এক ফোঁটা জল

এক ফোঁটা জল,
সেটাও হতে পারে এক সমুদ্র অতল,
যদি সেটা ঝুলে কোন আঁখির পাতায়
হৃদয় মথিত কোন সূক্ষ্ম ব্যথায়।

কবিতা,স্বপ্ন, গান,ঝর্না বহমান,
নিভৃতে বিরহী হৃদয় রোরুদ্যমান,
সব কিছু মূর্ত হয় এক ফোঁটা জলে,
ইতিহাস ভেসে উঠে কত কথা বলে!

ইনানী সৈকত, কক্সবাজার
০৪ অক্টোবর ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

একদিন শুধু ছবি হয়ে যেতে হবে

যতই অনিচ্ছা থাক,
একদিন শুধু ছবি হয়ে যেতে হবে।
চলে যেতেই হবে, অমোঘ নিয়মে,
এক অনন্ত যাত্রাপথে, আদেশভুক্ত যাত্রী হয়ে।

কেউ যেতে চায় না, তবু যেতে হয়।
চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকতে সেই রেখাঙ্কিত সারিতে,
যেখানে ঘুমিয়ে থাকবে আরো অজানা অনেকে,
তবে কার পাশে কে ঘুমোবে, তা অজানাই রবে।

সব কিছুই থেকে যাবে। খোলা ধূলিমাখা ল্যাপটপ,
অগোছালো টেবিল,

বিস্তারিত»

প্রত্যুষের ভাবনা ও প্রার্থনা

আমরা সকলেই ঘুরছি।
বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের সবকিছুই নিজ আবর্তে ঘুরছে।
হে সকল গতির নিয়ন্ত্রক, তোমার আদেশে
এক নিমেষে সব গতিতে যতি নেমে আসে।
প্রতি অনুপলে কোন না কোন গতি থেমে যায়,
আবার প্রতি অনুপলে নতুন কোন গতি সৃষ্টি হয়।
হে মহাবিশ্বের অধিপতি,
নিশ্চয়ই তুমি সকল গতির মহানিয়ন্ত্রক!

তোমার আদেশেই কঠিন বাঁধন
এক নিমেষে ছিন্ন হয়,
আবার যোজন যোজন দূরের বস্তু
এক পলকে আবদ্ধ হয়।

বিস্তারিত»

ভাল থেকো পাখি তুমি

ভাল থেকো পাখি তুমি, ভাল থেকো।
আজীবন সুখে থেকো, আদরে আদরে।
ভালবাসায়, মমতায়,
স্নেহের বাঁধনে থেকো।
চোখের তারায় তারায় দুষ্টুমি নিয়ে থেকো,
টোল পড়া দুটি গালে হাসি নিয়ে থেকো।
যে তোমার দুষ্টুমিকে হাসিমুখে প্রশ্রয় দিবে,
এমন উদার লোকের কাছেই যেন চিরদিন থাকো!

উড়ে যাবার ঠিক আগে আগে,
তোমার কান্নার আওয়াজ এখনো আমার কানে বাজে।
তুমিহীন এ ঘরে ফিরে এসে আমি আর ঘুমোতে পারিনি,

বিস্তারিত»

আমার ব্যাটম্যানেরা

কিছুদিন আগে পোস্ট করা আমার “পিছু ফিরে দেখাঃ “কামিজ কা বাটন টুটেঁ হ্যায়”….” শীর্ষক একটা লেখা পড়ে জনৈক পাঠক মন্তব্য করেছেনঃ This is the first instance where somebody wrote about batman. তার এ মন্তব্যটা পড়ে ভাবছিলাম, সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন সময়ে ব্যাটম্যানরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ছিল। তাদের ক’জনার কথা আমি মনে রেখেছি?

আমি যখন ময়নামতি সেনানিবাসে (সবার উপরে ময়নামতি) জেন্টেলম্যান ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণরত ছিলাম,

বিস্তারিত»

রতন ও তার নায়িকা

১.

বর্গাকৃতির বিশাল পুকুরটার উত্তরে যে অংশটা বাঁধানো, তার ঠিক পাশেই বড় একটা জলপাই গাছ আছে। পরিণত দুপুরের নির্দিষ্ট একটা সময়ে গাছের ছায়া লাল মাটিতে এমনভাবে পড়ে যে, তাকে ঝাঁকড়া চুলের শীর্ণ কিশোর বলে ভ্রম হয়। ঠিক সেই ছায়া বরাবর হাঁ করে দাঁড়িয়ে এই গ্রামের এক কিশোর, রতন। শীর্ণ ঠিকই, তবে মাথার চুল ঝাঁকড়া নয়, ছোট করে কাটা। ছোটখাট কৃষ্ণগাত্র, পরনে ময়লা ধূসর হাফপ্যান্ট।

বিস্তারিত»

নতুন বই নিয়ে আলোচনাঃ বসন্তদিন

বই পরিচিতিঃ
বই এর নামঃ বসন্তদিন
বই এর ধরণঃ পত্রালাপে গল্প
লেখকের নামঃ বরুণা ও প্রতিফলন
প্রকাশকের নামঃ তারিকুল ইসলাম
এক্সেপশন পাবলিকেশন্স,
ডন প্লাজা, ১০ম তলা
৯, বঙ্গবন্ধু এভিন্যু, ঢাকা-১০০০
প্রচ্ছদঃ শায়মা হক
উৎসর্গঃ “বসন্তপ্রেমী মানুষগুলোকে”
প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
মূল্য: ১৭৫.০০ টাকা

অন্তর্জালের সুবাদে পৃথিবী আজ মানুষের শুধু হাতের মুঠোতেই নয়,

বিস্তারিত»

যা কিছু রচেছি প্রফুল্ল হিয়ায়

প্রভু,
উদরে উনুন জ্বালিয়ে রাখোনি,
মনে রাখোনি কোন জ্বালা,
করোটিতে নেই স্নায়বিক চাপ
শিরোপরি নেই ক্ষুব্ধ প্রতাপ
সাধ বশে তাই
সদা রচে যাই
প্রেমের পংক্তিমালা।

সকল প্রেমের উৎস তুমি,
সব কবিতার একই পটভূমি।
মনোসরোবরে যত ফুল ফোটে
জ্যোৎস্না কিংবা আঁধার রাতে
পদ্যে পদ্যে সেসব কথায়
হৃদয় কমল বিকশিত হয়।
যা কিছু রচেছি প্রফুল্ল হিয়ায়
পেয়েছি সবই তোমার দয়ায়।

বিস্তারিত»

ভয় পাই

ইদানীং আমি ভয় পাই-
যানজটকে, কারণ স্থবির যানে আমার নিঃশাস বন্ধ হয়ে আসে।
ভয় পাই অসময়ে আমার বাড়ীর কাছে রিক্সায় ঘোরা
কোন আগন্তুকের মাইকে উচ্চারিত নির্লিপ্ত ঘোষণাকে,
কারণ অনেক চেনা মুখের চিরপ্রস্থান আমাকে ব্যাথিত করে।

আমি আরো ভয় পাই-
যখন প্রবাসী কোন স্বজনের দেশে ফেরার কথা শুনি,
কারণ, ইদানীং পর পর কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, যখন
পরিচিত প্রবাসীর লাগেজ এসেছে,

বিস্তারিত»

ছবি কেবলই ছবি

কোন কোন ছবি বেশ অবলীলায়
একশ’ একটা গল্প বলে যায়।
তবু, ছবি শুধুই ছবি।
ছবিকে নির্নিমেষ দেখা যায়,
পরখ করা যায়,
স্পর্শ করা যায়,
ছবিকে নিয়ে অনুক্ষণ ভাবাও যায়
তবে ছবির সাথে গল্প করা যায় না!

বিস্তারিত»

পাখির কথা

পাখি তোমার আঁখি কেন করছে ছলোছল?
কোথায় গেল তোমার ঠোটের হাসিটা নির্মল?
তোমার ঘরে তারা এনে দূর আকাশের ঐ,
পাখি তোমার মানিক রতন সঙ্গী গেলো কই?

রূপার বরণ পালক তোমার সোনার বরণ ঠোঁট,
কন্ঠে তোমার যাদুর বাঁশী, চক্ষে মেঘের জোট।
পাখি তোমায় আধার দেবার মানুষ গেল কই?
নিজের আধার, ছানার আধার খুঁজতে কী কষ্টই!

বিস্তারিত»

পিছু ফিরে দেখাঃ “কামিজ কা বাটন টুটেঁ হ্যায়”….

১৯৭৫ সালের শেষের ক’টা দিন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সদ্য কমিশন লাভ করে ঢাকার একটা ইউনিটে যোগদান করেছি। পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসারদের দেশে ফিরিয়ে আনাতে তখন আবাসন সংকট চলছিল। জরুরী ভিত্তিতে আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য তখন সেনানিবাসের এখানে সেখানে “রূপসা” প্রকল্পের অধীনে কিছু ব্যাচেলর অফিসার্স কোয়ার্টার্স (বিওকিউ) তৈরী করা হয়েছিল। সদ্য বিবাহিত কিংবা ছোট পরিবারের জন্য দুই কক্ষ বিশিষ্ট কিছু ম্যারেড অফিসার্স কোয়ার্টার্সও নির্মিত হয়েছিল। ইটের হাল্কা গাঁথুনী,

বিস্তারিত»

যুদ্ধ এবং শৈশব

যুদ্ধ এবং শৈশব

“দেয়ালির আলো মেখে নক্ষত্র গিয়েছে পুড়ে কাল সারারাত
কাল সারারাত তার পাখা ঝ’রে পড়েছে বাতাসে
চরের বালিতে তাকে চিকিচিকি মাছের মতন মনে হয়
মনে হয় হৃদয়ের আলো পেলে সে উজ্জ্বল হ’তো ।“ – শক্তি চট্টোপাধ্যায়

শান্তির সময়ে শিশুদের বয়স দ্রুত বাড়েনা। অর্থাৎ এই মন্থর সময়ে তাদের মানসিক বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্য নয়। তবে যুদ্ধ বা দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি আপদকালীন সময়ে তাদের মানসিক বৃদ্ধি খেয়াল করবার মতন।

বিস্তারিত»

অনুবাদ কবিতাঃ সন্তানদের নিয়ে

তোমার সন্তানেরা তোমার নয়।
তারা জীবনের সন্তান, জীবনের আকুল আত্ম-আকাঙ্ক্ষা প্রসূত।
ওরা তোমার আত্মজ, কিন্তু তুমি ওদের উৎস নও,
যদিও ওরা তোমার সাথেই থাকে, তবুও ওরা তোমার স্বত্বাধীন নয়।

তুমি ওদের ভালবাসা দিতে পারো, কিন্তু ভাবনা নয়,
কারণ ওদের নিজস্ব ভাবনা রয়েছে।
তুমি ওদের দেহকে গৃহে রাখতে পারো, কিন্তু আত্মাকে নয়,
ভাবীতে ওদের আত্মার বসত,
যা তোমার অধিগম্য নয়,

বিস্তারিত»

অপার্থিব ইচ্ছেগুলো…

আমি এমন একটা শান্তির দেশে যেতে চাই,
যেখানে উচ্চঃস্বরে কেউ কোন কথা বলেনা,
কেউ উল্টো পথ ধরে আসা যাওয়া করে না।
যেখানে পাখিরা নির্ভয়ে উড়ে যেতে পারে
ব্যস্ত বেখেয়াল মানুষের মাথার ওপর দিয়ে,
একান্তে বলে যেতে পারে তাদের মনের কথা।

একদিন কোন এক নির্জন গিরি চূড়ায় উঠে
পাখির চোখে আমি পৃথিবীটাকে দেখতে চাই।
সে পাহাড়ের বুক চিরে এক আনমনা বহমান
উচ্ছ্বল ঝর্ণা নেচে যাবে তার আপন খেয়ালে।

বিস্তারিত»