মায়াবতী মেঘ

এক মায়াবতী মেঘ আমায় ছায়া দিয়েছিল,
হাওয়ায় ভেসে ভেসে আমার কাছে এসেছিল।
সে মেঘ আমায় কথার ছলে গল্প বলেছিল,
তার গল্প শুনে আমার চোখে স্বপ্ন ভেসেছিল।

মায়াবতী মেঘের বুকে অনেক কান্না জমা ছিল,
দেখতে পেলাম চোখ দুটো তার যখন ঝরেছিল।
যখন তৃষিত এক মরু বুকে তার অশ্রু পড়েছিল,
লক্ষ গোলাপ একটি রাতেই হঠাৎ ফুটেছিল!

ঢাকা
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

জীবনের পুল পুশ ফ্যাক্টরঃ

জীবনে আমার যেটুকু এগিয়ে যাওয়া, তার অধিকাংশই কোন না কোন পুল-পুশ ফ্যাক্টরের কারণে হয়েছে। কখনো কেউ একটু পুশ করেছে, কখনো কেউ একটু পুল করে নিয়েছে, আর মাঝে মাঝে কোন কিছুতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজেই সেলফ স্টার্টেড হয়ে সামনে দৌড়িয়েছি। সেখানেও কোন প্রণোদনা হয়তো পুশ করেছে, নয়তো পুল।

৩৩ বছর কলমের খাপটাকে বন্ধ রেখেছিলাম। দূরের বন্ধু (টেনিসি প্রবাসী) ড. হুমায়ুন কবির একবার নিজের লেখা কবিতার একটা লিঙ্ক পাঠিয়ে পড়তে বললেন।

বিস্তারিত»

যুদ্ধ এবং শৈশব

যুদ্ধ এবং শৈশব

“বালক হিসেবে আপনি যখন যুদ্ধে যাবেন তখন আপনার মধ্যে অমরত্বের মোহ কাজ করবে। অন্যরা নিহত হবে; কিন্তু আপনি নন…” – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

স্বাধিকার বা স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রামের অনিবার্য পরিণতিই যুদ্ধ। এটা পৃথিবীর আদিমতম সত্যগুলোর একটি। যুদ্ধের রকমফের যাই হোক না কেন, কোন দেশ বা জাতি বা নৃগোষ্ঠীই এই সত্যকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেনি। নিজেদের লুপ্ত অধিকার পুনঃঅর্জনের জন্য অথবা আপনার ওপরে জবরদস্তি করে চেপে বসা কাউকে প্রতিহত করবার জন্য যুদ্ধে আপনাকে অবতীর্ণ হতেই হয়।

বিস্তারিত»

জীবনের খসড়া খাতায়

ইচ্ছে হলেই সব কথা বলা যায় না। তবে না বললেও-
কিছু কিছু মনের কথা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে বাতাসে,
না বলা কথাগুলো মাঝে মাঝে ভেসে ওঠে চোখে মুখে।
যার শোনার, সে শুধু শুনেই যায়, মুখে কিছু বলে না।
যার দেখার, সে দেখে শুধু মনে মনে ছবি এঁকে যায়।

এ জীবনে অনেক কথা শুধু কল্পনায় বলা হয়ে থাকে।
অনেক কথা আমৃত্যু না বলাই থেকে যায় মনের মাঝে।

বিস্তারিত»

বইমেলার টুকিটাকি-৩

বই মেলার টুকিটাকি-৩

গতকাল ছিল “অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৭” এর শেষ দিন। বেলা একটার দিকে বন্ধু লুৎফুল কবীর মুঠোফোনে জিজ্ঞেস করলো, আমি তো তোমার স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে, কিন্তু তুমি কোথায়? আমি ততক্ষণে কাছাকাছি চলে এসেছি, শাহবাগ মোড়ে। বললাম, আর দশ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাব। কবীর এর আগে একদিন এসে আমার বই “প্রেমের একটি ফুল ফুটুক, শুষ্ক হৃদয়েই” এর একটি কপি কিনে নিয়ে গিয়েছিল। সে আমার অন লাইন লেখালেখির একজন আগ্রহী পাঠক।

বিস্তারিত»

তিনটে অণু কবিতা

চোখের সমুদ্র

তুমি একদিন সমুদ্র দেখতে চেয়েছিলে।
আমি বলেছিলাম, সে তো আমার চোখেই আছে।
তুমি বলেছিলে….
তোমার চোখ তো শুকনো, জল কই?
আমি বলেছিলাম….
চোখের সমুদ্র মনের দুরবীন দিয়ে দেখতে হয়!

ঢাকা
১৩ জানুয়ারী ২০১৭

কবি ও কবিতা

সে বলেছিল, সে কবি হতে চায়।
তুমি বলেছিলে, অন্তরে তুমি চাও
তার কবিতা হতে,

বিস্তারিত»

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনার কথা

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনা- আমার চিরদিনের প্রিয় বিষয়, ছোটবেলা থেকেই। প্রশ্ন আসতে পারে, ছোটবেলায় আবার প্রেমের কী বুঝতাম? তখন প্রেম বলতে বুঝতাম স্নেহ, আদর, ভালবাসা। মা যখন শীত আসার আগেই উলের বল আর উল বুননের কাঁটা যোগাড় করে রাখতেন, আর তাঁর স্বল্প অবসরে দিনের পর দিন ধরে উল বুনে আমাদের জন্য সোয়েটার, মাফলার ইত্যাদি বানিয়ে দিতেন, বুঝতাম সেটা ভালবাসা। গোসলের পর মাথা না আঁচড়িয়ে থাকতাম।

বিস্তারিত»

কবিতার পেছনে

কেউ ব্যথা পেয়ে কবি হয়,
কেউ শখ করে কবি হয়ে ব্যথা পায়।
কারো কবিতা মাঝপথে থেমে যায়, তখন
ফলহীন বৃক্ষের ন্যায় কবি শুধু দাঁড়িয়ে রয়।
আবার কারো কারো কবিতা ফল্গুধারার মত
অলক্ষ্যে নিশিদিন অন্তরে অন্তরে বয়ে যায়।

প্রেমের অনুভব ছাড়া কবি হওয়া যায়না,
ব্যথার দহনে পরিশুদ্ধ হয় কবির যাচনা।
কারো দু’টি মায়াবী চোখের অনন্য দৃষ্টি,
নীরবে করে যায় কত শত কবিতার সৃষ্টি!

বিস্তারিত»

হঠাৎ হাওয়ায় নির্বাপিত

হঠাৎ হাওয়ায় নির্বাপিত

২৯ ডিসেম্বর ২০১৬। অন্যান্য দিনের মতই সকালে ঘুম ভাঙ্গার পরেও একটা ঘুম ঘুম আমেজ নিয়ে কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়ে র’লো রুখসানা। বিছানায় শুয়ে শুয়েই স্মৃতির যাবর কাটতে থাকে। একদিন কত ব্যস্ত ছিল তার দিন! সেই সাত সকালে ঘুম থেকে ওঠা, বাচ্চাদেরকে স্কুলের জন্য তৈরী করা, স্বামী অফিস যাওয়ার আগে তার নাস্তাটা টেবিলে পরিবেশন করা, তারপর একে একে সবাই বেরিয়ে গেলে নিজের ঘর সংসারের কাজে মন দেয়া।

বিস্তারিত»

টলমল জল মোতির মালা দুলিছে ঝালর –পলকে!!!

ফযরের আযান শুনে নীলার ঘুম ভাংলো। উঠি উঠি করেও অভ্যেস বশতঃ কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়েই এপাশ ওপাশ করলো। তারপর গা ঝারা দিয়ে উঠে সে বিছানার পাশে দখিনের জানালার পর্দাটা সরিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ বাইরে তাকিয়ে থাকলো। দুই একজন মসজিদমুখী মুসল্লীর হেঁটে যাওয়া নির্বিকারভাবে তাকিয়ে দেখলো। জানালার কাঁচটা কিছুটা সরিয়ে দিয়ে নেটের ফ্রেমটা টেনে দিল। ঝিরঝিরে মৃদু সমীরণ শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছিল। নীলা ওযু করে এসে ফ্যানটা অফ করে দিয়ে নামাযে দাঁড়াল।

বিস্তারিত»

ছদ্ম প্রসন্নতা

14715564_10155447316495550_169904101754384933_o

করোটির ভেতরে রয়েছে এক বিষাদাশ্রম,
সেখানে গুমরে কাঁদে কত সব বিষাদের ছায়া।
অথচ মুখে আঁকা থাকে প্রসন্নতার সৌম্য ছবি
নিরন্তর বেদনার মাঝেও জ্বলে হাসির রবি।

এ কেমন বৈপরীত্য, হায়!
হৃদয়-করোটি জুড়ে থাকা এসব বিষন্নতা
বাহ্যিক হাসির আড়ালে সব ঢাকা পড়ে রয়!
বিষাদ বিভ্রমগুলো ক’জনাই বা দেখতে পায়?

কারো মুখে হাসি থাকা মানেই প্রসন্নতা নয়।

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাস্টিক বিস্ট এ্যান্ড হোয়ার টু ফাইন্ড দেম

বসুন্ধরা সিটির আট তলার ফুড কোর্টে বসে টুকটাক খাচ্ছিলাম আমি ও আমার বান্ধবী। বিভিন্ন কথার মাঝে হাসতে হাসতে জানালো গত বৃহস্পতিবার সপ্তাহান্তের বাড়ি যাবার সময় এবং আজকে ঢাকা আসবার সময় দুই বারই ট্রেনে ইভ টিজিং এর স্বীকার হয়েছে সে। মোটামুটি দুই বারই উত্তম জবাব দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে দুই পশুকে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ভাল মতন ধরলে না কেন? উত্তরটা আসলে বাস্তব সম্মত। ভিক্টিম ব্লেমিং ও শেমিং করা সমাজে বেশী ধরার চেষ্টা করলে উল্টো বলবে হয়রানি করা হচ্ছে।

বিস্তারিত»

কোন এক বজ্রাহত পথিকের প্রতি

ওহে বজ্রাহত পথিক, কান পেতে তুমি শোন,
জীবনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, কখনো ছিল না।
তুমি বাক হারিয়েছো? হতচকিত, দিশেহারা?
চক্ষুস্মান হয়েও দৃষ্টিহীন? ওঠো পথিক, ওঠো।
শিরদাঁড়া সোজা কর, ঋজু মনে এগিয়ে যাও।
দৃষ্টি মেলে ধরো সুদূর দিগন্তে আর উচ্চাকাশে।

উঠে দাঁড়াও, সম্মুখে এগিয়ে চলো দৃপ্ত পদযোগে।
শোন, ঝিরিঝিরি দখিনা বাতাস কী বলে তোমায়।
বলে, আমি উত্তরে যাচ্ছি,

বিস্তারিত»

গণমানুষের কবি Maya Angelou

আমেরিকান কবি ও প্রাবন্ধিক Maya Angelou ০৪ এপ্রিল ১৯২৮ তারিখে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইতে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর তার নাম রাখা হয়েছিলো Marguerite Ann Johnson। তিনি ছিলেন তার পিতা Bailey Johnson এবং মাতা Vivian (Baxter) Johnson এর দ্বিতীয় সন্তান। তার বাল্যজীবন ছিল সংঘাতময়, মাত্র তিন বছর বয়সে তার পিতামাতার বিবাহ ভেঙ্গে গেলে তার পিতা তাকে তার দাদী Annie Henderson এর কাছে পাঠিয়ে দেন। ১৭ বছর বয়সে তিনি California Labor School থেকে কলেজ শিক্ষা সমাপন করেন।

বিস্তারিত»

আমরা সবাই রাজা

লিজার্ড লগ পার্কে পৌঁছুতে মনে হলো কোন অলিম্পিক ভিলেজে এসেছি বুঝি। উনিশশো ছিয়ানব্বইতে আটলান্টা অলিম্পিকে বিভিন্ন ইভেন্ট দেখার পাশাপাশি ঘুরে ঘুরে শহরের সাজসজ্জা দেখেছিলাম। ইসিএফ অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত ক্যাডেটস ডে আউটের বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখে অলিম্পিকের পুরনো স্মৃতি ফিরে এলো মনে। পার্কে আমরা পৌঁছুতেই চারপাশের উৎসবমুখরতা চোখে পরে! এখানে শীতের শেষে গাছে গাছে নবীন পাতা আর রংবাহারী ফুলের মেলায় আলো ছড়াচ্ছে প্রিয় সব মুখ। ব্যানার, ফেস্টুন, বেলুন আর কলেজের পতাকায় বর্ণময় বসন্ত সকাল!

বিস্তারিত»