আঙ্গারপাড়া বড়বাড়ি/আঙ্গোরা মসজিদ-নীলফামারী

নীলফামারী জেলার দারোয়ানী ও দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা সড়ক ধরে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার পথ চললে রাস্তার দক্ষিন পাশে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে আঙ্গারপাড়া বড়বাড়ি/আঙ্গোরা/আঙ্গরার মসজিদ অবস্থিত।

মসজিদে প্রবেশের জন্য রাস্তা সংলগ্ন একটি প্রবেশ তোরন আছে যা সাম্প্রতিককালে নির্মিত। প্রবেশ তোরন অতিক্রম করে মসজিদ আঙ্গিনায় ঢুকলে সরাসরি দক্ষিনে একটি মাযার ও পশ্চিমপাশে মসজিদে যাওয়ার রাস্তা।

বিস্তারিত»

নটখানা – নীলফামারী

সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ও অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তৎকালীন নীলফামারীর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অর্থাৎ সাকামাছাবন্দরকে কেন্দ্র করে নীল বাণিজ্যের বেসাতি গড়ে তুলেছিল বৃটিশ উপনিবেশকারীরা। বাণিজ্যের লক্ষী ভেবে অন্যান্য ভাগ্যান্বষণীদের মতই ইংরেজ ‘নট’ নামের এক ব্যাক্তি এখানে নীলের পসার সাজিয়ে বসে। নীলফামারী – ডোমার সড়কের যেখানে Danish Bangladesh Leprosy Mission অবস্থিত তার দক্ষিণ সীমানার প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্থাপনা আজও মানব ইতিহাসের কলঙ্কিত সেই অধ্যায়ের স্বাক্ষী বহন করে চলছে।

বিস্তারিত»

নীলফামারী

উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গার মতো বাংলাদেশের নানা স্থানে পাট গাছের মতো দেখতে নীল গাছও জম্মাতো। ভারতীয় নীল গাছ থেকে উৎপাদিত নীল ইউরোপের নানা দেশে রপ্তানী হতো বলে ইউরোপীয়রা একে ইন্ডিগো নামে চেনে। বৃটিশ উপনিবেশ আমলে বিশেষ করে কোম্পানী আমলে (১৭৫৭ – ১৮৫৭ খ্রীঃ) সারা বাংলায় (বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) নীল চাষের ব্যাপক আবাদ শুরু হয়। ১৭৯৫ খ্রীঃ পরপরই এর মাত্রা তীব্রতর আকার ধারন করে যশোহর, খুলনা, কুষ্টিয়া,

বিস্তারিত»

কুড়িগ্রাম ও রাণী সত্যবতীর প্রত্নকীর্তি

কুড়িগ্রাম

মানব সভ্যতার বিস্তৃতির আদি পর্বে বাঙলায় যে সব স্থানে প্রথম বসতি গড়ে উঠেছিল ধরলা নদী তীরের কুড়িগ্রাম তাদের মধ্যে অন্যতম। নেগ্রিটো আর অষ্ট্রিকদের হাত ধরে বাঙলায় মানব সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়। আমাদের আদিতম গর্বিত অনার্য পুরুষদের অন্যতম অষ্ট্রিক ভাষাভাষি ‘কোল’ নৃগোষ্ঠীর সভ্যতার অস্তিত্ব এখানে বিরাজমান। এদেরই একটি ক্ষুদ্র ধারা ‘কিরাত/কুরি’ নামে পরিচিত। অষ্ট্রিক ভাষায় ‘কোর বা কুর’ শব্দের অর্থ ‘মানুষ’। এই কুরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এখনো বসবাস রয়েছে কুড়িগ্রামে।

বিস্তারিত»

ফেসবুক বিষয়ক জটিলতা

ফেসবুক নিয়ে সম্প্রতি নাটকটি দেখে ছোটবেলার কয়েকটি ঘটনা মনে পড়ে গেলো। আমি যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি ১৯৭৫ সালে, তখনই জানলাম বাংলায় একটি ‘স্পাই সিরিজ’ ছোট-বড় সবাই পড়ছে। নাম ‘মাসুদ রানা’, লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন। বাঙালি এক স্পাই সারাবিশ্বে আসাইনমেন্ট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়; প্রেমে পড়ে কিন্তু কোথাও কোনও বাঁধনে জড়ায় না। অ্যাকশন-নির্ভর মাসুদ রানার গল্পে নায়কের প্রেমের অংশটি ছিল আমাদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার। নায়কের বিপদসংকুল জীবনের মাঝে তার ভালোবাসা আমাদের মনে এক অন্যরকম স্বপ্ন জাগিয়ে তুলতো।

বিস্তারিত»

দিলালপুরের জোড় মন্দির ও কাচারি

চিকলী নদীর পাড়ে দিলালপুর গ্রাম। গ্রামে আছে একটি প্রত্ন-নিদর্শন। এককালের প্রাচীর ঘেরা এই নিদর্শন অযত্ন আর অবহেলায় কালের নীরব স্বাক্ষী হয়ে আজ কোন রকমে টিকে আছে। প্রাচীর ঘেরা এই আঙিনায় প্রবেশের জন্য এর দক্ষিণ প্রাচীরে একটি দরজা ছিল। প্রাচীর এবং প্রবেশ পথের দরজা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলেও এখনো এর স্তম্ভদ্বয় আংশিকভাবে টিকে আছে। দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেই কাচারি ঘর। এক তলা, আয়তকার ইমারতটি পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা, দক্ষিণমূখী ও তিন কক্ষ বিশিষ্ট।

বিস্তারিত»

~ বইমেলা প্রাণের মেলা, তার প্রাণভোমরা সেথায় জোর দেখাক খেলা ~

বইমেলা প্রাণের মেলা। দীর্ঘ একটা মাস ধরে এমন বইমেলা পৃথিবীর কোথাও হয়না। লেখক-কবি-প্রকাশক-পাঠক সবার জন্য এমন একটা মেলা নিঃসন্দেহে দারুন প্রাণসঞ্চারী ভাব বিনিময়, কৃষ্টির চর্চা এবং প্রসারের এক মহামঞ্চ হবারই কথা। তা হবার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো আয়োজন-উৎসব এদেশে নেইও। এক সময় বাঙলা একাডেমীর প্রাঙ্গন জুড়ে বসতো এ সৃজনশীলতার মেলা। গোটা প্রাঙ্গনে বইয়ের স্টল নিয়ে প্রকাশকরা সাজিয়ে তুলতেন নতুন পুরোনো সব প্রকাশনার এক আলোকজ্জ্বল গ্রন্থসমাবেশ।

বিস্তারিত»

‘করপোরেট’ ট্রাম্প বনাম করপোরেট মিডিয়া

বোঝাই যাচ্ছে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের ওপর তিনি অনেক রেগে আছেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম দিনই ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “সাংবাদিকরা পৃথিবীর সবচেয়ে ‘অসৎ মানুষদের’ শ্রেণিভুক্ত”। শুধু তিনিই নন, হোয়াইট হাউসের প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়ে ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের দোষ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন সংবাদপত্রের সঙ্গে তার বৈরিতার সম্পর্ক। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার শপথ নেওয়ার দিন ওয়াশিংটনে যোগ দেওয়া লোকসংখ্যা নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছে সব সংবাদমাধ্যম। শুধু শপথ নেওয়ার পর নয়,

বিস্তারিত»

দেউল – সম্মৃদ্ধ জনপদ ও বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র

দেউল অর্থ দেবালয়। স্বর্গের দেবতারা স্ব-শরীরে আদৌ মর্ত্যে নেমে এসেছিলেন কিনা আমার জানা নেই…কিন্তু একটু সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় দেবতাদের অর্ঘ্য দানে মানুষ কি না করেছে!! দেবতাদের নিশ্চয় স্বর্গে নিজস্ব আবাস রয়েছে। তারপরও ভক্তকুলের আকুল আবেদনে সাড়া দিতে মাঝে মাঝে মর্ত্যে তো আসতেই হয়। দেউলেও নিশ্চয় আসতেন যেমন তারা আসেন ভাটিক্যান নগরের হর্ম্য-প্রাসাদে, জেরুজালেমের মরুভূমিতে, গ্রীসের পর্বত চূড়ায় কিংবা মেসোডোনিয়ার তটরেখায়। পার্বতীপুর উপজেলার একটি গ্রামের নাম দেউল – এক সময়ের জন কোলাহলময় সভ্য নগরীর পানে দেবতাদের আজ কেন যে এহেন বিমুখতা…!!!

বিস্তারিত»

চট্টগ্রাম কি আসলেই বাণিজ্যিক রাজধানী?

একজন ‘চাঁটগাইয়া’র কাছে যদি জানতে চান, ‘চট্টগ্রামে আহামরি এমন কী আছে?’ উত্তরে সে পাল্টা প্রশ্ন করবে, ‘কী নেই বলুন?’ তারা আপনাকে জানাবেন, চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের অন্যতম বন্দরগুলোর একটি, ভৌগলিকভাবে চট্টগ্রাম এ অঞ্চলে সবচেয়ে উপযুক্ত স্থানে রয়েছে, একটি গভীর সমুদ্র বন্দর যদি করা যায়, তাহলে তো আর কথাই নেই! চট্টগ্রাম নদীবিধৌত অঞ্চল, সবধরনের শিল্পের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। শুধু পর্যটন নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে।

বিস্তারিত»

হারানো মসজিদ – লালমনিরহাট

বাংলাদেশের আর দশটা সাধারন গ্রামের মতই রামদাস গ্রামটির ভূমি বিন্যাস সমতল। ফোঁড়ার মত জেগে উঠা টিলাটি তাই স্বাভাবিকভাবেই কেমন যেন বেক্ষ্যাপ্পা লাগে। জায়গাটি আবার জঙ্গলে পরিপূর্ণ। চারিদিকের গায়ে গা ঘেষে থাকা বৃক্ষরাজির মাঝে অন্ধকারাচ্ছন্ন ভূতুড়ে পরিবেশ ও তার সাথে নানা জীবজন্তুর ক্ষনে ক্ষনে নির্জনতা ভঙ্গ – কেমন যেন থমথমে ভাব। মানুষ অন্ধকার ভয় পায় কিন্তু তাতে লুকিয়ে থাকা রহস্যকে বড্ড ভালবাসে। ‘লালসালু’র মজিদের মাযারের মত তাই সহজাত কারনেই টিলার পাদদেশে মোমবাতি-আগরবাতি-ধুপ-ধুনো পড়তে থাকে।

বিস্তারিত»

~ অযুত নিযুত জীবনের অপার আনন্দ – জীবনানন্দ ~

[ প্রিয় কবির ১১৮তম জন্ম দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি ]

কুসুমকুমারী দাশ যখন লিখেছিলেন – “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে / কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?” তখন নিশ্চিত তাঁর জানা ছিল না আপন গর্ভে তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষকে, বাংলা ভাষার একজন প্রধান কবিকে ধারণ করবার মহিমা অর্জন করবেন।

পিতামহ সর্বানন্দ দাশগুপ্ত (১৮৩৮-৮৫) বিক্রমপুর থেকে বরিশাল গিয়ে আবাস গড়েন।

বিস্তারিত»

সিন্দুরমতি দিঘী

‘‘আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয়, ক্যান পাশ ফিরা শোয়,
ঘরের বিছান নিয়া ক্যান অন্য ধানখ্যাত রোয়?

বিস্তারিত»

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনার কথা

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনা- আমার চিরদিনের প্রিয় বিষয়, ছোটবেলা থেকেই। প্রশ্ন আসতে পারে, ছোটবেলায় আবার প্রেমের কী বুঝতাম? তখন প্রেম বলতে বুঝতাম স্নেহ, আদর, ভালবাসা। মা যখন শীত আসার আগেই উলের বল আর উল বুননের কাঁটা যোগাড় করে রাখতেন, আর তাঁর স্বল্প অবসরে দিনের পর দিন ধরে উল বুনে আমাদের জন্য সোয়েটার, মাফলার ইত্যাদি বানিয়ে দিতেন, বুঝতাম সেটা ভালবাসা। গোসলের পর মাথা না আঁচড়িয়ে থাকতাম।

বিস্তারিত»

আসুন একটু ‘বাংলামি’ করি

সেদিন কিছু পত্রিকা ঘাঁটতে-ঘাঁটতে একটি শব্দ খুব ভালো লেগে গেলো। কে যেন ‘বাংলামি’ বলে একটি শব্দ ব্যবহার করেছে। অন্যরকম। সাধারণত ব্যবহার হয় না। অভিধানে আছে কিনা তাও জানি না। তবে শব্দটি পড়ে শীতের সকালে চাপা রোদের আলোয় নরম ঘাসের ওপর শিশির দেখার মতো আনন্দ পেলাম।

অনেকে শব্দটিকে ‘বাংলামো’ বলেন। ‘বাংলামি’ শব্দটি কয়েকবার বলতে শুনলেও এই প্রথম দেখলাম কাউকে লেখায় ব্যবহার করতে। মাথায় ভূত চাপলো।

বিস্তারিত»