<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?> <rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" ><channel><title>ক্যাডেট কলেজ ব্লগ &#187; মুস্তাকিম (৯৪-০০)</title> <atom:link href="http://www.cadetcollegeblog.com/author/mustaquim/feed" rel="self" type="application/rss+xml" /><link>http://www.cadetcollegeblog.com</link> <description></description> <lastBuildDate>Wed, 08 Sep 2010 22:04:27 +0000</lastBuildDate> <language>en</language> <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod> <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency> <item><title>বইমেলা, সেবা প্রকাশনী এবং আমি</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/22309</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/22309#comments</comments> <pubDate>Thu, 18 Mar 2010 19:44:57 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=22309</guid> <description><![CDATA[বছর তিন চার আগের বইমেলার কথা। সেবা প্রকাশনীর স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। প্রচন্ড ভীড়, বেশিরভাগই স্কুল কলেজের ছেলেমেয়ে। সামনে এগুতে না পেরে এক কোনায় দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ কানে ভেসে এল এক তরুণীর মন্তব্য &#8211; “ভাবতে অবাক লাগে একসময় এই বই গুলো কিভাবে যে পড়েছি! এখন বুঝি এগুলো আসলে কোনো লেখাই না।“ তারপর কয়েকজন ভারতীয় লেখকের [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>বছর তিন চার আগের বইমেলার কথা। সেবা প্রকাশনীর স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। প্রচন্ড ভীড়, বেশিরভাগই স্কুল কলেজের ছেলেমেয়ে। সামনে এগুতে না পেরে এক কোনায় দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ কানে ভেসে এল এক তরুণীর মন্তব্য &#8211; “ভাবতে অবাক লাগে একসময় এই বই গুলো কিভাবে যে পড়েছি! এখন বুঝি এগুলো আসলে কোনো লেখাই না।“ তারপর কয়েকজন ভারতীয় লেখকের প্রশংসা করে তিনি বললেন যে এগুলোই আসল সাহিত্য। তাকিয়ে দেখলাম আমাদের সমবয়সী এক তরুণী তার বান্ধবীর সাথে কথা বলছে।</p><p>আমার বলতে ইচ্ছা হলো &#8211; “একজন পাঠক পড়তে পড়তেই পাঠক হয়ে উঠে। সবকিছুই সবাই পড়ে না,যেটা তার ভালোলাগে সেটাই সে পড়ে। সেবার সবচেয়ে বড় অবদান এটাই যে, কিশোর কিশোরীদের ভালোলাগার মতো বই তারা প্রকাশ করেছে। সে বইগুলো সাহিত্যের মাঝে পড়ুক আর নাই পড়ুক, পড়ে তারা মজা পেয়েছে এবং ধীরে ধীরে তারা অন্য বইও পড়তে শিখেছে। আপনার এখন যে পাঠক মন তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তি কিন্তু তৈরি হয়েছে এসব  ‘বস্তাপচা’ বইগুলো পড়েই।“</p><p>বললাম না। কারণ বক্তা একজন তরুণী, তায় আবার সুন্দরী। বলামাত্র ঝগড়া লেগে যেতে পারে এবং নিশ্চিতভাবেই সে আশেপাশের মানুষের সমর্থন পাবে। আমি একটু গুতাগুতি করে সামনে গিয়ে কয়েকটা বই কিনে সরে আসলাম।</p><p>সেবার সাথে আমার প্রথম পরিচয় ‘ভূতের হাসি’ বইয়ের মাধ্যমে। তিন গোয়েন্দা সিরিজের বই। এর আগে সত্যজিতের ফেলুদা পড়ার মধ্য দিয়ে ডিটেকটিভ বইয়ের সাথে পরিচয় হয়েছিলো। কিন্তু এই বইগুলো সম্পূর্ণ অন্য ধাঁচের। একবার পড়া শুরু করলে এক নিঃশ্বাসে শেষ না করে উপায় নেই। শুরু হলো স্কুলের বন্ধুদের কাছ থেকে তিন গোয়েন্দার বই জোগার করা। দিনরাত শুধু ডুবে থাকতাম তিন গোয়েন্দার এডভেঞ্চারে। ‘সেবা বই প্রিয় বই, অবসরের সঙ্গী’ কথাটা তখন হয়ে গেছে  ‘সেবা বই প্রিয় বই, সবসময়ের সঙ্গী।‘</p><p>আম্মার এক কলিগ, রিটায়ার করেছেন, ছিলেন আমাদের প্রতিবেশী। তখন তার অঢেল অবসর। তিনিও পড়ে থাকতেন সেবার বই নিয়ে।‘ভূতের হাসি’ বইটা উনার বইয়ের আলমারি থেকে নিয়েই পড়া। উনাকে দেখতাম ‘ওয়েস্টার্ন’ নামে একটা সিরিজির বই খুব পড়তেন। একদিন আমিও তাঁর কাছ থেকে একটা ওয়েস্টার্ন নিয়ে আসলাম। আমার পড়া ওয়েস্টার্ন বইটি কাকতালীয়ভাবে বাংলাদেশেও প্রকাশিত প্রথম ওয়েস্টার্ন -“আলেয়ার পিছে”। নায়ক এরফান জেসাপ। পরিচিত হলাম সম্পূর্ন নতুন একধরনের সাহিত্যর সাথে। যেখানে মানুষ কোমরে পিস্তল বেঁধে ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ায়, কথায় কথায় চলে গোলাগুলি। কিন্তু এসবের মাঝেও প্রেম ও মানবিকতার যে আবেগময় দিকগুলো ছিল সেগুলোও হৃদয় ছুঁয়ে যেত। এই বইগুলোর কিছু কিছু সংলাপ এমনকি এই আধুনিক যুগেও বাস্তব মনে হয়।</p><p>এতসব ওয়েস্টার্ন এর মাঝে  ‘মরুসৈনিক’ বইটার কথা আলাদাভাবে মনে আছে এর অসাধারন সব সংলাপ আর উপমার জন্য। প্রথম পাতার একটা বর্ণনার কথা আমার এখনো মনে আছে- ‘দুঃসময় কাউকেই খুব বেশি সময় দেয় না।‘ বইয়ের শেষ লাইনটাও আমার মুখস্থ &#8211; ‘হিমোগ্লোবিনে আফ্রোদিতের শীৎকার।‘ শীৎকার কথাটার মানে তখন জানতাম না, চীৎকারের সমার্থক মনে হয়েছিলো।</p><p>ক্লাস ফাইভ বা সিক্স এ থাকার সময় পরিচয় হলো সেবার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং উপভোগ্য সিরিজের সাথে। মাসুদ রানা। বইয়ের শুরুতে রানার পরিচিতি পড়ার পর বইটা না পড়ে থাকা খুব কঠিন। “সীমিত গন্ডীবদ্ধ জীবনের সীমানা ছাড়িয়ে আপনাকে নিয়ে যাবে স্বপ্নের এক মায়াবী জগতে। আপনি আমন্ত্রিত।“ সেই আমন্ত্রন অগ্রাহ্য না করে পড়া শুরু করলাম মাসুদ রানা। প্রথম পড়েছিলাম “বিদেশী গুপ্তচর-১”। দ্বিতীয় পর্বটা আঙ্কেলের আলমারিতে ছিলো না। সেটা পড়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেক কটি বছর। পূর্ণাঙ্গ বই পড়েছিলাম “আমিই রানা” তারপর একে একে পড়া হয়েছে “ধ্বংস পাহাড়”, “ভরতনাট্যম”, “সতর্ক শয়তান” সহ অসংখ্য বই। তবে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে “অগ্নিপুরুষ” বইটি। কেউ যদি হুমায়ুন আহমেদের অমানুষ বইটি পড়ে মুগ্ধ হয়ে থাকেন, তাহলে অনুরোধ করব “অগ্নিপুরুষ” পড়ে দেখার । পড়ার পর অমানুষকে মনে হবে দুধের স্বাদ ঘোল দিয়ে মেটানো হয়েছে। অবশ্য “অমানুষ” ও প্রথম রহস্য পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিলো। দুটোই  “ম্যান অন ফায়ার”  বইয়ের অবলম্বনে লেখা। কিন্তু যে আবেগ নিয়ে  “অগ্নিপুরুষ” লেখা হয়েছে, “অমানুষ’ এ তা নেই। এখনো “অগ্নিপুরুষ” পড়লে আমি শিহরিত হই।</p><p>রানার আরো দুটি বই আমার প্রিয় &#8211;  “বিদায় রানা” ও “আই লাভ ইউ, ম্যান।“ এই তিনটা বই-ই অসংখ্যবার পড়া হয়েছে। প্রথম যখন রানা পড়তাম তখন অনেকেই বলতো, এগুলা বড়দের বই, পড়ে কিছু বুঝতে পারবানা। কিন্তু থ্রিলার পড়ে মজা লাগার জন্য বড় হতে হয় না। পড়ার মন থাকলেই হয়।</p><p>মাসুদ রানা সংগ্রহ করার জন্য আমাকেও ঝুঁকি কম নিতে হয়নি। আমার এক স্কুল ফ্রেন্ডের বাবা ছিলেন কমিশনার। তার স্ত্রী মানে আমার বন্ধুর মা ছিলেন মাসুদ রানার ভক্ত। আমার বেশিরভাগ রানা পড়া হয়েছে আন্টির আলমারি থেকে লুকিয়ে এনে। আমার বন্ধু বই পড়ত না, কিন্তু লুকিয়ে বই নিতে সাহায্য করতে খুব।</p><p>সেবার আসল রত্ন যেটাকে আমি মনে করি, তা হচ্ছে এর অনুবাদ। বাংলাদেশ এবং ভারতের অনেক ভালো লেখকেরা অনেকে অনুবাদ করেছেন, কিন্তু আমি এ কথা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, সেবার অনুবাদ এর চেয়ে অনেক অনেক ভালো। ভারতের একটা অনুবাদই আমার পুরোপুরি ভালো লেগেছে, সেটা হচ্ছে নচিকেতা ঘোষের “শার্লক হোমস রচনাসমগ্র।“ কেন ভাল লেগেছে সেটা বুঝতে চাইলে ভারতেই প্রকাশিত “শার্লক হোমস অমনিবাস” এর কয়েকটা গল্প কেউ পড়ে দেখতে পারেন।</p><p>অনুবাদ মানেই প্রতিটি লাইন বা প্যারার বাংলা অনুবাদ নয়। এমনকি মূল কাহিনীর পুরোটা অনুবাদ করতে হবে এমন কোন বাঁধাধরা নিয়মও নেই। মূল কাহিনীর মজাটা পাওয়া যায়, এমনভাবে উপস্থাপনা করলেই সেটাকে ভাল অনুবাদের কাতারে ফেলা যায়। আর সেবার অনুবাদ এগুলো অনুসরন করে বলেই সে অনুবাদগুলো হয়ে উঠে অসাধারণ।</p><p>সেবাকে নিয়ে যে যাই বলুক, আমি একটা কথা বলতে কখনোই কুন্ঠাবোধ করবো না &#8211; আমার যে পাঠকসত্বা আছে, তার জন্য আমি সেবা প্রকাশনীর কাছে ঋণী। কৈশোরের সেই অলস দুপুরগুলো রাঙিয়ে দিয়েছিলো যে বইগুলো, সেগুলোকে আমি কি করে ভুলি?</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/22309/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>41</slash:comments> </item> <item><title>প্রিয়তমা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/21007</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/21007#comments</comments> <pubDate>Thu, 18 Feb 2010 20:16:54 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=21007</guid> <description><![CDATA[তানভীরের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে জানতে পারলাম কাল ছিল কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মদিন। অনেকের মত আমারো প্রিয় কবি তিনি। কবিতা খুব কমই পড়ি, সবচেয়ে বেশি যার কবিতা পড়েছি তিনি জীবনান্দ দাশ। প্রিয় কবির জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এই অ-কবির কবিতাটি সাহস করে ব্লগে দিলাম। যে জীবন দোয়েলের ফড়িংয়ের, সে জীবনে এত ভয় পাওয়ার কি আছে? তুমি [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>তানভীরের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে জানতে পারলাম কাল ছিল কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মদিন। অনেকের মত আমারো প্রিয় কবি তিনি। কবিতা খুব কমই পড়ি, সবচেয়ে বেশি যার কবিতা পড়েছি তিনি জীবনান্দ দাশ। প্রিয় কবির জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এই অ-কবির কবিতাটি সাহস করে ব্লগে দিলাম। যে জীবন দোয়েলের ফড়িংয়ের, সে জীবনে এত ভয় পাওয়ার কি আছে?</p><p>তুমি আমার মনের কোনে<br /> একটি মাত্র তারা<br /> তোমার কথা ভেবে আমি<br /> সদাই আত্মহারা।</p><p>তুমি আমার মিষ্টি ভোরে<br /> চোখ মেলে চাওয়া<br /> তুমি আমার শেষ বিকেলে<br /> সূর্য অস্ত যাওয়া।</p><p>তুমি আমার তপ্ত দুপুর<br /> খর রৌদ্র মাখা<br /> দ্রোহের ডাকে শিরায় শিরায়<br /> জ্বালাই অগ্নিশিখা।</p><p>তুমি আমার অমর একুশ<br /> আমার প্রিয় দেশ<br /> আদর করে তোমায় ডাকি<br /> ‘আমার বাংলাদেশ’।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/21007/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>15</slash:comments> </item> <item><title>একটু উষ্ণতার জন্য</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/20036</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/20036#comments</comments> <pubDate>Tue, 19 Jan 2010 19:07:04 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=20036</guid> <description><![CDATA[একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা রাস্তার মোড়ে টায়ার পোড়ে, ছিন্নমূল শিশু জ্বালায় ছেঁড়া কাগজ। একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা ভাসমান শ্রমিকেরা কাওরানবাজারে ঝুড়িতে শোয় শরীর প্লাস্টিকে মুড়ে। একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা ছোট্ট কুঁড়েতে অর্ধনগ্ন শিশু মুখ গোঁজে মায়ের কোলে। মায়ের উষ্ণতা কে দেবে, বল? তাপ চাই খোদা, তাপ চাই বৃষ্টির মত কুয়াশা নয়, রোদ চাই স্যাঁতস্যাঁতে মৃত্যু নয়, জীবনের জয় চাই। ]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা<br /> রাস্তার মোড়ে টায়ার পোড়ে,<br /> ছিন্নমূল শিশু জ্বালায় ছেঁড়া কাগজ।</p><p>একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা<br /> ভাসমান শ্রমিকেরা কাওরানবাজারে<br /> ঝুড়িতে শোয় শরীর প্লাস্টিকে মুড়ে।<span id="more-20036"></span></p><p>একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা<br /> ছোট্ট কুঁড়েতে অর্ধনগ্ন শিশু<br /> মুখ গোঁজে মায়ের কোলে।</p><p>মায়ের উষ্ণতা কে দেবে, বল?</p><p>তাপ চাই খোদা, তাপ চাই<br /> বৃষ্টির মত কুয়াশা নয়, রোদ চাই<br /> স্যাঁতস্যাঁতে মৃত্যু নয়, জীবনের জয় চাই।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/20036/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>6</slash:comments> </item> <item><title>একটি আদর্শ মন্দ দিন</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/19967</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/19967#comments</comments> <pubDate>Sun, 17 Jan 2010 19:06:09 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[গল্প]]></category> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=19967</guid> <description><![CDATA[দিনের শুরু দুইভাবে হতে পারে। সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অথবা রাত বারোটার পর থেকে। যেহেতু খারাপ দিনের সূচনার পিছনে আগের রাতের বিষয়টা জড়িত, তাই এখানে নতুন দিন বলতে রাত বারোটার পর বুঝাবো। এশার নামাযের পর পরই কাছের কোন এক মসজিদ বা মাজার থেকে ওয়াজ মাহফিল শুরু হলো। শুরু হলো তো হলো, শেষ হওয়ার নাম নেই। অবশেষে [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>দিনের শুরু দুইভাবে হতে পারে। সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অথবা রাত বারোটার পর থেকে। যেহেতু খারাপ দিনের সূচনার পিছনে আগের রাতের বিষয়টা জড়িত, তাই এখানে নতুন দিন বলতে রাত বারোটার পর বুঝাবো।</p><p>এশার নামাযের পর পরই কাছের কোন এক মসজিদ বা মাজার থেকে ওয়াজ মাহফিল শুরু হলো। শুরু হলো তো হলো, শেষ হওয়ার নাম নেই। অবশেষে রাত বারোটার দিকে ওয়াজ শেষ হলো। এবার ঘুমানো যাবে ভেবে বিছানায় গেলাম। চোখটা বন্ধ করার একটু পরেই শুরু হলো হারমোনিযাম আর তবলা বাজিযে কাওযালী গান। ভাবলাম ওয়াজ শেষ হলো, দুই/চারটা গান গাওয়ার পর হয়তো শেষ হয়ে যাবে। ভাবনাটা ঠিক হলো। কয়েকটা গানের পর নীরবতা নেমে এলো। চোখটা যখন লেগে আসছে ঠিক তখনই হারমোনিয়ামের শব্দে আবার চমকে জেগে উঠলাম। বুঝলাম এটা ছিল, যাকে বলে &#8211; “এক ছোটি সি ব্রেক”। সারাটা রাত এভাবে ব্রেক দিয়ে দিয়ে গান হলো আর প্রত্যেকবার ব্রেকের পর চমকে চমকে উঠলাম।</p><p>ফযরের আযান দেয়ার সাথে সাথে গানের পালা শেষ হলো । কিন্তু কাজ যা হওয়ার হয়ে গেলো, ঘুম আর এলো না। রাতে ভালো ঘুম না এলে যা হয়, মাথাটা ঝিমঝিম করতে লাগলো আর চোখে ঢুলুঢুলু ভাব লেগে রইলো। কোনোভাবে নাস্তাটা সেরে নিয়ে অফিসে যাওয়ার জন্য বের হলাম।</p><p>সকালে অফিসে যাওয়া একটা যুদ্ধযাত্রার  মতো মনে হয়। বাসে তো যায়গা পাওযা যায়ই না, সিএনজিওয়ালারা এমন ভাড়া চেয়ে বসে যে মাথায় রক্ত উঠে যায়্ । আজ শাহবাগ মোড়ে এসে ১ম সিএনজি যেটাকে জিগ্যেস করলাম সে একবাক্যে মিটারে যেত রাজি হলো। মর্র্নিং শোজ দ্যা ডে । সকালটা তাহলে ভালভাবেই শুরু হলো। রাতে যা হওয়ার হয়ে গেছে। আজকের দিনটা ভালই যাবে মনে হচ্ছে।</p><p>কাওরান বাজার মাছের আড়ত এর জ্যাম পার হয়ে সাতরাস্তায় আসতেই সিএনজিটা থমকে দাড়িয়ে পড়লো।<br /> “কি ব্যাপার ? “ বিরক্ত আমি জিগ্যেস করি।<br /> “ব্রেক এর তারটা ছিড়ে গেছে । পাচটা মিনিট বসেন স্যার। ঠিক হয়ে যাবে।“সিএনজিওয়ালা আমাকে আশ্বস্ত করে।</p><p>আধাঘন্টা পর পাঁচ মিনিট শেষ হযে যখন সিএনজি চলতে শুরু করলো, ততক্ষণে বুঝে গেছি আজ লেট এটেনডেন্স ঠেকানোর কোন উপায় নেই। অফিসের লিফটের সামনে য়খন পৌছলাম তখন সাড়ে নয়টা পার হয়ে গেছে।</p><p>সময়টা খুব বিপদজনক।আমাদের এমডি স্যার খুব পাংচুয়াল। উনি প্রতিদিন সাড়ে নয়টা থেকে দশটার মাঝে আফিসে আসেন।লিফটের সামনে উনাকে না দেখ একটু স্বস্তি পেলাম। গ্রাউন্ড ফ্লোরে লিফট থামতে উঠলাম। উঠে সামনে ফিরতেই দেখি এমডি স্যার। বিনীত ভঙ্গিতে সালাম দিয়ে আমি চুপচাপ দাড়িয়ে থাকি।</p><p>‌পাঁচতলায় এসে লিফট খালি হয়ে যায়। আবার যখন উঠতে শুরু করে তখন স্যার হাসিমুখে আমার দিক তাকিয়ে জিগ্যেস করেন &#8211; “আজ বোধহয় তেআমার একটু দেরি হয়ে গেল, না?”</p><p>আমি পাংশুমুখে বলি &#8211; “ জি স্যার। রাস্তায় সিএনজিটা হঠাৎ নষ্ট হয়ে গেল।“</p><p>“ও আচ্ছা।“ স্যার বেশ সহানুভূতির সাথে মাথা নাড়েন।</p><p>অফিসে গিয়ে লাঞ্চ ফ্রিজে রেখে নিজের ডেস্কে এসে বসি।</p><p>দশ পনের মিনিট পর স্যার ফোন করেন -“গত মাসের এটেনডেন্স রিপোর্টটা কমপাইল করে আমাকে একটু দিও তো।“<br /> “ওকে স্যার। কখন দিব?”<br /> “ ১২টা/১টার মধ্যে দিলেই হবে।“<br /> “ওকে স্যার।”</p><p>একটু পর বস ডেকে পাঠান। কয়েকটা আর্জেন্ট রিপোর্র্ট দিতে হবে। কিছুক্ষন পর আরো কিছু কাজ হাতে আসে। সবগুলোই ফিগার নিয়ে কারবার। ঘুম ঠিকমতো না হওয়ায় যা হবার তাই হলো। এখানে সেখানে তালগোল পাকিয়ে বসের ঝাড়ি শুনতে শুনতে বারোটা বাজলো।</p><p>ঠিক বারোটার সময় স্যার আবার ফোন করে জানতে চাইলেন, “রিপোর্ট রেডী?”<br /> “জি স্যার।“<br /> “ঠিক আছে, তুমি একঘন্টা পর এসে দিয়ে য়েও।“</p><p>একটার সময় স্যারের রুমে ওটা দিয়ে লাঞ্চ রুমে যাই। লাঞ্চ বক্স খুলে দেখি ভাত নষ্ট হয়ে গেছে। রাতে হয়তো ভাত ঠিকমতো ঠান্ডা না করেই ফ্রিজ এ রেখে দিয়েছিলো।<br /> এক কলিগ পরার্মশ দিলেন, “পিয়ন দিয়ে দোকান থেকে শুধু ভাত নিয়ে আসেন।”</p><p>খোঁজ নিয়ে দেখলাম, যে পিয়ন রোজ লাঞ্চ নিয়ে আসে সে অলরেডী চলে গেছে। ফিরতে অন্তত আধঘন্টা।ফ্রন্ট ডেস্কে বলে দিলাম ও আসলে যেন আমার কাছে পাঠিয়ে দেয়। প্রায় একঘন্টা পর সে এলো। তাকে টাকা দিয়ে বললাম ভাত নিয়ে আসতে।<br /> “শুধু ভাত তো দেয় না স্যার“,  পিয়ন জানায়।<br /> অগত্যা ভাতের সাথে ডালের অর্ডির দেই।</p><p>আরো আধঘন্টা পর সে ফিরে আসে। লাঞ্চ করতে যাব এমন সময় বসের ফোন, জরুরী মিটিং আছে। চোদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করে মিটিং এ য়োগ দিলাম। মিটিং শেষ করে য়খন লাঞ্চ করতে নামি তখন সাঢ়ে চারটা।</p><p>পাঁচটায় অফিস শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু হাতে যে কাজ আছে তাতে এই সময় বের হওয়ার কথা কল্পনাও করা যায় না। সব কাজ শেষ করে বের হতে হতে সাড়ে সাতটা বাজলো। অফিস থেকে বের হয়ে সিএনজি পাওয়া হচ্ছে আরেকটা যুদ্ধ। গুলশান মোড়ে পয়তাল্লিশ মিনিট দাড়িয়ে থাকার পর একটা সি এনজি পেলাম।</p><p>তেজগাওয়ের ভিতর দিয়ে আসার সময় একটা অন্ধকারমত জায়গায় হঠাৎ সিএনজি থমকে দাঁড়ায়। সিএনজিওআলা কিছু একটা  ঠিক করার  জন্য পিছনে যেতেই দুই দিক থেকে দুই জন উঠে বসে। একজন পেটে ছুরি চেপে ধরে, আরেকজন পকেট হাতড়ে সবকিছু বের করে নেয়।</p><p>আমি অনুরোধের সুরে বলি, “ ভাই, যা নেয়ার নেন, চোখে মলম দিয়েন না।“</p><p>অফিস থেকে বের হোয়ার সময় হাজার পাঁচেক টাকা তুলেছিলাম বাড়ি ভাড়া দেয়ার জন্য। সবটাই এখন তাদের হাতে। তাই হয়তো তারাএকটু খোশমেজাজেই ছিলো। মলম দিলোনা, উল্টা আরো পঞ্চাশ টাকা দিলো বাসা র্পযন্ত যাওয়ার জন্য।</p><p>ওরা নেমে যাওয়ার পর আমি নেমে পাশের গলি থেকে রিকশা নেই। বাসায় যখন পৌছাই তখন রাত দশটা।</p><p>দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকতে ঢুকতে আমি টেবিলে ভাত দিতে বলি। আমার গলা শুনে বড় আপা ড্রইং রুম থেকে বের হয়ে আসে।<br /> “আজ সারাদিন গ্যাসের চাপ ছিলোনা। বাসায় কিছু রান্না হয়নি। দুপুরেও আমরা বাইরে খাইছি।“<br /> “ও। তাহলে এখন  উপায়?”<br /> “তোর দুলাভাই আজ আবার গেছে ঢাকার বাইরে। তোকেই একটু যেতে হবে বাইরে। একটু হাতিরপুল তেকে কিছু নিয়ে আয় না!”</p><p>আমি ক্লান্ত প্রাণ এক!</p><p>বড় আপার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ক্লান্ত শরীরটা টানতে টানতে আমি হাতিরপুলের দিকে পা বাড়াই। বাসার আশেপাশে কোন হোটেল নেই।</p><p>হোটেল থেকে ভাত আর তরকারি নিয়ে ফিরতে ফিরতে ভাবি, য়াক, কোনরকমে আজকের দিনটা পার হলো। বাসায় গিয়ে ভালমতো একটা গোসল দিয়ে সোজা বিছানায়।</p><p>গোসল করার কথা ভাবতেই বিদ্যুৎচমকের মত একটা চিন্তা আমার মাথায় খেলে যায়। সারাদিন গ্যাস ছিলোনা।পানি আর কারেন্ট ছিলো তো?</p><p>গোসল করার পানি পাব কিনা এই চিন্তা করতে করতে আমি ধীর পায়ে বাসার দিকে হাঁটতে থাকি ।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/19967/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>37</slash:comments> </item> <item><title>অতীত-বর্তমান</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/17884</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/17884#comments</comments> <pubDate>Sun, 29 Nov 2009 19:24:05 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=17884</guid> <description><![CDATA[সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো? প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার অসংখ্য পুরুষ &#8211; নারীর জন্য আসংখ্য নারী &#8211; পুরুষের জন্য। বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়। পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী, নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের! গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ। তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে, কিন্তু জেনে রাখো, প্রিয়তমা অতীত &#8211; আমার মাথাও আজ অন্যের বুকে ডুবে, আমার [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো?<br /> প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার<br /> অসংখ্য পুরুষ &#8211; নারীর জন্য<br /> আসংখ্য নারী &#8211; পুরুষের জন্য।<br /> বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়।<br /> পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী,<br /> নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের!<br /> গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা<br /> কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ।<br /> তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে,<br /> কিন্তু জেনে রাখো, প্রিয়তমা অতীত &#8211;<br /> আমার মাথাও আজ অন্যের বুকে ডুবে,<br /> আমার অধর তার ওষ্ঠে মিলে।<br /> তুমি ইতিহাস আজ, সে আমার উপহার।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/17884/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>14</slash:comments> </item> <item><title>দ্বার খোলো , প্রেম</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/13173</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/13173#comments</comments> <pubDate>Thu, 30 Jul 2009 17:08:30 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=13173</guid> <description><![CDATA[উড়ন্ত চুম্বনে বিশ্বাস নেই আমার, অধরে অধর না মিলিলে কি চুম্বন হয়? প্লেটোনিক প্রেম? হাহ্, সে কি হয় কখনো? আমার  প্রেম দেবরাজ জিউসের মতো। হৃদয়  জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি আমার, ধমনীতে তপ্ত লাভা, প্রেমিকার চোখেমুখে উন্মত্ত কামনা, নেই লাজরাঙা আভা! হৃদয়ের উত্তাপ দেহের উত্তাপে হিম হয় যখনি, প্রেম তার সবকটি দ্বার খোলে তখনি। মুস্তাকিম (৯৪-০০) ২০ তম ইনটেক রংপুর ক্যাডেট কলেজ ৩০ জুলাই, ২০০৯ ]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>উড়ন্ত চুম্বনে বিশ্বাস নেই আমার,<br /> অধরে অধর না মিলিলে কি চুম্বন হয়?<br /> প্লেটোনিক প্রেম? হাহ্, সে কি হয় কখনো?<br /> আমার  প্রেম দেবরাজ জিউসের মতো।<br /> হৃদয়  জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি আমার, ধমনীতে তপ্ত লাভা,<br /> প্রেমিকার চোখেমুখে উন্মত্ত কামনা, নেই লাজরাঙা আভা!<br /> হৃদয়ের উত্তাপ দেহের উত্তাপে হিম হয় যখনি,<br /> প্রেম তার সবকটি দ্বার খোলে তখনি।</p><p>মুস্তাকিম (৯৪-০০)<br /> ২০ তম ইনটেক<br /> রংপুর ক্যাডেট কলেজ<br /> ৩০ জুলাই, ২০০৯</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/13173/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>16</slash:comments> </item> <item><title>একটি কবিতা, কিছু কথা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/12721</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/12721#comments</comments> <pubDate>Fri, 24 Jul 2009 19:24:16 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=12721</guid> <description><![CDATA[১ কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাব, এটা চিন্তা করে কখনো কবিতা লিখিনি। যদিও কখন কোন কবিতা কবিতার স্বীকৃতি পায়, বলা কঠিন। জীবনানন্দ দাশ জীবদ্দশায়কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাননি। সারা জীবন মুখোমুখি হয়েছিলেন কঠিন সমালোচনার। যদিও এ নিয়ে তার আক্ষেপ ছিলো। আমার এই সমস্যা নেই। কোয়ালিটি/কোয়ান্টিটির চিন্তা না করে মাঝেমাঝেই দুই একটা কবিতা (?) লিখে ফেলি। কেন লিখি? কারণ, কবিতা [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>১<br /> কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাব, এটা চিন্তা করে কখনো কবিতা লিখিনি। যদিও কখন কোন কবিতা কবিতার স্বীকৃতি পায়, বলা কঠিন। জীবনানন্দ দাশ জীবদ্দশায়কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাননি। সারা জীবন মুখোমুখি হয়েছিলেন কঠিন সমালোচনার। যদিও এ নিয়ে তার আক্ষেপ ছিলো। আমার এই সমস্যা নেই। কোয়ালিটি/কোয়ান্টিটির চিন্তা না করে মাঝেমাঝেই দুই একটা কবিতা (?) লিখে ফেলি। কেন লিখি?<br /> কারণ, কবিতা লেখাটা সহজ। গদ্য লিখতে গেলে গাদাগাদা শব্দ বাঙলায় টাইপ করতে হয়। কবিতায় সে সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম। অল্প কয়েক লাইনে গুটিকতক শব্দ বসিয়ে কবিতা লিখে ফেলা যায়। ব্লগে এত এত লেখা দেখে লিখতে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তুখাটতে ইচ্ছা করে না। ক্যাডেটসুলভ ডজ মারার একটা প্রবণতা এখনো রয়ে গেছে। লেখালেখির ক্ষেত্রেও এটা প্রয়োগ করতে পারছি দেখে ভালই লাগছে।<br /> আমি চিরকালই গদ্যের ভক্ত। কিন্তু কি আর করা! কবিতা লিখে লিখে বাঙলা টাইপ করায় হাত পাকাই, তারপর না হয় কিছু গল্প টল্প পোস্ট করা যাবে। আর &#8211; “ধাড়ি ইঁদুরের পেটে যায় হুলো বেড়াল”  টাইপের কবিতা যদি ম্যাগাজিন, পত্রিকায় ছাপা হতে পারে, আমারটা কি দোষ করলো?</p><p>&#8221; গদ্য তোকে আজকে দিলাম ছুটি<br /> ডায়েরি জুড়ে ইচ্ছামতো ঘুরবি, ফিরবি, চলবি।<br /> ছুটি শেষে ব্লগ এ যেদিন আনবো তোকে ধরে,<br /> ক্ষুধার রাজ্যে ডিউটি যে তোরচলবে প্রতি রাতে।&#8221;<br /> (এইটা ফাও, চান্স এ মাইরা দিলাম আর কি! নিচের কবিতাটা পোস্ট করার জন্যই আসলে এত টালবাহানা! ) <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/4.gif' alt=':D' class='wp-smiley' /><br /> ২</p><p>খালি খালি</p><p>“খালি, এই খালি”-<br /> খালিখালি ডাকাডাকি!<br /> রিকশাওয়ালা ফিরেও তাকায় না,<br /> যেতে থাকে, যাচ্ছিল যেমনি।<br /> “খালি, এই খালি”-<br /> বাঁয়ে তাকাই,<br /> দেখি, পাশের বাড়ির মিলি।<br /> রিকশাওয়ালা ব্রেক করে,হাসে<br /> তরমুজের বিচির মতো দাঁত বের করে,<br /> বলে, “আফা উঠেন।”<br /> মিলি, বুকে কাঁপন ধরানো সুন্দরী<br /> তার সিল্কের মত চুল পিঠে ছড়িয়ে<br /> রিকশায় উঠে বসে।<br /> রিকশা এগিয়ে যায়<br /> আমি তাকিয়ে থাকি,<br /> বুকের গভীরে অকারণে লাগে<br /> খালি খালি-</p><p>মুস্তাকিম (৯৪-০০)<br /> ২০ তম ইনটেক<br /> রংপুর ক্যাডেট কলেজ</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/12721/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>33</slash:comments> </item> <item><title>শব্দজট</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11883</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11883#comments</comments> <pubDate>Sat, 04 Jul 2009 15:25:33 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[ছড়া]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=11883</guid> <description><![CDATA[শব্দগুলো জট পাকিয়ে মাথার ভিতর খেলা করে, ইচ্ছে করে লিখে ফেলি গল্প কিংবা কবিতা। খাতার পাতায় মুক্ত হয়ে শব্দগুলো প্যারেড করে, ইচ্ছে হলেই যায় কি বলা এটাই গল্প, কবিতা? - ০৪ জুলাই, ২০০৯ ]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>শব্দগুলো জট পাকিয়ে<br /> মাথার ভিতর খেলা করে,<br /> ইচ্ছে করে লিখে ফেলি<br /> গল্প কিংবা কবিতা।</p><p>খাতার পাতায় মুক্ত হয়ে<br /> শব্দগুলো প্যারেড করে,<span id="more-11883"></span><br /> ইচ্ছে হলেই যায় কি বলা<br /> এটাই গল্প, কবিতা?</p><p>- ০৪ জুলাই, ২০০৯</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11883/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>25</slash:comments> </item> <item><title>এই তো জীবন&#8230;.</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11491</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11491#comments</comments> <pubDate>Fri, 26 Jun 2009 16:39:15 +0000</pubDate> <dc:creator>মুস্তাকিম (৯৪-০০)</dc:creator> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[রংপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=11491</guid> <description><![CDATA[ক্যাডেটরা দুষ্টু হয়, ক্যাডেট কলেজে ঢুকার আগেই তা কানে এসেছিল। কলেজে পা ফেলার প্রথম দিন থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া শুরু করলাম । অভিভাবকদের নিয়ে ডাইনিং রূমে যাওয়ার সময় দেখলাম একটা ছাগল শ্যান্ডো গেনজি আর জাঙ্গিয়া পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতগুলা বাইরের লোকের সামনে যেন লজ্জা না পায়, এ কারনেই হয়তো কোন সিনিয়র ভাই এ ব্যাবস্থা নিয়েছিলেন। [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ক্যাডেটরা দুষ্টু হয়, ক্যাডেট কলেজে ঢুকার আগেই তা কানে এসেছিল। কলেজে পা ফেলার প্রথম দিন থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া শুরু করলাম । অভিভাবকদের নিয়ে ডাইনিং রূমে যাওয়ার সময় দেখলাম একটা ছাগল শ্যান্ডো গেনজি আর জাঙ্গিয়া পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতগুলা বাইরের লোকের সামনে যেন লজ্জা না পায়, এ কারনেই হয়তো কোন সিনিয়র ভাই এ ব্যাবস্থা নিয়েছিলেন।   কিন্তু পাশেই একটা গরুকে কেন এ ব্যাবস্থার আওতায় আনা হয়নি, তা তখন বুঝতে পারিনি। কিছুদিন পর বুঝতে পেরেছি। গরুর মাপমতো হবে, এরকম সাইজের গেনজি আর জাঙ্গিয়া পরার মতো কোন ভাইয়াকে ক্যাডেট লাইফে চোখে পরেনি।<br /> দুষ্টামি প্রতিরোধ করার জন্য বিভিন্ন ধরণের শাস্তির ব্যবস্তাও অবশ্য ছিল। সেগুলো ক্যাডেটদের উপর নির্বিচারে প্রয়োগ করার পর অবশ্য টিচারগণ বলতেন , ”কলেজ থেকে বের হওয়ার পর বুঝতে পারবে কি হারিয়েছ। তোমাদের জীবনের সবচেয়ে সুখের সময় তোমরা এখন কাটাচ্ছ।” শুনে মনে মনে গালি দিতাম। জেলখানায় ঢুকিয়ে ইচ্ছামতো ডলা দিয়ে কি সুন্দর মিষ্টি মিষ্টি কথা!<br /> কলেজ থেকে বের হয়ে ভর্তি হলাম ভার্সিটিতে। যেহেতু ঢাকার বাইরে, থাকার ব্যবস্থা নিজেদেরকেই করতে হবে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে যে বাড়ি ঠিক করলাম সেটাকে বলা যায় ”এন্টহাউজ”। সকালে ক্লাসে গিয়ে বিকালে বাসায় ফিরে দেখতাম প্রত্যেকটা ঘরে পিঁপড়া মাটি তুলে রেখেছে। ওগুলো পরিস্কার করা ছিল রুটিন কাজ। হায়রে! কোথায় আমার তিনতলার ”ওমর ফারুক হাউজ”?<br /> আরেকটা রুটিন কাজ ছিল। রাতেরবেলা পাউরুটি আর জেলী কিনে রাখা। না হলে পরদিন সকালে ক্লাস এ যেতে হবে না খেয়ে। শুধু তাই না, বাকি দুইবেলা খাবারের ব্যবস্থাও আমাদের নিজেদেরকই করতে হবে। হায়! কোথায় আমার ডাইনিং রুম?  ঘন্টা বাজিয়ে খেতে ডাকলেও যখন হেলতে দুলতে যেতাম!  খাওয়ানোর গুরুদায়িত্ব তখন ছিল ডিউটি মাস্টারের, ক্যাডটদের কি আর এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আছে? আর এখন সপ্তাহে শিডিউল অনুযায়ী যাও বাজারে. . . . . .<br /> যাই হোক, দেহে একজন ক্যাডেটের রক্ত বইছে বলেই নতুন ব্যবস্থার সাথে দ্রুত মানিয়ে নিলাম।<br /> আশ্চর্যজনকভাবে, ভার্সিটিতেও টিচাররা দেখলাম মোটামুটি একই কথা বলা শুরু করলেন-”ছাত্রজীবনটাই হচ্ছে সুখের সময়। যখন চাকরীজীবনে ঢুকবে, তখন বুঝতে পারবে, কি সময়টাই না কাটিয়ে এসেছ!” ব্যাটা বলে কি? প্রত্যেকদিন গাদাগাদা এসাইনমেন্ট আর দুইদিন পরপর ক্লাসটেস্ট দেয়া সুখের জীবনের লক্ষ্মণ?! কবে যে শালা ভার্সিটি লাইফ শেষ করে চাকরী করব আর নিজের ইচ্ছামত চলব!<br /> একসময় সে ইচ্ছাও পূরন হয়। আর সাথে সাথে টিচারদের কথাও সত্য বলে মনে হয়। আগে ইচ্ছে হলেই কোন ক্লাস মিস দেয়া যেত। বৃষ্টি হচ্ছে, এমন আরামের সময়টা একটু ঘুমিয়ে নেই, একটা ক্লাস না করলে কি এমন আসে যায়? কিন্তু অফিস ফাঁকি? কোনভাবে এক দুই দিন না হয় দেয়া গেল, কিন্তু দিনের পর দিন তো আর এমন করা যায় না। ঈদেও আগে পরে এক দুই দিন ছুটি বেশি নিয়ে টানা কয়েকদিন ছুটি কাটাতে পারবো কিনা, তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। আহা, কোথায় গেল আমার স্টুডেন্ট লাইফ?<br /> এখন কলিগদেও মধ্যে যারা বিবাহিত তারা বলেন, ”ভাই, বিয়ের আগের লাইফটাই মজার। বিয়ে করলে বুঝতে পারবেন।” কথাটা উড়িয়ে দিতে গিয়ে টিচারদের কথা মনে পড়ল, যাদেও কথা একসময় পাত্তা দিতাম না, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে যাদের কথা আজ সত্য বলে প্রমানিত! অভিজ্ঞতার একটা মূল্য আছে। আর তাই কলিগদের এসব কথা আর উড়িয়ে দেই না। বিয়ে হচ্ছে দিল্লীকা লাড্ডু। যে খায় সে পস্তায়, যে খায় না সেও পস্তায়। এই লাড্ডুও একসময় খেতে হবে, তারপর জুনিয়র কলিগদের গম্ভীরমুখে সেই একই কথা বলতে হবে, ” ভাই, বিয়ের আগের&#8230;”<br /> যখন পিছন ফিরে তাকাই, তখন ক্যাডেট কলেজের জীবনটাকে মনে হয় সোনালী সময়। কলেজ থেকে বের হওয়ার দিন একজনকেও দেখিনি যার চোখে পানি নেই। অথচ কলেজজীবনের প্রত্যেকদিন আমরা এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করতাম। কিন্তু ছয়টি বছর তিলে তিলে জমে উঠা মায়া কি অস্বীকার করা যায়? একসময় যে হাউস, ক্লাসরুম, মসজিদ, অডিটরিয়ামের উপর অধিকার জন্মেছিল, তা নিমিষেই শেষ হয়ে গেল! হয়তো আরও অনেকবার ফিরে আসা হবে, কিন্তু সেই অধিকার নিয়ে আর ফিরে আসা হবে না।<br /> আসলে ফেলে আসা জীবনটাই সবচেয়ে সুন্দর। আমরা ছুটে চলি একটা খন্ড জীবন থেকে আরেকটা খন্ড জীবনের পথে। এই ছুটে চলার সময় যখনই একটু পিছন ফিরে তাকাই, মনে হয়, ” আহা আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, আহা &#8230;.”</p><p>মুস্তাকিম (৯৪-০০)<br /> ২০তম ইনটেক, রংপুর ক্যাডেট কলেজ<br /> ২৬ জুন, ২০০৯</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/mustaquim/11491/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>66</slash:comments> </item> </channel> </rss>
<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Minified using disk
Page Caching using disk (enhanced)
Object Caching 709/736 objects using disk
Content Delivery Network via static.cadetcollegeblog.com

Served from: www.cadetcollegeblog.com @ 2010-09-09 01:09:01 -->