<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?> <rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" ><channel><title>ক্যাডেট কলেজ ব্লগ &#187; তাইফুর (৯২-৯৮)</title> <atom:link href="http://www.cadetcollegeblog.com/author/taifur1644/feed" rel="self" type="application/rss+xml" /><link>http://www.cadetcollegeblog.com</link> <description></description> <lastBuildDate>Thu, 29 Jul 2010 21:09:14 +0000</lastBuildDate> <language>en</language> <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod> <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency> <item><title>স্মৃতির ডাটাবেইজ</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/26671</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/26671#comments</comments> <pubDate>Mon, 26 Jul 2010 09:02:39 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category> <category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26671</guid> <description><![CDATA[আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি &#8230; বাসা বদল হচ্ছে, শিলা আপাদের বাসার সামনে একটা রিক্সা থামল, রিক্সা থেকে নামার সময় দুধ ভর্তি জগ উপুড় হয়ে পড়ে গেল, ছলকে পড়া দুধ গড়াচ্ছে &#8230; হ্যালো বাজান মাও মাও, ক্যামন আছ ভাল আছি বাবা আচ্ছা মা, আমরা শিলাপা’দের বাসায় আসলাম কত সালে ?? তাতো মনে নাই বাবা &#8230; [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি &#8230;</p><p>বাসা বদল হচ্ছে, শিলা আপাদের বাসার সামনে একটা রিক্সা থামল, রিক্সা থেকে নামার সময় দুধ ভর্তি জগ উপুড় হয়ে পড়ে গেল, ছলকে পড়া দুধ গড়াচ্ছে &#8230;</p><p>হ্যালো বাজান<br /> মাও মাও, ক্যামন আছ<br /> ভাল আছি বাবা<br /> আচ্ছা মা, আমরা শিলাপা’দের বাসায় আসলাম কত সালে ??<br /> তাতো মনে নাই বাবা &#8230; জিয়াউর রহমান মারা গেল, তার পর পর। তোর মিঞ্জু মামা পালায়ে গেল। বাসাটা মিঞ্জুই ঠিক করে দিছিল। আহারে বাসা বদলের সময়টায় মিঞ্জুর কোন সাহায্যই পাওয়া গেল না।<br /> আচ্ছা তুমি ফোন রাখ, পরে ফোন দিচ্ছি।</p><p>গূগ্লিং &#8230; জিয়াউর রহমান &#8230; উইকি &#8230; ১৯৮১। ৭৯, ৮০, ৮১ &#8230; ধুর &#8230; দুই বছর বয়সের স্মৃতি ক্যাম্নে মনে থাকে &#8230;</p><p>কিরে বাজান<br /> মাও মাও, শিলাপা’দের বাসায় প্রথম আসার দিন কি দুধের জগ গড়ায় পড়ছিল<br /> তোর আবার কি হইল ?? মন খারাপ ?? আমাদের নিয়া দুঃশ্চিন্তা ??<br /> যা জিজ্ঞেস করলাম সেইটা বল<br /> রিক্সায় তোর নিলু খালা ছিল, নিলুটা যেন ক্যামন, এত কইরা বইলা দিলাম &#8230; কিন্তু এই ঘটনা তোর মনে আছে &#8230; ক্যাম্নে<br /> শিলাপা’দের বাসায় আসার আগে আমরা কোন বাসায় ছিলাম<br /> মির্জা গ্যারেজ, শাজাহান সাব’দের বাসা, তোর জন্মও তো ঐ বাসাতেই।<br /> লাল রঙের বড় গেইট ছিল কোন ?? গেইট দিয়ে ঢুকতেই মাঠ, মাঠের কোণায় ইট-সুরকি’র স্তুপ ??<br /> হ্যা &#8230; ছিল &#8230; তোর এইগুলাও মনে আছে ??<br /> ইট-সুরকি’র স্তুপ থেকে পড়ে গিয়ে আমার পায়ের কোন আংগুলের নখ উপড়াই ছিল কি কখনো ?? গলগল করে রক্ত ??<br /> তুই যেই দুষ্ট ছিলি। কনা, লীনা, শশী কত মাইর খাইছে তোরে ঠিক মত দেইখা না রাখার কারণে। বিল্ডিং বানানোর জন্য ইট আইনা রাখা ছিল, তুই ইটের উপর থেকে পড়ে গেলি। ডান পায়ের বুড়া আংগুলের নখ উল্টাই গেল। খুব রক্ত পড়তেছিল। শাজাহান সাবের বড় ছেলে, কি নাম যেন, তোরে খুব আদর করত। তাড়াতাড়ি তোরে নিয়া গিয়া ব্যান্ডেজ করায়া নিয়া আসল।<br /> আচ্ছা মা ভাল থাইক, পরে ফোন দিবনে<br /> তোর কি হইছে বাজান</p><p>ঘাপলা আছে নাকি কোন ?? ৮১’র আগের ঘটনাও দেখি ডাটাবেইজ-এ আছে। তাহলে যে মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে অন্ধকার দেখি &#8230; মাতৃগর্ভের নিশ্ছিদ্র অন্ধকার &#8230; খুব পরিচিত মনে হয় &#8230; মাতৃগর্ভের কোন স্মৃতি ??</p><p>আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি &#8230;</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/26671/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>70</slash:comments> </item> <item><title>পাতালে গিয়ে হাস ধরার গপ্পো</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/23015</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/23015#comments</comments> <pubDate>Sun, 04 Apr 2010 18:58:08 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=23015</guid> <description><![CDATA[গত ১৯ মার্চ শুক্রবার, কলেজের পোলাপাইনের সাথে ব্যাপক গুল্গুল-কিল্কিল করে রাতে বাসায় ফেরার পর থেকেই হাল্কা হাল্কা পেট ব্যাথা শুরু। শরমে বউ’রে কিছু বললাম না, বদ-হজম জাতীয় ব্যাপারে টিপ্পনী শুনতে কার ভাল লাগে। সারারাত বেশ ভালই কষ্ট হল, রাতে ঘুম একদমই হচ্ছিল না। বউয়ের কাছে ব্যাপারটা আর লুকানো গেল না। এমনিতে গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা থাকার [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>গত ১৯ মার্চ শুক্রবার, কলেজের পোলাপাইনের সাথে ব্যাপক গুল্গুল-কিল্কিল করে রাতে বাসায় ফেরার পর থেকেই হাল্কা হাল্কা পেট ব্যাথা শুরু। শরমে বউ’রে কিছু বললাম না, বদ-হজম জাতীয় ব্যাপারে টিপ্পনী শুনতে কার ভাল লাগে। সারারাত বেশ ভালই কষ্ট হল, রাতে ঘুম একদমই হচ্ছিল না। বউয়ের কাছে ব্যাপারটা আর লুকানো গেল না। এমনিতে গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা থাকার দরুন বউ আমারে “গিয়াসের বাপ” ডাকে … সে রাতে আমার একটু সিরিয়াস অবস্থা দেখে খুব একটা রসিকতা না করে সেবা করাই মনঃস্থির করল।</p><p>শনিবার সকালেও অবস্থা যেই কি সেই। এর মধ্যে সেকলো গিল্লাম, লিকুইড এন্টাসিড গিল্লাম, পেট ব্যাথা আর কমে না। আমার বিল্ডিংএর ৫তলায় মঞ্জুর (মকক ৯২-৯৮) থাকে। মঞ্জুর, মঞ্জুরের বউ আর আমার বউ মিলে খুব চেষ্টা করল আমাকে সিএমএইচ’এ নিয়ে যাবার, কিন্তু বাচ্চা পোলাপাইনের মত পেটের ব্যাথা নিয়ে হাসপাতাল পর্যন্ত গিয়ে &#8220;কামান দাগার&#8221; কোন ইচ্ছাই আমার ছিল না।</p><p>অবশেষে আমার বউ মির্জাপুর ৩০ তম ব্যাচের সবার ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান মাশরুর (মকক ৯২-৯৮, বাবা শুলভ যত্নবান আচরণের জন্য যার নিকনেম হচ্ছে “আব্বা”) কে ফোন দিল। রাতের খাবারের পর মাশরুর এসে পেট টিপাটিপি করে বলল, দোস্ত চল, তোর এপেন্ডিসাইটিস হইছে … মাশরুর এর কথা আমার কাছে বেদবাক্য স্বরুপ, তাই আর দেরী করলাম না।</p><p>রাতেই ভর্তি হলাম আর কর্তব্যরত সার্জন এসে বলে গেলেন কাল সকাল ১০০০ টায় অপারেশান। মাশরুর, মঞ্জুর, মঞ্জুরের বউ আর আমার বউ হাসি দিয়া টাটা দিয়া চলে গেল।</p><p>ঘুমের অসুধের কল্যাণে রাতের ঘুমটা ভালই হল। সকালে ঘুম ভাংতেই বউ কে মাথার পাশে দেখে খুব আশ্বস্ত বোধ করলাম। মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট এসে ওটি’র ড্রেস আর একটা ওয়ান টাইম রেজর দিয়ে গেল। রসিকতা করে বললাম “পরিস্কার আছে, লাগবে না … নাকি ডক্টর থোতার ফ্রেঞ্চ কাট ফেলে দিতে বলছে ??” “পরিস্কার থাকলেও এক ঘষা দিয়া নেন স্যার” বলে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট চলে গেল, আর আমি এক ঘষা দিতে বাথরুম … ফিরে আসার পর কাগজ সাইন করলাম “এনেস্থেসিয়া’তে আমি রাজী” টাইপ কিছু একটা … পড়ে দেখি নাই।</p><p>পৌনে দশটার দিকে ডাক পরলে নিজে নিজে হেটে ওটিতে ঢুকলাম। ভেতরে তিনটা বেঞ্চি পাতা, এরই একটাতে শুয়ে যেতে বলা হল। বুঝলাম যুদ্ধক্ষেত্রে’র জন্য সর্বদা প্রস্তুতির জন্যই হয়ত এটা ফিল্ড কন্ডিশান টাইপ ওটি। শুয়ে পরার পর বেঞ্চির দুপাশে দুটা আড়াআড়ি কাঠ লাগানো হল, অনেকটা যিশু’র ক্রুশ এর মত। আমার হাতদুটো ছড়িয়ে দেয়া হল তাতে।</p><p>ডান হাতের দিকে তাকিয়ে আছি, হঠাৎ “পাইছি পাইছি, ধর ধর, দে দে” শুনে বাম হাতের দিকে তাকিয়ে দেখি দুই মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট আমার হাতে ক্যানিউলা লাগাচ্ছে। ক্যানিউলা লাগানোর মত ভেইন খুজে পেয়ে “পাইছি পাইছি”, চাপ দিয়ে ফুলানোর জন্য “ধর ধর” আর ক্যানিউলা ঢুকানোর আহবান হচ্ছে “দে দে”। “এইটাতে হবে না” বলেই ঘ্যাচাং করে লাগানো ক্যানিউলা খুলে ফেলে আরেকবার “পাইছি পাইছি, ধর ধর, দে দে” … “নাহ এইটাতেও হবে না” … আমি যখন ৩য়বার “পাইছি পাইছি” শোনার অপেক্ষায়, তখন ওটিতে প্রবেশ করলেন এনেস্থেটিস্ট কর্নেল … হাল্কা হেসে তিনি দুই মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কে থামিয়ে আমার ডান হাতে ক্যানিউলা পরালেন। বুঝলাম ওরা এপ্রেন্টিস … এখনো শিখছে।</p><p>পা দুটো লম্বা করে আমাকে বসিয়ে দিলেন স্যার। পরম মমতায় ‘পিপড়ের কামড়’ দিলেন নীচ থেকে ৫ নম্বর কশেরুকায় … শরীরের নীচের অংশ অবশ হয়ে যাবে, যাচ্ছে … আমার বুকের উপর আড়াআড়ি পর্দা টানিয়ে দেয়া হল। “এইখানে কাটবে … না দেখিস এইখানে কাটবে” শুনে যখন আরেকবার ক্যানিউলার ঘটনা মনে পরল (অপারেশান এর পরে আমার বউ আমার সেলাইয়ের আশেপাশে দুইটা কলমের দাগ আবিস্কার করে) ঠিক তখনি ওটিতে প্রবেশ করলেন আমার অপারেটিং সার্জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল … হাসিমুখে ওদের সরিয়ে দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। আমি আশ্বস্ত হলাম।</p><p>“তাইফুর, তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছি …” শোনার সাথে সাথেই মনে হয় আমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম।</p><p>এরপর যেখান থেকে আমার মনে আছে তা হল, আমাকে চাকা লাগানো বেডে করে ওই দুইজন মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোথায় যেন নিয়ে যাচ্ছে। আমি চোখ মেলতেই একজন আমাকে প্রশ্ন করল “স্যার আপনি র‌্যাবে কত তে ?? আপনার ফোন নাম্বারটা একটু দেন” খুব খুশী মনেই ফোন নাম্বার দিলাম আর আশ্বস্ত করলাম তার কাজ টা আমি করে দেবার যথেষ্ট চেষ্টা করব বলে। নিজের নাম্বার ঠিক ঠিক বলে বুঝতে পারলাম আমার সেন্স, সেন্সের মতই ফিরেছে। মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট এর কাছে মোবাইলটা ধার চাইলাম … বউ’কে ফোন দিলাম … “ও বউ … আস … কাজ শেষ”</p><p>পোস্ট অপারেটিভে আমাকে শুইয়ে দেবার পর নিজের শরীরের নীচের অংশে হাত দিয়ে, “বিকেল বেলা বাজারে গিয়ে সকালে জবাই করা গরুর মাংশ হাত দিয়ে যেই ফিলিংস” সেই ফিলিংস হওয়ায় (নিজের শরীর স্পর্শ করলে আংগুল আর ওই অংশ, দুই অংশেই আওয়াজ দেয়। শুধু আংগুল আওয়াজ দিল, অপর প্রান্ত কোন সিগনাল দিল না) বুঝলাম এনেস্থেসিয়ার প্রভাব তখনও কাটে নাই। সেই এনেস্থেসিয়া কাটল রাত দশটার পর … বউয়ের আগেই আমার সিজার হইল বইলা পোলাপাইনের হাসাহাসিতে আমিও &#8230;</p><p>২২ তারিখ ওয়ার্ডে দিয়ে দেয়া হল … ২৮ তারিখ সকালে একমাসের সিকলীভ দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হল … এখন আমি আল্লাহর রহমতে পুরাই সুস্থ্য এবং পেনশন টাইপ সকল সুবিধা সহ বিশাল ছুটি ভোগ করছি।</p><p><em>(গুজব গুঞ্জন যাই থাকুক আমি বিশ্বাস করি আমাদের সিএমএইচ এর ডক্টর’রা অসাধ্য সাধন করতে পারেন। অন্তত আমার মা’কে যখন বাইরের প্রায় সব ডাক্তার’রাই “আর কিছু করার নেই মনে হয়” বলে অসহায় আমার হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন এই সিএমএইচ’ই আমার মায়ের দায়িত্ব নিতে পিছ পা হয় নি … বরং আমার কাছে আমার মা’কে সুস্থ্য করে ফিরিয়েও দিয়েছিল। লেখার কোন অংশে পাঠকের যেন মনে না হয় আমি সিএমএইচ’কে খাটো করার চেষ্টা করেছি)</em><strong><br /> </strong></p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/23015/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>111</slash:comments> </item> <item><title>ইয়েস, দে আর এ লুলু পাগল &#8230; পর্ব -১</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/22048</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/22048#comments</comments> <pubDate>Wed, 10 Mar 2010 11:05:47 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[আলোচনা]]></category> <category><![CDATA[গুণীজন]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=22048</guid> <description><![CDATA[ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “ইত্যাদি”তে ‘পাগল সম্মেলন’ নিয়ে একটা পর্ব হইছিল … পাগল সম্রাট লুলু পাগল সেই সম্মেলনের উদ্দোক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলছিলেন “ইয়েস আই এ্যাম এ লুলু পাগল, এ্যান্ড মাই ওয়াইফ নূর-জাহান, সে মাছ কোটে আর গান গায়”। জনৈকা পাগলী তার পাগল হওয়ার রোমহর্ষক কাহিণী বর্ননায় বলছিলেন “মাছি দিয়া ভাত খাইছিলাম”। ক্যাডেট কলেজের প্রতিটা ব্যাচেই দুই [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “ইত্যাদি”তে ‘পাগল সম্মেলন’ নিয়ে একটা পর্ব হইছিল … পাগল সম্রাট লুলু পাগল সেই সম্মেলনের উদ্দোক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলছিলেন “ইয়েস আই এ্যাম এ লুলু পাগল, এ্যান্ড মাই ওয়াইফ নূর-জাহান, সে মাছ কোটে আর গান গায়”। জনৈকা পাগলী তার পাগল হওয়ার রোমহর্ষক কাহিণী বর্ননায় বলছিলেন “মাছি দিয়া ভাত খাইছিলাম”।</p><p>ক্যাডেট কলেজের প্রতিটা ব্যাচেই দুই চাইরটা পাগল থাকে, এর মধ্যে ভবের পাগল, ভাবের পাগলই বেশী। তবে একটা থাকে পাগল-রাজ। যেইটা লেজেন্ড টাইপ, সিরিয়াস পিস টাইপ পাগল। ইত্যাদির ওই অনুষ্ঠান সম্প্রচারের পর থেকে এই সমস্ত লেজেন্ডারি পিস পাগল’দের নাম পাওয়া গেল … লুলু পাগল।</p><p>আমাদের লুলু অনেক চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে, অনেক কাহিণী, কল্প-কাহিণী জন্ম দিয়ে এখন অস্ট্রেলিয়াতে পড়াশুনা করতেছে। মাস দুই আগে সে ছুটি আসছে … ছুটি শেষে ফিরে যাওয়ার টিকেট দুই’বার বাতিল করার পর সেদিন সকালে লুলু’র ফোন &#8230;</p><p>“দোস্ত আমি যে আমার সুইটহার্টের কথা তোরে বলছিলাম, ও আজকে সকালে বাসা থেকে ভাইগা চইলা আসছে … এখন আমারে বলতেছে ‘হয় আপনে আমারে নেন, নয়তো আমি ট্রেনের তলায় যাই’ … এখন আমি কি করুম??”</p><p>লুলু’র সুইটহার্ট মানে সাড়ে ১৬ বছরের বাচ্চা একটা মেয়ে … সেইদিন ম্যাট্রিক পাস করছে … লুলু অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে ম্যালা ঘুরাঘুরি কইরা মাইয়া পটাইছে। মাইয়া পটানোর আগে লুলু মাইয়ার পুরা ফ্যামিলি পটাইছে। মাইয়ার মা আর বড় ভাই লুলু’রে বাসার বড় ছেলে বইলা মাইনা নিতে বাধ্য হইছে, শুধু মাইয়ার বাপ কিঞ্ছিৎ সন্দিগ্ধ। সেই বাসায় লুলু’র গ্রহনযোগ্যতা এতটাই যে অস্ট্রেলিয়া থিকা আইসা লুলু মেয়ের বাসায় গিয়া, ওয়ার্ড্রপে রাখা মেয়ের সমস্ত কাপড় ড্রইং রুমে ফল-ইন করায়া মা আর বড় ভাইয়ের উপস্থিতিতে বাছা-বাছি কইরা লেটেস্ট তিনটা শর্ট কামিজ ফালি ফালি কইরা ছিড়ছে আর মেয়েরে বকা ঝকা করছে ‘কেন তুমি শর্ট কামিজ …’</p><p>লুলু মৌলবী না কনফার্ম … এইটা কইরা লুলু মাইয়ার বাসায় তার গ্রহনযোগ্যতা টেস্ট করছে …</p><p>দুধের বাচ্চা ভাগানোর দায়ে কেস-ফেস খায়া লুলু’র ভাজা ভাজা জীবন যেন আরও কড়া ভাজা না হয় সেই উদ্দেশ্যে আমি কিছু না বুইঝাই লুলু’র দায়িত্ব কান্ধে নিলাম। লুলু’রে বললাম তুই মাইয়া লইয়া আমার বাসায় আয়। আমি অফিস শেষে আইসা পোলাপাইনের সাথে বইসা ডিসিশান নিয়া যা করা লাগে করতেছি।</p><p>বাসায় ফিরা বউয়ের কাছে শুনলাম আসার সময় লুলু এক ব্যাগ বাজার নিয়া আসছে … চার পাচ হালি কলা, এক ডজন পাকিস্তানি আম, দুইটা আতা ফল, চারটা ফ্রুটিকা লিটার বোতল আর দুইটা নতুন লুংগী … বুঝলাম পাগলা সর্ট টাইমে বিয়াপওক এনার্জি গেইন, দ্রুত তেষ্টা দূরীকরণ এবং দুইবার ড্রেস চেঞ্জের মত শারীরিক ও মানসিক প্রিপারেশানের মধ্য দিয়া যাইতেছে।</p><p>&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230; (চলবে &#8230;</p><p>(হাতে সময় কম, তাছাড়া অনেক দিন পর লিখছি &#8230; লোকপ্রিয়তা যাচাই করে দেখি &#8230; দ্বিতীয় পর্বে সমাপ্য  &#8230;)</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/22048/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>105</slash:comments> </item> <item><title>এ্যাডাম টিজিং</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13907</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13907#comments</comments> <pubDate>Wed, 12 Aug 2009 10:14:19 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[গুণীজন]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=13907</guid> <description><![CDATA[ডিসক্লেইমারঃ আমি নারী বিদ্বেষী নই মোটেও &#8230; ইভ টিজিং নিয়ে অনেক কথা হয়, পত্র-পত্রিকা-তে লেখালেখিও হয় প্রচুর। কিন্তু এ্যাডাম টিজিং নিয়ে এ জীবনে কাউকে কিছু লিখতে বা বলতে শুনলাম না। এ্যাডাম টিজিং শব্দটা ডিকশনারী-তে আছে কিনা তাতেও অবশ্য আমার সন্দেহ আছে। না থাকারই কথা। একেতো ডিকশনারী নিজে নারী, তার উপর আবার পূরুষ শাসিত সমাজে এই শব্দ [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ডিসক্লেইমারঃ আমি নারী বিদ্বেষী নই মোটেও &#8230;</p><p>ইভ টিজিং নিয়ে অনেক কথা হয়, পত্র-পত্রিকা-তে লেখালেখিও হয় প্রচুর। কিন্তু এ্যাডাম টিজিং নিয়ে এ জীবনে কাউকে কিছু লিখতে বা বলতে শুনলাম না। এ্যাডাম টিজিং শব্দটা ডিকশনারী-তে আছে কিনা তাতেও অবশ্য আমার সন্দেহ আছে। না থাকারই কথা। একেতো ডিকশনারী নিজে নারী, তার উপর আবার পূরুষ শাসিত সমাজে এই শব্দ চালু হলে পূরুষের দূর্বলতা প্রাকাশ পায়। ‘আমি টিজায়িত হইয়াছি’ বলে চিক্কুর দিয়ে আদতে নিজের দূর্বলতা প্রকাশ করা আর যার হোক পূরুষের শোভা পায় না।</p><p>নারী মাত্রই কোমলমতি, সুশীলা, বিনয়ী, সরলা, ব্লা, ব্লা ব্লা … কিন্তু এই নারীই যখন একসাথে অনেকজন জমায়েত হন এবং ঘটনাচক্রে দৃশ্যপটে কোন ছেলে একা তিনাদের সামনে পরে যায় … তাহলেই হয়েছে। তা সেই ছেলেটি যতই ইশ্-মার্ট ড্যাসিং হোক না কেন এ্যাডাম ঠিকই টিজায়িত হন।</p><p>আমি তখন ক্লাস এইটে উঠেছি সবে। কলেজ ছুটিতে বন্ধু বলতে অন্যান্য সব ক্যাডেট কলেজের ক্লাসমেটরাই, এলাকার অন্য সমবয়সীদের সাথে তেমন খাতির নাই। বাসা বদল করে নতুন এলাকায় গিয়ে আরও ছ্যারাব্যারা অবস্থা। বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে আড্ডা দিতে যাই পার্কে। আর ওই সময়টাতেই এলাকার সব মেয়েরা দল বেধে বাসার সামনের রাস্তায় হাটেন। আমি খেয়াল করলাম উনারা আমার উপস্থিতিতে বিয়াপওক পুলকিত হন এবং নিজেদের মধ্যে ফিসফিসিয়ে কথা বলে ক্যালক্যালিয়ে হাসেন। একা এবং সংখ্যালঘু আমি সব কিছু উপেক্ষা করে মাথা নিচু করে রাস্তা পার হয়ে রিক্সা নিয়ে তবেই হাফ ছেড়ে বাঁচি। দিন যায় তিনাদের সাহস একটু একটু বাড়ে, আর তার সাথে বাড়ে কথাবার্তার ভলিউম … একদিন বেশ স্পষ্ট শুনলাম একজন বলছেন “ক্যাডেটে পড়ে তো … ভদ্র ছেলে &#8230; হি হি হি হি ” সাথে সাথেই আরেকজনের মন্তব্য “হুম &#8230; ভদ্র &#8230; একটু বেশিই ভদ্র &#8230; হি হি হি হি ”। বিরক্ত হলেও কষ্ট পাইনি সেদিন এই ভেবে যে, সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপা, তিনারা &#8220;মুহাহা&#8221; হাসি দিতে পারেন না।</p><p>৯৮ তে কলেজের পাট চুকিয়ে কোচিং করার মহান ব্রত নিয়ে ঢাকায় আসলাম, কল্যানপুরে বাসা ভাড়া করে থাকি বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজের আমরা ৮ জন। ধানমন্ডিতে কোচিং করে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে বাসে উঠি … সোজা সংসদ ভবন … আড্ডা দিয়ে বাসা। এমনই একদিন, ভীড়ে গিজগিজ করছে এক বাসে উঠলাম … পরের স্টপেজে ঠ্যালাঠেলি প্রতিযোগিতায় জয়ের পুরস্কার স্বরূপ যেইনা একটা সিট পেয়ে মাত্র বসেছি, তখনই এক আগুন বাসে উঠলেন। একবার ভাবলাম “ম্যাডাম বসেন” বলে আত্মত্যাগের মহান ব্রতে নিজেকে বিলীন করে দেই। পরক্ষণেই ছোটবেলার সেইসব সুশীলা, বিনয়ী, সরলা, ব্লা, ব্লা ব্লা দের স্মৃতি ভেসে উঠায় প্রতিহিংসাপরায়ণ মন সায় দিল না। আগুন আমার ঠিক পাশে এসে দাঁড়িয়ে রইলেন। বাস ছাড়ল। খানিক পরে ব্রেকের ধাক্কায় টাল সামলাতে না পেরে তিনি সরাসরি আমার কোলে … আমি নির্বিকার। স্পর্শের সুখ উপভোগের সময় তখন একেবারেই ছিল না আমার। আলতো স্যরি বলে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন আর লাজুক চোখে তাকিয়ে রইলেন … আমার দিকে নয়, আমার সিটটির দিকে। পাশ থেকে চান্স মারা টাইপ একজন আর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না … “ভাই মহিলা মানুষ, দাঁড়িয়ে আছে, আমরা জওয়ান পোলাপাইন যদি সিট ছেড়ে না দেই …” আমি বসে বসেই অত্যন্ত বিনয়ের সাথে চার বছর আগের ঝাল ঝারলাম “মহিলাদের জন্য আলাদা বাস আছে, বাকি প্রতিটা বাসে আবার আলাদা সিট আছে, তারপরও যদি আমাদের বরাদ্দের সিট থেকেও তিনাদের সিট ছেড়ে দিতে হয় তাহলে এই জীবনে আমি আর বসব কবে” … মুহুর্তে পুরো বাসের যাত্রী দুই দলে ভাগ হয়ে গেলেন। আমার বক্তব্য সমর্থনকারী “ঐ” দল আর অসমর্থনকারী “উহু” দল বিপুল উৎসাহে তর্কে বিতর্কে মেতে উঠলেন। পুরো বাসে চুপ শুধু দুই জন … এ্যাডাম টিজিং শোধ করে দিয়ে শান্ত আমি আর সিটের দিকে তাকিয়ে আমার নেমে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা আগুন মেয়েটি।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13907/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>136</slash:comments> </item> <item><title>উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি-২  (সৌমিত্রের প্যালিন্ড্রোম)</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13329</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13329#comments</comments> <pubDate>Sat, 01 Aug 2009 07:21:07 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category> <category><![CDATA[অণূবাদ]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=13329</guid> <description><![CDATA[ঝিনাইদা&#8217;র পুলাপাইন গুলা যা সব শক্ত শক্ত কোবতে লেখে। পড়তে গিয়ে কতদিন চশমা ভেঙ্গেছি, অনুবাদ করতে গিয়ে ভেঙ্গেছি দাঁত, তার ইয়ত্তা নাই। আজকে সৌমিত্র মশাইয়ের প্যালিন্ড্রোম পড়ে পুরাই গেছি … প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও নাকি একই শোনায়। লেখা তো দুরের কথা, এই ধরনের আইডিয়া মাথায় আসার জন্য যতটুকু মাল মাথায় থাকা দরকার ততটুকু মালও [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>ঝিনাইদা&#8217;র পুলাপাইন গুলা যা সব শক্ত শক্ত কোবতে লেখে। পড়তে গিয়ে কতদিন চশমা ভেঙ্গেছি, অনুবাদ করতে গিয়ে ভেঙ্গেছি দাঁত, তার ইয়ত্তা নাই। আজকে সৌমিত্র মশাইয়ের প্যালিন্ড্রোম পড়ে পুরাই গেছি … প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও নাকি একই শোনায়। লেখা তো দুরের কথা, এই ধরনের আইডিয়া মাথায় আসার জন্য যতটুকু মাল মাথায় থাকা দরকার ততটুকু মালও নাই আমার। সৌমিত্র কে অভিনন্দন।</p><p>ম্যালা আগে আন্দা’র কোবতে অনুবাদ করে গাইড বই প্রকাশ করে বেশ টুপাইস কামাইছিলাম। সৌমিত্র যখন বলল “পাঠক আশাকরি নিজ মেধা ব্যবহার করে কোনো না কোনো অর্থ দাঁড় করিয়ে ফেলবেন, সেটাই ভরসা” &#8230; তো সৌমিত্র কে ভরসা না দিয়া পারলাম না &#8230;</p><p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/mitttir/13309"><strong>মুল প্যালিন্ড্রোম</strong></a></p><p>রাধা নাচে অচেনা ধারা<br /> রাজণ্যগণ তরঙ্গরত, নগণ্য জরা<br /> কীলক-সঙ্গ নয়নঙ্গ সকল কী?<br /> কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী।</p><p>অণূবাদঃ  আজিকার রাজ্য সভায় রাধা, কত্থক, ভারত্নাট্যম, কথাকলি, মহীনিণাট্যম, মণিপূরী, ঊড়িষ্যি, মুজ্রা, সালসা, ট্যাংগো, টুইষ্ট, চা চা, হিপহপ, সুইং, ডিস্কো, ব্যালে এবং রাধার সর্বকালের ফেভারিট বেলি ড্যান্সিং সব বাদ রাখিয়া এমন এক নতুন ধারা’র নৃ্ত্য শুরু করিল যাহা রাজন্যগণ কাহারোরই common পরিল না। তথাপিও রাজন্যগণ রাধার উন্মত্ত নৃ্ত্যের তালে তালে নিজ নিজ অংগে ঢেউ তুলিয়া আমোদ করিতে লাগিলেন। এর মধ্যে জরা রোগ গ্রস্থ এক সভাসদ, যিনি কিনা তাহার জরা রোগের কারনে নৃ্ত্যানুষ্ঠান সমূহে নগন্য ভূমিকা লইতেন, তিনিও নতুন এই নৃ্ত্যের তালে মত্ত হইলেন। রাজ্যসভা যখন এমনই উন্মত্ত, ঠিক সেই সময়ে রাধা কীলক সংগে লইয়া মঞ্চে উঠিয়া কীলক-ড্যান্সিং শুরু করিলেন এবং সকলেই তাহা কি এক বিস্ময় লইয়া নয়ন মেলিয়া উপভোগ করিতে লাগিলেন। এই দিকে ৫ নম্বর সিরিয়ালে থাকা নর্তকী তখন চিন্তায় মগ্ন … রাধা প্রথম সিরিয়ালে মঞ্চে আসিয়া আসর মাতাইয়া যেই উন্মত্ততা ছড়াইলেন তাতে পঞ্চম সিরিয়ালে ষ্টেজে উঠিয়া তাহার নৃ্ত্যের বদলে কীর্তন গাওয়া শ্রেয় ভাবিয়া তিনি সৌমিত্র মশাই রচিত &#8220;কীর্তন মঞ্চ&#8221; গ্রন্থ রিভিশান দিতে লাগিলেন।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/13329/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>98</slash:comments> </item> <item><title>দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে &#8230;</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/11188</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/11188#comments</comments> <pubDate>Sun, 21 Jun 2009 10:21:01 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[ব্লগর ব্লগর]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=11188</guid> <description><![CDATA[অনেক দিন ধরে &#8220;ব্লগ লিখি, ব্লগ লিখি&#8221; করেও ব্লগ লিখা হচ্ছে না। সময়ের অভাব, টপিকের অভাব এবং সর্বোপরি &#8220;কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি&#8221;র চক্করে ঘুরপাক খেতে খেতে, কি-বোর্ড আর আঙ্গুলের শত্রুতা চিরস্থায়ী হওয়ার আগেই তাই উপস্থিতি জানান দেয়া টাইপ পোষ্ট &#8230;   বিয়াপওক তাড়াহুড়ায় লিখা &#8230; তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করতেই পারি। &#8220;দন্ডিতের সাথে, [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p><em>অনেক দিন ধরে &#8220;ব্লগ লিখি, ব্লগ লিখি&#8221; করেও ব্লগ লিখা হচ্ছে না। সময়ের অভাব, টপিকের অভাব এবং সর্বোপরি &#8220;কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি&#8221;র চক্করে ঘুরপাক খেতে খেতে, কি-বোর্ড আর আঙ্গুলের শত্রুতা চিরস্থায়ী হওয়ার আগেই তাই উপস্থিতি জানান দেয়া টাইপ পোষ্ট &#8230;   বিয়াপওক তাড়াহুড়ায় লিখা &#8230; তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করতেই পারি।</em></p><p><strong>&#8220;দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে,<br /> শ্রেষ্ঠ সে বিচার&#8221;।</strong></p><p>গত ২০ জুন ২০০৯ এর অনেকগুলো প্রচার মাধ্যমে প্রচার পাওয়া একটা ঘটনা নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু মতামত প্রকাশ করছি। গত ০৪ জুন ২০০৯ তারিখে ১৫০/১ আরামবাগ ভবনের তিন তলার সিঁড়িতে ছুরিকাঘাতে খুন হয় নটরডেম কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র আজিজুল হাকিম। প্রাথমিক সন্দেহের তালিকাতে কলেজের দপ্তরি-দারোয়ান সহ প্রচুর নাম থাকলেও, খুনি হিসেবে তারই সহপাঠী ইমাম ইকবাল এর নাম ছিল সর্বাগ্রে।</p><p>গ্রেফতারের পর ইমাম ইকবাল খুনের দায় স্বিকার করে নিয়েছে। খুন হয়েছে, খুনী ধরা পড়েছে, বিচার প্রক্রিয়া চলছে &#8230; এখানেই শেষ করে দিলে চলবে কি ?? ঘটনা কেন ঘটল এবং এই ধরনের ঘটনার পূনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তার জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই লিখতে বসা।</p><p>মফস্বলের ছেলে ইমাম ইকবাল, নটরডেম কলেজে ভর্তি হবার পর প্রথমবারের মত ঢাকায় আসে। কলেজে তার অন্য দুই সহপাঠী, যাদের রোল নম্বর ঠিক পর পর (ইমাম ইকবাল ৪১০২০২২, আজিজুল হাকিম ৪১০২০২৩ এবং ডেরিক রাও ৪১০২০২৪), সেই সুবাদে তাদের পাশাপাশি বসতে হত। ভর্তি হবার পর থেকেই গত একবছর মফস্বলের &#8220;আনস্মার্ট, গেঁয়ো&#8221; ইমাম ইকবাল&#8217;কে ডেরিক রাও আর আজিজুল হাকিমের কাছ থেকে অনেক অপমান ও লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয়। (আমরা যারা ক্যাডেট কলেজের, তারা &#8220;টিজিং&#8221; কি জিনিস হতে পারে তা টিজ করে অথবা সহ্য করে খুব ভালই জানি।)</p><p>এই টিজিং এর কারনে ইমাম ইকবাল এর কাছে কলেজ ছিল জেলখানার মত। সে তার বড়ভাই মাহবুব (যে নিজেও নটরডেম কলেজের ছাত্র ছিল) কে অনেকবার এব্যাপারে বললে মাহবুব তাকে আস্বস্ত করেন, আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে। টিজিং সইতে না পেরে ইমাম ইকবাল কলেজ প্রশাসন&#8217;কে মৌখিক ও লিখিত ভাবে বেশ কয়েকবার জানাবার পরেও ব্যাপারটার গুরুত্ব অনুধাবন না করে প্রশাসনিক ভাবে কোন সমাধান তারা দেন নাই। ইমাম ইকবাল এর মনে জমতে থাকে ক্ষোভ। এমন অবস্থায় সে অনেকটা নিরুপায় হয়েই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটি করে। বায়তুল মোকাররমের একটি দোকান থেকে সে ছুরি কিনে এবং সার্বক্ষণিক সাথে রাখে।</p><p>টিজিং এর ভয়ে কলেজে যেতে তার মন উঠত না। তাই মে মাসের উপস্থিতি তার অনেক কমে যায়। নিয়ম অনুযায়ি তার জরিমানা হয়। দরিদ্র পরিবারের সদস্য, জরিমানার টাকা দিতে না পারায় প্রথা অনুযায়ি তার শাস্তি হয় &#8220;ওয়ার্ক প্রোগ্রাম&#8221; (ঘাস কাটা, কলেজ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা)-এ অংশ নেবার। লজ্জাজনক এই শাস্তির লজ্জা এড়াতে ঘটনার দিন কলেজ ছুটির পর লুকিয়ে লুকিয়ে ইমাম ইকবাল কলেজে যায় ওয়ার্ক প্রোগ্রামে অংশ নিতে। তাতেও রেহাই পায়নি সে, কলেজে গিয়ে শুনতে পায়, ডেরিক রাও আর আজিজুল হাকিম তাকে নিয়ে ক্লাসে প্রচন্ড ব্যাঙ্গ করেছে। পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর নতুন অপমানের বোঝা সইতে না পেরে সে কলেজের ভেতরে আজিজুল হাকিমকে খুঁজে বের করে এবং কথা বলার এক পর্যায়ে কলেজের বড় ভাইদের সহযোগিতায় সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৫০/১ আরামবাগ ভবনের ছয়তলার মেসের দিকে নিয়ে যায়। এই মেসটিতে ইমাম ইকবাল একমাস আগেও থাকত। সিঁড়িতে উঠতে উঠতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমাম ইকবাল সংগে থাকা ছুরি দিয়ে &#8230;&#8230;</p><p>স্কুল কলেজ গুলোতে টিজিং বন্ধ হোক, আমি আমরা যদি ভুল পথে হেঁটেও থাকি সে ভুল পথে যেন আর কেউ না হাঁটে। আর কোন আজিজুল হাকিম যেন অকালে প্রাণ না হারায়, আর কোন ইমাম ইকবাল যেন খুনী না হয় &#8230;</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/11188/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>81</slash:comments> </item> <item><title>সুখের অসুখ</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4338</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4338#comments</comments> <pubDate>Mon, 23 Feb 2009 09:00:40 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[দিনলিপি]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=4338</guid> <description><![CDATA[একটা প্রশ্ন ইদানিং ঘুরে ফিরে আমাকে বড় বেশি বিরক্ত করে যাচ্ছে। বিয়ে করে কি ভুল করে ফেললাম?  কিছুদিন আগেও তো দিনগুলো এত দ্রুত পার হয়ে যেত না!  উলটো স্থবির, শ্লথ, শম্বুক গতির দিনগুলোর একেকটা ঘন্টা এত বেশি সময় ধরে চলত যে বিরক্তি এসে যেত। আর এখন আমার সময় কাটে ঘড়ির কাটার সাথে পাল্লা [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>একটা প্রশ্ন ইদানিং ঘুরে ফিরে আমাকে বড় বেশি বিরক্ত করে যাচ্ছে। বিয়ে করে কি ভুল করে ফেললাম?  কিছুদিন আগেও তো দিনগুলো এত দ্রুত পার হয়ে যেত না!  উলটো স্থবির, শ্লথ, শম্বুক গতির দিনগুলোর একেকটা ঘন্টা এত বেশি সময় ধরে চলত যে বিরক্তি এসে যেত। আর এখন আমার সময় কাটে ঘড়ির কাটার সাথে পাল্লা দিয়ে। চব্বিশ ঘন্টা পার হতে সময় নেয় মাত্র আধ ঘন্টা। এই হারে হিসেব করলে আয়ু যে চরম দ্রুত কমে আসছে সেই চিন্তা থেকেই কি বিরক্তিকর প্রশ্নটা প্রশ্রয় পাচ্ছে ??</p><p>সেই যে বাসার ভিতর এসে ঢুকেছি, আর বের হতে ইচ্ছা করে না। দিন, তারিখ, বার ভুলে গিয়ে ছুটির মত ছুটি কাটাচ্ছি। বিকেল হলে বড়জোর ছাদটা, এর বেশি দূরে যেতে মন সায় দেয় না। আগে ঘরের ভিতর কথা বলার মানুষ ছিল না, দম বন্ধ হয়ে আসত ঘরে। বাইরে যেতাম, চিনি কি চিনি না টাইপ মানুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতাম কথা বলে। এখন কথা বলার আর শোনার একটা মানুষ সারাদিন আমাকে আষ্টেপৃষ্টে বেধে রাখে, কলজের এক ফুট দূরত্বে ঘুর ঘুর করে। এক রুমে আবদ্ধ থাকার বিরক্তিকর আনন্দময়তা আর বাইরে যাওয়ার ব্যাকুলতার মৃত্যুর জন্যই কি প্রশ্নটা বারবার ফিরে আসছে ??</p><p>বাসায় মা আর বউয়ের অসম প্রতিযোগিতা চলে, কে বেশি ভালবাসে, বাসতে পারে, তাই নিয়ে। খাওয়ার টেবিলে অস্বস্তি নিয়ে বসে থাকি, তাও শান্তি। আগে ছিল একজোড়া চোখ, চোখে চোখে রাখত। এখন দু’জোড়া চোখ চোখে চোখে রাখে। স্নেহ আর ভালবাসার সূক্ষ পার্থক্য নিয়ে দু’জোড়া চোখ একইভাবে এই আমার দিকেই তাকিয়ে থাকে। চোখে চোখে রাখার চোখের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কষ্টকর শান্তিই কি তবে প্রশ্নটাকে উস্কে দিচ্ছে বারে বারে ??</p><p>এখন আমার সব আছে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে সিগারেট … সে সময় পেছন থেকে জড়িয়ে ধরার মত মমতাময়ী হাত। গোসল শেষে চুল মুছিয়ে দেয়ার টাওয়েল। নিজে নিজে লোশন মাখার বিরক্তির অবসান। পাশে বসে সিসিবি’র লেখা আর কমেন্ট গুলো পড়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, ইমটি নয় বরং জীবন্ত খিলিখিলি অভিব্যাক্তি। দুপুর-সকালে ঘুম ভাংগাতে কর্কশ এলার্ম নয়, কানের কাছে ফিসফিস। ইন্সমনিয়ার মত বিরক্তিকর রোগকে গল্প বলা রাতে বদলে দেয়া। লিখতে পারা, না পারা আরও কত সব অভিব্যাক্তি মিলিয়ে দিনে দিনে এই বছরটার সব পেয়েছির বছর হয়ে উঠা …</p><p>তবু কেন হিংসুক প্রশ্নটা বারবার আমাকে আরামদায়ক খোচা দিয়ে যায় …</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4338/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>136</slash:comments> </item> <item><title>একুশ নিয়ে &#8230; (আদিখ্যেতা নয় মোটেও)</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4193</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4193#comments</comments> <pubDate>Sat, 21 Feb 2009 10:07:30 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[কবিতা]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category> <category><![CDATA[একুশ]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=4193</guid> <description><![CDATA[একুশ এলেই আমরা বাংলা নিয়ে খুব মাতামাতি করি &#8230; বাইশ এলে আবার ভুলেও যাই। তেইশ থেকে বাংলিশ আবার শুরু &#8230; তাও তো মন্দের ভাল। বইমেলা, শহীদ মিনার তবু তো মনে করিয়ে দেয় একুশের কথা। আহ্লাদের আতিশায্যে লিখলামই না হয় একটা দুইটা কবিতা। একুশ এলেই লিখতে বসি, লেখালেখি বেড়ে যায়। একুশ নিয়ে লেখালেখির মাত্রা যেন ছেড়ে যায় [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>একুশ এলেই আমরা বাংলা নিয়ে খুব মাতামাতি করি &#8230; বাইশ এলে আবার ভুলেও যাই। তেইশ থেকে বাংলিশ আবার শুরু &#8230; তাও তো মন্দের ভাল। বইমেলা, শহীদ মিনার তবু তো মনে করিয়ে দেয় একুশের কথা। আহ্লাদের আতিশায্যে লিখলামই না হয় একটা দুইটা কবিতা।</p><p>একুশ এলেই লিখতে বসি, লেখালেখি বেড়ে যায়।<br /> একুশ নিয়ে লেখালেখির মাত্রা যেন ছেড়ে যায় &#8230;</p><p>তবে একথা সত্যি &#8230; একুশের চেতনা বলে যে শব্দটি উচ্চারিত হয় &#8230; তা মনের কোণে থেকেই যায়। চাইলেও ভুলতে পারি না। &#8230;</p><p>একুশটি রক্তকরবী প্রয়োজন আমার।<br /> বিশুদ্ধ বাঙালীর পরিশ্রুত রক্তের মত লাল,<br /> পতাকার বুকে উজ্জ্বল সুর্যের মত রক্তিম।</p><p>মায়ের মুখের ভাষায় কবিতা লেখার নিষ্কলুষ লোভে যারা<br /> স্বপ্নাক্রান্ত মন্ত্রমুগ্ধের মত আত্মাহূতি দিয়েছিল<br /> কিছু সার্থক বর্ণমালা ছিনিয়ে আনতে।<br /> তাঁদের কন্ঠে ঠোটে উচ্চারিত হয়েছিল<br /> স্লোগান &#8211; আগুনের ঝাঁঝ।<br /> নিজের রঙতুলি দিয়ে তারা আঁকতে চেয়েছিল<br /> মায়ের মুখ, মনের ক্যানভাসে।<br /> মায়ের শাড়ীর চেনা গন্ধ ছিল তাদের<br /> মিছিলে দাবী আদায়ের প্রেরণা</p><p>তাদের রক্তের আলোতেই আজ করবী রক্তিম।<br /> শুধু তাদের জন্য -<br /> বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে আমি<br /> একুশটি রক্তকরবী খুঁজি।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/4193/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>55</slash:comments> </item> <item><title>একজন পর্দা নিয়ন্ত্রকের পারফর্মার হয়ে ওঠা</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3937</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3937#comments</comments> <pubDate>Tue, 17 Feb 2009 10:25:42 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[আলোচনা]]></category> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category> <category><![CDATA[ষ্টেজ পারফর্মেন্স]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=3937</guid> <description><![CDATA[মূলতঃ ক্লাস সেভেনের ট্যালেন্ট শো থেকেই শুরু হয় ক্যাডেটদের ষ্টেজ পারফর্মেন্স। ওই সময় থেকেই প্রায় নির্দিষ্ট হয়ে যায় ব্যাচের কালচারাল প্রোগ্রাম হলে কোন দায়িত্ব কাকে নিতে হবে। দায়িত্ব ভাগাভাগির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ থেকেই আমার বন্ধু ‘পর্দা নিয়ন্ত্রক’ হিসেবে ব্যাপক নাম করে ফেলল। প্রায় সব শাখায় জান-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেও বিফল আর ওয়াশ-আউট হয়ে শেষ পর্যন্ত ‘পর্দা [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>মূলতঃ ক্লাস সেভেনের ট্যালেন্ট শো থেকেই শুরু হয় ক্যাডেটদের ষ্টেজ পারফর্মেন্স। ওই সময় থেকেই প্রায় নির্দিষ্ট হয়ে যায় ব্যাচের কালচারাল প্রোগ্রাম হলে কোন দায়িত্ব কাকে নিতে হবে। দায়িত্ব ভাগাভাগির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ থেকেই আমার বন্ধু ‘পর্দা নিয়ন্ত্রক’ হিসেবে ব্যাপক নাম করে ফেলল। প্রায় সব শাখায় জান-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেও বিফল আর ওয়াশ-আউট হয়ে শেষ পর্যন্ত ‘পর্দা নিয়ন্ত্রন’কে সে আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গেল। কিন্তু অবস্থার উন্নয়নের চিন্তা যেহেতু সার্বজনীন, তাই বন্ধুটিরও বড় সাধ হয় পর্দার অন্তরালে শুধু পর্দা নিয়ন্ত্রক হয়ে না থেকে ষ্টেজে উঠে সর্ব সম্মুখে কিছু করে দেখাবার। নাম, যশ, খ্যাতি … শুরু হল বন্ধুর ষ্টেজে উঠে আসার পিলার অফ সাকসেস তৈরীর কারখানা।</p><p>প্রথমেই শুরু গান দিয়ে । নোভা’র “স্কুল পলাতক মেয়ে” গানটা অনুশীলনের সময় ‘তুমি নাই, তুমি নাই’ চিৎকারে বেরসিক প্রিন্সিপ্যাল স্বয়ং অডিটরিয়ামে উপস্থিত হলেন। নিষেধাজ্ঞা জারী করলেন “ও তো গান গাইবেই না, এই কালচারাল প্রোগ্রামে কোন তুমি-আমি, আমি-তুমি টাইপ গানই হবে না”। অগত্যা ‘স্কুল খুইলাছেরে মওলা’ আর ‘ইব্লিশ শয়তান তার আশা পুরাইল’ টাইপ গান দিয়ে সাজাতে হল প্রোগ্রাম। কিন্তু বন্ধু’র ষ্টেজে উঠা নিয়া কথা …</p><p>ওই দিনগুলোতে ‘ইলোকিউশান’ বা ‘বাগ্মীতা’ শিক্ষকদের খুব প্রিয় ব্যাপার ছিল। যদিও ব্যাচের কালচারাল প্রোগ্রামে ইলোকিউশান জুড়ে দেয়াতে আমাদের কারও সায় ছিল না, তবুও ফর্ম মাষ্টারের জোড়াজুড়িতে … জুলিয়াস সিজারের ফিউনারেলে ব্রুটাসকে কটাক্ষ করে মার্ক এ্যান্টোনি’র সেই বিখ্যাত “Friends, Romans, countrymen, lend me your ears” জুড়ে দেয়া হল। ‘when imminent, better enjoy’ তাই হয়ত রসিক এক ক্লাসমেট পুরো ব্যাপারটাতে ভিন্ন রকমের রস আনতে প্রস্তাব করল, পুরো ফিউনারেলটা এ্যারেঞ্জ করতে, জুলিয়াস সিজারের মরদেহ সহ। মরদেহ কে হবে ?? অবস্থার উন্নয়নে উৎসুক সেই ‘পর্দা নিয়ন্ত্রক’ এইবার পেল “জন্মদিনের সিনে, হিরোর পেছনে আউট অফ ফোকাসে কোথাও” টাইপ একটা &#8216;চান্স&#8217;, একটা &#8216;ব্রেক&#8217;।</p><p>কোন প্র্যাক্টিস ছাড়াই ষ্টেজে উঠলেন তিনি। কলেজের ‘গ্রামীন চেক’ টাইপ কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে পরলেন ষ্টেজে … শুধু শেষ দুই লাইন মুখস্ত করে গেলেন, কখন তার অভিনয় (!) শেষ হবে সেইটা নিশ্চিত হবার জন্য। বাগ্মী শুরু করলেন …</p><p>Friends, Romans, countrymen, lend me your ears;<br /> I come to bury Caesar, not to praise him.</p><p>আঙ্গুল তাক করে সিজার রূপী বন্ধুটিকে দেখালেন, বন্ধুটি তখন কম্বলের তলায় এক্সপ্রেশান দিতে ব্যস্ত … বাগ্মী এবার শেষ লাইন দুটি পাঞ্চ করলেন</p><p>My heart is in the coffin there with Caesar,<br /> And I must pause till it come back to me.</p><p>মুখস্ত লাইন দুইটা শোনার সাথে সাথে বিদ্যুৎ খেলে গেল তার শরীরে। পর্দা নামা দুরের কথা, লাইট অফ হবার আগেই, সাদা প্যান্ট সাদা সার্ট আর কলেজ টাই পরা সিজার উঠে পরলেন, কম্বল ভাজ করলেন, তারপর ভাজ করা কম্বল বগলে নিয়ে হাটা দিলেন উইংসের উদ্দেশ্যে। হঠাৎ খেয়াল করলেন, লাইট তখনো বন্ধ হয়নি … থমকে দাঁড়িয়ে দর্শক-শ্রোতাদের দিকে আলতো ‘নড’ করলেন <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/77.gif' alt=':boss:' class='wp-smiley' /> <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/77.gif' alt=':boss:' class='wp-smiley' /> <img src='http://static.cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/77.gif' alt=':boss:' class='wp-smiley' /> ।<br /> মুহুর্মুহু করতালিতে উদ্ভাসিত হল একজন ষ্টেজ পারফর্মারের অভিষেক।</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3937/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>82</slash:comments> </item> <item><title>একডজন অণূকাব্য … অনেকগুলা কম (নামকরণের কপিরাইটঃ টিটো)</title><link>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3847</link> <comments>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3847#comments</comments> <pubDate>Mon, 16 Feb 2009 06:54:56 +0000</pubDate> <dc:creator>তাইফুর (৯২-৯৮)</dc:creator> <category><![CDATA[মির্জাপুর]]></category> <category><![CDATA[অণুকাব্য]]></category><guid isPermaLink="false">http://www.cadetcollegeblog.com/?p=3847</guid> <description><![CDATA[১। দখিনা বাতাসে তার এলোচুল উড়ে যায় উড়ে যায় উড়ে যায় ছুয়ে যায় আমার বুকের তপ্ত বালুচর নিঃস্বঙ্গ মরুকে যেমন অকস্মাৎ ছুয়ে যায় সাইমুম ঝড় ২। বদলে গেছি অনেকখানি		বদলে গেছে ব্যাথা বদলে গেছে লেপতোষক আর	বর্ষা রাতের কাঁথা বদলে গেছে প্রিয়ার অভাব		বদলে গেছে ক্ষোভ চোখের কোণে লুকিয়ে থাকা	ভালবাসার লোভ ৩। বেদনার রঙ নীল হৃদয়ে বেদনা জমে বেদনার রঙে লিখছি তোমায় বেদনারই নীল খামে ৪। হৃদয়হীনা জানতে চাইলে না এ হৃদয়ে রক্তক্ষরণ কমেছে কি না ৫। রক্তকরবী রক্তিম রঙ এখন আমার [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>১।<br /> দখিনা বাতাসে তার এলোচুল উড়ে যায়<br /> উড়ে যায়<br /> উড়ে যায়<br /> ছুয়ে যায় আমার বুকের তপ্ত বালুচর<br /> নিঃস্বঙ্গ মরুকে যেমন অকস্মাৎ ছুয়ে যায়<br /> সাইমুম ঝড়<span id="more-3847"></span></p><p>২।<br /> বদলে গেছি অনেকখানি		বদলে গেছে ব্যাথা<br /> বদলে গেছে লেপতোষক আর	বর্ষা রাতের কাঁথা<br /> বদলে গেছে প্রিয়ার অভাব		বদলে গেছে ক্ষোভ<br /> চোখের কোণে লুকিয়ে থাকা	ভালবাসার লোভ</p><p>৩।<br /> বেদনার রঙ নীল<br /> হৃদয়ে বেদনা জমে<br /> বেদনার রঙে লিখছি তোমায়<br /> বেদনারই নীল খামে</p><p>৪।<br /> হৃদয়হীনা<br /> জানতে চাইলে না<br /> এ হৃদয়ে রক্তক্ষরণ<br /> কমেছে কি না</p><p>৫।<br /> রক্তকরবী রক্তিম রঙ<br /> এখন আমার হৃদয় জুড়ে<br /> গভীর ক্ষতের সন্ধান দিয়ে যায়<br /> ছোট্ট একটা বিষপোকা ছিল তোমার ভালবাসায়</p><p>৬।<br /> আমার বড় কষ্ট হয়<br /> চাঁদনি রাতে নিজের হাতে<br /> কত স্বপ্ন নষ্ট হয়<br /> আমার বড় কষ্ট হয়</p><p>আমার বড় কষ্ট হয়<br /> দিনের আলোয় মনের কালোয়<br /> দীনতা সুস্পষ্ট হয়<br /> আমার বড় কষ্ট হয়</p> ]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.cadetcollegeblog.com/taifur1644/3847/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>55</slash:comments> </item> </channel> </rss>
<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Minified using disk
Page Caching using disk (enhanced)
Object Caching 743/777 objects using disk
Content Delivery Network via static.cadetcollegeblog.com

Served from: www.cadetcollegeblog.com @ 2010-07-30 05:22:57 -->