু তুমি চিন্তা করো না আমি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছি..টাকা থাকলে ডোনার পেতে কোনো সমস্যা হবে না।” তিনি হাল্কা স্বস্তি পান। রাহিদকে ফোন করে তিনি এ কথা বলতেই সে বলল মন্দার কারনে নাকি তার চাকরিতে বেশ সমস্যা যাচ্ছে। তবে সে মাকে আশ্বস্ত করলো চিকিৎসার খরচ সেই বহন করবে।  তবে দেশে আসতে পারবে না।“ আসাটা কি খুব জরুরী মামনী” জিগ্যেস করাতে মিসেস রহমানের ত্বরিৎ জবাব “না বাবা তোর এতো কষ্ট করে আর আসার দরকার নেই..তুই থাক..আমার জন্য দোয়া করিস।”</p><p>“বুবু কেমন আছো? এখন তোমার কেমন লাগছে? “ভালো রে”, মিসেস রহমানের ক্লান্ত জবাব। পাশে হাস্যময় ডাক্তার। “congratulation মিসেস রহমান..আপনি এখন আল্লাহর রহমতে পুরোপুরি সুস্থ”। “আলহামদুলিল্লাহ..” বলে একটা নিঃশ্বাস নিলেন মিসেস রহমান। ডাক্তার চলে যাবার পর তিনি তার বোনকে বললেন “দোনার এর পেছনে কত গেছে রে?”।<br /> “আরে বুবু মজার কাহিনী তো জানো না..তোমার ডোনোর এর পিছনে কোনো খরচই হয় নি। একজন ভলান্টিয়ার ছেলে তোমাকে কিডনী দান করেছে। সে কোনো টাকাই নেয় নি।“ “তাই নাকি? কে সে ছেলে??” জিগ্যেস করলেন মিসেস রহমান। “জানি না ..তবে ডাক্তার বলেছে সে নাকি তোমাকে একটা চিরকুট দিয়ে গেছে।” কোনো কারনে মিসেস রহমানের একটা আশ্চর্য অনুভূতি হলো। “কোথায় সে চিরকুট?? দে দেখি&#8230;” বললেন মিসেস রহমান। “ এই নাও”। কাপা কাপা হাতে চিরকুটটা চোখের সামনে মেলে ঢরলেন মিসেস রহমান।<br /> “<br /> প্রিয় মামনী;<br /> অবাক হচ্ছ আমি জানি। তুমি জানো আমি আজ পর্যন্ত যা করেছি তার জন্য কখনই অনুতপ্ত হই নি। কিন্তু সেদিন পত্রিকায় তোমার খবর পড়ে  আমি প্রথম বার নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলাম। কেনো তুমি জানো?  কারন  এই আমি তোমার ছেলে তোমাকে আমার দুটো কিডনীই দিয়ে দিতে পারলাম না। বহুদিন আগে ঋন গ্রস্ত হয়ে আমার একটা কিডনী বেচে দিতে হয়েছিলো। আমি সরি  মামনি তোমাকে একটা কিডনীই দিতে পারলাম..আমাকে ক্ষমা করে দিও। আর in case you are wondering আমার কিডনী টা ভালো কিডনী। তোমার ছেলে কখনই ড্রাগ নেয় নি। আমি সন্ত্রাসি হতে পারি কিন্তু তোমার ছেলে কখনোই মাদক নেয় নি মামনি।</p><p>ভালো থেকো।আমার জন্য দোয়া করো।<br /> সাহিদ<br /> ”<br /> “বুবু এই ছবিটা দেখেছ? আমির খানের নতুন মুভি..তারে যামীন পার”। মিসেস রহমান তাকালেন কেবিনের টেলিভিশনের দিকে। গান ভেসে আসল “ভীড় মে  ইয়ু না ছোড়ো মুঝে..ঘার লাটকে ভি আনা পাউ মা&#8230;ভেজ না ইতনা দূর মুঝকো তু..ইয়াদ ভি তুঝকো আনা পাউ মা&#8230;কেয়া ইতনা বুরা হু ম্যায় মা.. ”। হঠাৎ মিসেস রহমান হাউ মাউ করে কেদে উঠলেন।তার খালাতো বোন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে&#8230;</p><p>&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br /> অনেক দিন পর আসলাম সি সি বি তে। এই কয়দিন আমার উপর দিয়ে অনেক কিছু বয়ে গেছে..তাই হয়তো কিছু লিখার উৎসাহ পাই নি&#8230;আবার আস্লাম।।এবার মনে হয় আর ছেড়ে যাব না। আর গল্পটা মনে হয় খুব একটা ভালো হয় নাই&#8230;.তবুও সাহস করে দিলাম&#8230;হাজার হোক আমার প্রথম গল্প ব্লগে&#8230;</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/14734/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>24</slash:comments> </item> <item><title>আমার অনুভূতিগুলোর আমার মতো করে ব্যবচ্ছেদ</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/9293</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/9293#comments</comments> <pubDate>Fri, 08 May 2009 19:15:13 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=9293</guid> <description><![CDATA[বুয়েটে  ঢোকার পর থেকে একটা করে টার্ম পার করতেছি  আর পড়ালেখার উপর থেকে আমার আগ্রহ এক্সপোনেন্সিয়াল হারে কমতেছে। আমার মনে হয় লেভেল ৪ এ উঠার পরে আগ্রহটা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।  তার উপর এই টার্ম এ এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা আসলে আমার সবকিছু উলোট পালোট করে দিয়ে গেছে। আসলে মানুষের জীবনে এমন [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>বুয়েটে  ঢোকার পর থেকে একটা করে টার্ম পার করতেছি  আর পড়ালেখার উপর থেকে আমার আগ্রহ এক্সপোনেন্সিয়াল হারে কমতেছে। আমার মনে হয় লেভেল ৪ এ উঠার পরে আগ্রহটা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।  তার উপর এই টার্ম এ এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা আসলে আমার সবকিছু উলোট পালোট করে দিয়ে গেছে। আসলে মানুষের জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে ,এমন কিছু কাহিনী সে করে যা একদমই তার প্রকৃতির সাথে খাপ খায় না। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে সেসব ঘটনাই দিয়ে তার আশেপাশের মানুষগুলো তাকে ডিফাইন করে ফেলে।</p><p>বুয়েটে ঢোকার আগে আমার আব্বি আমাকে বলেছিলো গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসাতে। এ কথাটার অর্থ বোঝার জন্য নিউটন হবার দরকার হয় না। আমি ক্যাডেট এ থাকতে অনেক কাহিনী করেছিলাম কিন্তু কখনোই আমার প্যারেন্টস কল হয় নি। আমি কখনোই আমার কৃতকর্মের ভাগ আমার আব্বি মামনিকে বহন করতে দেই নি আমার জীবনে। আমার প্যারেন্টস অনেক কষ্ট করেছে আমার জন্য। আমি চাই না আমার কিছু কাজের কারণে তাদের চোখের কোনে  অভিমানের পানি জমা হোক। এটার সাথে আমি কখনোই কম্প্রোমাইজ করি নি। তাই আমি ঠিক করেছিলাম  খালি পরাশুনাই করতে যাবো বুয়েটে।</p><p>হায়!!মানুষ ভাবে এক আর হয় আরেক! যে জিনিষ আমার পুরো জীবনে কখনোই হয় নি, সে জিনিষ টাই ঘটে বসলো! আমার আগের ২০ টা বছরে একটা সামান্য ক্রাশ ও কারো উপর ছিলো না। আমার জাষ্ট এসব জিনিষ নিয়ে ভাবার সময়ই হয় নি কখনো। এটা সম্পূর্ণ প্রথম আমার জীবনে। আমি জানতাম  এটা প্রথমে ক্রাশ ই ছিলো। জাষ্ট ক্যাফেতে লাইব্রেরিতে যা দেখতাম তাই।  কিন্তু গতো টার্ম এর লাষ্টের দিক থেকে জিনিষ্টা চরম আকার ধারন করলো। যদিও আগে আমি এটাকে ফান এর পর্যায়ে রেখে দিয়েছিলাম। পোলাপান ফাজলেমি করতো। এই সেই! কিন্তু যখন  ক্রাশটা ভালোবাসার বা যাই হোক সেটার রূপ নিয়ে নিলো তখন আমার আর কিছুই করার নাই।</p><p>এতোদিন যেটাকে হাল্কা বলে হাতে করে নিয়ে চলছিলাম সেদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি এটাকে ফেলে দিতে পারছি না। এটা আমাকে আষ্টেপৃষ্টে ধরে রেখেছে! এটা পুরোই অন্যরকম এক ধরনের অনূভূতি। ঝাল মুড়ি খাবার সময় প্রচুর ঝাল থাকা সত্ত্বেও সবাই যেমন খেয়েই যায় ঝাল; অনেকটা এটার ঝাল এর কারনেই; যদিও সে ঝাল এর কারনে তার চোখে পানি জমে যায়;তবুও সে থামে না। আলাদা ক্যাম্পাস এ থাকার ফলে ভেবেছিলাম চোখের আড়াল মনের আড়াল ও হবে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে  তা হলো না। তাকে না দেখলে না দেখার ব্যাথা; আর দেখলে  মনের মাঝে, ঠিক হার্ট এর মাঝখানে একটা তীক্ষ্ণ ব্যাথা; একটা আজব ব্যাথা। যে ব্যাথা আমি আগে কখনই ভাবি নি  আমি পাবো আমার জীবনে। মাথার সব কয়টা তার ছিড়ে যাওয়া; হাত পা কাপাকাপি করা এসব কি কারনে হচ্ছে? আমি আসলে এখনো বুঝতে পারছি না আমি কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি!</p><p>যাই হোক আমার মনে হয় পহেলা বৈশাখে আমার বা আমাদের কাজকর্মে থলের বিড়াল বের হয়ে আসছে! যা হয়েছে এখন এটাকে আনডু করার কোনো উপায় নাই। যা হবার তাই হয়েছে। আমি কোনো দোষ করি নাই। আর যদি করেও থাকি তাহলে সেটার উপর আমার কোনো হাত নাই। আমি একটা ছেলে যে কিনা খুব বেশি তার হার্ট ঠিক সেই মুহূর্তে যা বলে তাই করে ফেলে। my heart controls me more than my head does. এটার জন্য আমি পরে ভুগলেও ঠিক সেই মুহূর্তের অনুভূতির কথা চিন্তা করলে তা সহ্য হয়ে যায়।</p><p>আজকে অনেক কিছু লিখে ফেললাম। একদম বিক্ষিপ্ত একটা মন নিয়ে লিখলাম এসব।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/9293/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>33</slash:comments> </item> <item><title>এক নাদান বাচ্চার গান শোনা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/7960</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/7960#comments</comments> <pubDate>Fri, 10 Apr 2009 12:36:02 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[গান]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=7960</guid> <description><![CDATA[             আমাদের বুয়েটের ২-১ এর ক্লাশ শেষ হয়েছিলো সেই নভেম্বরে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে চার মাস ধরে ৫ টা     এক্সাম দেবার পর আবার এক মাসের ছুটি। শরীরের  পরতে পরতে  জং ধরে গেছে। তাই গতো ২ সপ্তাহ ক্লাশ করে [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p> আমাদের বুয়েটের ২-১ এর ক্লাশ শেষ হয়েছিলো সেই নভেম্বরে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে চার মাস ধরে ৫ টা <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/bash.gif' alt=':chup:' class='wp-smiley' /> এক্সাম দেবার পর আবার এক মাসের ছুটি। শরীরের  পরতে পরতে  জং ধরে গেছে। তাই গতো ২ সপ্তাহ ক্লাশ করে  আমার মনে হইতেছে সেই ফুটবল খেলোয়াড় এর মতো যে কিনা দীর্ঘ ইঞ্জুরি শেষে  কোন ওয়ার্ম উপ ছাড়া খেলতে এসে আবার ইনজুরি তেই পড়ছে!   তার উপর এইবার পড়ছে সেইরকম রুটিন আর স্যার! উইকে ৪ দিন বিকাল এ!! অমানুষিক অত্যাচার! স্যার গুলাও পড়ছে মাশাল্লাহ!! এই টার্ম সহি সালামতে পাশ করতে পারি নাকি সেটাই চিন্তার বিষয়।</p><p> যা নিয়ে লিখতে বসছিলাম। আমার এক ফ্রেন্ড সেদিন আমাকে শচীন দেব বর্মণ এর কয়েক্টা গান দিয়ে বলেছিলো শুনে দেখিস। আমি বলেছিলাম পুরানো আমলের গান শুনলে আমার হাসি পায়। তবলা আর হারমনিয়াম এর যুগ শেষ!  ও তখন হেসে বলেছিল শুনেই তারপর কথা বলিস! আমি গান গুলা নিয়ে পি সি তে রেখে তার পর আর কনো খোজ রাখি নাই। হঠাত গতকাল বিকালে কি মনে করে আমার ছোট এম পি থ্রি তে শচীন  এর গান গুলা লোড করলাম।  এরপর আমার অনুভূতি আমি ভাষায় বলতে পারবো না। একটা মানুষের গান এতো মন ছোয়া কিভাবে হতে পারে??? লজ্জার বিষয় আমার জন্য কিছু কিছু গান যে উনিই গেয়েছিলেন সেটাই আ্মি  জানতাম না। নীটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক গান টা আমি  জানতামই না এই মানুষ টি গেয়েছেন। সত্যি কথা বলতে কি ফুয়াদ এর রিমিক্স তা এটার কাছে কিছুই না।</p><p> আমার মনে হলো আসলে আমরা সবাই এ্কসময় না একসময় মূলে ফিরে যাই। তারপর মনে হয়  কি দেখলাম!! হায় রে!! পুরো জীবনটা রিমিক্স দিয়েই ভরায় দিলাম কিন্তু আসল জিনিশের কদর টা কখনই বুঝতে পারি নাই এই আমি। আমার মনে হলো আমি মনে হয় এখন গান শুনা শুরু করলাম। এখনো আসল গানের বিশাল যে  সৈকত আছে তা আমার  অধরাই রয়ে গেছে!!!</p><p>পুনশ্চঃ শচীনের গান কে এতোদিন ফুয়াদের ভাবার কারনে আমি ৫০ টা <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/baby.gif' alt=':frontroll:' class='wp-smiley' /> দিয়ে দিলাম। সবাই আমাকে মাফ করে দিয়েন!!</p><p><a href="http://www.mediafire.com/download.php?timvt2ttij3">নিটোল পায়ে</a></p><p><a href="http://www.mediafire.com/download.php?zmyzf24nzwf">ডাকাতিয়া বাশি</a></p><p><a href="http://www.mediafire.com/download.php?4n4mmgnmgqg">নিশীথে  যাইও ফুলবনে</a></p><p><a href="http://www.mediafire.com/download.php?kzh1q1zuduy">তুমি আর নেই সে তুমি</a></p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/7960/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>19</slash:comments> </item> <item><title>অই থাম!!!!!!!!!</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/6400</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/6400#comments</comments> <pubDate>Thu, 19 Mar 2009 12:31:54 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category> <category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=6400</guid> <description><![CDATA[         গতো কয়েকদিনে ব্লগের অনেকগুলো পোষ্ট পড়ে শেষ করলাম। কি যে নষ্টালজিক  হয়ে পড়লাম কিছু লেখা পড়ে! ভাবতে অবাক লাগে যখন ক্লাস  টুয়েলভে ছিলাম তখন কলেজের  অথোরিটি এর  ঠ্যালায় মনে হইতো কবে এই জেলখানা থেকে মুক্তি পাবো। আর এখন সেই জেলখানার জন্যই  [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p> গতো কয়েকদিনে ব্লগের অনেকগুলো পোষ্ট পড়ে শেষ করলাম। কি যে নষ্টালজিক  হয়ে পড়লাম কিছু লেখা পড়ে! ভাবতে অবাক লাগে যখন ক্লাস  টুয়েলভে ছিলাম তখন কলেজের  অথোরিটি এর  ঠ্যালায় মনে হইতো কবে এই জেলখানা থেকে মুক্তি পাবো। আর এখন সেই জেলখানার জন্যই  মনটা আনচান করে।</p><p> সবাই দেখি অনেক মজার কাহিনী শেয়ার করে। আমিও  ভাবলাম একটা শেয়ার করি সব ভাইদের সাথে। তখন আমরা ক্লাশ  টেন এ। প্রি টেষ্ট  এক্সাম মাত্র  শুরু হইছে। প্রথম এক্সাম ছিল ইংরেজী ১ম পত্র। ওই এক্সাম টা নিছিলেন সাঈদ আহমেদ স্যার। প্রশ্ন টা বড়ই কঠিন হয়েছিলো। তো যাই হোক এক্সাম   শেষে অনেকের মুখ দেখেই  মোটামোটি বুঝা যচ্ছিলো পোলাপান এর ভাগ্যে ফেল লেখা আছে।তো তারপর আফটারনুন প্রেপ এ আমি আইসে  নিশ্চিন্ত মনে ঘুম ধরলাম কেননা  পরের এক্সাম যাই হক আমি ত  ফেইল ই। তো ঘুম এর মাঝখানে আমি খালি আবছা আবছা ভিপি স্যার, খাতা আর তালা এই  রকম বেশ কয়েটা  শব্দ  শুনতে পেলাম। যখন  গেমস এর বেল পড়লো তখন  যাবার পথে দেখলাম শাকির, নাহিদ আর নাজমুল মিলে খুব নিচু গলায় কি সব আলোচনা করতেছে। আমি তখন  পর্যন্ত অন্ধকারে আছি এরা কি করতাছে।বুঝতে পারলাম আমার  ডেস্ক এর পাশে এরাই শলাপরামর্শ করতেছিলো।</p><p> গেমস শেষে হাউসে আসার পর কাহিনী জানা গেলো। তাহাদের প্লান অতিশয় দুধর্ষ। তারা  ঠিক করছে রাতের বেলা তারা একাদেমী ব্লক এ গিয়ে ভিপি স্যার এর রুম এর তালা ভেঙ্গে সেখান থেকে আমাদের এক্সাম পেপার এনে হাউসে আনবে। তারপর সেখানে দরকারমতো কেরিকেচার করে নিজ নিজ পাস নিশ্চিত করবে। এহেন প্লান শুনিয়া আ্মি সাথে সাথে বলিলাম আমার খাতা তাও আনিস।  তোরে  একদিন ক্যান্টিন ফ্রী দিবো হেহে। তো  এহেন প্লান এর টেনশনে তাদের সাথে সাথে আমারো  বাকি ২ প্রেপ আর কাটে না। প্রেপ শেষ করে হাউসে গিয়ে আমরা কিছু চামবাজ পোলা মিলে ওদের এই সেই নানা  টিপস দিতে লাগ্লাম। এখানে একটু বলে নেই এই ৩ জনের মধ্যে নাজমুল  এর প্রসেসর তুলোনামুলকভাবে একটু স্লো।<br /> তো রাত ১টার দিকে তারা বীরদর্পে বের হলো। আমরা তখন রাতে পড়ার পারমিশন পেয়েছিলাম তাই রুম এর লাইট  অন করে আজাইরা পেচাল পারতেছি। এমন সময় একাদেমী  এর শেড এর উপর ভারি কিছু পড়ার আওয়াজ আর সাথে সাথে&#8221;অইইইই  থাআআআআআম&#8221; বলে কোনো একজনের গগনবিদারি আর্তনাদ। আমরা সাথে সাথে বুঝতে পারলাম কাহিনী বেগতিক। এর ৫ মিনিট পরে শাকির এসে পড়লো।তার প্রায় ১০  মিনিট পর নাজমুল। তবে সে একা না, তাকে প্রায় ঘাড় ধরে নিয়ে আসছে এক গার্ড।<br /> পরের কাহিনীটা ছোট।তাদের সবার আনলিমিটেড ইডি+পেরেন্টস কল হইছিলো। কিন্তু আসল হাসির কাহিনীটা পরে জানা গেলো।<br /> তারা যখন দেখলো  কোনো চাবি দিয়েই তালা টা খুলা যাচ্ছে না তখন  নিচ থেকে  চোখা ইটের  টুকরা দিয়ে গ্যাচ ঘ্যাচ আওয়াজ করে তালা খুলার কাজে নিজেদের  নিয়োজিত করলো। গার্ডের আসনে ছিলেন আমাদের  নাজমুল ভাই। ত তিনি যখন গার্ড কে দেখিলেন তখন তাদের কে খালি পালা বলেই পলায়ন করিলেন। শাকির অন্যদিক দিয়ে পালাতে পারলেও নাহিদ অনেকটা ফাদে পড়ে যায়। তখন ছেলেটা একটা অসাধারন  সাহসের কাজ করে ২ তালা  থেকে শেডের উপর লাফ দেয়। গার্ড বেচারা ভাবতেও পারে নাই এই রকম কিছু একটা  ঘটবে। তিনি  নাকি চিল্লায় চিল্লায় বলছিলেনঃ(পরে শুনেছি)&#8221;এই ভাই এই ভাই কি করেন! অ ভাই লাফ দিয়েন না আপানে আমি ধরমু না&#8230;&#8221; হেহে<br /> আমাদের নাজমুলকে  আরেকটা গার্ড তাড়া করতেছিলো।  পুরা একাডেমীটা তাড়া করে নাজমুল যখন প্রায় হাউস থেকে আর মাত্র ২০ না ৩০ গজ  দূরে তখন গার্ড ভাই কি মনে করে জোরে চিল্লায় উঠে বললেন&#8221;অইইই  থাম!!!&#8221;  আমাদের নাজমুল ও তখন থেমে গেলেন।<br /> এহেন কাজের ব্যাখা পরে তার কাছে জানতে চাইলে তার উত্তরঃ&#8221; আরে বেটা পুরা ক্যাডেট লাইফ থাম  শুনে শুনে থেমে থেমে অভ্যাস হয়ে গেছে!! আমার কি দোষ!!&#8221;</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/6400/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>17</slash:comments> </item> <item><title>লোডশেডিং,মশা,ব্রডব্যান্ড আর খেলা দেখা।</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5657</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5657#comments</comments> <pubDate>Wed, 11 Mar 2009 04:25:24 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=5657</guid> <description><![CDATA[  শিরোনামটা বেশি বড়ই হয়ে গেলো মনে হচ্ছে।কি আর করা!এই কয়টা জিনিশ গতো কয়েকদিন আমার কাল হয়ে দাড়াইছে।আস্তে আস্তে সব বলতেছি। গতকা্লকের কাহিনী  শুনলেই আমার মনে হয় সব  কিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে।আমার গতকাল্কে রাতে একটা টিউশনি ছিলো।পড়ায় টরায় ৮ টার দিকে বাসায়  আসলাম।এসে দেখি মাশাল্লাহ!লোডশেডিং চলতেছে!এখন অনেকেই বলবেন এটা তো [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p> শিরোনামটা বেশি বড়ই হয়ে গেলো মনে হচ্ছে।কি আর করা!এই কয়টা জিনিশ গতো কয়েকদিন আমার কাল হয়ে দাড়াইছে।আস্তে আস্তে সব বলতেছি।<br /> গতকা্লকের কাহিনী  শুনলেই আমার মনে হয় সব  কিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে।আমার গতকাল্কে রাতে একটা টিউশনি ছিলো।পড়ায় টরায় ৮ টার দিকে বাসায়  আসলাম।এসে দেখি মাশাল্লাহ!লোডশেডিং চলতেছে!<span id="more-5657"></span>এখন অনেকেই বলবেন এটা তো হতেই পারে।আমার কিন্তু এতে কোনো সমস্যা নাই।কিন্তু আমি যেখানেই থাকি সেখানেই লোডশেডিং হয় কেন রে বাপ?এখন নিশ্চিত বুঝতে পারছেন কেনো মেজাজ খারাপ।আমি  যখন টিউশনি তে  যাচ্ছিলাম তখন বাসায় কারেন্ট ছিল।ছাত্রের বাসায় গিয়ে দেখি কারেন্ট নাই।পুরা টাইম গরম এ পড়ানোর পর ঠিক যখন আমি উঠতে  যাবো তখন আসলো কারেন্ট।এরপর বাসায় আইসে দেখি এখন এইদিকে কোর্স কম্পলিট করতাছে। <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/102.gif' alt='~x(' class='wp-smiley' /> মেজাজ কেম্নে ভালো থাকে আপনারাই বলেন।<br /> এরপর আসি নেট এর কাহিনীতে।আমি যেই লোকাল ব্রডব্যান্ড এর লাইন ইউজ করি তারা যে কি আল্লাহই মালুম!দিনে কয়বার যে তাদের লাইন ডিজকানেক্ট হয় আর  কয়বার যে তাদের আমাকে ফোন করতে হয় আমি তার হিসাব করা ছেড়ে দিছি।আমি আগে  ইউজ করতাম সিটিসেল জুম।ইহার  সার্ভিস যে কিরকম তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন।এখন দেখি ব্রডব্যান্ড নিয়েও কিছু হইতেছে না।তাহারা বলতেছে এটা নাকি আগামী মাসেই  ঠিক হয়ে যাবে।দেখি কি হয়।<br /> গতকাল আবার ছিলো চ্যাম্পিয়ন্স লীগের খেলা।খেলা হয় পৌনে ২ তার দিকে।তার মানে জাগতে হবে।ভাবতেছেন রাত জাগা কনো ব্যাপার না।না রে ভাই!আমার বাসায় ঠিক রাত ১২ টার দিকে কারেন্ট  যায়।এখন এই এক  ঘন্টা আমি কি করবো <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/17.gif' alt=':-?' class='wp-smiley' /> !পুরা বাসায় সবাই ঘুম আর আমি একা একা বইসে আছি।আসলেই জাস্ট বসেই ছিলাম,আর কিছুই করি নাই।তখন বুঝলাম আসলে আমি একা রাত জাগতাছি না,সাথে আরো পা্বলিক আছে।তেনাদের কথা আর কি বল্বো ভাই!তাদের গান,তাদের কামড় শুনতে আর খাইতে যে কি বেহেশ্তি আনন্দ তা আর কি বলবো!অন্ধকারে বিছানায় বইসে বইসে খোদাপ্রদত্ত কেবল দুইটা হাত সম্বল করে  নিজেকে রক্ষা করার প্রয়াসে নিজেকে নিয়োজিত করিলাম।তখন বুঝলাম আমার  শ্রবনেন্দ্রিয় যে কি শার্প!খালি মশাগণের আওয়াজ শুনিয়াই আমি তাহাদের তুলাধুনা করতে লাগিলাম <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/730.gif' alt=':gulli:' class='wp-smiley' /> ।নিজেও যে কোনো ক্যাজুয়ালিটি এর শিকার হয় নাই তা না হেহে!<br /> যাই হোক ভাই এর পরের কাহিনী আরো বেদনাদায়ক!২ টার দিকে কারেণ্ট আস্লো।আমি তখন  তাড়াতাড়ি টিভি খুললাম।অনুমান করুন কি হতে পারে?ঠিক ধরেছেন!!তখন  ডিশ এর লাইনে কারেন্ট নাই।মনে হইলো কিচেন এ গিয়ে বটি দিয়ে নিজের  মাথা কাইটে তা দিয়া ফুটবল খেলি।**লের পিডিবি রে  কয়েটা গালি দিয়া পিসি খুলে নেট এ লাইভ কমেন্টারি দেখতে লাগ্লাম।পরে কারেন্ট আসছিলো ৩ টার দিকে।পেইন  আরো যে লিভারপুল আর চেলসি ২ টই উঠছে।অসহ্য!!!!!<br /> এমনে যদি আজকেও খেলা দেখতে হয় তাইলে আমি কইদিন হায়াত পাব তা নিয়া খুব তাড়াতাড়ি হিসাব নিকাশ সুরু করতে হবে!!!</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5657/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>22</slash:comments> </item> <item><title>ভাবছি খেলা দেখা ছেড়ে দিব!!</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5077</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5077#comments</comments> <pubDate>Wed, 04 Mar 2009 14:16:57 +0000</pubDate> <dc:creator>রাহাত ইবনে রফিক (০০-০৬)</dc:creator> <category><![CDATA[রাজশাহী]]></category> <category><![CDATA[Add new tag]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=5077</guid> <description><![CDATA[         ব্লগানো যে কি এটা নেশা তাহা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ভাগ্যিশ এখন ছুটি নইলে মনে  হয় ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে এইখানেই ঘুর ঘুর করতাম।আমি মাত্র গতকাল  একটা পোষ্ট দিলাম।এখন দেখি তা ২১৪ বার পড়া হইছে!!! আমার ব্লগস্পট এ আমি ছাড়া আর কেউ  ঢুকে নাকি [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p> ব্লগানো যে কি এটা নেশা তাহা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ভাগ্যিশ এখন ছুটি নইলে মনে  হয় ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে এইখানেই ঘুর ঘুর করতাম।আমি মাত্র গতকাল  একটা পোষ্ট দিলাম।এখন দেখি তা ২১৪ বার পড়া হইছে!!! আমার ব্লগস্পট এ আমি ছাড়া আর কেউ  ঢুকে নাকি আমার সন্দেহ আছে। আর এইখানে এতো ফিডব্যাক!! আসলেই খুব ভাল লাগার মতো বিষয়।</p><p> যে জিনিশ নিয়ে লিখতে বসিলাম তা আসলেই খুব মন খারাপ করার।গতকয়েক বছর ধরে আমার সাপোর্ট করা কোনো দলই কিছু পাইতেছে না। আমি  epl দেখি। আর্সেনাল এর সাপোর্টার। আমি এখনো বুঝতে পারতেছি না এই দলটার কি হইছে! ৪ টা সিজন আগেও  এরা ধুমায় মাঠ কাপাতো। আর এখন এরা মাঠে এসে কাপে ভয়ে। চোখের সামনে ম্যান-ইউ  সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে আর আমরা বইসে বইসে চতুর্থ হবার চেষ্টা চালাইতেছি।</p><p> আমি হলাম ইতালির সাপোর্টার। তাহারা ইউরোতে যেই পচানি দিছে তাতে আমার মনে হয় এই দল দিয়ে আর  কিছু হবে না।</p><p> আসি এবার টেনিসে। করি ফেদেরার কে সাপোর্ট। কিছুই বুঝলাম না এর কি হইলো?এ কি ওই ১৩ তেই আটকে থাকবে নাকি ভাই? এক নাদাল এর বাচ্চা এরে আর কতো বাঁশ দিবে তা কে জানে???</p><p> ক্রিকেট নিয়ে বসলে আর থামতে পারব না। বাংলাদেশের সোনার ছেলেদের খেলার কথা নতুন কইরে আর  কি  বলবো? তাও আশায় আছি  হয়তো  আমরা পরের ওয়ার্ল্ড কাপে সেমিফিনালে এটলিস্ট । এই দুঃসাহস দেখালাম কারন  আমাদের উন্নতি না, কিছু দলের অবনতি হে হে(পাকিস্তান,ওয়েষ্ট ইন্ডিজ)। আশা করতে তো দোষ নাই।</p><p> ব্লগ এ এসে যা বুঝলাম তা হলো এটা লেখার  চেয়ে পড়তেই বেশি মজা।কিছু পাবলিক এতো সুন্দর করে লেখেন যে মনে হয় আমি আসলে এক নাদান বাচ্চা। যাই&#8230;কিছু ব্লগ পড়ি গিয়ে হে  হে&#8230;&#8230;</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/rahat/5077/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>40</slash:comments> </item> </channel> </rss>
<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Minified using disk
Page Caching using disk (enhanced)
Object Caching 738/799 objects using disk
Content Delivery Network via static.cadetcollegeblog.com

Served from: www.cadetcollegeblog.com @ 2010-09-09 01:49:11 -->