দিনলিপিঃ আলো’র বাড়ি যাবো

পশ্চিমে জন্মালে মিলি আপার নিজের টিভি শো থাকতো, একটা দুটো ম্যাগাজিন থাকতো ওপরাহ উইনফ্রির মতো, বাড়ীর পেছনে অর্গানিক ভেজি গার্ডেন থাকতো আর প্রতি বৃহস্পতিবার রেড বেল পেপার আর ব্রাসেলস স্প্রাউটের ঝুড়ি হাতে ফটো শুট করতেন তার ফেইসবুক ফ্যানদের জন্য! কিন্তু আপা পূর্বে জন্মেছেন যেখানে রান্নাবান্না করে ঠিক জাতে ওঠা যায়না, আর মনি কাঞ্চনের কথা নাইবা বললাম এখানে!

আগের দিনে পালকি পাঠিয়ে নাইওরী নিতো গ্রামের বাড়ি আর এখন কেউ ভালবাসলে নিজেই ঘন্টাখানিক ড্রাইভ করে এসে চ্যাংদোলা করে সাথে নিয়ে যান।

বিস্তারিত»

মকবুল স্যার বাঁচবেন, আবার ফিরবেন আমাদের মাঝে

ফেসবুকে Reza Shawon ভাইয়ের লেখা পড়ে আমারো একটা ঘটনা মনে পরে গেল।

ক্লাস ৯ অথবা ১০ এর কথা। আমাদের B ফর্মে সেদিন ছিল ভূগোল ক্লাস। আমরা মোটামুটি সবাই বিরক্ত এই ক্লাস নিয়ে। কারণ, ভূগোল অনেক মুখস্ত টাইপের পড়া। কোন দেশ কোথায়, কোন অঞ্চলে আম গাছ, আর কোথায় বাঁশ গাছ বেশি পাওয়া যায়, এসবের বিস্তারিত বর্ণনা। আফ্রিকাতে “রকি” মাউন্টেন, নাকি “কিলিমাঞ্জারো” এই নিয়ে আমাদের কেন এত মাথাব্যথা করতে হবে তা বুঝতাম না।

বিস্তারিত»

আন্সারুল্লা বাংলা টিমের জন্য সহানুভূতি

( আমার জীবনের সবচেয়ে অশ্লীল লেখা। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। গালাগালি যত খুশি দিবেন দেন, আর কোপাইতে মঞ্চাইলে ডাইরেক্ট হালাহ পন্থায় জবাই দিয়া দিয়েন, কোপাকুপি এখন ব্যাকডেটেড হয়ে গেছে। শুঞ্ছি হালাহ পন্থায় জবাই করা প্রানী সুজা বেস্তে যায়! আমার আবার হুর নিয়া মাস্তি করনের অনেক শখ! আর কিছু বানান ভুল ইচ্ছাকৃত)

অভিজিৎদাকে যখন কোপানো হচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে আমি খুব বেশী দুরে না, যদিও তার কিছুই আমি তখনো জানিনা।

বিস্তারিত»

শেষ ক’টি মুহূর্তের অভিজিৎ

ধুয়ে মুছে তৈরি হয়েছে তলোয়ার
সেজেগুজে গুঁজে গেছে কোমরে —
চারপায়ে তখন খুরের ধ্বনি,
মোবাইল বেজে উঠেছে
দিক আর নির্দেশ নিয়ে;
কীবোর্ডে অগুনতি ফলোয়ার
চাপাতি-কোপ দেবার জন্যে
নিয়ে নিচ্ছে দম

কেবল বইমেলার ধুলো পেয়েছিল টের
সেকেন্ড আগে ঢের
ওদের পা জড়িয়ে ছিল
ইনিয়ে বিনিয়ে
চেয়েছিল
আরেকটু দেরি হোক
কুশলাদি আর অটোগ্রাফ চেয়ে
আরো আসুক লোক
আরেকটু আটকে থাক
অভিজিৎ আর বন্যা

অথচ ধুলোর চেয়ে বেশি কে জানে
তা তো হবার না

এমন কি বইগুলো সব
পাতায় পাতায় অস্থির খসখস
বারংবার,

বিস্তারিত»

জে সুইস অভিজিৎ-আমিই অভিজিৎ

গতকাল দুপুরে ভরপেট খেলাম। খেতে খেতে খাবারের কিছু ছবিও পোষ্ট করলাম। ফেসবুকে ঢুকে দেখি প্রিয় লেখক/ব্লগার অভিজিৎ রায় বিডি নিউজে তার একটা লেখা দিয়েছেন “কেনো কোন কিছু থাকার বদলে কিছু আছে” শিরোনামে। খেতে খেতেই কিছু অংশ পড়লাম। লেখাটিতে লাইক দিলাম। খেয়ে দেয়ে একটা ভাতঘুম টাইপ দিলাম (যদিও ভাত ছিলো না মেনুতে)।

আমাদের ব্যাচের ছেলেপেলে এই তো কদিন আগে হোয়াটস এপে একটা গ্রুপ খুলেছে।

বিস্তারিত»

এ টি এম শামসুজ্জামান ও কয়েকটি প্রশ্ন

এটিএম শামসুজ্জামান এর জন্ম ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৪০ সালে। অভিনয়জীবন ৫৩ বছর। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার হিসাবে পরিচিত আবু তোরাব মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বা এ টি এম শামসুজ্জামান বা শুধুই এ টি এম। গ্রাম্য বদ মাতব্বর বা দুষ্ট কুচুটে চরিত্র হিসাবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি অনেকটা মাইলফলক করে ফেলেছেন। উপরোক্ত চরিত্র মাথায় আসলেই প্রথমেই মনে আসে এ টি এমের কথা।

যদিও তিনি চলচ্চিত্রে ১ম কাজ করেন পরিচালক উদয়ন চৌধূরির বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ১৯৬১ সালে। 

বিস্তারিত»

মহান বিজয়ের দিনে আমার মিশ্র অনুভুতি; প্রসঙ্গঃ ইসিএফ-এর প্রথম এক্সজিভিএল

ডিস্ক্লেইমারঃ আজ ঘন্টা দুয়েক আগে এই লেখাটা আমি ইসিএফ (এক্স-ক্যাডেটস ফোরাম)-এর ফেসবুক পেইজে দিয়েছিলাম। অনলাইনে আমার লেখালেখি কেবল সিসিবিতেই। এই প্রথম এমনটা হলো যে মনে কিছু মিশ্র অনুভুতি হয়েছে কিন্তু সিসিবিতে সেটা প্রকাশ করিনি। তাই লেখাটাকে প্রাসঙ্গিক ভাবে কিছুটা এডিট করে এখানে আবার পোস্ট দিলাম। তবে যেহেতু আজকেই ইসিএফ আয়োজিত প্রথম এক্সজিভিএল (এক্স গার্লস ক্যাডেটস ভলিবল লীগ) অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, তাই সঙ্গত কারনেই আমার অনুভুতি আমি ইসিএফ-এই প্রথম শেয়ার করেছিলাম।

বিস্তারিত»

সুলতানের স্কেচ বুক

sm-sultan-5

এস এম সুলতান বা লাল মিয়া আমাদের সমাজের আর দশজনের চোখে পাগল ছিলেন বলা যায়। মেয়েদের মতো শাড়ি পড়তেন, কখনো বাঁশি বাজাতে বাজাতে ছুটতেন অজানায়, কখনো ঢাকার বুড়িগঙ্গার দিকে। ছোট চুলের কোন ছবি দেখি নি সুলতানের। হয়তো একই সাথে তিনি ছিলেন কৃষ্ণ আবার রাঁধা। স্যুট কোট, ক্যাডিলাক, পশ্চিমের আরাম-আয়েশ ছেড়ে অজ পাড়া গায়ে গিয়ে থাকা সহজ ব্যাপার নয়। সুলতান হয়তো পেরেছিলেন কারণ তিনি এই মাটিরই সন্তান ছিলেন।

বিস্তারিত»

আমাদের লাল মিয়া

এস এম সুলতান

S M Sultan - Self-portrait

(শিল্পীর আঁকা আত্মপ্রতিকৃতি)

বাংলাপিডিয়ায় সুলতানের জীবনীর লেখক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম লিখেছেন:

” তাঁর কাছে অবয়বধর্মিতাই প্রধান। তিনি আধুনিক, বিমূর্ত শিল্পের চর্চা করেননি; তাঁর আধুনিকতা ছিলো জীবনের শাশ্বত বোধ ও শিকড়ের প্রতিষ্ঠা করা। তিনি ফর্মের নিরীক্ষাকে গুরুত্ব দেননি, দিয়েছেন মানুষের ভেতরের শক্তির উত্থানকে, ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এবং ঔপনিবেশিক সংগ্রামের নানা প্রকাশকে তিনি সময়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপস্থাপন করেছেন।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
দুঃসহ এ বেদনার কণ্টক পথ বেয়ে
শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে
মুক্তির এ বারতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
কৃষাণ-কৃষাণীর গানে গানে
পদ্মা-মেঘনার কলতানে
বাউলের একতারাতে
আনন্দ ঝংকারে
তোমাদের নাম ঝংকৃত হবে।

বিস্তারিত»

এলাহী বক্স

[একজন সফল মানুষের গল্প]

১৯৭১ সালে বাবার মৃত্যুর পর খুব বিপদে পড়ে যান এলাহী বক্স। বাধ্য হয়ে তারা তিন ভাই সরকারী এতিম খানায় ভর্তি হন। ১৯৭২ সালে দেশব্যাপী এধরণের সমস্যাগ্রস্তদের কল্যাণে সরকার অনেকগুলো এতিম খানা প্রতিষ্ঠা করে। রাজশাহী জেলাতে এতিমখানাটি ছিলো পুঠিয়াতে। পুঠিয়া রাজবাড়ির একটা দোতলা ভবনে। এতিমখানাটি পরে রাজশাহীর বায়াতে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নাম- সরকারী শিশু সদন, বায়া, রাজশাহী।

সরকারী এতিমখানায় ১৮ বা তদুর্ধ বয়স্কদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজে পুনর্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিস্তারিত»

একজন শহীদের কথা

Humayun Ahmed

হুমায়ূন আহমেদ আমার কাছে একজন মিশ্র মানুষ। তার ছোটগল্প যতটা ভালো লাগে উপন্যাস ততটা লাগে না। কিছু কবিতাও তিনি লেখার চেষ্টা করেছেন ; ভালো লাগেনি। তবে তিনি কবিতা, পূর্ণিমা, বৃষ্টি, নদী, নৌকা পছন্দ করতেন এরকম প্রমাণ তার লেখা থেকে পাওয়া যায়।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ আগেই লিখেছিলেন। অনীল বাগচীর একদিন, ১৯৭১, সূর্যের দিন, আগুনের পরশমণি,

বিস্তারিত»

আরেকজন হুমায়ূন

humayunahmed-1

হুমায়ূন আহমেদ । বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নাম । প্রিয় অথবা অপ্রিয় যেটাই হোক না কেন, এ যাবত কালের সবচাইতে প্রভাবশালী লেখক। যার কলমের কয়েকটি আকিবুকিই অসংখ্য বই পড়ুয়া তৈরী করেছে। আমিও তাদের মধ্যে একজন।।
আমি মানি উনার লেখার গভীরতা তেমন ছিল না । পরবর্তীতে অন্যান্য লেখকের বই পড়ে মনে হয়েছে, হাতে গোনা কয়েকটা বই বাদে হুমায়ূন আহমেদ এর ভালো বই নেই বললেই চলে ।

বিস্তারিত»

কোথায় পাবো এমন মানুষ!

দিনটা এমনভাবে শুরু হবে ভাবিনি। মোবাইল নিঃশব্দ করে ঘুমাই। আজ জেগে উঠেই দুঃসংবাদ নিয়ে আসা সুকান্ত গুপ্ত অলকের ক্ষুদে বার্তাটি পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। বেনজির ভাই নেই! মুহূর্তের জন্যও কিছুতেই বাস্তবটা মাথা থেকে সরাতে পারছি না, বেনজির আহমেদ আসলেই আর নেই।

প্রথম পরিচয় কবে? মনে নেই। রাজনীতি করতেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ ও কমিউনিস্ট পার্টি’র (সিপিবি) সবার সঙ্গে ঘণিষ্ট ছিলেন। আশির দশকে সচিত্র সন্ধানী অথবা একতা’র সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে পরিচয় হয়েছিল।

বিস্তারিত»

চট্টগ্রাম আর্টস্ কমপ্লেক্স: শুধু স্বপ্ন নয়

[স্বপ্ন সবাই কমবেশি দেখেন। কিন্তু কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখে থেমে যান না, তারা এ নিয়ে কথা বলেন, এগিয়ে যান এবং স্বপ্নকে বাস্তবে নিয়ে আসেন। আলম খোরশেদ ভাই তেমন একজন মানুষ। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে আমাদের সিনিয়র ভাই। প্রকৌশলে উচ্চশিক্ষা নিলেও তার মনপ্রাণ জুড়ে আছে শিল্প-সাহিত্য চর্চা। দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়ে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রামে গড়ে তুলেছেন সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র “বিশদ বাঙলা”। কিন্তু তার স্বপ্ন আরো বড়, এবার চট্টগ্রামেই গড়ে তুলতে যাচ্ছেন “আর্টস্ কমপ্লেক্স”।

বিস্তারিত»