~ অযুত নিযুত জীবনের অপার আনন্দ – জীবনানন্দ ~

[ প্রিয় কবির ১১৮তম জন্ম দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি ]

কুসুমকুমারী দাশ যখন লিখেছিলেন – “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে / কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?” তখন নিশ্চিত তাঁর জানা ছিল না আপন গর্ভে তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষকে, বাংলা ভাষার একজন প্রধান কবিকে ধারণ করবার মহিমা অর্জন করবেন।

পিতামহ সর্বানন্দ দাশগুপ্ত (১৮৩৮-৮৫) বিক্রমপুর থেকে বরিশাল গিয়ে আবাস গড়েন।

বিস্তারিত»

সিন্দুরমতি দিঘী

‘‘আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয়, ক্যান পাশ ফিরা শোয়,
ঘরের বিছান নিয়া ক্যান অন্য ধানখ্যাত রোয়?

বিস্তারিত»

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনার কথা

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনা- আমার চিরদিনের প্রিয় বিষয়, ছোটবেলা থেকেই। প্রশ্ন আসতে পারে, ছোটবেলায় আবার প্রেমের কী বুঝতাম? তখন প্রেম বলতে বুঝতাম স্নেহ, আদর, ভালবাসা। মা যখন শীত আসার আগেই উলের বল আর উল বুননের কাঁটা যোগাড় করে রাখতেন, আর তাঁর স্বল্প অবসরে দিনের পর দিন ধরে উল বুনে আমাদের জন্য সোয়েটার, মাফলার ইত্যাদি বানিয়ে দিতেন, বুঝতাম সেটা ভালবাসা। গোসলের পর মাথা না আঁচড়িয়ে থাকতাম।

বিস্তারিত»

আসুন একটু ‘বাংলামি’ করি

সেদিন কিছু পত্রিকা ঘাঁটতে-ঘাঁটতে একটি শব্দ খুব ভালো লেগে গেলো। কে যেন ‘বাংলামি’ বলে একটি শব্দ ব্যবহার করেছে। অন্যরকম। সাধারণত ব্যবহার হয় না। অভিধানে আছে কিনা তাও জানি না। তবে শব্দটি পড়ে শীতের সকালে চাপা রোদের আলোয় নরম ঘাসের ওপর শিশির দেখার মতো আনন্দ পেলাম।

অনেকে শব্দটিকে ‘বাংলামো’ বলেন। ‘বাংলামি’ শব্দটি কয়েকবার বলতে শুনলেও এই প্রথম দেখলাম কাউকে লেখায় ব্যবহার করতে। মাথায় ভূত চাপলো।

বিস্তারিত»

তাজহাট জমিদার বাড়ি – রংপুর

দিল্লীর ময়ূর সিংহাসন তখন মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের (১৬৫৮-১৭০৭ খ্রী) অধীন। তার শাসনামলে শিখ সম্প্রদায়ের তীর্থভূমি পাঞ্জাব শহরে মোঘলদের সাথে শিখদের সংঘাত বেঁধে যায়। তুমুল লড়াই হয়, শহর পরিনত হয় ধ্বংসস্তুপে, অধিকার রক্ষায় আত্মবির্সজন দেয় অগনিত শিখ। বাংলায় তখন মুর্শিদকুলি খাঁ (১৭০৭-২৭ খ্রীঃ) দাপটের সাথে মোঘল প্রতিনিধিত্ব করছে। এমনই এক উত্তাল সময়ে নিজ ভূমি পাঞ্জাব শহর ত্যাগ করে মান্না লাল রায় ও রতন লাল রায় নিজেদেরকে ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় বাংলায় আগমন করে।

বিস্তারিত»

এক সম্পাদকের গল্প

বেশ কিছুদিন আগে এক সন্ধ্যায় আমার সাথে এক হৃদরোগ ডাক্তারের সাথে পরিচয় হয়েছিল। তিনি এক নামকরা হৃদরোগ হাসপাতালের হার্টের চিকিৎসক। তাঁর বন্ধু আমার পরিচিত। বন্ধুর সাথে এসেছিলেন আমাদের ক্লাবে। অনেক কথা হল তাঁর সাথে। আমি আগে সাংবাদিকতা করতাম জেনে তিনি এক পর্যায়ে একটা বিজ্ নেস কার্ড এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘‘আমিও কিন্তু একজন সম্পাদক’। চোখ বড়-বড় করে কার্ডটির দিকে তাকিয়ে দেখলাম সেখানে লেখা আছে তিনি এক অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক।

বিস্তারিত»

~ প্রবাসে পরবাসে নেই, সাত সকালে বেরিয়েছে সে; বহুকাল পর বাড়ী গেছে ~

বলা হয় কোনো লেখা পড়ে পাঠকের মনে যখন সেই দ্যোতনাটি জেগে ওঠে – আর সে ভাবে, ‘আরে এ যে আমারও কথা’; তখনই সে লেখাটা সার্থক লেখা হয়ে ওঠে। যতো বেশী পাঠকের মনে এমন ধারণার জন্ম দিতে পারে কোনো লেখা, ততো বেশী পাঠকপ্রিয়তা, ততো বেশী জনপ্রিয়তা পাবে তা; পাবে দীর্ঘায়ু। সহজ শাদামাটা ভাবে তাই বলাই যায় যে, বিভিন্ন ভাষার শীর্ষ কবি ও লেখকরা যখন লেখেন, এমনটা ভেবে এরকম কিছুই লেখেন।

বিস্তারিত»

রামসাগর – দিনাজপুর

রামসাগর শুধুমাত্র দিনাজপুর অঞ্চলেরই নয় বরং সারাদেশের একটি অতি পরিচিত আইকন। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্ন-তাত্ত্বিক দ্রষ্টব্যও বটে। বহুল আলোচিত দিনাজপুর রাজবংশের এক অনন্য কীর্তি – রামসাগর। শ্রীমন্ত দত্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এ রাজবংশ সপ্তদশ শতাব্দী থেকে বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও’র বিভিন্ন স্থানে তাদের অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ রাজবংশের সব থেকে কীর্তিমান ও প্রসিদ্ধ নৃপতি রাজা প্রাণনাথ। প্রাণনাথের পালক পুত্র রাজা রামনাথও তার পিতার মত ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

বিস্তারিত»

কান্তজীর মন্দির – দিনাজপুর

আদি এক রত্ন মন্দির

রাজা প্রাণনাথ দিনাজপুর রাজ পরিবারের মধ্যে অন্যতম এবং তিনি নিজ গুনে তার বংশের সকল নৃপতিকে অতিক্রম করে ইতিহাসের খেরো-খাতায় অত্যন্ত সফলভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। তিনি তার জীবণদশায় শুধু জনহিতকর কাজই করেননি বরং রাজ্য বিস্তারেও তার অবদান সর্বজনবিদিত। রাজ্য বিস্তারের ধারাবাহিকতায় তিনি তার বৈমাত্রীয় ভাই রাজা জয়দেব কর্তৃক অধিগৃহীত ঘোড়াঘাটের প্রজা-পীড়ক জমিদার রাঘবেন্দ্রের ৯ আনা, ভারতের মালদহ জেলার মালিগাঁও পরগনা ও দিনাজপুরের আশে-পাশের ১২টি ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র জমিদারি নিজ রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত করতে সমর্থ হন।

বিস্তারিত»

ডাকঘরে বৃষ্টি আর অভিমানী গল্প

সেদিন তার চিঠির উত্তরটা দিতে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। তুমি জানতে চেয়েছিলে এই পুজোর ছুটিতে আমি ঢাকায় আসব কিনা। ২দিনের জন্য এইবার আর সময় হয়ে উঠেনি। মা বলেছিল একবার সেজোমামার বাসায় ঘুরে আসতে। যাব যাব করে আর যাওয়া হলনা। কাজের ব্যস্ততায় তখন অনেক কিছুই যেন মিলাতে পারছিলাম না। তবুও তোমার মনরক্ষায় খানিকটা সময়ের জন্য আসব বলে মনস্থির করেছিলাম। তোমার ভেতরের উদাসীনতা আমাকে একপা একপা করে পিছনে টেনে রাখে।

বিস্তারিত»

চেহেলগাজীর মাযার – দিনাজপুর

মাযার
দিনাজপুর শহরের উত্তর প্রান্তে দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়ক সংলগ্ন সদর উপজেলার চেহেলগাজী গ্রামে চেহেলগাজী মাযার নামে একটি অস্বাভাবিক দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট্য মাযার রয়েছে। মাযারের নামে গ্রাম ও ইউনিয়নের নামও হয়েছে চেহেলগাজী। আপাতঃ দৃষ্টিতে মাযারের আকৃতি দেখে মনে হয়, এখানে একক কোন ব্যাক্তি শায়িত নন। সম্ভবত, যুদ্ধে শহীদ যোদ্ধাদের খন্ড-বিখন্ড দেহ একত্রে করে এখানে কবর দেওয়া হয়েছিল। মাযারটি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার কোন সঠিক ইতিহাস এ যাবত খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

রাজবাড়ির বহিঃঅঙ্গন

রাজবাড়ির মূল অংশ পেরিয়ে দ্বিতীয়াংশে রাজবাড়ির চতুর্পাশে দীর্ঘ ও প্রশস্ত পরিখার মধ্যে শুকসাগর, মাতাসাগর, আনন্দসাগর, ফুলবাগ, সব্জিবাগ, রাজ কর্মচারীদের আবাসস্থল ইত্যাদি ছিল। সুদৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্যই রাজবাড়িকে কেন্দ্র করে চারিদিকে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। সে সব নিদর্শনের চিহ্ন এখনো কোথাও কোথাও দেখতে পাওয়া যায়।

পদ্ম পুকুর

রাজবাড়ির সদরমহল ও শুকসাগরের মধ্যবর্তী অংশে পদ্ম পুকুর অবস্থিত।

বিস্তারিত»

~ প্রাণঘাতী মৌলবাদী সন্ত্রাসের নীলনকশার তীর, তীরন্দাজ, ফলভোগী ও ভুক্তভোগী নিয়ে কিছু বীক্ষণ ~

আমি বিশ্বাস করি কোনো ধর্মই অশান্তি সহিংসতা হত্যা এসবকে সমর্থন করেনা বা মদত দেয়না। এটা সুদূর অতীতের সেই যুগও না যে বল প্রয়োগ করে ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে হবে বা ধর্মালম্বীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আর তা না করতে পারলে ধর্ম কিংবা ধর্মালম্বী বিপন্ন হবে।

এই যে গুটিকয় সন্ত্রাসী জেহাদি সাফল্যের আকাক্সক্ষায় ক্রুসেডার হত্যার মিশন নিয়ে প্রাণঘাতী অপকর্মটি ঘটালো। তাতে ইসলামের কি কি প্রাপ্তিযোগ ঘটলো?

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

হীরাবাগ

ঠাকুরবাড়ির কালীয়াকান্তের মন্দিরের উত্তরে, মন্দির ও রানীমহল সংলগ্ন রাজ পরিবারের একটি রাজকীয় বাগান আছে। রাজার আমল থেকেই চারিদিকে সু-উঁচ্চ প্রাচীর ঘেরা বাগানটি হীরাবাগ নামে পরিচিত। দেশী-বিদেশী হরেক রকম বাহারি গাছ-গাছালিতে ভরপুর ছিল রাজাদের এ বাগান। কালের পরিক্রমায় আজ সে সব কেবলই ইতিহাস। চিত্ত বিনোদনের জন্য রাজ পরিবারের সদস্যরা এখানে অবসরে ঘুরে-বেড়াতেন। হীরাবাগে প্রবেশের জন্য রাণী মহল থেকে একটি প্রবেশপথ থাকার কথা জানতে পারলাম।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

ঠাকুরবাড়ি

আয়না ও রাণী মহলের পশ্চিমে মহলদ্বয় সংলগ্ন রাজবাড়ির ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত। ঠাকুরবাড়িতে মোট তিনটি মন্দির। উত্তরে কৃষ্ণ মন্দির (কালিয়াকান্ত মন্দির নামে অধিক পরিচিত) ও দক্ষিণে দূর্গা মন্দির। দূর্গা মন্দিরের প্রধান ফটক সংলগ্ন পূর্বপাশে সন্ন্যাসী মন্দির অবস্থিত, যা মূলতঃ কাশী ঠাকুরের (মতান্তরে শ্রীমন্তের) সমাধি মন্দির। সুউচ্চ পাঁচিল দ্বারা পরিবেষ্টিত মন্দিরগুলোতে প্রবেশের জন্য সিংহ দেউড়ী ব্যবহার করতে হয়।

কালিয়াকান্তের মন্দির

কালিয়াকান্তের মন্দিরটি ১৭৬৩ খ্রীঃ বাংলার সনাতনি চৌচালা নকশায় হিন্দু ও মুঘল স্থাপত্যরীতিতে ছোট আকারে মহারাজ বৈদ্যনাথ কর্তৃক নির্মাণ করা হয়।

বিস্তারিত»