<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ক্যাডেট কলেজ ব্লগ &#187; সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</title>
	<atom:link href="http://www.cadetcollegeblog.com/author/sushom/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.cadetcollegeblog.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 23 May 2013 01:52:05 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	
		<item>
		<title>ডেইলি প্যাসেঞ্জার- পর্ব ৫</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37685</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37685#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 24 Oct 2012 05:54:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=37685</guid>
		<description><![CDATA[নিন্দুকেরা যাই বলুক, আবুল শব্দটার অবস্থান থাকা মানেই ঝামেলা, আমি এই কথা থোড়াই কেয়ার করে বীর বিক্রমে আমার আবুল কোম্পানির, থুক্কু আবুল খায়ের কোম্পানির নুন খেয়ে মাঝে মাঝে গুণ গাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালাইতাম ।কিন্তু সময় অসময়ের বাসযাত্রার ইতি টেনে যখন আমাকে দুম করে গরুর হাটে পাঠায়ে দিল, তখুনি বুঝসি আমার ডেইলি প্যাসেঞ্জার এর কুলখানির সময় [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>নিন্দুকেরা যাই বলুক, আবুল শব্দটার অবস্থান থাকা মানেই ঝামেলা, আমি এই কথা  থোড়াই কেয়ার করে বীর বিক্রমে আমার আবুল কোম্পানির, থুক্কু আবুল খায়ের  কোম্পানির নুন খেয়ে মাঝে মাঝে গুণ গাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালাইতাম ।কিন্তু  সময় অসময়ের বাসযাত্রার ইতি টেনে যখন আমাকে দুম করে গরুর হাটে পাঠায়ে দিল,  তখুনি বুঝসি আমার ডেইলি প্যাসেঞ্জার এর কুলখানির সময় হইসে !  ইয়ে মানে,  গরুর হাটে পাঠাইসে মানে গাবতলী রেডিমিক্সের ফ্যাক্টরিতে বদলি কইরা দিসে  !তারমানে প্রতিদিন মিরপুর টু মতিঝিল বাসযাত্রার আর সেই সাথে অদ্ভুতুড়ে  অভিজ্ঞতার সলিল সমাধি ।  প্রথমদিন গাবতলী গিয়া আশপাশে যতদূর চোখ যায় ,কোথাও  লাল রঙের মিক্সার প্ল্যান্টের সাইলোর নাম নিশান দেখতে না পেয়ে গরুর হাটের  কাছে এক রিকশা নিলাম। অটো রোলার কোস্টার টাইপ ফীলিংস আসা সু (!) মসৃণ  রাস্তায় শরীরের সব কলকব্জা ঢিলা করে নদীর ধারে যখন লাল রং এর সাইলো দেখতে  পাইলাম, তখন বত্রিশ ওয়াটের এনার্জি সেভিং বাল্বের মত মুখ ঝলমল করে উঠল। সেই  আলোতে চোখে ধাঁধা লেগেই মনে হয় ব্যাটা রিকশাওয়ালা হ্যাচকা টানে ঢালু তে  নামার সময় রিকশা সুদ্ধা ভূপাত ধরনীতল। সিমেন্ট মাখা সাদা কাদা, পাথর  সবকিছুর অব্যর্থ মিক্সিং কম্বিনেশনে আমার চেহারা যে যথেষ্ট খোলতাই হইছিল,  তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা ! সেই সাথে এইটাও বুঝলাম, রাস্তার অভিজ্ঞতা আমার  কখনই সুবিধার না বেশি ।</p>
<p>তবে এই গরুর হাটে আসার আগ পর্যন্ত যা দুই একটা অভিজ্ঞতা হইসিল, সেইগুলাও  ফেলনা না । একবার বাসে আমার সামনের সিটে এক পিচ্চি অনেক ক্ষণ ধরে বিভিন্ন  বিষয় নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান করেই যাইতেছিল। রাস্তার পাশে কোন দোকানে lays চিপস  দেখে বলা শুরু করল, &#8221; আম্মু, লেজ খাব &#8221; । পিচ্চির মা একেবারে থ। চোখ কপালে  তুলে জিগাইল, কি খাবি? পিচ্চি আবার কয়, লেজ খাব । পিচ্চির মা আবার জিজ্ঞেস  করে, ভাল করে বল, বুঝি নাই কি খাওয়ার কথা বললি । পিচ্চি তখন বাস সুদ্ধা  কাপায়ে চিল্লায়ে বলল, বলসি না লেজ খাব লেজ খাব লেজ খাব !!!</p>
<p>বনানীর সামনে থেকে এক স্টাইলিশ মেয়ে উঠসে বাসে। আমার পাশের সিটের যাত্রী  নেমে যাওয়ায় মেয়েটা পাশেই বসছে। কিছুক্ষণ পর মোবাইলে কল আসছে। মেয়েটা রিসিভ  করার পর, &#8221; বেইবি, বাসে একটা সিট পেয়েছি। উফ, এত রাশ ! ওয়েট, আম কলিং  ব্যাক। পোলাটারে হোল্ড এ রেখে কল রিসিভ করে আরেকটা। বলতেসে, &#8221; হ্যাঁ আম্মু,  দেরি হবে, অত চিন্তা কইর না তো। রাখতিসি । &#8221; তারপর আবার পোলার সাথে কথা  শুরু। দেন বেইবি, বল , তুমি আজ আমাকে বাসায় ড্রপ করলে কি হত ! নটি বয় !  ব্লা ব্লা ব্লা&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230; অনেক ক্ষণ কি ভ্যাজর ভ্যাজর করসে  শুনিনাই কিন্তু ইংলিশ বাংলা জগাখিচুড়ি শুইনা কানের উপ্রে যেই অত্যাচার  চলতেছিল তার বদলা হিসাবে ঠাটায়ে একটা চড় মারার জন্য হাত চুলকাইতেছিল। হঠাত  শুনি, মেয়েটা কয় কি , বেইবি, নো , কুটুকুটু বেবি, লাগ কলে না, কান্না কলে  না, জানুটা সলি ( সরি) ।এইদিকে সিটের পাশে দাঁড়িয়ে হেল্পার অনেকক্ষণ ধরে  টিকিট দেখতে চাইতেছে। মেয়েটার সেইদিকে কোন খেয়াল ই নাই। ঠিক ওইসময় হেল্পার  বলে উঠসে, আপা, বাচ্চার কান্দন থামানু হইলে টিকিট টা দিয়েন !</p>
<p>লেগুনায় উঠে এক পিচ্চি ম্যালাক্ষন মায়ের কাছে ঘ্যানঘ্যান করতেসে যে সে সিটে  বসবে, তার মা কিছুক্ষণ ভালমত বুঝাইছে পরে রেগে গিয়ে বলে, চুপ করে থাক্ক  বান্দর ! আর আরেকটা কথা বললে থাবড়া মেরে বাট্টু বানায়ে দিব। পিচ্চি ধমক  খেয়ে বাংলা পাঁচের মত মুখ বানায়ে মায়ের কোলে ঝুলন্ত অবস্থায় বসে আছে । এমন  সময় এক লম্বা লোক লেগুনায় উঠতে গিয়ে মাথায় দড়াম করে বাড়ি খাইসে। সবাই ভিতরে  বলাবলি করতেসে, আহারে ভাই, লম্বা মানুষ কি আর করা । পিচ্চি তখন দুম করে ওর  মাকে  বলে, আম্মা এই লোকটাকে পিটায়ে বাট্টু বানায়ে দিতা , তাইলেই আর মাথাত  বাড়ি খাইত না  । পিচ্চির এই মহান সমাধানে অবশ্য লম্বা লোকটার মুখ শুকায়ে  আমসি হয়ে গেছিল । এত সহজ সমাধান তার মনে ধরেনাই, বলাই বাহুল্য !</p>
<p>অফিস টাইমে এমনিতেই সবার তাড়াহুড়া , এরকম সময়ে যদি বেরসিক ট্রাফিক পুলিশ  বাস থামায়ে গাড়ির কাগজপত্র, ড্রাইভারের লাইসেন্স, মেইনটেন্যান্সের কাগজ  দেখতে চায়, পাবলিকের মুখ ছোটাই স্বাভাবিক। কিছু পাবলিক আবার এক কাঠি উপ্রে।  নিজের ভাড়া এক টাকা বেশি দিবেনা আইন দেখাবে কিন্তু হেল্পার কে তাগাদা  দিতেসে পুলিশের পকেটে ৫০ টাকার নোট গুজে দেবার জন্য । হেল্পার ও বুঝসিল তার  কাগজ পাতি সুবিধার না , তাই সেও পাবলিকের সমর্থন পাওয়া মাত্র ভাড়া থেকে ৫০  টাকার একটা নোট নিয়ে পুলিশের কাছে গিয়ে পকেটে হাত ঢুকায়ে দিসে। পুলিশ ঘটনা  বুঝে হাসি দিয়া নাইমা গেছে । এইবার হেল্পার গাড়ি ছাড়ার পর হাসতে হাসতে   গড়াগড়ি অবস্থা। কিছুক্ষণ পর পর গড়াগড়ি দিয়ে হাসে। ড্রাইভার জিগায়, কি হইসে  বল দেখি ব্যাটা ?তখন থিকা মৃগী রোগীর মত হাসতে আছস।  হেল্পার পকেটে হাত  দিয়ে একটা দুমড়ানো মুচড়ানো ১০০ টাকার নোট বের করে দেখায়ে ড্রাইভার কে  কইতেসে, পুলিশের পকেট থেকে মারসি। ৫০ টাকা ঢুকাইতে গিয়া ১০০ টাকা বের কইরা  আনসি । চোখের সামনে চোরের উপ্রে বাটপারির এতবড় উদাহরন বাস সুদ্ধা পাবলিক  ইহজনমে আর দেখসে কিনা সন্দেহ !</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37685/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>23</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নিখোঁজ সংবাদ</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37149</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37149#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Aug 2012 06:50:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[কবিতা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=37149</guid>
		<description><![CDATA[আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা হারিয়েছে কোথাও !! আত্মভোলা আরেক কবিতা আমার হয়েছে বাউন্ডুলে, অনেক খুঁজে হয়রান আমি তাই দিচ্ছি নিখোঁজ সংবাদ- একটি ঘোষণা , একটি ঘোষণা &#8230; &#8230; &#160; বুঝেছিলাম, ঠিক হারাবে একদিন আমার প্রিয় যত শব্দ শব্দের নীড় আর অভিমানী কবিতা, কাল সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার তাড়ায় যখন ব্যস্ত ভীষণ ফিসফিসিয়ে একটা কবিতা  আবদার [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা হারিয়েছে কোথাও !!</p>
<p>আত্মভোলা আরেক কবিতা আমার হয়েছে বাউন্ডুলে,</p>
<p>অনেক খুঁজে হয়রান আমি তাই দিচ্ছি নিখোঁজ সংবাদ-</p>
<p>একটি ঘোষণা , একটি ঘোষণা &#8230; &#8230;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বুঝেছিলাম, ঠিক হারাবে একদিন আমার প্রিয় যত শব্দ</p>
<p>শব্দের নীড় আর অভিমানী কবিতা,</p>
<p>কাল সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার তাড়ায় যখন ব্যস্ত ভীষণ</p>
<p>ফিসফিসিয়ে একটা কবিতা  আবদার জানিয়েছিল</p>
<p>আমার সঙ্গী হবে !!</p>
<p>আমার তখন আর অবসর কই?</p>
<p>লোকের ভিড়ে গা বাঁচিয়ে পড়িমরি একছুট</p>
<p>কি জানি তখন বুঝি কবিতাটা গোঁ ধরেছিল</p>
<p>আমায় বোঝাবে ঠ্যালা !!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বেমালুম ভুলে গিয়েছিলাম কবিতাটার কথা</p>
<p>বারান্দার বাতাসে মুখ ডুবিয়ে যেই বসেছি</p>
<p>অমনি আঁচল ধরে টান দেয় কবিতার দুটো লাইন</p>
<p>আর দুটো লাইন এনে দেয় কবিতার খাতা</p>
<p>ঠিক তখুনি বাজে কলিংবেল</p>
<p>দরজার সামনে পাশের বাড়ির এক খুদে রাজকন্যা</p>
<p>খেলায় আর গানে</p>
<p>বেমালুম ভুলে গেছি কবিতার খাতা</p>
<p>কবিতাটা ফের বন্দী একলা ।।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মেঘকন্যার সাথে আড়ি ভেঙ্গে চাঁদ উঠেছিল বেশ রাতে</p>
<p>জ্যোৎস্নার গন্ধ পেয়েই হাজির কবিতাটা</p>
<p>কিন্তু অভিমানে কবিতার শব্দরা তখন বিস্রস্ত</p>
<p>অনেক বলে কয়ে, জিব কেটে, কান মলে</p>
<p>পার পেলাম তখনকার মত !</p>
<p>কোথাকার এক মাতাল হাওয়া বুঝি</p>
<p>হিংসে করেছিল খুব ,</p>
<p>এক নিমেষেই ছত্রভঙ্গ</p>
<p>আমার আর কবিতার আড্ডা</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সেই থেকে নিখোঁজ আমার প্রিয় কবিতা</p>
<p>খুঁজে খুঁজে হয়রান আমি তাই দিচ্ছি নিখোঁজ সংবাদ-</p>
<p>একটি ঘোষণা, একটি ঘোষণা &#8230; &#8230;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37149/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>8</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেইলি প্যাসেঞ্জার &#8211; পর্ব ৪</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37035</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37035#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Jul 2012 14:39:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=37035</guid>
		<description><![CDATA[ইদানিং পাবলিক সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে গেসে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সবাই চিরতার রস খাইয়া বের হয় কিনা কে জানে, তাদের কথাবার্তায় রস কসের বড়ই অভাব ! ভাবছিলাম আমার ডেইলি প্যাসেঞ্জার পর্ব ম্যালাদিন বীর বিক্রমে চালু থাকবে পাবলিকের অবদানে, কিন্তু সেই আশায় গুঁড়ে সুরকি মিশ্রিত বালি ! পাবলিক বাসে উঠলে এখন খালি কাইজ্জা করে, [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<p>ইদানিং পাবলিক সবাই  স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে গেসে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সবাই চিরতার রস খাইয়া  বের হয় কিনা কে জানে, তাদের কথাবার্তায় রস কসের বড়ই অভাব ! ভাবছিলাম আমার  ডেইলি প্যাসেঞ্জার পর্ব ম্যালাদিন বীর বিক্রমে চালু থাকবে পাবলিকের অবদানে,  কিন্তু সেই আশায় গুঁড়ে সুরকি মিশ্রিত বালি ! পাবলিক বাসে উঠলে এখন খালি  কাইজ্জা করে, একটুও বিনোদন পাওয়া যায়না ! তারপর ও মাঝে মাঝে আখের মত ছেঁচা  দিয়া কিঞ্চিৎ রস বের হয় বৈ কি !</p>
<p>পিচ্চি পাচ্চা আসলেই  মারাত্মক। বছর তিনেকের এক বিচ্ছু পিচ্চি ( এইটা আমি হলফ কইরা কইতে পারি  জন্মের সময় নিতম্বে দুইখান এক্সট্রা বান্দরের হাড্ডি নিয়া জন্মাইছে )  লাফাইতে লাফাইতে তার মা জননীর হাত ধইরা উঠসে বাসে । সামনের দিকে একটা সিটে  বসছে তার মায়ের কোলে । আর পিছে বসা সব যাত্রীদেরকে একে একে সে ভেংচি কাটতে  লাগল। নেহায়েত একদম পিচ্চি বলে কেউ আর গোসসা করেনা মনে হয়। আমি বসেছিলাম  ঠিক তার পিছের সিটে। মায়ের সিট লাফায়ে পার হয়ে সে আমার ব্যাগ, ক্লিপ  হাবিজাবি ধইরা টানাটানি করে এমন অবস্থা। আর কিছুক্ষন পর পর জিহ্বা বের করে  বান্দরের সাথে সাদৃশ্য প্রমাণ তো আছেই। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে আমিও আমার  জিহ্বা বের করে দেখানো ফরজ মনে করলাম। বেচারা পিচ্চি কতক্ষন ধরে ভাবতেসে  আল্লাহর দুনিয়ায় সেই একমাত্র বান্দর যার লেজ পিছনে না থাইকা মুখের ভিতরে  আছে ! আমি সহমর্মিতা দেখায়ে আমার জিহবাটাও তাকে বার কয়েক দেখায়ে দিলাম।  কিন্তু বেক্কল পিচ্চি একটুও সান্ত্বনা পাইলনা। সে তার মাকে ডেকে আমাকে  দেখায়ে দিল, আম্মু , আন্টি মারে !! বাস সুদ্ধা লোক পিচ্চির পিছনের সিটে  আমার অবস্থান দেখে এই অভিযোগ সত্যি ভাইবা আমাকেও মনুষ্য সম্প্রদায়ের  বহির্ভূত ঠাওরাল নিশ্চিত ! আর পিচ্চির মায়ের অগ্নিদৃষ্টিতে আমি বাসন মাজা  ছাই তথা ভস্ম হব কিনা চিন্তা করতে লাগলাম ।</p>
<p>সাপ, ব্যাঙ,  তেলাপোকা খাইলে মনে হয় মানুষ স্লিম হয় । এইটা আমার গবেষণা লব্ধ ফল। যে  কয়েকটা চায়না বাস বাংলাদেশে আসছে,এইগুলার সিটের সাইজ দেখে আমি এই  জ্ঞানার্জনে সক্ষম হইসি । একদিন বাসে উইঠা দেখি দেড়খানা সিট নিয়ে বসা এক  মহিলার পাশে আধখানা সিট খালি আছে। আমার নিজেরি সোয়া খানা সিট লাগে। কেমতে  আমি আধখানা সিটে বসব এইটা ভাবতেই ভাবতেই দেখি আরেকটা মেয়ে উঠসে বাসে। আমি  সাথে সাথেই ওই আধখানা সিট বিশাল বপুর সিকিভাগ দিয়া দখলে নিলাম। তারপর  বাকিটুকু খালি ইতিহাস ! এক একবার বাস মোড়া মারে আর না হয় রোলার কোস্টার  টাইপ ফীলিংস আসে, আর আমার মনে হয় এই বোধ হয় আমি ভূপাত ধরণীতল থুক্কু বাসের  মেঝে ! শেষমেশ আশপাশে চোখের কোণা দিয়ে তাকায়ে আমি পাশের দশাসই মহিলা কে  ঠেলতে লাগলাম। কিন্তু তাকে ইঞ্চি খানেক ও নড়াতে না পেরে ক্ষান্ত দিয়ে মুখটা  বাংলা পাঁচের মত করে আশপাশে কোন খালি সিটের সম্ভাবনা খুঁজতে থাকলাম। এই  সময় ঠিক পিছনের কোণাকুনি একটা চ্যাংড়া পোলা সামনের দিকে তাকিয়ে বলে উঠল- &#8216;&#8221;  মারো ঠেলা হেঁইয়ো &#8221;</p>
<p>নিউ ভিশন বাসটার নাম নিয়া কয়েকদিন  ব্যাপক গবেষণা করেও এই নামের সার্থকতা বের করতে পারিনাই। প্রথমে ভাবছিলাম,  মনে হয় এই বাসে উঠলেই সবার &#8216;ভিশন&#8217; নিউ হইয়া যায় ! কিন্তু এই বাসেই সব বাসের  মত ক্যাচাল দেইখা এই তাৎপর্যের খেতা পুড়লাম। কিন্তু একদিন যথার্থই  ছোটবেলায় বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার সেই ইস্পিশাল উত্তরের শেষ লাইনের মত  বুঝলাম যে, &#8220;নামকরণ সার্থক&#8221; ।  ঘটনা হইল, সামনের চারটা মহিলা সিটের একটাতে  আমি উপবিষ্ট হয়ে দেশ ও জাতির কল্যানে আশেপাশে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেই  মাঝামাঝি সিটে বসা এক পোলার দিকে চোখ গেল । হঠাত দেখি ডিপজলের মত ভিলেন  হাসি মেরে ওমর সানীর মত এক চোখ টিপ মারল। বার তিনেক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি  দেখে বুঝলাম,ছেলেটার এটা নতুন দৃষ্টি তথা নিউ ভিশন ! আমার পাশের সুন্দরী  তরুণীর সেইদিকে বিরক্তি দৃষ্টি নিক্ষেপ দেখে বুঝলাম ঘটনার শিকার তাইলে এই  সুন্দরী। আবেশ প্রক্রিয়ায় কি না বলতে পারিনা, এই নতুন দৃষ্টিতে সেই তরুণীও  আবেশিত হইল । এডাম টিজিং নামক উঠতি ফ্যাশানে উদ্বুদ্ধ মাইয়া সেই পোলাকে বাস  থেকে নামতে দেখেই জোরেশোরে হাক দিয়ে বলে উঠল, &#8220;ট্যারা ভাই ,ট্যারা ভাই,  ভাল আছেন তো? &#8221; ওই পোলা তার নিউ ভিশনের এহেন বিচ্ছিরি খেতাব পেয়ে একটু বেশি  তাড়াহুড়া করেই নাইমা গেল ।</p>
<p>এই কাহিনী দেইখা চক্ষু সার্থক  করার সৌভাগ্য আমার হয়নাই । আমার অতি আদরের অতি বাঁদর বোন ( সরি দিবামনি <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/10.gif' alt=':P' class='wp-smiley' />  )এই কাহিনীর খলনায়িকা । ঢাকা থেকে মেহেরপুর একা একা বিশাল বাসযাত্রায় একবার  তার পাশের সিটে অতি ডিস্টারবিং এক পোলা বসার পর পুরো জার্নিটা নাকি তার  তামা তামা হয়ে গেসিল। সারা রাস্তা এইটা ওইটা জিজ্ঞেস করে, অং বং বিষয় নিয়ে  জ্ঞানগর্ভ লেকচার ছাড়ে আর খালি আজাইরা নিজের গুনগান গায়। ঘুমের ভান করেও  নাকি দিবা পার পায়নি। অবশেষে দিবা ঠিক করে, এর বদলা সে নেবেই । পাটুরিয়া  ঘাটের কাছাকাছি বাস পৌঁছালে দিবা ব্যাগ থেকে পানি বের করে খাওয়ার চেষ্টার  নাম করে ঠিক পারফেক্ট এঙ্গেলে পোলাটার এক্কেরে জায়গা মত পানি ঢেলে প্যান্ট  ভিজিয়ে দেয় যাতে কেউ দেখলেই মনে করে পোলাটা এক নম্বর করে ফেলসে ! দিবা নাকি  একবার প্রস্তাব দেয়ার কথা চিন্তা করেও থাইমা গেসিল, &#8221; আমি হিসু করিনাই&#8221;  একটা কাগজে লিখে ওই পোলার গলায় ঝুলায়ে দেবে কিনা ! পোলাটা রাগে গজগজ করলেও  বাকি রাস্তা নাকি দিবা শান্তিমত ঘুমাইতে পারসিল।</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/37035/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>22</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>টিউশনি পর্ব &#8211; ১</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36983</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36983#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 15 Jul 2012 13:43:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36983</guid>
		<description><![CDATA[ছোটবেলায় আমরা যখন প্রাইভেট টিউটর কে জ্বালায়ে মাছভাজা করে ছেড়ে দিতাম,তখন ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনাই যে এক মাঘে শীত যায়না। এই মহা মুসিবত যে আমার ঘাড়েও চাপবে তা বুঝলে আমার টীচারদের জ্বালাতন করার তোড়জোড় একটু কমায়ে দিতাম। আমি তখন ক্লাস টু তে। । বাড়ির মানুষজনের শাসন আর চোখ রাঙ্গানি থোড়াই কেয়ার করতাম দেখে আমার মা ঠিক [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>ছোটবেলায় আমরা যখন প্রাইভেট টিউটর কে জ্বালায়ে মাছভাজা করে ছেড়ে  দিতাম,তখন ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনাই যে এক মাঘে শীত যায়না। এই মহা মুসিবত  যে আমার ঘাড়েও চাপবে তা বুঝলে আমার টীচারদের জ্বালাতন করার তোড়জোড় একটু  কমায়ে দিতাম। আমি তখন ক্লাস টু তে। । বাড়ির মানুষজনের শাসন আর চোখ রাঙ্গানি  থোড়াই কেয়ার করতাম দেখে আমার মা ঠিক করল আমারে টিউটর দেবে। আমার মা অফিসে  চলে গেলে আমি নিজেকে রাজা বাদশাহ গোত্রীয় ভাবা শুরু করতাম। পাড়া ঘুরে কারো  বাসায় নাস্তা,কার বাসায় দুপুরের খাবার,তো কারো বাসা থেকে মুরগির রান চিবুতে  চিবুতে টহল মারতাম, পড়ালেখাটাও একেবারে শিকেয় উঠেছিল বই কি! । আমাদের  বাড়ির পাশেই মিশনারী স্কুল ছিল,ওইখানে কিছু স্টুডেন্ট আর টিচার আবাসিক ছিল।  অবশেষে মিশন স্কুলের এক টিচার মা ঠিক করলেন আমার জন্য কারণ উনি শুনেছিলেন  তারা নাকি একটু কড়া হয়,আর ওই টাই আমার জন্য নাকি উপযুক্ত মুগুর ।</p>
<p>শেষমেশ  টীচার আসলেন, টিচার কে দেখেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমার ধারণা ছিল যে  টিউটর মানেই চশমা পরা হাসি মুখের ম্যাডাম। পেল্লাই সাইজের গম্ভীর টাইপের  টিচার দেখেই আমার ভিলেন ভিলেন লাগল। আমাকে পড়তে বসায় ,কার সাধ্যি ! এইভাবে  সাতদিন ধরে টিচার আসতেন আর আমি বিদায় করে দিতাম,এমনকি একটু আধটু হুমকি  ধামকিও দিয়েছিলাম ঠ্যাং ভেঙ্গে দেব বলে ! সাতদিন যাওয়ার পর ও যখন  টীচার আমার বাড়ির পথ ছাড়লেন না ,আমি ঠিক করলাম একটা হেস্তনেস্ত করতেই হবে  । টিচার আসতে দেখে এক ছুটে পাশের পচা ডোবা থেকে এক মগ পানি এনে ঢেলে  দিয়েছিলাম টিচারের মাথায়। আর চরম একটা হুমকি দিয়েছিলাম ,আবার আসলে বিছুটি  পাতা দিয়ে দেব গায়ে । সেইদিনের পর টিচার মনে হয় হাফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন,আর  আমিও। তবে যাওয়ার আগে টীচার আমার দাদীকে বলে গিয়েছিলেন, এইরকম ত্যাঁদড়  পিচ্চি ইহজনমে উনি দেখেননি আর দেখবেন বলেও আশা রাখেননা ! ( পুরো ঘটনাটাই দাদির মুখে শোনা , আমার তেমন মনে নেই )</p>
<p>ওই  টিউটর মনে হয় মনে বড়ই দুঃখ পাইছিলেন মনে ,এল্লিগা আমার টিউশনি গুলাও ছিল  মনে রাখার মত ।একেকটার চেয়ে একেকটা কয়েক কাঠি সরেস। প্রথম প্রথম টিউশনি  পাওয়ার জন্য ঝক্কি,সে তো একটা আছেই,বেতন বেশি তো ম্যালা দুর বাসা , বাসা  কাছে তো বেতন কম,দুটাই ঠিক আছে তখন আবার দেখা যায় এক্কেবারে ন্যাদা পোলাপান  পড়ানো লাগবে&#8230;&#8230;যাইহোক অবশেষে কষ্টে সৃষ্টে প্রথম যে টিউশনি টা পাইলাম  ওইটা আজিমপুর। কাছাকাছি আর মেয়ে ক্লাস সিক্সে পড়ে দেখে রাজি হয়ে গেলাম।   প্রথম দিন গিয়ে মাইয়ার মারে এক্কেরে ইম্প্রেসড করে ফেললাম( মেয়েকে ১ম /২য়  করেই ছাড়ব টাইপ ডায়লগ মেরে) ।</p>
<p>পরদিন থেকে পড়ানো শুরু  করলাম,মিনিট বিশেক গেসে,মেয়ে কয় কি,মিস আজ আর পড়বনা,অনেক্ষন পড়সি(!!)। আমি  প্রথম দিন আর ঝাড়ি দিলাম না,বুঝায়ে শুনায়ে আবার পড়াইতে বসলাম ।একটু পর মেয়ে  আমারে জিগায়, “মিস,ডু ইউ হ্যাভ এ বয়ফ্রেন্ড?” আমি তো পুরাই টাশকি।থতমত  খেয়ে বললাম,না তো ।মেয়ে চোখ কপালে তুলে বলে, হোয়াট? ইউ আর সো ব্যাকডেটেড।  আমি আরেকবার বেকুব হলাম।ক্লাস সিক্স এ পড়া ওই মেয়ে তখন যা বলল তার মর্মার্থ  হল- আমি ক্লাস সিক্সে পড়ে বয়ফ্রেন্ড জুটায়ে ফেলসি আর আপনি এত বুড়ি হয়েও  পারেন নাই? প্রেস্টিজ নিয়ে টান পড়ার কারনেই হোক আর মেয়ের কেরামতি দেখে ভয়ে  পেয়েই হোক, আমি মোটামুটি চুপসানো বেলুনের মত একটা চেহারা বানায়ে আবার  পড়ানোয় মন দিলাম । কিছুক্ষন পর আবার আমাকে বলে, ম্যাম , আপনি জানেন তো আমার  বাবা যে &#8216;অমুক&#8221; কোম্পানির মালিক ( একটা বিখ্যাত কলম কোম্পানি) । আমি বললাম  ,না তো ! পরে খেয়াল করে দেখি মেয়ের হাতে ইন্ডিয়ান &#8220;লিঙ্ক&#8221; কলম। আমার বাপের  কলম ফ্যাক্টরি থাকলে তো আমি জীবনেও কলম কিনতাম না কিন্তু এই মেয়ের কাহিনী  কিছুই বুঝলাম না। দিন কয়েক পর আমি এইটা আবিষ্কার করতে সক্ষম হইলাম, নিজের  কলম ব্যাগ থেকে বের না করে অন্যের কাছ থেকে কলম ধার করে সংগ্রহ করা ওই  মেয়ের অন্যতম হবি !</p>
<p>যাই হোক,এই মেয়ে কে পড়ানো আর গাধা  পিটিমানুষ বানানো এক ই ব্যাপার।।দুই আর দুইয়ে যে চার হয় এইটা বের করতেও  ক্যালকুলেটর চাপত। তবে স্বীকার করতেই হবে অসাধারণ স্মরণশক্তির জোরে এই মেয়ে  একেকটা অঙ্ক হুবহু মুখস্থ করে ক্লাস সিক্সের মুখ দেখতে পেরেছে ! আমি কিছু  বুঝিয়ে শেষ করার পর বেশিরভাগ সময় ই তাকিয়ে দেখতাম,  সে হয় জানালা দিয়ে  তাকায়ে আছে আর না হয় বিশাল নখের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকায়ে আছে আর নয়ত দীঘল কেশ  নিয়ে খেলা করছে !! একদিন নিজের কেশরাশির সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে মুগ্ধ নয়নে  একগোছা কেশ রাশি হাতে নিয়ে মেয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করে, মিস,আমার চেহারা সাথে  ক্যাটরিনা কাইফের চেহারার অনেক মিল আছে না? আমি এক পলক তাকিয়েই বললাম, আরে  তাই তো, এতদিন তো খেয়াল ই করিনিইইইই ! মেয়ে গম্ভীর একটা ভাব নিয়ে বলে,  একচুয়ালি সি ইজ হট এন্ড কিউট, বাট নট প্রিটি। ম্যাম, ডোন্ট ইউ থিংক , আই এম  প্রিটি? আমি হেহেহেহে মার্কা হাসি ঝুলায়ে মাথা নেড়ে সম্মতি জানালাম।  কোনভাবেই দ্বিমত পোষণ করে একটা জ্ঞানগর্ভ সৌন্দর্য বিষয়ক বক্তৃতা শুনতে  মোটেও আগ্রহী ছিলাম না ।</p>
<p>শুধু এই পিচ্চির বিনোদন ই যথেষ্ট  না, তার আবার ছোট দুইটা ভাইবোন ছিল। টীচার দেখামাত্র ভাইটা ঢিশুম ঢিশুম  গুলি করা হাউস অফ ডেথ আর না হয় ভি কপ খেলতে বসত। এই খেলাগুলার বস্তাপচা  সাউন্ডে আমার ইচ্ছে করত জানালা দিয়ে ঝাঁপ মারি।তিন বছরের ছোট বোন টা ছিল  আরো এক কাঠি উপরে। তার  জন্য প্রতিদিন চকলেট ( লাভ ক্যান্ডি) নিয়ে যেতে  হত,না হলে ওই বিচ্ছু পিচ্চির জ্বালায় ওখানে থাকাই রীতিমত অসম্ভব ব্যাপার  ছিল। যাহোক ,মাস দুয়েক যাওয়ার পর মেয়ের অসম্ভব প্রতিভার ফসল হিসেবে  মিডটার্ম পরীক্ষায় যখন ডাব্বা মারল,তখন বুঝলাম,এখন মান সম্মান নিয়ে পালানোর  সময় চলে আসছে।</p>
<p>এবার ধানমন্ডিতে দুই জমজ বোনকে পড়ানো শুরু  করলাম। আমি জানতাম জমজ দের  অসম্ভব মিল, এরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখতে  একরকম আবার আচার আচরণেও নাকি অনেক  মিল। কিন্তু এই দুইটা বিপরীত মেরু কেমনে  কেমনে এক মায়ের পেটে এক লগে দশ মাস  ছিল আল্লাহ মালুম। এক বোন ছিল  মা্রাত্মক ব্রিলিয়ান্ট, আর আরেকটা ঠিক তার  সমানুপাতিক গাধা। এদেরকে  ঘড়ি  ধরে দুই ঘণ্টা পড়াইতে হইত। একদিন মাঝে ৫-৭  মিনিটের জন্য একটা রুম ছেড়ে  বাইরে গেসে কি কারণে। পড়ানো শেষে যখন উঠতে  যাব,তখই ওই মেয়ে বলে ,মিস, আমি  ৫মিনিটস কম পড়েছি, প্লীজ কাভার ইট আপ । আমার  তখন একটা কথাই মনে  হইসিল,আল্লাহর দুনিয়ায় এই &#8220;আজিব জিনিস&#8221; গুলা কেমনে যে আমার  কপালে জোটে !</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36983/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>38</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36932</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36932#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 07 Jul 2012 14:16:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36932</guid>
		<description><![CDATA[১. বাংলাদেশে মহিলা গুন্ডি দের তালিকা করা হইলে শামা কে অনায়াসে চোখ বন্ধ করে এক নম্বরে রাখা যাবে। তার যন্ত্রণায় নুহা (শামার বেস্টফ্রেন্ড) একশ একবার মনে মনে আর দুয়েকবার ভয়ে ভয়ে শামার সামনে আক্ষেপ করে , কোন দুঃখে শামা নামক অতিমানবীর ফ্রেন্ড যে হইছিল । ফ্রেন্ড হইছিল তাও মানা যায়,এক্কেবারে বেস্ট ফ্রেন্ড,আবার মরার উপর খাঁড়ার [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>১. </strong></p>
<p>বাংলাদেশে মহিলা গুন্ডি দের তালিকা করা হইলে  শামা কে অনায়াসে চোখ বন্ধ করে এক নম্বরে রাখা যাবে। তার যন্ত্রণায় নুহা  (শামার বেস্টফ্রেন্ড) একশ একবার মনে মনে আর দুয়েকবার ভয়ে ভয়ে শামার সামনে  আক্ষেপ করে , কোন দুঃখে শামা নামক অতিমানবীর ফ্রেন্ড যে হইছিল । ফ্রেন্ড  হইছিল তাও মানা যায়,এক্কেবারে বেস্ট ফ্রেন্ড,আবার মরার উপর খাঁড়ার ঘা  রুমমেট ও !! নাহ, বড্ড ঝামেলা করে মেয়েটা। বললেই ক্লাসের পিছন দরজা দিয়ে  পালাতে হবে, ক্লাসনোট কপি করিয়ে রাখতে হবে, নিউমার্কেট গিয়ে কেনাকাটা বাদ  দিয়ে ঝাল করে ফুচকা খেতে হবে, এরকম আরও ম্যালা আবদার হাসিমুখে মেনে নিতে  হবে। একবার নিউমার্কেটের ভিড়ের মধ্যে ছুঁচো টাইপের একটা লোক শামার কোমরে  চিমটি কাটার পর শামা থাবা মেরে হাত টেনে ধরে খামচি দিয়ে হারামজাদার হাতের  চামড়া তুলে নেয় ।এরকম গাদাখানেক কাহিনী আছে শামার গুন্ডামির।নুহা কোন কিছু  করতে আমতা আমতা করলেই শামা অমনি তার গুন্ডি বেটি আচরণ শুরু করবে। বইখাতা  গুম করবে, ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করবে ,অবশেষে নুহা রাজি হলে বত্রিশ দাঁত বের  করে বলবে, এইজন্যই তোকে এত ভালবাসি !!</p>
<p>এই গুন্ডি বেটি শামা  নাকি প্রেমে পড়েছে! নুহা প্রথমে শুনে ভাবে ,কোন ছাগল যে এই কথা রটাইছে শামা  জানলে তার কয়েকটা হাড্ডি ভেঙ্গে হাড্ডি সংখ্যা দুয়েকটা বাড়ায়ে দেবে  নির্ঘাত।আর কোনমতে ভুলেও যদি এই কাহিনী সত্যি হয়, তাইলে যে বেচারার গলায়  শামা ঝুলার জন্য তোড়জোড় লাগাইছে তার কপালে শনি তো বটেই,রবি সোম সব আছে !  শামা ওই বেচারা কে বুঝায়ে ছাড়বে কত ধানে কত চাল। তবে এই কাহিনী মোটামুটি  অসম্ভব দেখে নুহা শামার প্রেমে পড়ার সম্ভাবনা উড়ায়ে দিল। কিন্তু আরও কয়েক  ফ্রেন্ডের কাছ থেকে শুনে নুহা বিশ্বাস করবে নাকি বিশ্বাস করবেনা এটা নিয়ে  ধন্দে পড়ে যায়।</p>
<p>অবশেষে একটা ঝাড়ি খাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে নুহা  শামাকে কথাটা একটু ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করল , &#8221; শামা, কোন হাঁদারাম নাকি তোর  প্রেমে পড়ছে ! &#8221; শামা তখন ল্যাব রিপোর্ট লিখতে লিখতে নুহাকে ধমক দিয়ে বলে,  দুনিয়ায় সবার মাথায় বুদ্ধিশুদ্ধি কিছুটা হইলেও আছে,তোর মাথা তো দেখি পুরাই  বায়োগ্যাস চেম্বার। ঠিকমত হট নিউজ ও যোগাড় করতে পারিস না । আরে, কোনো  হাঁদারাম আমার প্রেমে হাবুডুবু খাইতেছে কিনা জানিনা,আমি পুরাই ডুবন্ত। ও  হ্যাঁ ,ভাল কথা ফয়সাল কে হাঁদারাম বলবি না, এই নামের উপর আমার কপিরাইট !!!</p>
<p>নুহা  বাস্তবিক ই হা করে তাকায়ে ছিল শামার দিকে ফয়সালের কথা শুনে।পাক্কা দু  মিনিট কোন কথা বলতে পারেনি।ফয়সাল ওদের ক্লাসে নিতান্ত অমায়িক ভদ্র পোলা ।  অবশ্য পোলাটা দেখতে চশমা পরা গোবেচারা শান্তশিষ্ট লেজের আগায় অবশিষ্ট টাইপ  হইলেও জিনিয়াস আছে , খুব একটা আতেল ভাব দেখায় না । অবশেষে তাব্দা খাওয়া  চেহারা নিয়ে শামা কে জিজ্ঞেস করল,তা কেমনে কি হইল ? আমি তোর রুমমেট আর আমি  কিছুই জানিনা ! শামা বলল, গাধী ,আগে আমার কথা শুনবি তো ! তারপর যা বর্ণনা  করল , তার সারমর্ম হল , কেমিস্ট্রি ল্যাবে সব মাইয়াগুলা জোড়ায় জোড়ায় আগেই  গ্রুপমেট ঠিক করে ফেলায় বাকি ছিল খালি শামা আর ফয়সাল । অগত্যা ওরেই  গ্রুপপার্টনার করতে হয় । এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে শামা যতই তাড়াহুড়া করত  এক্সপেরিমেন্ট শেষ করে ল্যাব থেকে বের হবার জন্য , ইচ্ছা করেই ফয়সাল ধীরে  সুস্থে পেন্টিয়াম ওয়ান প্রসেসরের মত কাজ করত । এই নিয়ে শামা চরম খেপা ছিল  ফয়সালের উপর,সবসময় তক্কে থাকত কিভাবে ওরে স্যারের কাছে ঝাড়ি খাওয়ানো যায় ,  কিন্তু ওই ব্যাটা ফয়সাল দেখতে গোবেচারা হলেও অনেক চালাক। কিছুতেই শামা  সুযোগ পাচ্ছিল না। বরং প্র্যাক্টিকাল এক্সামের দিন শামা কোনভাবেই রেজাল্ট  বের করতে পারতেছিল না,ফয়সাল ওরে বাঁচায়ে দিছে । সেই থেকে শামা ফয়সালের  কাজকর্মে আর ডিস্টার্ব দিত না। পরের টার্মে আবার ল্যাব গ্রুপিং করার সময়  ফয়সাল যেচেই শামাকে বলছিল,তার গ্রুপমেট হবে কিনা। শামা চোখ কপালে তুলে  জিগাইছিল,ক্লাসে এতগুলা ভাল স্টুডেন্ট, আর না হয় ভদ্র টাইপ মাইয়া থাকতে  ফয়সাল কেন ওরই আবার গ্রুপমেট হইতে চায়। ফয়সাল একটা হাসি দিয়ে বলছিল ,&#8221;আমার  ইচ্ছা&#8221; । অন্যসময় এরকম ভাব দেখে শামার হয়ত গা জ্বলে যেত,কিন্তু ওইদিন শামা  ভেবে দেখল,ওরে গ্রুপমেট করলে মেলা লাভ । নিজের মাথা ঘামানো লাগবেনা ,এককথায়  ফাঁকিবাজি করতে পারবে। এরপর আস্তে আস্তে লাইব্রেরীতে একসাথে পড়াশুনা, আর  শামার হিটলারগিরি সহ্য করার কারণে ফয়সাল কে নির্দ্বিধায় শামা কাছের  ফ্রেন্ডলিস্টে জায়গা দিয়ে দিল।</p>
<p>একবার হুট করে শামা খেয়াল করে  ফয়সাল ক্লাসে আসছে না। এমনকি মোবাইল ও বন্ধ। সারাদিন ফয়সালের সাথে  গুন্ডামি না করতে পেরে দিন শেষে শামা চরমভাবে মিস করতে থাকল ফয়সাল কে।  এইভাবে দুইদিন,তিনদিন&#8230;শেষমেশ পাক্কা এক সপ্তাহ পর ফয়সাল ক্যাম্পাসে আসল।  ওকে দেখে শামার ব্রহ্মতালু পর্যন্ত জ্বলে গেল। নবাবপুত্তুর কোন রাজকাজে  ব্যস্ত ছিল যে একবার শামাকে জানাতেও পারেনি এই কয়দিন কোথায় ছিল । শামা  সরাসরি ফয়সালের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, ওই পয়ছাল,নিজেকে খুব ইয়ে ভাবিস না?  একবার আমাকে একটা মেসেজ না দিয়ে এইভাবে ডুব মারলি? অনেকক্ষণ ধরে ঝাল ঝেড়ে  শামা ফয়সালের দিকে অবাক হয়ে তাকায়ে দেখে ফয়সাল মিটমিট করে শয়তানের মত  হাসছে। শামা আরও রেগে বলে যা দূরে গিয়া মর,তোর লজ্জা শরম নাই ,আবার হাসিস?  ফয়সাল দুম করে বলে ,নাই ই তো দস্যুরানী ফুলন দেবী। এই উপমা শুনে শামার মনে  হইল,দেই ছাগলটাকে একটা ঘুষি ।কিছু না বলে গরগর করতে থাকল। পরে মেজাজ ঠান্ডা  হইলে শামাকে ফয়সাল বলল, এই কয়দিন ভাইরাল ফিভার ছিল, সবসময় টেম্পারেচার  ১০৩-১০৪। তাই ক্লাসে আসতে পারেনি। অসুস্থতার কথা শুনে শামা এবারের মত আর  বেশি কিছু বলল না।</p>
<p>রাতে হলে ফিরে হঠাৎ চিন্তা করতে বসল, এই  কয়দিন ফয়সাল ক্লাসে আসেনি বলে তার এত খারাপ লাগার কারণ কি? কত ফ্রেন্ড ই তো  মাঝে মাঝে ক্লাস ফাঁকি মারে,তাদের কে তো শামা আধা ঘন্টা পরপর কল করেনা।  হলের গেস্ট হাউসে একসাথে ঢলাঢলি করা যেসব কপোত কপোতীর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়  &#8220;ঢং&#8221; শব্দ টা ছাড়া অন্য কিছু মাথায় আসত না,তাদের মত শামা ও কি তাইলে শেষমেশ  প্রেমে পড়ল !! আ মর জ্বালা ! শামাও কি তাইলে রাত বারটা বাজলেই করিডোরে  আল্ট্রাসনিক সাউন্ডে মোবাইলে কথা বলতে বলতে পায়চারি করবে আর দুদিন পরপর  ফ্যাচফ্যাচ করে কান্নাকাটি করবে !! সে দিব্য চক্ষে দেখতে পেল, ফয়সালের কথা  শুনামাত্রই তার মা সিনেমাটিক স্টাইলে বলতেছে ,&#8221; হতভাগী, এই জন্যই কি তোরে  আমি পেটে ধরেছিলাম, দূর হয়ে যা চোখের সামনে থেকে !&#8221; প্রেম পরবর্তী সমস্ত  জটিলতা হুড়মুড় করে শামার মস্তিষ্কে হাতুড়ি ঠুকতে লাগল। এই ভয়েই পরদিন শামা  আর ফয়সালের ত্রিসীমানায় ঘেঁষল না। লাইব্রেরীতে যাওয়ার জন্য ফয়সাল ডাকতে এলে  বলল,তুই যা। এইভাবে তিনদিন যাওয়ার পর শামা নিশ্চিত হইল,আসলেই সে  রবীন্দ্রনাথের নায়িকার মত জেনেশুনে বিষপান করে &#8220;মরিয়াছে&#8221;।</p>
<p>তিনদিন  পর ফয়সাল ক্লাস শেষ হলে শামাকে অনেকটা জোর করেই ক্যাফে তে নিয়ে গেল। চশমা  কপালে তুলে সিরিয়াস ভাবে জিজ্ঞেস করল,এই ডাকুরানী, তোর কি হইছে রে? আমাকে  এভয়েড করছিস ক্যান? তোরে কে কি বলেছে? শামা সত্যি বলবে নাকি ভাব দেখাবে  বুঝতে না পেরে ভ্যাবলার মত তাকায়ে থাকল। কিছুক্ষন পর পুরাই স্বরূপে ফিরে  গিয়ে বলল, দ্যাখ পয়ছাল, এদ্দিন বলিনাই কিন্তু আজকে বলতেছি । তুই এই হ্যারি  পটার চশমার ফ্রেম দুইদিনের মধ্যে চেঞ্জ করবি।আর খবরদার যদি চুলে বাটি ছাঁট  দিছিস কখনও আর,তাইলে তোর খবর ই আছে ! আর ,ভুলেও মোবাইল অফ রাখবিনা। আরেকটা  শর্ত আছে , তোকে আমি ছাড়া আর কেউ পয়ছাল বাবু আর হাঁদারাম বলে ডাকতে পারবে  না&#8221; । আর আমার সাথে জীবনেও ন্যাকা ন্যাকা পেরেম বাণী কচলাবি না আর জানু,  ডার্লিং এইসব বলে ডাকার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করবি না। ভাল কথা, আমার আরো  একটা শর্ত আছে ,এইটা তোকে এখন বলব না,সময় হলেই জানতে পারবি । আর  &#8230;আর&#8230;&#8230;&#8230; ফয়সাল অনেক কষ্টে হাসি চাপিয়ে বলে,বাকিটুকু আমি বলি? শামা  বলে,খবরদার,আমার কথার মধ্যে কথা বললে তোর বত্রিশ টা দাঁত &#8230;..ফয়সাল কথাটা  শেষ করতে না দিয়ে বলে, কি আর করা , হবু বউ যখন একটা সাক্ষাৎ গুন্ডি  বেটি,তখন কিছু যন্ত্রণা সহ্য তো করাই লাগবে&#8230;&#8230; এই কথা শুনার পর শামা  বিরাশি সিক্কা ওজনের কিল ফয়সালের পিঠে লাগিয়ে উদ্বোধন করল দাম্পত্য  গুণ্ডামির প্র্যাক্টিস ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><strong>২.</strong></p>
<p>মাঝে  বছর দুয়েক কেটে গেছে। শামা আর ফয়সালের জীবনটাও বদলে গেছে । ওরা অবশ্য দুজন  ই জানত যে,এমনটাই হওয়ার কথা ! তবুও মাঝে মাঝে কষ্ট হয়না তা না। কিন্তু  একজনের মুখে দুশ্চিন্তার ছায়া দেখলে আরেকজন যে অধীর উৎকণ্ঠা নিয়ে তার কারণ  খুঁজে তা দূর করার জন্য লেগে যায়,এতেই বোধ হয় সব কষ্টগুলো সহজে শামা আর  ফয়সালের সংসারে ঢুকার পথ খুঁজে পায়না । কোন কোন সময় শামার তীব্র ইচ্ছে হয়  তার প্রিয় বাড়িটার দেয়ালের পিছে লুকিয়ে থেকে দেখে বাবা মা কেমন আছে, ছোট্ট  তিথি মনিটা স্কুলে যাওয়ার আগে একের পর এক অজুহাত দেখিয়ে ফাঁকি মারতে চায় কি  না । ধুর&#8230;শামা এগুলো মনে করতে চায় না একদম। বছর খানেক আগে ফয়সালের কথা  বাড়িতে জানার পর ওখানে ফেরার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শামার। পড়াশুনা শেষ  না হতেই বাধ্য হয়ে ফয়সাল শামাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p>হাজার  চারেকের সাবলেটের বাসা ভাড়া, হাজার তিনেকের বাজার খরচ, নিজেদের  পড়াশুনা,যাতায়াত , সংসারের অন্যান্য টুকিটাকি খরচ সব মিলিয়ে এই ঢাকা শহরে  টিউশনি করে সংসার চালানো মোটামুটি যুদ্ধ জয়ের সমান। একটু আধটু টাকা বাঁচাতে  মাঝে মাঝে ডায়েট কন্ট্রোলের নাম করে রাতে আর রাঁধত না শামা, সকালের বেঁচে  যাওয়া ভাত তরকারি দিয়ে ফয়সালের চলে যেত কোনরকম। বন্ধুদের বার্থডে পার্টি,  ক্লাস পার্টি নামক বিলাসিতা গুলা সুকৌশলে এড়িয়ে যেত ওরা। তবুও হেসে খেলে ,  স্বপ্ন বুনে আর শামার মধুর গুণ্ডামি সহ্য করে ফয়সালের দিনগুলো সোনার রথে  চেপে হয়ে উঠেছিল রঙ্গিন । জানত ওরা, পড়াশুনাটা শেষ করে দুজনের চাকরি হয়ে  গেলে এই দিনগুলোই দিনলিপির পাতায় স্মৃতি হয়ে থাকবে।</p>
<p>আজ  শামাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী, ঠিক আজ না,আজ রাত বারটা বাজলেই শুরু হবে,তার  মানে কাল।এই দিনটার জন্য শামা অনেকদিন অপেক্ষা করেছে। টিউশনির টাকায়  সংসারের জন্য টুকিটাকি খরচ করে আর নিজের পড়াশুনা চালিয়ে অল্প কটা টাকা  বাঁচিয়েছে শামা । একটা কেক কিনবে নাকি ফয়সালের জন্য কোন গিফট কিনবে এটা  নিয়ে দোনামনা করতে করতে অবশেষে কেক ই কিনে।একবার মনে হয়, গাধাটার আদৌ এই  দিনটার কথা মনে আছে তো ! কিন্তু কেক এনে লুকাবে কোথায় ! এটা নিয়ে বিরাট  ঝামেলায় পড়ে সে, একে তো ছোট্ট একটা ঘর, তার মধ্যে বেশি আসবাব ও নাই ,অবশেষে  রান্নাঘরেই লুকিয়ে রাখে আর বারবার গিয়ে দেখে আসে ঠিকঠাক আছে কিনা&#8230; ও ঠিক  করেছে আজই ফয়সাল কে ওর শর্তটার কথা বলবে। কে জানে গাধাটা কি বলবে শর্তটা  শুনে।</p>
<p>ফয়সালের টিউশনিতে আজ বেতন দেয়ার কথা&#8230;হাত প্রায় খালি।  আজ বেতনটা না পেলে চরম মেজাজ খারাপ লাগবে। কাল ওদের এনিভারসারি, অনেকদিন  ধরে কিছু টাকা জমাইছিল শামাকে একটা শাড়ি কিনে দেবে। ওই গুন্ডি বেটি শাড়ি  পরতে পারে কি না এটা নিয়ে অবশ্য চিন্তায় ছিল ফয়সাল! জীবনেও শামাকে ও শাড়ি  পরতে দেখেনি , এমনকি শামার মত সালোয়ার কামিজ পরে আর কেউ বিয়ের রেজিস্ট্রি  করেছে কিনা আল্লাহ মালুম। টিউশনি করাতে করাতে বারবার উসখুস করতে থাকে  ফয়সাল, কখন ওর স্টুডেন্টের বাবা আসবে। পড়ানো শেষ হলে অনেকক্ষণ গল্প করে  যাতে টাইম পাস হয়, এমনকি যেই ফয়সাল গরু আঁকলে ছাগল নাকি বানর বুঝার উপায়  নাই ,সে স্টুডেন্টের ড্রয়িং হোমওয়ার্ক করাতে লেগে গেল। তাও বিচ্ছু পোলার  বাপ আসেনা। অবশেষে বিচ্ছু স্টুডেন্ট বলেই ফেলে,স্যার যাবেন না? ফয়সাল বলে  ,তোমার আম্মুকে ডাক । পিচ্চির আম্মু আসলে ফয়সাল আমতা আমতা করে লজ্জার মাথা  খেয়ে বলেই ফেলে,আন্টি আজ স্যালারি টা না পেলে খুব সমস্যা হয়ে যাবে। পিচ্চির  বাবা আসতে দেরি দেখে পিচ্চির মায়ের কাছে যা ছিল, অর্ধেক বেতন নিয়ে বের হয়।  কিন্তু ততক্ষনে আটটা প্রায় বেজে গেছে, দোকান বন্ধ হয়ে যাবে বলে তড়িঘড়ি এক  দোকানে ঢুকে বেশি দরদাম না করে একটা শাড়ি কিনে ফেলে।</p>
<p>অনেক  কসরত করে শাড়ির প্যাকেটটা জামার নিচে লুকিয়ে আনে ফয়সাল, এবার বারটা বাজার  অপেক্ষা। শামাকে সারপ্রাইজ দেবে এই উত্তেজনায় ফয়সাল সময় গুণতে গিয়ে খেয়াল ও  করেনা যে শামা অনেকক্ষণ রুমে নেই । ঠিক বারটা যখন বাজে , ফয়সাল অবাক হয়ে  দেখে তার আনা আজকের শাড়িটা পরে শামা ঘরে ঢুকছে ! শামা ঘরে ঢুকেই বলে  ,হাঁদারাম শার্টের নিচে শাড়ির প্যাকেট ঠিকমত লুকাতেও পারিস না? ফয়সাল  বত্রিশ দন্ত বিকশিত করার আগেই খেয়াল করে , শামার হাতে তার অতি প্রিয় কেক আর  মোমবাতি । শামা তখন বলে, পয়ছাল, এখন আমি আমার বাকি শর্ত টা বলব। শামা বলা  শুরু করে,দেখ , তোর নিশ্চয় মনে আছে আমাদের বিয়েটা কিরকম ভাবে হয়েছিল।  কিন্তু জানিস ,ছোটবেলায় মাসী আর পিসীদের বিয়ে দেখে আমার ভীষণ সখ জাগত বিয়ে  করার । দিদির বিয়ের সময় পুরুত মশাই যখন মন্ত্র পড়ছিল, মন্ত্রের প্রতিটা  শ্লোক শুনে আমার মনে হয়েছিল , ইস ! কবে আমার রাজপুত্তুর আমার হাত ধরে সবার  সামনে প্রতিজ্ঞা করবে- &#8221; যতদিন হৃদয় তোমার, ততদিন হৃদয় আমার &#8220;।তখন থেকেই  অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম জন্ম জন্মান্তরের জীবনসঙ্গীর হাতে হাত রেখে এই  প্রতিজ্ঞা করার । লুতুপুতু আবেগ আমার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেনা,তুই জানিস  কিন্তু মেয়ে হয়ে জন্মাইছি বলেই বউ সাজার সখটা বোধ হয় রক্তে মিশে আছে।  জন্মান্তরে আজ আর হয়ত বিশ্বাস করিনা বলেই এই জন্মে তোর হাতে হাত রেখে আমি  বিয়ের শ্লোক টা একবার পড়তে চাই। বাবা আমায় সম্প্রদান করেনি তো কি হয়েছে!  নাই বা হল লাল বেনারসী পরে বউ সাজা। তবু একবার হলেও মিছেমিছি ওরকমভাবে  বিয়েটা করতে চাই&#8230;&#8230;.</p>
<p>ঢাকের বাদ্যি হয়ত ছিল না, চোখ  ধাঁধানো আলোয় কনে বেশে লগ্ন হবার অপেক্ষায় ছিল না বাড়ি ভর্তি মানুষ।  মাঝরাতে জানালা দিয়ে আসা বাঁধভাঙ্গা জ্যোৎস্না আলোয় শুধু একটা মোমবাতি  জ্বালিয়ে খুব সাধারন পোশাকে একজোড়া মানব মানবী সাত পাকে ঘুরতে ঘুরতে হাতে  হাত রেখে অস্ফুটে একসাথে বলেছিল-</p>
<p>&#8220;যদেতৎ হৃদয়ং তব</p>
<p>তদস্তু হৃদয়ং মম।</p>
<p>যদিদং হৃদয়ং মম,</p>
<p>তদস্তু হৃদয়ং তব।।&#8221;&#8230;&#8230;&#8230;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36932/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>38</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেইলি প্যাসেঞ্জার &#8211; পর্ব ৩</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36807</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36807#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 20 Jun 2012 09:30:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36807</guid>
		<description><![CDATA[বি আর টিসির লাল রঙের এসি বাসগুলো একেকটা সাক্ষাৎ মশার আস্তানা। বিশেষ করে সকালবেলার প্রথম ট্রিপটাতে মশার দলবলের পিনপিনানি অটো মিউজিক সিস্টেমের কাজ করে।তার সাথে পাবলিকের মশা মারার চটাস চটাস শব্দ তো আছেই। একদিন মশার পরিমাণ একটু না,অনেক বেশিই ছিল। শেষমেশ পাবলিক বিরক্ত হয়ে ড্রাইভার কে মশা নিধনের উপর টিপস দিতে শুরু করল। এক যাত্রী [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<p>বি আর টিসির লাল রঙের এসি  বাসগুলো একেকটা সাক্ষাৎ মশার আস্তানা। বিশেষ করে  সকালবেলার প্রথম  ট্রিপটাতে মশার দলবলের পিনপিনানি অটো মিউজিক সিস্টেমের কাজ  করে।তার সাথে  পাবলিকের মশা মারার চটাস চটাস শব্দ তো আছেই। একদিন মশার  পরিমাণ একটু  না,অনেক বেশিই ছিল। শেষমেশ পাবলিক বিরক্ত হয়ে ড্রাইভার কে মশা  নিধনের উপর  টিপস দিতে শুরু করল। এক যাত্রী আবার এক কাঠি সরেস। ড্রাইভার কে  বলল, ওই  মিয়া এরোসল নাই? ড্রাইভার বিরবিকার মুখে বলে,আছে তো! এই কথা শুইনা  সবাই  নড়েচড়ে বসে।একেকজন বলে ,ধুর মিয়া ,এতক্ষন পর এই কথা! তা কই এরোসল?   ড্রাইভার নিরীহ মুখ করে বলে- &#8220;দোকানে&#8221; ( এই বোজোর জন্য কোন ক্যাডেট দায়ী নয়   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' />  )</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বাচ্চাদের কর্মকাণ্ড  আসলেই ভয়ংকর। এমনিতেই কিছু বিচ্ছু পোলাপাইন থাকে, যাদের প্রশ্নবাণে বাবা  মার মনে হয়,ছেড়ে দে মা, কেঁদে  বাঁচি । সেইটা যদি হয় আবার বাসের মত পাবলিক  প্লেস,তাইলে তো কথাই নেই !</p>
<p>স্কুলড্রেস পরা দুই পিচ্চি মায়ের  সাথে বাসে উঠল খিলখেত থেকে। পিচ্চি দুইটা বড়জোর ক্লাস ওয়ান টু তে পড়ে।  মেয়েটাকে মা কোলে নিয়ে বসল, আর ছেলেটাকে পাশে বসাল।কিছুদুর যেতেই আরেক  মহিলা যাত্রী উঠল,ছেলে পিচ্চিটাকে বলল, &#8220;বাবু তুমি আমার কোলে বস&#8221; . পিচ্চি  প্রবলভাবে মাথা ঝাকিয়ে বলে, &#8220;না না কোলে বসব না।&#8221; পিচ্চির মা বলে, &#8220;ও মা  ,কেন?আন্টি  তো।কোলে বস।&#8221;  পিচ্চি বলে , &#8220;আই হেট গার্লস&#8221; ! পিচ্চির মা এই  কথা শুনে টাশকি খাইল কিনা কে জানে,তবে আমার মনে হল এই পিচ্চি বড় হইলে  নির্ঘাত একটা &#8220;জিনিস&#8221; হবে !</p>
<p>ভয়ংকর বিচ্ছু টাইপ এক পিচ্চি  লেগুনার হেল্পার। আমি কয়েকদিন ধরে এইটা খেয়াল করে আবিষ্কার করলাম লেগুনার  হেল্পার কারো বয়স ই সাত আটের বেশি হবেনা। এরা জীবনে স্কুলে কয়দিন গেসে  জানিনা,কিন্তু অংকে যে তারা মারাত্মক দক্ষ,তাতে কোনই সন্দেহ নাই। প্রথম  প্রথম আমি তাব্দা খাইয়া গেসি এদের ভাড়া কাটা দেখে,এক্কেবারে পাক্কা হিসাব।  লেগুনার ভিতরে লেখা ১০০,৫০০ টাকা ভাংতি নাই। একজন ১০ টাকার ভাড়া দেয়ার জন্য  ১০০ টাকা দিতেই পিচ্চি হেল্পার দিল ঝাড়ি। বলল লেখা  আছে দেখেন,১০০ টাকার  ভাংতি নাই। কোণার দিকে বসা একটা লোক ফাজলামি করে ১০০০টাকার নোট বাড়িয়ে দিয়ে  বলল, এই নে ,কোথাও তো লিখা নাই,১০০০ টাকার ভাংতি নাই,আমাকে তাইলে ভাংতি  করে দে। পিচ্চি দাঁত কেলিয়ে চুপ করে গেল।</p>
<p>কিছুক্ষন পর ওই ভদ্রলোক  আবার কয়  , আমাকে শ্যামলী নামিয়ে দিবি ব্যাটা। পিচ্চি পাইসে সুযোগ, সে  পুনরায় দাঁতের  দোকান দেখায়ে কেলাইতে কেলাইতে কয়, &#8221; আমি আফনারে কেমতে  নামামু? আমি তো আফনারে কোলেই উডাইনাই&#8221; !!!</p>
<p>এক বৃহস্পতিবার,  সন্ধ্যায় প্রচন্ড ভিড় বাসে। তাও জায়গায় জায়গায় বাস থামিয়ে লোক উঠাচ্ছে  হেল্পার। পাবলিক গালাগাল দিলেও এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে  দিচ্ছে। এক লোক বাসের হ্যান্ডেল ধরে ঝুলতে ঝুলতে বলে,এহ, হারামি বান্দরের  দল, সিটিং বাস তো না,ফিটিং বাস,কত বেশি লোক ফিটিং করা যায় বাসের  ভিতরে,নাকি? এই কথা শুনে পিচ্চি হেল্পার বলে, এহ, নিজে ঝুইলা আছে বান্দরের  লাহান,আর আমারে কয় বান্দর !</p>
<p>মোহাম্মদপুরের এক বাসে, এক লোক  ছেলেকে নিয়ে হন্তদন্ত করে উঠল, বাস ছেড়ে  দিচ্ছিল দেখে তাড়াহুড়ায় গেটের  মুখের সিটে বসা দশাসই এক মহিলার পায়ে ব্যথা  দিয়ে ফেলসে। সাথে সাথেই মহিলার  চিল চিৎকার, চোখের মাথা খাইসেন? আমার পা  দেখতে পারেন নাই? ( যদিও উবু না  হইলে উনার পা দেখা মোটামুটি অসাধ্য ব্যাপার) ।লোক টা মিনমিন করে  বলে,সরি,আসলে তাড়াহুড়া করে উঠতে গিয়ে  এইরকম হইসে,সরি। মহিলা কিসের কি!  সমানে ঝাড়তে লাগল। ঝাড়ির সারমর্ম হইল,উনার  পা দেখতে না পাওয়ার মানে লোকটা  আন্ধা আর না হয় পা মাড়াইছে ইচ্ছা করে !  লোকটা আর কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ  মহিলার পিছের সিটে বসে পড়ল ( বাধ্য হয়ে, আর  সিট খালি ছিলনা )</p>
<p>একটু  পর বাসে হকার উঠল।  &#8220;দাজ্জাল চিহ্নিত হয়েছে&#8221;  এই নামের একটা বই হাতে নিয়ে  হকার প্রাণপণ চেষ্টা করতেই থাকল পাবলিক কে  বিশ্বাস করানোর জন্য যে, এই বই  এর প্রতিটা অক্ষর সত্যি। লোকটার ছেলে হঠাৎ   বাপ কে জিজ্ঞেস করল,বাবা  &#8220;দজ্জাল&#8221; কি? লোকটা মনে হয় ছিল খুব রসিক, কি ভেবে  আঙ্গুল দিয়ে সামনের   সিটে বসা মহিলা কে দেখায়ে দিল ! পিচ্চি টা আর অতশত  বুঝে নাই, জোরে   জিজ্ঞেস করল, বাবা বাবা, এই আন্টিটা দাজ্জাল? এই কথা শুনে  বাসে যেন বোমা  ফাটল।পাবলিক মিছেমিছি কিছুক্ষন হাসি চাপার চেষ্টা করে একসময়  সংক্রামক  ব্যাধির মত হাসি ছড়িয়ে পড়ল । হাসি ছাপিয়ে শোনা গেল ওই মহিলার চিল চিৎকার, &#8221;  কি!! এত বড় কথা, নির্লজ্জ বেহায়া লোক&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8221;</p>
<p>&#8220;দাজ্জাল&#8221;  আসলেই আবির্ভূত হয়েছে কিনা  জানিনা, তবে &#8220;দজ্জাল&#8221; যে বহু আগে থেকেই কতগুলো  নিরীহ মানুষের জীবন তেজপাতা বানায়ে রাখসে তা বুঝতে বাসের আর কারো বাকি  থাকল না &#8230;&#8230;</p>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36807/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>46</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মুনিয়া</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36756</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36756#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 11 Jun 2012 16:18:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[কবিতা]]></category>
		<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36756</guid>
		<description><![CDATA[আমার একজোড়া মুনিয়া চাই কলাপাতা সবুজ আর নীল মেশানো ধুসর কিংবা আকাশী নীলের মাঝে সাদা ফুটকি, ওদের জন্য খুব শিগগির বানাব প্রাসাদ শিকের পরে শিক,লোহার ছোট্ট ফটক আংটায় লাগাবো ঝালর মখমলী লাল,নীল,বেগুনী। খেয়েদেয়ে ভরপেট শিকের ফাঁকে লম্বা ঠোঁট গলিয়ে মুনিয়া আমায় শোনাবে কিচিরমিচির, নরম পালকে হাত বুলিয়ে দিন ছুটবে তন্দ্রা ভেঙ্গে, বারেবারে চুম্বক টানে দেখব [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>আমার একজোড়া মুনিয়া চাই<br />
কলাপাতা সবুজ আর নীল মেশানো ধুসর<br />
কিংবা আকাশী নীলের মাঝে সাদা ফুটকি,<br />
ওদের জন্য খুব শিগগির বানাব প্রাসাদ<br />
শিকের পরে শিক,লোহার ছোট্ট ফটক<br />
আংটায় লাগাবো ঝালর মখমলী<br />
লাল,নীল,বেগুনী।</p>
<p>খেয়েদেয়ে ভরপেট<br />
শিকের ফাঁকে লম্বা ঠোঁট গলিয়ে<br />
মুনিয়া আমায় শোনাবে কিচিরমিচির,<br />
নরম পালকে হাত বুলিয়ে<br />
দিন ছুটবে তন্দ্রা ভেঙ্গে,<br />
বারেবারে চুম্বক টানে দেখব<br />
দুই মুনিয়ার ঘরসংসার,<br />
ঘাড়ের পালক ফুলিয়ে ঝগড়াঝাঁটি শেষে<br />
আবেশে বন্ধ চোখ অথবা খুনসুটি ।</p>
<p>বারান্দার গ্রীলে বসা একটা চড়ুই অথবা<br />
সামনের নিমগাছে পাকা নিমফল ঠোঁটে<br />
চেটেপুটে খাওয়া একটা শালিক দেখে<br />
মুনিয়া দুটোর সে কি আস্ফালন !</p>
<p>কখনো অস্থির ডানা ঝাপটানো দেখে<br />
হয়ত মনে হবে<br />
বড্ড দুষ্টু হয়েছে তো মুনিয়া দুটো!<br />
খাঁচার দরজায় অবিরত<br />
ঠক ঠক ঠোকর শুনে মনে হবে<br />
খিদে পেয়েছে বুঝি ওদের,<br />
দুমুঠো খুদ ছিটিয়ে অপেক্ষা<br />
ওদের শান্ত হবার,<br />
স্থির শান্ত চোখের আলোড়নে<br />
শেকল ছেঁড়ার উন্মাদনা<br />
দেখেও এড়িয়ে যাব !</p>
<p>এতোটুকুন একটা খাঁচার আবর্তে<br />
বন্দী মুনিয়ার ডানা ঝাপটানো দেখতে<br />
নাকি<br />
ঈশ্বরের সাথে পাল্লা দিয়ে<br />
দুটো মুনিয়ার মালিকানা পাবার</p>
<p>খয়েরী কাল বাদামী এ কি গভীর সুখ&#8230;কে জানে !!</p>
<p>&nbsp;</p>
<div id="attachment_36758" class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://static.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2012/06/576851_468280906534702_1658719810_n1.jpg"><img class="size-medium wp-image-36758" title="মুনিয়া " src="http://static.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2012/06/576851_468280906534702_1658719810_n1-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">মুনিয়া </p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36756/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>27</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>টীন এজার</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36645</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36645#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 03 Jun 2012 06:51:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ময়মনসিংহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36645</guid>
		<description><![CDATA[৩রা জুন, ১৯৯৯ থেকে ২০১২ , পাক্কা তের টা বছর ! । কলেজের এ্যালবাম খুলে নিজের ছবি দেখে সবার মনে একটা কথাই আসে, ইস ,আমরা কি পিচ্চি ছিলাম ! বিশ্বাস ই হতে চায়না কবে এত্ত বড় হয়ে গেলাম থুক্কু বুড়ী    হয়ে গেলাম । পিছন ফিরে তাকালে হুড়মুড় করে ছয়টা বছর চোখের সামনে এসে দাঁড়ায় [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>৩রা জুন, ১৯৯৯ থেকে ২০১২ , পাক্কা তের টা বছর ! । কলেজের এ্যালবাম খুলে  নিজের ছবি দেখে সবার মনে একটা কথাই আসে, ইস ,আমরা কি পিচ্চি ছিলাম !   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/71.gif' alt=';))' class='wp-smiley' />  বিশ্বাস ই হতে চায়না কবে এত্ত বড় হয়ে গেলাম থুক্কু বুড়ী   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' />   হয়ে গেলাম । পিছন  ফিরে তাকালে হুড়মুড় করে ছয়টা বছর চোখের সামনে এসে দাঁড়ায় ।</p>
<p>ক্লাস  সেভেনে প্রথমের দিকে , তখন মনে হয় আমরা দুনিয়ার সবচেয়ে আজিব চিড়িয়া ছিলাম  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/25.gif' alt='O:-)' class='wp-smiley' />    অবশ্য ক্লাস সেভেনটা এমনই, সব ব্যাচই তাই। তবে কিছুতেই বুঝতাম না আসলে ,  ক্লাস সেভেনের ফর্মে প্রেপ গার্ড আসলে নাক কুঁচকে ফেলে কেন  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/71.gif' alt=';))' class='wp-smiley' />  । তবে পাশ দিয়ে  সিনিয়র আপা গেলে যে দমকা (!) হাওয়া গায়ে লাগত,তার স্পর্শে হাত একবার মুখ আর  গলায় ঠেকিয়ে বিড়বিড় করে সরি বলাটা সাতদিনের টারম শেষেই  যেমন অভ্যাস হয়ে  গেসিল ,তেমনি আরও অনেক কিছুই। বকা খাওয়ার সময় কিভাবে এক কান দিয়ে কথা ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দেয়া যায়, টেবিল লিডার আর সিনিওরদের লুকিয়ে  কিভাবে জঘন্য ডালপুরি টেবিলের নিচে চালান দেয়া যায়, প্রেপ গার্ড কে লুকিয়ে  না ঢুলে ঘুমানো যায়, এরকম আরও অনেক কিছু।  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/21.gif' alt=':))' class='wp-smiley' /> </p>
<p>তবে ক্লাস সেভেনে  ঝগড়ার বিষয় বস্তু ছিল সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/24.gif' alt='=))' class='wp-smiley' />    ! একদিন ফল ইনে দাঁড়িয়ে তাবা আর  কলি কোমর বেধে ঝগড়ায় নামছে । তাবা বলে, তুমি আমার কাছ থেকে সেফটিপিন নিয়ে  আর দাওনি কেন? কলি বলে, তুমিও তো আমার কাছে সেদিন দুইটা কাল ক্লীপ  নিছিলা,দিছ   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/lotpot.gif' alt=':khekz:' class='wp-smiley' /> ? ফর্মে একদিন দেখি দুই ক্লাসমেটের মুখ হাড়ি । পরে জানা গেল, একজন আরেকজনের ক্যামেল কালারের সবুজ রঙ টা প্রায় (!) ফুরায়ে ফেলসে !</p>
<p>সেভেনের  সেকেন্ড  টার্মে একদিন দেখি আমার পাশে বসে ফারানা খুব মনোযোগ দিয়ে কি যেন  লিখছে। প্রেপে সাধারণত ঘুম ছাড়া অন্য ব্যাপারে ওর মনোযোগের বড়ই অভাব ছিল  দেখে আমি বড়ই কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কি করিস? তারপর ও একটা ডায়েরী এনে  আমার হাতে দিয়ে কয়, গ্রেডিং করি। পড়ে খেয়াল করে দেখি ছাপ্পান্ন টা  ক্লাসমেটের নাম লেখা। সবার নামের শেষে ২, ৩, ৪, ৫ টা করে স্টার।  ম্যাক্সিমাম ৫ টা স্টার। এক ক্লাসমেটের নামের পাশে একটা স্টার দখে জিজ্ঞেস  করলাম, ও কি করসে? তখন ফারানা কয়, ও হিংসুইট্টা। আমাকে ফলিনে সেদিন ধাক্কা  দিসে, আমি আগে গেসিলাম তাও আমাকে ধাক্কা দিয়ে ও দাঁড়াইছে । এই ফাঁকে আমি  আবার আড়চোখে দেখে নিলাম আমার নামের পাশে কয়টা স্টার । দেখি ও আমারে ভালা  পায় ,আমার বত্রিশ দন্ত বিকশিত হয়ে গেল   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/4.gif' alt=':D' class='wp-smiley' />  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/4.gif' alt=':D' class='wp-smiley' /> </p>
<p>আরেকটা কাহিনী  না বললেই না। দুপুরে এক ক্লাসমেট ডিসেকশন ট্রে তে আটকান ব্যাঙের মত হাত পা  ছড়ায়ে শান্তিমত ঘুমানোর জন্য বালিশে মাথা দিছে। জানালা দিয়ে তাকায়ে দেখি ড্রইং এর এক ম্যাডাম ব্লকে রাউন্ড দিচ্ছেন, জানালার সামনে এসে ম্যাডাম বললেন ,  “&#8212;“ কাঁটা কম্পাসের মত শুয়ে আছ কেন? এতোটুকু সৌন্দর্য জ্ঞান নাই !  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/19.gif' alt=':grr:' class='wp-smiley' /> </p>
<p>প্রিন্সিপ্যাল  ইন্সপেকশনে একবার জানালা পরিস্কার করতে বেমালুম ভুলে গেসিল এক ক্লাসমেট ।  এডজুট্যান্ট স্যার জানালা দেখায়ে বল্লেন,এ কি অবস্থা ! কি বলবে থতমত খেয়ে  ক্লাসমেট টা বলল ,স্যার টিস্যু দিয়ে পরিস্কার করসি ত ! তাই টিস্যুর গুঁড়া  লেগে আছে   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/10.gif' alt=':P' class='wp-smiley' /> </p>
<p>ক্লাস টুয়েলভের ব্লকে কাউন্ট করতে গেলে আপারা  গান গাইতে বলত। তাও স্পেশাল গান “নাতি খাতি বেলা গেল শুতি পাল্লাম না “ ,  “দরজা খুইলা দেখুম যারে করুম তারে বিয়া “ । প্রথম যেদিন গেসি, আপারা গান  গাইতে বললেন। আমার মাথায় তো আকাশ ভেঙ্গে পড়ার অবস্থা। গানের সুর কেন যেন  আমারে মোটেই ভাল পায়না, দু লাইন গাইতে গেলেই চিকন সুরে চি চি টাইপ আওয়াজ  বের হয়।  তো আমি গাওয়া যখন শেষ করলাম,তখন দেখি আপারা আমার গান শুনে হাসতেও   ভুলে গেসে। কিছুক্ষন সবাই সবার মুখের দিকে তাকিয়ে তারপর একসাথে সবার দম  ফাটানো সে কি হাসি   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/lotpot.gif' alt=':khekz:' class='wp-smiley' /> ! অবশ্য এই কারণে পরে আর গান গাইতে বলেনি কেউ   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/4.gif' alt=':D' class='wp-smiley' />  ।</p>
<p>ক্লাসমেটদের  এত্ত এত্ত কাহিনী লিখে শেষ হবেনা। সেভেন এইট পার করে কবে যে টুয়েলভ পার  করে ফেললাম ,বুঝতেই পারলাম না । বের হওয়ার পর ও কেমনে কেমনে সাত বছর চলে  গেল! এখনো ভীষণ মিস করি সব্বাইকে। তবে ক্যাডেটীয় অভ্যাস একটাও মনে হয় পিছু  ছাড়েনি। আলসেমি,ফাঁকিবাজি,চিল্লাপাল্লা, শয়তানি বুদ্ধি কোনটারই অভাব হয়না ।  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/awesome.gif' alt=':awesome:' class='wp-smiley' /> </p>
<p>তান্টুর  বিয়েতে আমরা যখন সবাই একসাথে হাও কাও করতে ব্যস্ত , একজন আমাদের জিজ্ঞেস  করলেন আমরা তান্তুর ক্যাডেট ফ্রেন্ড কিনা।আমরা বললাম ,হ্যাঁ । উনি এমন একটা  হাসি দিলেন যার অর্থ, এই বান্দর প্রজাতির কয়েকজন একসাথে থাকলেই বুঝা যায় !  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/24.gif' alt='=))' class='wp-smiley' /> </p>
<p>এখন  আসলেই আমরা বড় হয়ে গেসি, বলতে গেলে অর্ধেকের বেশি  ক্লাসমেটদের বিয়ে হয়ে  গেছে।আমাদের গল্পে স্টাফ লাউঞ্জ, এডজুট্যান্টের গুষ্টি উদ্ধার, ক্লাস বাং  মেরে এম আই রুমে ঘুমানোর গল্প, চুরি করা আম, কাঠাল খাওয়ার দাওয়াত ,  আরেকজনের খাবারের ব্যাগে হামলা চালানোর প্ল্যান এইসব বাদ দিয়ে জায়গা পাইসে  সংসারের সাতকাহন, চাকরির পেরেশানী ইত্যাদি ইত্যাদি! নাহ, বয়স হয়েছে !  ব্যাচের প্রথম ভাগ্নী নুহা হওয়ার পর স্যাম মেসেজ দিসিল সবাইকে, ক্লাসমেট  &#8220;আমাদের&#8221; মেয়ে হয়েছে  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/17.gif' alt=':-?' class='wp-smiley' />  ! ইভু বেচারি &#8216;মা&#8217; টা কে একটুও ক্রেডিট  দিল না !  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/20.gif' alt=':((' class='wp-smiley' /> </p>
<p>এখনো  কোন কাজ করতে হুট  করে মাথার কোন অংশে টুং  করে একটা ঘন্টা  বেজে ওঠে মাঝে  সাঝে।ক্যাডেট  শব্দ টা শুনলেই আপন আপন লাগে। কলেজ থেকে বের হওয়ার পর টানা  ৩-৪ বছর কলেজ স্বপ্ন দেখতাম। সকাল ঘুম ভেঙ্গে গেলেই এক ধরনের শুন্যতা কাজ  করত। সারাদিন শুধু মনে হত, ইস আরেকটা ক্যাডেট জন্ম যদি পেতাম। আবার বিষ্টি সায়মার  &#8220;আকাশে বাতাসে চল সাথী &#8221; ডুয়েট, আবার রোয়াজার বোতল নাচ,ফাইনাল  স্পোর্টসের অন ইয়োর মার্ক, হাসপাতালের  গ্রীল ধরে ক্লাসমেটদের ভেংচি কাটা   , কাঁচা কাঠাল চুরি করে লবন ঢুকিয়ে কাঁঠাল পাকার অপেক্ষায় থাকা। মোবাইল টা  হাতে নিয়ে রাতবিরেতে কাছের ফ্রেন্ডদের ঘুম ভাঙ্গাই হয়ত এখন , কিন্তু  বক্সরুমের জানালা দিয়ে আসা চাঁদের  আলোয় একটা রাত গল্প করে পার করে দেয়া হয়না  , ঝুম বৃষ্টিতে শর্ট ওয়ে দিয়ে না এসে কার্পেট ঘাসের উপর দিয়ে থপ থপ  করে  পানি ছিটিয়ে ভেজা হয়না ।অনেক অনেক অনেক কিছুই হয়না &#8230;  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/2.gif' alt=':(' class='wp-smiley' />  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/2.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> </p>
<p>বার  বছর শেষ করে ক্যাডেট লাইফের তের বছর ! টীনএজার হয়ে গেছি ক্লাসমেটস !   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/8.gif' alt=':x' class='wp-smiley' />  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/8.gif' alt=':x' class='wp-smiley' />   চল  ক্লাস সেভেনের ট্যালেন্ট শো এর মত আবার কোরাস গাই , উই শ্যাল ওভার কাম  &#8230;&#8230;  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/guitar.gif' alt=':guitar:' class='wp-smiley' />  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/guitar.gif' alt=':guitar:' class='wp-smiley' /> </p>
<p>ও হ্যাঁ, হ্যাপি বার্থ ডে ক্লাসমেটস  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/4.gif' alt=':D' class='wp-smiley' />  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/8.gif' alt=':x' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36645/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>37</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেইলি প্যাসেঞ্জার- পর্ব ২</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36505</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36505#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 21 May 2012 19:19:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[রম্য রচনা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36505</guid>
		<description><![CDATA[শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে হইতে ন্যাদা সাইজের দুই পিচ্চি, তাহাদের মাতা সহ বিশাল গুম্ফ বিশিষ্ট এক ভদ্রলোক তড়িঘড়ি করিয়া বাসে উঠিলেন। বলাই বাহুল্য, উনিই বিচ্ছু ( সম্ভবত জমজ) শিশুদ্বয়ের পিতা। ভদ্রলোক যতই গাম্ভীর্য বজায় রাখার চেষ্টা করিতেছিলেন , শিশুদ্বয় তাহার ঢোলকের ন্যায় ভুঁড়িতে সুড়সুড়ি আর গুম্ফ ধরিয়া টানাটানিতে তাহাকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া তুলিতেছিল।  তাহাদের মাতা বার [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে হইতে ন্যাদা সাইজের দুই পিচ্চি, তাহাদের  মাতা সহ বিশাল গুম্ফ বিশিষ্ট এক ভদ্রলোক তড়িঘড়ি করিয়া বাসে উঠিলেন। বলাই  বাহুল্য, উনিই বিচ্ছু ( সম্ভবত জমজ) শিশুদ্বয়ের পিতা। ভদ্রলোক যতই  গাম্ভীর্য বজায় রাখার চেষ্টা করিতেছিলেন , শিশুদ্বয় তাহার ঢোলকের ন্যায়  ভুঁড়িতে সুড়সুড়ি আর গুম্ফ ধরিয়া টানাটানিতে তাহাকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া  তুলিতেছিল।  তাহাদের মাতা বার দুয়েক বালকগণ কে মৃদু তিরস্কার করিয়াছিলেন বটে  কিন্তু শিশুগণ বড়ই বেহায়া।  হঠাত পিতার মুঠোফোনে একটা কল আসিল। কথোপকথন  বিস্তারিত কহিতে পারিব না,তবে সারমর্ম এই যে কোন আত্মীয় হয়ত বা তাহাদের  বাড়িতে আসতে চাহিয়াছিলেন, অনিবার্য কারনবশত লোকটি হয়ত তাহা চান নাই দেখিয়া  মিথ্যা করিয়া বলিয়াছিলেন, ছেলেদের নিয়া শিশু পার্কে বেড়াইতে যাইতেছি,  ফিরিতে রাত্রি হইবে। একটি  শিশু অমনি পাশে থেকে চিৎকার করিয়া বলিয়া উঠিল,   বাবা তখন যে বলিলে বাড়ি যাইতেছি।মিথ্যা বলিতেছ কেন?  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/13.gif' alt=':-o' class='wp-smiley' />   আরেকটি শিশু বলিল, আমরা  কি এখন তবে আবার শিশু পার্কে যাইব?  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/rofl.gif' alt=':goragori:' class='wp-smiley' />   তাহাদের মাতা তৎক্ষণাৎ তাহাদিগের ইশারা  করিলেন চুপ করিতে,  কিন্ত ততক্ষনে পিতা বেচারি ঘটনার আকস্মিকতায়  তোতলাইতেছেন আর বলিতেছেন, ননাআ, মানে,ইয়ে আরকি,হয়েছে কি আসলে ,   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/th_wallbash.gif' alt=':bash:' class='wp-smiley' /> বাসে ও  ততক্ষনে হাসির রোল পড়িয়াছে !</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এই ঘটনা অবলোকন করিয়া আমি যখন  হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিয়াছিলাম,বিধাতাও বুঝি তখন মুচকি হাসি দিয়াছিলেন ।  দিন দুয়েক পরে দুপুরবেলায় অফিস ফাঁকি মারিবার মনোবাসনায় গুলশান হইতে  মতিঝিলের পথ না ধরিয়া মিরপুরের পথ ধরিলাম।  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/rofl.gif' alt=':goragori:' class='wp-smiley' />  কি একটা কাজে আমার স্যার কল দিয়া  জিজ্ঞাসিলেন, কোথায় আপনি? আমি নির্বিকার মুখে মিথ্যা বলিলাম, স্যার এখনও  গুলশান পৌছাইতে পারিনাই, কি যেএএএএএ জ্যাম না স্যার !!!   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/71.gif' alt=';))' class='wp-smiley' />  আর হতভাগা বাস  কন্ডাকটর তক্ষুনি বাস চাপড়াইয়া হাঁকাইয়া উঠিল, ওই শ্যামলী ,শ্যামলী, যারা  নামবেন  গেটে আসেন । <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/bash.gif' alt=':chup:' class='wp-smiley' />  আমার ততক্ষনে কর্ণ দিয়া ধোয়া বাহির হইতেছে  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/14.gif' alt='x-(' class='wp-smiley' />   ।  স্যার  চিবিয়ে চিবিয়ে বলিলেন,কাল অফিসে আসুন,কথা আছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমি এবং আমার  ছোট বোন খোশগল্প করিতে করিতে বাসে যাইতেছিলাম। কিছুদূর যাইবার পর খেয়াল  করিলাম, গরম বেশি লাগিতেছে, কারণ অনুসন্ধান করিয়া বের করিলাম, সামনের সিটের  যাত্রী জানালাটা পুরাই ঠেলিয়া পিছনের দিকে বন্ধ করিয়া তাহার পার্শ্ব  উন্মুক্ত করিয়া হাওয়া খাইতেছে হা করিয়া। আমরা জানলাটা মাঝামাঝি রাখার  বারকয়েক চেষ্টা করিতেই সেই ব্যক্তি নাক ফুলাইয়া ঝগড়া করিতে থাকিল  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' />   আমরা ভদ্র বালিকার ইমেজ বজায় রাখিতে  এক্কেবারে স্পিকটি নট হইয়া রাগে গরগর করিতে লাগিলাম।এর মাঝে দেখি আমার বোন  ব্যাগ হইতে একখানি মার্কার বাহির করিয়া ছোট নোটবুকের পেজে কিসব হাজিবাজি  লিখিতে লাগিল। লেখা শেষ হইলে তাহা একের লেজে এক স্ট্যাপলার পিনের সাহায্যে  জোড়া লাগাইয়া বিশালাকার লেজ  বানাইল। সামনের ঝগড়ুটে লোকটির  ঢুলুনির সুযোগে শার্টের পিছনে কলারের  ঝুলন্ত অংশে সেফটিপিন দিয়া সাবধানে আটকাইয়া দিল। পরের স্টপেজে যখন লোকটি  নামিল, বাসের অন্যান্য যাত্রীরা অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করিল, লোকটার পিছে  মার্কার দিয়ে লেখা -</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&#8221; হাট্টিমাটিম টিম আমি বাসে পাড়ি ডিম</p>
<p>এতক্ষন দিলাম তা, ফুটবে এবার ছা &#8221;  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/awesome.gif' alt=':awesome:' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36505/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>31</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেইলি প্যাসেঞ্জার -পর্ব ১</title>
		<link>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36474</link>
		<comments>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36474#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 15:37:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুষমা (১৯৯৯-২০০৫)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=36474</guid>
		<description><![CDATA[ঢাকা শহরের সব রুটের বাসে চলাফেরার দুর্লভ অভিজ্ঞতা অর্জন করসি গত কয়েক মাসে    । আবুল নামক কোম্পানির আবুলীয় কর্মকাণ্ডে অগত্যা এই সময়ে অসময়ে বাসযাত্রা। আমি সবসময় ই একটু নিরাপদ দূরত্বে থেকে ক্যাচালের মজাক নেই    । যাই হোক ,এই বাস যাত্রার সুবাদে অনেকসময় অনেক কাহিনী ঘটে যা শেয়ার না করে  পারলাম না। কয়েকদিন আগে [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা শহরের সব রুটের বাসে চলাফেরার দুর্লভ অভিজ্ঞতা অর্জন করসি গত কয়েক মাসে  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/102.gif' alt='~x(' class='wp-smiley' />   । আবুল নামক কোম্পানির আবুলীয় কর্মকাণ্ডে অগত্যা এই সময়ে অসময়ে বাসযাত্রা। আমি সবসময় ই একটু নিরাপদ দূরত্বে থেকে ক্যাচালের মজাক নেই   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/71.gif' alt=';))' class='wp-smiley' />   । যাই হোক ,এই বাস যাত্রার সুবাদে অনেকসময় অনেক কাহিনী ঘটে যা শেয়ার না করে  পারলাম না।</p>
<p>কয়েকদিন আগে উত্তরা থেকে মতিঝিলের বি আর টিসির বাসে উঠসি। আমার সামনের সিটে একজোড়া কপোত কপোতী। তো সারারাস্তা তাদের ঢং দেখে হাত নিশপিশ করতেসিল আর মনে হচ্ছিল দেই দুইটারে একটা করে থাবড়া  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/14.gif' alt='x-(' class='wp-smiley' />   ! বাসটারে দুইটা মনে হয় চন্দ্রিমা উদ্যান ভাবতেসে ! কিছুদুর যাওয়ার পর দেখি ওই দুইটার ফিসফিসানির আওয়াজ বাড়ছে কিন্তু হিব্রু ভাষায় রুপান্তরিত হইসে কথাবার্তা, মনে মনে ভাবলাম, পাগল ছাগলদের কাজকর্ম ইগনোর করি, ঠিক তখন শুনি, পোলাটা মাইয়াটারে কয়, ইটেই জিটানু, তিটুমি কিটাল যিটে বিটলিছিলে, ইটামার জিটন্য সিটারপ্রাইজ ইটাছে   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' />   <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' />  ( এই জানু, তুমি কাল যে বলেছিলে, আমার জন্য সারপ্রাইজ আছে ? কিটই ( কি )? মাইয়া কয়, ইটেই যিটে নিটাও সিটারপ্রাইজ, ইটেকটা চিটুম্মা ( এই যে নাও সারপ্রাইজ, একটা ****)  !!!</p>
<p>আমার ততক্ষনে চোখ বড় বড় হয়ে গেসে, অনেক চেষ্টা করসিলাম ওদের কথা না শুনতে, কিন্তু কলেজের আমাদের প্রিয় কোড ল্যাঙ্গুয়েজ ডিকোড করার লোভ ও সামলাইতে পারলতেসিলাম না। ওইদিকে তো ওই দুই কপোত কপোতী মনে করছে তাদের ভাষা আর কেও বুঝতেছেনা আর মনের সুখে তারা অকথা কু কথা বলেই যাচ্ছে । সেদিন আবার হেডফোনটাও ব্যাগে ছিলনা যে গান শুনব । নেমে যাওয়ার আগে মাথায় একটা ব্রিলিয়ান্ট আইডিয়া আসল। আমি ওদেরকে বললাম, ‘ ইটামি নিটামব, ইটেকটু সিটাইড দিটেন ( আমি নামব, একটু সাইড দেন) । এই কথা শুনে ওরা দুইজন ভুত দেখার মত চমকে উঠল। আমি খুব সুইট করে একটা হাসি দিয়ে নেমে গেলাম । <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/lotpot.gif' alt=':khekz:' class='wp-smiley' /> </p>
<p>এরপর একদিন রুট আজিমপুর টু মিরপুর।বাসের সামনের যে কয়েকটা সিট, ওইগুলা সাধারণত মহিলা সিট । তো নিউ মার্কেট পর্যন্ত ১টা মহিলা সিট ফাঁকাই ছিল। এরপর কলাবাগান থেকে একজন বয়স্ক মহিলা উঠলেন। লেডিস সিটে যে লোকটা বসা ছিল, তাকে তখন বাসের কন্ডাক্টর বলল সিট ছেড়ে দিতে। লোকটা শুনেও না শুনার ভান করে বসে থাকল। তখন বাসের অন্যান্য যাত্রীরাও অনুরোধ করল। বেক্কল লোকটা তাও একচুল নড়ল না। শেষমেশ বৃদ্ধা বলল, এই সিট গুলা তো মহিলা, শিশু আর প্রতিবন্ধীদের। আপনি তো শিশু ও না,মহিলা ও না। মহিলার মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে লোকটা বলল, “ আমি প্রতিবন্ধী” । আশপাশের সবাই অবাক হয়ে বলল, কই ?!! এই কথা শুনে লোকটা আবার জানালা দিয়ে উদাস নয়নে তাকায়ে থাকল। তখন ওই বৃদ্ধা মুখ বেঁকায়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল , অ বুঝসি, মানসিক প্রতিবন্ধী !!  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/no.gif' alt=':no:' class='wp-smiley' /> </p>
<p>যাত্রাবাড়ী রুটের বাসে একদিন হেল্পার টা খুব পিচ্চি। ভাড়া চাইতে আসলে সবাই তারে পিচ্চি বলে ডাকতেছে, ওই পিচ্চির মনে হয় প্রেস্টিজে লাগসিল ব্যাপারটা। সে তক্কে তক্কে ছিল কখন সে এর বদলা নেবে। এক লোক (পেল্লাই সাইজ এর ) ভাংতি টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে জোরে পিচ্চিকে ডাক দিয়ে কয়, ওই ছ্যামড়া, ঈদিক আয় দিকিনি, ট্যাকা দে। পিচ্চি ও দাঁত মুখ খিচিয়ে বলে, আইতাছি দামড়া , খাড়ান !!  <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/wink.gif' alt=';;;' class='wp-smiley' /> </p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/sushom/36474/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>65</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Page Caching using disk: enhanced
Object Caching 1262/1355 objects using disk: basic
Content Delivery Network via static.cadetcollegeblog.com

 Served from: www.cadetcollegeblog.com @ 2013-05-23 08:45:52 by W3 Total Cache -->