কালো মানুষ, মানুষ

নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা (জোজা উচ্চারণ: [xoˈliːɬaɬa manˈdeːla]; জন্ম: জুলাই ১৮, ১৯১৮ - ডিসেম্বর ৫, ২০১৩) ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকারগণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৯৪ হতে ১৯৯৯ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগঠন উমখন্তো উই সিযওয়ের নেতা হিসাবে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৬২ সালে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে ও অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। এর অধিকাংশ সময়ই তিনি ছিলেন রবেন দ্বীপে। ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি তিনি কারামুক্ত হন। এর পর তিনি তাঁর দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকারের সাথে শান্তি আলোচনায় অংশ নেন। এর ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটে এবং সব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৯৪ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যান্ডেলা তাঁর গোত্রের দেয়া মাদিবা নামে পরিচিত।
গত চার দশকে ম্যান্ডেলা ২৫০টিরও অধিক পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৯৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার। তাছাড়াও তিনি ১৯৮৮ সালে শাখারভ পুরস্কারের অভিষেক পুরস্কারটি যৌথভাবে অর্জন করেন। (সূত্রঃ উইকি )

170px-Young_Mandela১৯৩৭ সালে মাদিবা।

 

বিস্তারিত»

মন রে, তুই মুক্ত হবি কবে? (১)

আমাদের বাড়ী জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার একটা গ্রামে। আপনারা অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে হিন্দুদের সংখ্যাধিক্যের কথা। স্বাধীনতার আগে তারাই প্রধান ছিল, কি ব্যবসায়, কি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে, কি রাজনীতিতে। আমাদের গ্রামের পাড়াগুলোর নাম শুনলেও এটা বোঝা যাবে- ঘোষপাড়া, গোয়ালপাড়া, মালিপাড়া, দাসপাড়া, সাহাপাড়া, কৃষ্ণনগর, ইত্যাদি। বর্তমানে কোন পাড়াতে চার/পাঁচ ঘরের বেশি হিন্দু নেই, অধিকাংশই মুসলমান অধিবাসী। এখন সেসব পাড়ায় গেলে বোঝার উপায় নেই যে,

বিস্তারিত»

হেলাল হাফিজের কবিতা ওড়না: কিছু বিতর্ক এবং আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি

হেলাল হাফিজ অতিসাম্প্রতিক কালে আবার কবিতা লিখছেন। কবির পয়ষট্টিতম জন্মদিন উপলক্ষে যুগান্তরের সাহিত্য পাতায় তিনটি কবিতা ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কবিতার নাম ওড়না। বলাবাহুল্য কবির সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা এর আগে বহু লেখায় উল্লেখ করেছি। সেই সূত্রে এই কবিতাটির প্রসব বেদনায় যখন কবি ছটফট করছেন তখন আমি কবির সাথে ছিলাম। প্রায়ই তিনি অনুভূতিহীন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কবিরা একটু অন্যমনস্ক,অগোছালো থাকবে এটাই নিয়ম হলেও কবি হেলাল হাফিজ অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ। তাঁর হোটেলের রুম,বিছানা,লকার তিনি সবসময় গুছিয়ে রাখেন। যতবার আমি তাঁর সাথে রাতে থেকেছি তিনি যথেষ্ট যত্ন তো নিয়েছেনই বরং যদি ভুল ক্রমে কখনো তাঁর পোশাকের সাথে আমার পোশাক মিলে যেত অথবা আমি কোন জিনিস অগোছালো করে রাখতাম পরক্ষণেই তিনি আবার তা গুছিয়ে রাখতে বলতেন। প্রতিবার আসার সময় তিনি গামছা অথবা তোয়ালে নিয়ে যেতে বলতেন এবং কখনোই নিজের গামছা অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিতেন না। যাহোক একবার তাঁকে উদাসীন ও অন্যমনস্ক দেখে জিজ্ঞেস করি,

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!

সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,

বিস্তারিত»

লেসন ফ্রম ক্যাডেট কলেজ

১) মোজা না ধুয়ে এক সপ্তাহ পরলে বাজে গন্ধ ছড়ায়। না ধুয়ে এক মাস পরলে গন্ধ থাকে না। প্রায় প্লাস্টিক হয়ে যাওয়া সেই মোজা ব্যবহার করে খুব আরাম। এতে পোলাও এর হালকা সুবাস থাকে।

২) সাদা কাপড় থেকে সব ধরণের ময়লা দাগ দূর করা সম্ভব, শুধু সবুজ ঘাসের ঘষটে যাওয়া দাগ তুলে ফেলা সম্ভব না।

৩) ব্যাচেলর জীবনে সবচেয়ে অনাদরের জিনিসের নাম হ্যাঙ্গার। তবে এক মাস ধরে জমানো ময়লা কাপড় ধোয়ার আগে বালতিতে ডিটারজেন্ট গোলানোর কাজে এর ব্যবহার বহুল প্রচলিত।

৪) ঘরের বাইরে যাই হোক না কেন,

বিস্তারিত»

তুর্কী জাতিকে নিয়ে কিছু কথা…

শুনেছি স্বপ্ন নিয়ে মানুষ নাকি বেঁচে থাকে। জীবনের চলার পথে স্বপ্ন নাকি মানুষের এক অপরিহার্য সহযোগী।যুগে যুগে মানুষ স্বপ্নের রকমফের করেছে। পরিবর্তন করেছে স্বপ্নের সংজ্ঞাকে। শুনেছি কেউ কেউ নাকি স্বপ্নকে আশা বলে ব্যক্ত করতেই পছন্দ করেন। তো সেই রকম কত স্বপ্নই না আমরা দেখে থাকি জীবনে। বিশেষত একজন বাঙ্গালীর স্বপ্ন দেখার সংজ্ঞাটা এবং পরিধিটা বেশ বড়। কথায় বলে বাঙ্গালী নাকি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে। আর ১৮ বছর বয়সের এক যুবক তরুণের ক্ষেত্রে সেই স্বপ্নটা অনেকটাই অতিমাত্রায় রঙ্গিন। স্বভাবগতভাবেই কলেজ জীবনের শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল দুয়ারে নিজেকে কল্পনাতেই ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে সেই বয়সের স্বপ্নগুলো।সেই রকম কোন এক স্বপ্নের তাড়নায় আমার আগমন ঘটেছিল ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ৮ তারিখে এই তুরস্কে। কেটে গেছে প্রায় ৫ টি বছর। দেখেছি অনেক ঘটনা। হয়েছে ছোটখাট অনেক অভিজ্ঞতা। আজ তাঁরই আলোকে তুর্কী জাতিদের নিয়ে কিছু আলোকপাত করব।যদি কেউ কখনও তুরস্কতে বেড়াতে আসেন আশা করি তার কাজে দেবে।

প্রথমত জাতিগত ভাবে এরা গোঁয়ার এটা আমি আগে অনেকবার বলেছি। আজকে যেটা বলব সেটা হল এরা জাতিগতভাবে পুরাই চাপাবাজ। সরকার থেকে শুরু করে সবাই বিশাল মাপের চাপাবাজ। অর্থাৎ আগে মুখ তার পর অন্য কথা। যখন যা মন চায় সেটা বসায়ে দেয়ার প্রচেষ্টায় লিপ্ত। আপনি হয়ত শুনে থাকবেন কিংবা পড়ে থাকবেন যে এরা নাকি জাতিগতভাবে খুব অতিথিপরায়ণ।হ্যাঁ সেটা সত্যি তবে সেটা ক্ষণিকের জন্যে। কেননা আপনার কাছ থেকে ফায়দাখানা ক্ষণিক সময়ের মাঝে সে তুলে নেবে। আর হ্যাঁ বাঙ্গালী ভাই অথবা বোনদের জন্যে বলছি তুরকিদের ভাষায় বিদেশী হল আমেরিকা কানাডা কিংবা ইউরোপের লোকজন।আর ভাই ের জাতি হল পাকিস্তান আফগানিস্তান তুর্কমেনিস্তান সহ অন্যান্য জাতিরা। বন্ধু মহলের মধ্যে পড়ে ভারত রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশ গুলো। তাহলে আমরা বাঙ্গালীরা কই গেলাম। আমরা বাঙ্গালীরা তাদের ভাষায় উদ্বাস্তু টাইপের। অর্থাৎ তারা আমাদেরকে অনেকটা দয়ার চোখে দেখেন। সে ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি যে কখনও বেড়াতে এসে কোন তুর্কীকে একেবারেই পাত্তা দিবেন না। কেননা এতে করে তারা অনেকটা রাজার বানরের মত হয়ে যায়। পড়ে নামাতে গেলে অনেক ঝামেলার শিকার হতে হয়।আর একটা কথা যে তুর্কী জাতিরা নিজেদের অনেকটা বীর ভাবে। বীর ভাবা ভালো কিন্তু মাথা মোটা যে তারা সেটা তারা মানতেই চায় না। আর আমি তাদের কে চাপাবাজের উপাধি দিয়েছি এই কারণে যে তারা পারুক আর না পারুক তারা সব সময় বলবে তারা পারবেই। পড়ে যদি সেটি না হয় তাহলে সেটা পরের ব্যাপার। তাদের এই চাপাবাজিটা আমি একটা ইতিবাচক দিক বলে মনে করি। কেননা এই চাপার জোরেই তাদের উন্নতি।একটা সাধারণ ব্যাপার বলি আপনি যদি কোন কিছু নাও জানেন কিংবা কোন বিষয়ে আপনার ধারনা নাও থাকে আপনি কিন্তু অল্প কিছুদিনের চেষ্টায় নিজেকে ওই বিষয়ে পারদর্শী করে তুলতে পারবেন।সেক্ষেত্রে আপনার এই চাপাবাজিটা আপনাকে কোন কাজ পেতে অনেক সাহায্য করবে মনে করি আমি।  তুর্কীদের আর একটা ব্যাপার নিয়ে আমি বলি। সেটা হল যে এরা নিজেদের মাশাল্লাহ সেই মাপের মুসলমান দাবি করে। আমার এক্ষেত্রে কোন প্রবলেম নীই কিন্তু সমস্যাটা তখনি তৈরি হয় যখন এরা আমাদের দেশে আমরা এতোগুলো ধর্মের লোকজন কিভাবে মিলেমিশে থাকি সেটা নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলে।তুর্কীদের ভাষায় অন্ন ধর্মের লোকেদের সাথে থাকা নাকি খুবই বিরক্তিকর ব্যাপার। সে ক্ষেত্রে আমি সচরাচর প্রায়ই এই প্রস্নের পাল্টা একটা প্রশ্ন করে থাকি যে তুমি আমাদের ব্যাপারে কথা বলার আগেয় তোমার নিজেদের দেশে কি একবার দেখেছ। তমাদের দেশে যেখানে মাথায় ঘোমটা দিয়ে মহিলারা  হাঁটুর উপরেস্কার্ট পড়ে ঘুরে বেরায় আর সমানে বিড়ি ফুকায় সেখানে তোমার কি আমাদের দেশের লোকজনের ধরম পালন নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত। আগে ঘর তবেই না পর। যেখানে তোমার নিজেরই ঠিক নাই তোমার দেশের মেয়েদের মাঝে ঘোমটা নিজে ঝগড়া বাঁধে প্রায়ই সেখানে ভাই তুমি কেন আমার দেশের এতো গুলো ধর্ম যেখানে মিলেমিশে থাকে তাদের নিয়ে প্রশ্ন তোল…একটা ছোট্ট কথা বলি তুর্কীদের সম্মন্ধে।আপনি যদি কোন তুর্কী কে জায়গাতেই পাল্টা প্রশ্ন করেন তাহলে তুর্কীরা অনেকটা গ্যাসযুক্ত বেলুন থেকে গ্যাসবিহিন বেলুনে পরিণত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনি যেখানেই তাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন না কেন তারা যদি আপনাকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় তাহলে তাদেরকে আপনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিন। দেখবেন মামলা ধিসমিস।তুর্কীদের সম্মন্ধে শেষে একটা ছোট উক্তি করি

যত গর্জে তত নাকি বর্ষে না। এরা এমনই এক জাতি যারা সাড়া জীবন গর্জাইতেই থাকে কিন্তু বর্ষানোর আর টাইম পায় না…

বিস্তারিত»

রেট্রো টু রামাদান – ১

 

ক) “নামায পারলো, সাহরী খালো। ভাইয়ো – নামায পারলো, সাহরী খালো।”

আমার কানে এখনো বেজে ওঠে সেই ভাঙ্গাচোরা বিহারী দারোয়ানটার কন্ঠ। সারা লালখানবাজার এলাকায় হয়ত একাই ডেকে ডেকে সবাইকে ওঠাতো। আমি তাকে কখনও দেখিনি। আমি শুধু তাকে শুনেছি। শুনেছি তার হাতের ঝুনঝুন লাঠির আওয়াজ – দুমদাম করে গেইটে বারি দিত। আর সবাইকে চেঁচিয়ে বলত –

“নামায পারলো, সাহরী খালো। ভাইয়ো –

বিস্তারিত»

পূর্ণতা…!!!

আচ্ছা খুব সুখের সময় গুলো সত্যিই অসাধারণ হয়,তাই না?ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ গুলো কখনো কখনো খুব পাশবিক হয়? পাশবিক কি পশুর সাথে যুক্ত কিছু? খুব খারাপ না?

সুখ নামের ছোট্ট শব্দ টির খুব করুন সময় যাচ্ছে না?কেউ কি আমাকে বলে যেতে পারবে যে ভালোবাসা বা প্রেম কি?আচ্ছা শারীরিক আকর্ষণ কে কি ভালোবাসার রোমান্টিক রূপ বলি আমরা?কে জানে।কেউ কি জানে যে ছোট বেলা থেকে যে মানসিক সমস্যা নিয়ে বেড়ে উঠেছি সেটা একটা সময় খুব জটিল ছিল।দেখতাম চারপাশ টা রঙ,আমি ছুঁতে গেলেই মিলিয়ে যায়। কেউ কি জেনেছ তোমরা কখনো যে পুকুরের মাছ গুলো নীল দেখতাম আমি?

বিস্তারিত»

প্রিয় সিসিবি, আমি ভালো নেই!


অনেকদিন পর সিসিবি’তে লিখছি। কিন্তু এরমানে এই না যে, সিসিবি ছেড়ে গেছিলাম- প্রতিদিন নিয়ম করে একবার সিসিবি’তে ঢু না মারলে মনে হয় দিনটাই অপূর্ণ রয়ে গেল!

কয়েকদিন ধরে সিসিবিও বেশ জমজমাট হয়ে উঠছে। ফেসবুকে ফয়েজভাই একটা ষ্ট্যাটাস দিলেন, অনেকেই কমেন্টও করলো সেখানে। তারপর দিবসও একটা ষ্ট্যাটসে নতুন নতুন ব্লগগুলোতে কমেন্ট করার মাধ্যমে সিসিবিকে জমিয়ে তোলার জন্য বলেছিল। সব মিলিয়ে, বেশ একটা আবহ তৈরী হয়েছে মনে হল। ভাবলাম,

বিস্তারিত»

কেন আমি আমার ফেসবুক আই ডি বিক্রি করে দিলাম? (Why did I sell my facebook id?)

১/ ব্লগিং করি আমি প্রায় দু বছর, ফেসবুকিং প্রায় চার বছর। কে আমায় বেশি জনপ্রিয়তা দিয়েছে প্রশ্ন করলে উত্তর অবশ্যই হবে – ফেসবুক। ফেসবুকে আমার এখন ৪৩৩০ ফ্রেন্ড, ৭৫০ ফলোয়ার। একটা মোটামুটি ভালো স্ট্যাটাস দিলেই কমপক্ষে ২৫০ লাইক মেলে। এজন্যেই ফেসবুকে ঢুকলেই আমার মন ভালো হয়ে যায়।

কিন্তু সমস্যা হল, কি ধরণের লেখায় আমি লাইক পাচ্ছি? গল্প কিংবা সমসাময়িক ক্যাটাগরিতে খুব বেশি অসাধারণ না লিখলে ৩০০ এর বেশি লাইক উঠছে না,

বিস্তারিত»

অধর্মের ধর্মানুভূতি

অধর্মের ধর্মানুভূতি

আমাদের সমাজের প্রায় সবাই বেড়ে ওঠে নিবিড় ধর্মাবিষ্ট এবং ধর্মভীরু এক ধরনের পারিবারিক পরিবেশে। পরিবারে বাবা-মার হাতেই সবার ধর্মে হাতেখড়ি। ঈশ্বরের অস্তিত্ব, ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানসহ ধর্মের প্রাথমিক বিষয়গুলো পরিবারেরই শিখে সবাই। বাবা-মা ধর্ম নিয়ে যা কিছু জানে তার সবই প্রবাহিত করে দেয় পরবর্তী প্রজন্মে। যে আচার-অনুষ্ঠান পালন করে সেগুলোও শিখিয়ে দেয়, পালন করতে বাধ্য করে। যে বাবা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সে তার ছেলেমেয়েকেও তাড়া দেয় নিয়মিত নামাজ পড়তে। যে বাবা শুধু জুম্মার নামাজ পড়ে ছেলেকেও সাথে করে নিয়ে যায় শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়তে। ধর্ম প্রবাহিত হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। একটা বাচ্চা যখন জানে এই পৃথিবীসহ সমগ্র মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছে একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তখন সে স্বভাবতই প্রশ্ন করে কে এই ঈশ্বরকে সৃষ্টি করেছে?

বিস্তারিত»

দেখলাম সে কাঁদছে

দেখলাম সে কাঁদছে। তার কান্নাটা ছিল নীরব কান্না। আমার শত ব্যস্ততার কারণে আমি আজ এতদিন খেয়াল করিনি। আসলে এটা আমার দোষ যে, আমি খেয়াল করতে পারিনি। আর সে তো আমারই সন্তান। আমার কাছ থেকে সে আর কতদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখবে? তাকে তো আমার সামনে আসতেই হবে। আমি তো তার নাড়ি-নক্ষত্র সবই জানি। সে কী করে? কেন করে? পথ চলতে গিয়ে তার কোথায়-কোথায় বেধে যায়? সে কী ভুল বলে?

বিস্তারিত»

রাষ্ট্র এবং দাউদ হায়দার

কবি কিংবা লেখক- যাই বলো না কেন, তুখোড় হাত ছিল লোকটার
পদ্য কিংবা গদ্য কবিতা- প্রেম কিংবা ধিক্কার- কিছুতেই কমতি ছিল না তাঁর।
তব কেন সে দেখা পায় না এইসব কুসুমমঞ্জরী
পাবনা কিংবা ঢাকার।
মার্কিন মুলকে- য়ূরোপ উপবাসে দিনকাটে বাঙাল স্বাধীনতার।

কই- কেউতো সম্পাদকীয় লেখে না!
পত্রিকা-চ্যানেল এরা সব আড়াই নম্বর চরিত্রের কর্পোরেট পামর-দালাল।
চিন্তা করা যায়,

বিস্তারিত»

একটু কঠিন ধর্ম বটে

পেয়ে হারানোর বেদনা কি একটু বেশী !
না পাওয়ার চাইতে !
হয়তোবা।
আবার নাও হতে পারে!
মনে মনে চেয়েছ অনেক
কিন্তু
পাওয়ার কোন চেষ্টাই করোনি হয়তো
তাই
হারানোর পর আজ এমন মনে হচ্ছে !
অথবা
এমনোতো হতে পারে
পাওয়ার পরে পায়ে ঠেলে ফেলে দিলে !
দূরে ঠেলে দিয়ে তুমি পালিয়ে বাঁচলে !
আজ-
চলে গিয়ে সে তোমাকে পীড়া দিচ্ছে!

বিস্তারিত»

প্রচলিত লোকাচার

আমি নষ্ট
তুমি নষ্ট
সে নষ্ট
তারা নষ্ট
এরা নষ্ট
ওরা নষ্ট
দেবী নষ্ট
কবি নষ্ট

দিকভ্রষ্ট
পদভ্রষ্ট

অনষ্ট,
তাও নষ্ট
যে পষ্ট
সেও নষ্ট

দিকভ্রষ্ট
পদভ্রষ্ট

নষ্টে অর্থ
নষ্টে সামন্ত
নষ্টে রতি
নষ্টে আনন্দ
নষ্টে ভক্তি
নষ্টে পূণ্য
নষ্টে পূজা
নষ্টে স্বর্গ

নষ্ট জগত
জগত নষ্ট

আমরা নষ্ট
তোমরা নষ্ট
সবাই নষ্ট
সব নষ্ট

হা
হা
হা
হা

নষ্টের দুনিয়া
দুনিয়ার নষ্টামি

নষ্ট বিধাতারা
করেছে নষ্ট নিয়ম !

বিস্তারিত»