রবীন্দ্র কমপ্লেক্স – দক্ষিণডিহি, খুলনা

রবীন্দ্রনাথ, বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ এক নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ… আজ রবীন্দ্রনাথের ১৫৭তম জম্মদিবস। বিশ্বকবির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় নিবেদিত…

অনিবার্য কারণ বশতঃ আমার আজকের কর্মসূচীর পূর্ব পরিকল্পনা গত রাতেই বাতিল করতে হয়েছিল। অকস্মাৎ হাতে বেশ খানিকটা সময় ‘মেঘ না চাইতেই জল’র মতো চলে এলো। তাই বলে তো শুয়ে-বসে দিনটি আর পার করা যায় না! অযথা দেরী না করে ঘর থেকে তাই বের হয়ে এলাম।

বিস্তারিত»

মহেশ্বরপাশা জোড়বাংলা মন্দির – দৌলতপুর

বহু দিন ধরে’ বহু ক্রোশ দূরে

বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে

দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা

দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া

একটি ধানের শিষের উপরে

একটি শিশির বিন্দু।।

       ৭ই পৌষ ১৩৩৬

       শান্তিনিকেতন          শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সত্যজিৎ রায়’র খাতায় লিখে দেওয়া বিশ্বকবির এই কালজয়ী বাণী সবার মতো আমিও পড়েছি বহুবার,

বিস্তারিত»

দেখা

নীল সাগরের তল দেখিনি
দেখেছি তোমার নীল দু’চোখ
দেখেছি কত গভীর সে তা
সেথা ডুবেই না হয় মরণ হোক।

দেখেছি গোলাপ পাঁপড়ি আমি
দিন শেষে সেও হয় মলিন
রাঙা তোমার ঠোঁটের হাসি
বুকে আমার বাজায় বীণ।

শান্ত দিঘীর জল দেখেছি
কি মায়াময় রুপ যে তার
দৃষ্টি তোমার ততই গভীর
শিহরণে মন জাগে আমার।

বিস্তারিত»

আশা মনে নিরাশা

মনটা আর মন নেই
চাওয়া পাওয়ার হিসেবক্লিষ্ট
রোগাক্রান্ত মন আজ
স্বপ্নভারে ন্যুহ্য
কি চাও তুমি মন? জানো কি তা?

পূর্ণিমারচাঁদ দেখতে সাধ হয়
হাসিতে জলতরঙ্গ
দৃষ্টিতে রঙধনু
কিংবা শব্দ সুরের মুর্ছনা….
বড্ড বেশী চাওয়া গো তোমার…..।

নিজ ভুবনের রাণী হয়ে
সে করছে রাজত্ব
আর আমি…..?
তার স্বপ্নে বিভোর হয়ে
না পাওয়ার অপূর্ণতায় ডুবে
একদিন না হয় শেষই হবো…..।

বিস্তারিত»

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণ, সাথে আরোও অনেক কিছু

কয়েক দিন আগে শ্রীমঙ্গল ঘুরতে গিয়েছিলাম। এর সাথে মৌলভীবাজার এর বেশ কয়েকটি ট্যুরিস্ট স্পটে ঘুরার সুযোগ হয়েছে। আজকে আমি সেই সব যায়গার যাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবো।

যদি কেউ দু’দিনের একটি শর্ট ট্যুর দিতে চান, এবং আপনি ইতিমধ্যে সিলেট এবং এর আশেপাশেও ভ্রমণ করে ফেলেছেন; চিন্তা করবেন না, আপনার মতো ভ্রমণকারীদের জন্য আরো অনেক ঘুরবার  জায়গা অপেক্ষা করছে।

ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

তার আগে আমি নিচে আমার ঘুরতে যাওয়া যায়গা গুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা

১।

বিস্তারিত»

ভরত ভায়না – যশোর

ভাত সামনে নিয়ে মা আমার অপেক্ষা করছিলেন। তাই ঘরে ঢুকেই কোন রকমে নাকে-মুখে গুজে বাসা থেকে বের হলাম। পেছনে মা’র দরজা বন্ধ করার শব্দ কানে ভেসে এলো। সূর্য তখন মাথার উপর থেকে সরে খানিকটা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়তে শুরু করেছে। বাসার নিকটে হওয়ায় আর ভাতঘুম তাড়ানোর বলিষ্ট লক্ষ্যে পয়দলে চলে এলাম ‘মহসিন মোড়ে’। হাজী  ‍মুহাম্মদ মহসিন তার ইরানী পিতা হাজী ফয়জুল্লাহ ও মাতা জয়নব খানমের গর্ভে ১৭৩২ খ্রীঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় জম্মগ্রহণ করেন।

বিস্তারিত»

ভোজ বিহার-কুমিল্লা

ময়নামতি সেনানিবাসের দক্ষিণ প্রান্তে কোটবাড়ি মিলিটারী পুলিশ চেক পোস্টের উত্তর দিকে ভোজ বিহার অবস্থিত। কোটবাড়ি মিলিটারী পুলিশ চেক পোস্ট দিয়ে সেনানিবাসে প্রবেশ করে আনুমানিক আধা কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলে হাতের বাম পাশে বাংলার প্রাচীন এই বৌদ্ধ বিহারের দেখা মিলবে। খননের ফলে এখানে ব্রোঞ্জনির্মিত একটি বজ্রসত্ত্ব মূর্তি পাওয়া গেছে। সাধারনতঃ বজ্রসত্ত্ব মূর্তি মহাযান মার্গের অনুসারীদের উপাস্য এবং তা বাঙলায় ১০ম শতাব্দীর আগে প্রচলিত ছিল না। কিন্তু মূর্তি বিশ্লেষনের পর অনেক বিশেষজ্ঞই ধারনা করেন যে,

বিস্তারিত»

আনন্দ বিহার

লালমাই-ময়নামতি পাহাড় শ্রেণির উত্তাংশের পূর্ব ভাগে অপেক্ষাকৃত নীচু ও সমতল ভূমিতে ময়নামতি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আনন্দ বিহার অবস্থিত। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও কুমিল্লা অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত বিহারসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই বিহার ‘আনন্দ রাজার বাড়ি’ নামেও পরিচিত। ৮ম শতকে দেব বংশের সবচেয়ে যোগ্য ও প্রভাবশালী নৃপতি আনন্দ দেব এই বিহার প্রতিষ্ঠা করেন অথবা তার নামে তার যোগ্য পুত্র মহারাজা ভবদেব এটি নির্মাণ করেন বলে প্রচলিত ধারনা রয়েছে।

বিস্তারিত»

লতিকোট মুড়া – কুমিল্লা

কুমিল্লা-কোটবাড়ি-কালির বাজার রাস্তা ধরে কালির বাজারের দিকে যেতে থাকলে বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্ট (BARD)’র প্রধান গেট অতিক্রম করে হাতের ডানে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের পূর্ব/ডান দিকের প্রাচীর সংলগ্ন স্থানে লোতিকোট মুড়ার অবস্থান। এটি মাঝারি আকারের একটি বৌদ্ধ বিহার। বিহারের পাশ্ববর্তী স্থানে বেশ কয়েকটি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। এই সবের মধ্যে ভোজ বিহার, রূপবান মুড়া ও ইটাখোলা মুড়া অন্যতম। প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ২০০৩ খ্রীঃ বিহারটির খনন কাজ করা হয়।

বিস্তারিত»

ইটাখোলা মুড়া – কুমিল্লা

কুমিল্লা-কোটবাড়ি-কালির বাজার রাস্তা ধরে কালির বাজারের দিকে যেতে থাকলে বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্ট (BARD)’র প্রধান গেট অতিক্রম করে হাতের ডানে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ দেখলেই থামুন। কলেজের পশ্চিম পাশ ঘেঁষে একটি সরু রাস্তা উত্তরে এমনভাবে চলে গেছে যেন পাহাড়ে গিয়ে তা পথ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি ঐ পথই ধরবেন, কিন্তু তার আগে উত্তরে আপনার দৃষ্টি প্রসারিত করুন। হ্যাঁ ইটের ভাটার মতো একটি স্থাপত্য দেখা যাচ্ছে নাহ!! সামনে ৫০ মিটার খানিক এগিয়ে চলুন,

বিস্তারিত»

রূপবান মুড়া – কুমিল্লা

সে অনেক অনেক অনেক কাল আাগের কথা, বাপ-দাদাদের জম্মেরও মেলা আগে নিরাশপুর নামে যে এক দেশ ছিল, ঐ যে! যে দেশের রাজার নাম একাব্বর বাদশা। সে ছিল আটকুঁড়ে। আটকুঁড়ে বাদশার মুখ দেখলে রাজ্যের অমঙ্গল হয় তাই বাদশা স্বেচ্ছায় বনবাসে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রজা সকলের মঙ্গল কামনা করে যথা সময়ে বাদশা বনে নির্বাসিত হয়। একদিন গভীর বনের মধ্যে নিজের অজান্তেই, অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদশা ধ্যানরত এক সাধুর ধ্যানভঙ্গ করেন।

বিস্তারিত»

আজকে বিকাল

আজকে বিকাল
———————-

আজকে বিকাল কেমন জেনো

বিষন্নতায় ভরা,
মেঘলা আমার হিয়ার দেশে
বিষাদের বরষা।।

চিন্তামনির চিন্তা জুড়ে
কুহক কাকাতুয়া,
মোর-ভাবনার আনাচে-কানাচে
বেজায় যন্ত্রণা।।

ছোট খাটো স্মৃতি গুলো
ফুলে ফেঁপে হয় বিশাল,
ভাললাগায় প্রশ্নবোধক
ময়লা রং-এর বিকাল

বাপ্পী খান
২৫/০৮/২০১৭
মগবাজার
(Mustafiz/sb330/7th bcc)

বিস্তারিত»

কুটিলা মুড়া – কুমিল্লা

আমরা আমাদের আদিমতম সমাজবদ্ধ জীবনে শুদ্ধ প্রকৃতির কোলঘেঁষে কি অকৃত্রিমই না ছিলাম। অরণ্য ছিল আমাদের বিচরনভূমি, গুহা কিংবা গাছের কোটর ছিল আশ্রয়স্থল। আমাদের সংস্কৃতি ছিল খাদ্য সংগ্রহ করা – গাছের ফল আর পশু শিকারই ছিল খাদ্যের উৎস। তখনও আমরা খাদ্য উৎপাদনকারী নই। গাছ থেকে ফলমূল আর পশু থেকে মাংস আহরনের মধ্য দিয়ে আমরা উপলব্ধি করলাম যে আমরাও ঐসব গাছপালা আর জীবজন্তু থেকেই উৎপন্ন, ওসব আমাদের সাথে একাত্মা।

বিস্তারিত»

প্রেমের সংজ্ঞা

প্রেমের সংজ্ঞা।

এটাতো একলা একটা হৃদয়; কোন মহাকাশ নয়,
ছোট ছোট অভিমান; সুখ জাগানীয়া নয়।
তারপরেও সুযোগ আসে; হিয়ার চতুরতায়,
সত্যি প্রেমের প্রলাপ শোনে; মনের বর্বরতায়।
প্রেমের সংজ্ঞা কে দিতে পার
আমিতো পারিনা মোটে,
তুমি যদি পারো বলনা আমায়
কপালেতে যদি জোটে।।

যতদিন যায় ততবেশী দেখি; নতুনের রং পেলব,
মানেনা কিছুই ঘর সংসার;

বিস্তারিত»

চারপত্র মুড়া – কুমিল্লা

ছোট একটি ইমারত, অন্য সব স্থাপনার তুলনায় চোখে পড়ার মতো নয় – অথচ এর মাঝেই লুকিয়ে ছিল অমূল্য সব তথ্য, ধূলো-মাটির পাজরে আকড়ে থাকা বাংলার এক অজানা ইতিহাস। স্থাপনাটি একটি মন্দির কিন্তু এর গঠন, স্থাপত্যশৈলী, ভূমি পরিকল্পনা ও আকার-আকৃতি বাঙলার সর্বজনীন মন্দির-স্থাপনার তুলনায় ভিন্নধর্মী। তাই বাংলাদেশের প্রত্ন-ইতিহাসের বিস্ময় জাগানিয়া এই মন্দির বেশ কয়েকটি কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ময়নামতি সেনানিবাসের ভিতরে ও ময়নামতি-লালমাই পাহাড় শ্রেণির উত্তরাংশে ১০.৬ মিটার উঁচু এক পাহাড়ের উপরে প্রাচীন বাঙলার এই মন্দিরটি অবস্থিত।

বিস্তারিত»