উইকিলিকসের বোমায় আহত কিছু বিখ্যাত মানুষ

একের পর এক বোমা ফাটাচ্ছে উইকিলিকস,বের হচ্ছে বিখ্যাত মানুষদের ‘সাধারণ’ সব সমস্যা!সেরকম কিছু মজার তথ্য নিয়েই এই ব্লগ।

১। গার্লফ্রেণ্ডসহ সারকোজির সৌদি ভ্রমণ
প্রায় মাস দশেক আগে এক ব্রিটিশ মহিলা তার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরতে যায় দুবাইতে, কিন্তু ‘অবৈবাহিক সম্পর্ক’ এর অপরাধে সেই মহিলা এবং তার বয়ফ্রেন্ডকে বিচারের কাঠগড়ায় যেতে হয় !!!কিন্তু এমন আইন যে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির জন্যও প্রযোজ্য হবে সেটা কে জানত!

বিস্তারিত»

রকিব হাসান থেকে সৈয়দ আবুল মকসুদ


তিন গোয়েন্দা যখন পড়া শুরু করলাম তখন আমি হয়ত ফোরে পড়ি।সারাদিন মাথা গুঁজে রহস্যের সমাধান পড়তাম আর কিশোর পাশাকে হিরো বানিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভাসতাম।তিন গোয়েন্দা পড়ার আগে আমি তেমন একটা গল্পের বই পড়তাম না।ছোটবেলায় আমার সমসাময়িক সবাই যখন সারাদিন কার্টুন দেখে কিংবা কমিক পড়ে ফিক ফিক করে হাসে,আমি সেই সময়ে ব্যস্ত খেলাধুলা নিয়ে।অনেক ছোট থেকেই আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা মারাত্মক।আমি আর আমার চেয়ে ৪ বছরের বড় চাচাতো ভাইটি বাড়ির উঠানকে মাঠ বানিয়ে প্রতিদিন সবাইকে যন্ত্রনা দিতাম।আরেকটু বড় হলে আমরা উঠানের পাশাপাশি বড় মাঠেও খেলা শুরু করলাম।আমার খেলার সাথী ছিল আমার বড় ভাইয়ের বন্ধুরা,আমি আমার বয়সী বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলা শুরু যখন আমার ভাইয়ের বন্ধুরা ক্রিকেট ছেড়ে ফুচকা খাওয়া কিংবা চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার মাঝেই বেশি মজা খুজে পেল।আসলে আমার বয়সি ছেলেরা তখন বরফ-পানি বিংবা ছোয়াছোয়ি খেলা থেকে অবসর নিয়ে মাত্র ক্রিকেট ময়দানে নাম লিখিয়েছে।অবশ্য তাদের সাথে বেশিদিন খেলার সৌভাগ্য আমার হয়নি।ক্লাস ফোরে থাকতে আমি ঢাকায় চলে আসি আর বিদায় জানিয়ে আসি বাল্যবন্ধুদের।

ঢাকায় আসার পর আমি একটা নূতন জীবনের আঁচ পেলাম।প্রতিদিন সকালে পড়তে বসা,১১ টায় স্কুলে যাওয়া,৫ টায় বাসায় ফেরা,সন্ধ্যায় আবার পড়তে বসা,৯ টায় টিভি দেখেতে দেখেতে দেখতে আম্মুর খাইয়ে দেয়া আর ১১ টার দিকে ঘুমিয়ে যাওয়া-এই হল আমার ঢাকাজীবন। হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে আমার মা আমাকে কখনো নিচে খেলতে দেননি,তবে সত্য বলতে কি আমারো কখনও ইচ্ছা হয়নি নিচে নেমে খেলতে সেটা বললে ভুল হবে।আমার চেয়ে সামান্য বড় কয়েকটা ছেলে নিচে ক্রিকেট খেলত,তাদের দেখে আমার প্রায়ই মনে হত ওদের বোধহয় পড়াশোনা নেই!

বিস্তারিত»

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

ঘোরা হয়নি হয়নি করেও একদম কম জায়গায় যাইনি। সেদিন বসে বসে চিন্তা করছিলাম কয়টা জেলা আমার দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ভ্রমণটা ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ২.৫ ঘন্টার দূরত্বে মানিকগঞ্জের ঝিটাকা নামক থানায়। ঝিটাকায় ফারুকের বাসায় ঘুরতে যেয়ে ‘ফ্রি’ হিসেবে পদ্মা দর্শনটা বেশ উপভোগ্যই ছিল বটে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল চরের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ম্যাচটা!

মানিকগঞ্জে যাওয়ার প্রায় মাস ছয়েক আগে ঘুরে এসেছিলাম পাহাড়ের জেলা বান্দরবান থেকে। এককথায় আসাধারণ ছিল পাহাড় দর্শন। কেওক্রাডং এ চড়া,ব গা লেকে গোসল কিংবা সিয়াম দিদির কটেজের বারান্দায় ঘুমানো-কোন স্মৃতিই কম উল্লেখযোগ্য নয়।তবে ঢাকায় আসার পর প্রায়ই বগা লেকের কথা মনে হয়।এত ঠান্ডা আর পরিষ্কার পানি আর কখনো দেখব বলে মনে হয় না।তবে বগা লেকের আসল বিশেষত্ব হল এর পানির সবুজ রঙ এবং ২৭০০ ফুট উঁচুতে এমন একটা লেকের উপস্থিতি।

পাহাড়ে চড়েছে কিন্তু পানিতে গা ভাসায়নি এমন বাঙালি পাওয়া বড্ড কঠিন।বান্দরবনের ‘কোর্স’ কমপ্লিট করার প্রায় বছরখানেক আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম সেইন্টমার্টিন দ্বীপে।তবে সেবার ভ্রমণের প্রথম দিনটা আমার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক ছিল না।টানা ১৫ ঘন্টার বাসভ্রমণের ধকল না নিতে পেরে আমি সেইদিন শয্যাশায়ীই ছিলাম সারাদিন এমনকি সন্ধ্যা-রাত।অবশ্য পরদিন সকালবেলার ‘থ্রিলিং’ সমুদ্রভ্রমণে প্রায় ১০ ঘন্টার ঘুমে পাওয়া চাঙা ভাবটা একদমই উবে গিয়েছিল।কি ভেবে যে উত্তাল সমুদ্র পেরিয়ে ছেড়াদ্বীপ দেখার বাসনা সেদিন কাটিয়ে উঠতে পারিনি জানিনা,তবে সেদিনের পর আমরা ৯ জন আর কখনো সমুদ্রযাত্রা করব কিনা সেটা নিয়ে আমার সংশয় আছে।সেবার ‘নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ’ হয়ে আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৈকততেও ঢু মেরে এসেছিলাম,তবে সেখানে ঘুরাঘুরির চেয়ে সমুদ্রের জলে দাপাদাপিই বেশি মনে রাখার মত।

আমার ঘুরাঘুরির জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বছর ছিল ২০০৮| এ বছরের মধ্যের দিকে আমি দ্বিতীয়বারের মত রাঙামাটি দেখার সুযোগ পাই।উপরের সবগুলো ট্যুরের মত এটিও আমার বুয়েটের বন্ধুদের সাথে করা,

বিস্তারিত»

অ-ছড়াকারের ছড়া

প্রেম
তোমার জন্য এক কথাতেই দিব সাগর পাড়ি
আনব তুলে তলা থেকে মাছ দুখানা ভারী
বলতে পারো তোমার জন্য করতে পারি সব
যখন তখন মরতে পারি, হতে পারি শব ।।
——————————–
ছবি
মিষ্টি হাসি বাঁকা ঠোঁটে
তপ্ত চোখে চেয়ে থাকে
মধুর তাহার অম্লবদন
রংবেরঙের স্বপ্ন আঁকে ।।
————————–
রাত
কেউ বসে বাজায় গিটার স্বপ্নসুরে
কেউ আবার ভারী নাকে তুমুল আওয়াজ তুলে
আমার মত হয়ত কেউ লিখছে ছড়া কম্পুটারে
জীবনটাকে মাপছে হয়ত রাত নিশীতের মনিটরে ।।
—————————————–

বিস্তারিত»

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃস্বপ্নপূরণ না স্বপ্নহরণ???

আমার এক বন্ধুর মামাতো ভাই।গত মাসে ঢাকায় চলে আসলো,ঢাকায় ‘উচ্চতর’ ভর্তি কোচিং এর বাড়তি সুবিধা নিতে।আমার এক ছাত্র আগামী বছর সহিসালামতে এইচএসসি পাস করবে বলে আশা করছি।কিন্তু এখন থেকেই তার সমস্ত দুশ্চিন্তা ভর্তি পরীক্ষা নামক এক কঠিন যুদ্ধ নিয়ে।সারাক্ষণ সে আমাকে ভর্তি পরীক্ষার এটা সেটা নিয়ে জিজ্ঞেস করে-ভাবটা এমন যেন সুযোগ থাকলে বোর্ড পরীক্ষা না দিয়েই ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে দিবে।তাছাড়া বুয়েটে পড়ার সুবাদে মাঝে মাঝে আমার কাছের আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবদের ছোট ভাই-বোনদের কেউ কেউ বুয়েটে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ে জানতে চায়,

বিস্তারিত»

বক্ররেখায় প্রস্থান

“উফ, একটুর জন্য ম্যচটা হাতছাড়া হয়ে গেল”-বলছিল রাসেলের টিমমেট তারেক। তারেকের দিকে এক পলক তাকিয়েও দৃষ্টি সরিয়ে নিল রাসেল। মনটা তার একটু বেশীই খারাপ। এই টুর্নামেন্টের জন্য তার ২ টা পরীক্ষা মিস হয়ে গেছে। তার উপর এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরারও সে, তারপরও ফাইনালে তার জন্যই কিনা দল হেরে গেল! শেষ ৫ সেকেণ্ডে ফ্রি-শুট পেয়েও স্কোর করতে না পারায় তারা হেরে গেছে ৭৮-৭৭ পয়েন্টে।
‘খুব একা একা লাগছে,

বিস্তারিত»