মুমিনুল হক- আরেকটি আক্ষেপের নাম??

বাংলাদেশ হারুক…
মিডল অর্ডার কলাপ্স করবে…
গো হারা হারার পর কোচ-সিলেক্টর শিক্ষা পাবে…

উপরের কথাগুলো অনলাইন বা অফলাইনে অনেকেই বলছেন। কেউ কি খেয়াল করেছেন কথাগুলোর মধ্যে কত বিশাল একটি শুভংকরের ফাঁকি রয়ে যাচ্ছে?

কী হবে যদি বাংলাদেশ জিতে যায়?
কী হবে যদি মিডল অর্ডার কলাপ্স না করে?
কী হবে যদি আমরা গো হারা না হারি?

তখন কি এটাই প্রমাণিত হবে না (আপনাদের যুক্তি অনুযায়ী) যে মুমিনুলের বাদ পড়াটা যৌক্তিক ছিল?

বিস্তারিত»

না ভারত; না পাকিস্তান

আমরা বাঙালিরা ক্রিকেটের জন্য পাগল। আর আমাদের সেই পাগলামির মাত্রা আরও বেড়ে যায় যখন আমাদের ছেলেরা অন্য কোন দেশের বিরুদ্ধে খেলতে নামে। আমাদের আবেগ তখন সব ধরনের যৌক্তিকতার সীমানা পেরিয়ে যায়। আমরা চাই প্রতিটি খেলাতেই যেন আমাদের ছেলে-মেয়েরা জিতে যায়। মাঝে-মাঝে মনে হয়, বোধহয় খেলা নয়, আমরা আমাদের দেশ বাংলাদেশের জন্য আবেগ প্রকাশ করি; খেলার সঙ্গে দেশাত্মবোধকে এক করে দিই। আমার দেশ জিতবেই; বাঙালি সবসময়ই জিতবে।

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে- তিন

মাঝরাতে একা হাটতে গিয়ে পুরনো পথে দেখা হলো।
“নীলা তুমি এখানে কেনো, এখন কেনো, একা কেনো?
সারাদিন তোমায় খুঁজি, কোথায় হারিয়ে গেছো?
একা সময় কাটে না, বসেই আছি কখন তোমায় দেখবো।”

নীলার সেই তীক্ষ্ণ চাহনী, যা বুকে তীরের মতো লাগে
হেসে ফেললো, “আমি কি আর সবার মাঝে আছি?
তুমি খোঁজ, একা খোঁজ, তোমার কাছে ধরা দেবার জন্য
এই পথে,

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – দুই

সারারাত ঘুম হয়নি নীলা। জেগেই আছি।

ক্লান্ত শরীর, যতবার বিছানায় গা এলিয়ে দেই
চোখ দুটো বারবার খুলে এক ঝটকায় খুলে যায়;
মনে হয় তুমি মাথার পাশে হবসে আছে
নরম হাত বুলাচ্ছো যেন দুদন্ড শান্তিতে ঘুমাতে পারি।

তোমায় পাশে সজাগ বসিয়ে কিভাবে ঘুম আসে?

এমন বিভ্রান্তের মত চোখ বুজে আসা ঘুম ভেঙে চলে,
নীলা তুমি পাশে নেই,

বিস্তারিত»

আমিও কি একজন ধর্ষক?

ধর্ষণ চলছেই। বিকৃত যৌনতা নিয়ে এ দেশের মেয়েদের অত্যাচার করেই চলেছে ছেলেরা। অনেকে আবার মানসিক বিকলাঙ্গতার প্রমাণ রেখে যাচ্ছে। এই বিকলাঙ্গতা পুরুষ হিসেবে মনের ভেতর প্রদাহের জন্ম দেয়, আক্রোশের জন্ম দেয়।
পত্রিকায় বেরিয়েছে যে একজন রাজনৈতিক কর্মী একজন ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছেন। শুধু ধর্ষণই করেননি, ব্যাপারটি ধামাচাপা দিতে মেয়েটিকে ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে দু’জনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেন।

বিস্তারিত»

আহ ক্রিকেট! আহ রোমান্টিকতা!!

(চৌ জাফরউল্লাহ শরাফত টোনে পড়তে হবে O:) )

-সুপ্রিয় দর্শকমণ্ডলী, জেমস এন্ডারসন প্রান্ত থেকে বল করতে আসছেন ইংল্যান্ডের নয়নমণি, ল্যাঙ্কাশায়ারের সোনার ছেলে, সুইং এর রাজা, সিম এর নবাব জেমস মাইকেল ‘জিমি’ এন্ডারসন!!
এ কী তেলেসমাতি! এ কী অভাবনীয় ব্যাপার! এ কী কাকতলীয় ব্যাপার!
বোলার এবং বোলিং প্রান্তের একই নাম!!

(পাশ থেকে, ফিসফিস করে)
-ভাই, তেলেসমাতি’র কিছু নেই। গত সপ্তাহে ল্যাঙ্কাশায়ার কর্তৃপক্ষ ওর নামেই এই নামকরণ করেছে।

বিস্তারিত»

বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা : কিছু ভাবনা

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খুব সাধারণ একটা অভিযোগ হল, এখানে যা শেখান হয়, বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগে খুবি কম। আর বাস্তব জীবনে যা কাজে লাগে, সেগুলো সবাই শেখে ঠেলায় পড়ে। কথারটার মধ্যে সত্যতা আছে বলেই মনে করি। আমার মতে এই ব্যাপারগুলো আমাদের স্কুল সিলেবাসে থাকা উচিত যেগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে-

রান্না ও পুষ্টি: সাধারণ রান্নার নিয়ম-কানুন জানা ও অভিজ্ঞতা থাকা সবারই দরকার।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড! (শেষ পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ ১০

২১।

নভেম্বর, ১৯৭১।

গত দুই দিন ধরে অনিক এবং ওদের দলের সবারই মন খুব প্রফুল্ল। এই মুহূর্তে ওরা গাংনির একটি স্কুল ঘরে অবস্থান নিয়েছে। ঘরটির অর্ধেকের বেশি গোলার আঘাতে বিধ্বস্ত হলেও ভেতরে কয়েকটি রুম অক্ষত আছে।

বিস্তারিত»

জীবনের জন্য ইন্টারনেট

বিশ্বব্যাংক গত বছর তাদের একটি গবেষণায় বলেছিল, বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষ এখনো ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। নব্বই ভাগ অর্থ প্রায় ১৫ কোটির কাছাকাছি। ওদিকে বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে ছয় কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এই দুই পরিসংখ্যান মিলছে না। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের গণনার পদ্ধতি ভিন্ন, মতামত ভিন্ন। এই ভিন্নতা কেন হচ্ছে তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে এটুকু আশা করা যায় যে এই দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে একটি চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত»

‘নতুন কাপড়’ আন্দোলন শুরু হোক

অনেক দিন আগের কথা। ১৯৭৭ সাল। আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার পর আরও এক ভাই ও দু’বোন। আমরা সবাই ছোট্ট শিশু তখন। ঈদ এলে আনন্দই ছিল অন্যরকম। বিশেষ করে ঈদের কাপড়। নতুন কাপড় পরার আশা আমাদের সবাইকে আচ্ছন্ন করে রাখতো। পাড়ার সব ছোট ছেলে-মেয়ের জন্য তাদের বাবা-মা রোজার সময়ই নতুন কাপড় কিনে আনতেন। বড়রা আমাদের জন্য কাপড় কিনছেন বা দর্জির কাছে তৈরি করাতে দিচ্ছেন, আর আমাদের মধ্যে আনন্দের নদী বয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (১০ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৯।

কামদেবপুর গ্রাম, মেহেরপুর মহকুমা।

পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যে কোন দিন আক্রমণ করতে পারে এই ভয়ে বেশিরভাগ পুরুষ মানুষই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা রয়ে গেছে, তাদের আসলে যাবার আর কোন জায়গা নেই কিংবা অন্যত্র সরে যাবার মতন শারীরিক সক্ষমতা নেই।

বিস্তারিত»

কাতার সোজা করেন, ভাইসব কাতার সোজা করেন …

ট্রাম্প সাহেবের মনে শান্তি নেই। চমকদার ভঙ্গিতে চটকদার সব কথাবার্তা বলে মার্কিন মুলুকের অর্ধেক আদমকে বেকুব বানিয়ে সাদাবাড়ীর চাবির দখল নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু কেউ তার “লীডারশীপ” কে যথাযথভাবে সন্মান দেয় না, কেয়ার করে না। এমনকি বিবি মেলানি ও কথা শোনেনা, লোকজনের সামনে ঝামটা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নেয়। বড়ই অসৌন্দর্য্য অবস্থা।

এরই মধ্যে একদিন উপদেষ্টাদের পরামর্শ অনুযায়ী মুসলিমদের সাথে “সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন” স্থাপন করার উদ্দেশ্যে তিনি স্থানীয় এক মসজিদে গেলেন।

বিস্তারিত»

#মাথায়_যত_চিন্তা_আসে

ফরিদ শুক্রবার ঘুম থেকে দেরী করে উঠলো। গ্রীষ্ম কাল, তাই জানালা খুলে ঘুমিয়েছিল। ভাল ঘুম হয়েছে। রাতে ট্যাব্ খুলে পড়তে-পড়তে ঘুমিয়ে গিয়েছিল। প্রায় ন’টার সময় ঘুম ভাঙ্গলো। ভেবেছিল চোখ মেলেই রৌদ্রকরজ্জল একটি সকাল দেখবে। নাহ! কেমন যেন একটি সন্ধ্যে-সন্ধ্যে ভাব। চোখ মুছে ঘড়ির দিকে তাকালো। হ্যা, ন’টাই বাজে। তাহলে?!

তার বিছানার ডান দিকে টেলিভিশন সেট। রিমোট দিয়ে চালিয়ে দেশী কয়েকটি চ্যানেলে কিছু না দেখে বিদেশী চ্যানেলে দাঁড়ালো।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (৯ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৭।

জুন, জুলাই এবং আগস্ট, ১৯৭১।

প্রশিক্ষণের প্রথম মাসে আক্ষরিক অর্থেই ওদের চোখের জল এবং নাকের জল এক হয়ে গেল। এতটা শারীরিক পরিশ্রম করার অভিজ্ঞতা ওদের বেশিরভাগই ছিল না, ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ল।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (৮ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৫।

দিলু মামার বাসা খুঁজে পেতে বেশি বেগ পেতে হল না।
বাবার নির্দেশমতো মহেশপুর বাস স্ট্যান্ডে নেমে কিছুটা হেঁটে ওরা শ্রীরামপুর বাজারে উপস্থিত হল। সেখানে এক বড় দোকানে জিজ্ঞাসা করতেই ওরা মামার বাসা দেখিয়ে দিল।

মামার বাসায় ওরা যখন উপস্থিত হল ততক্ষণে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে এসেছে।

বিস্তারিত»