অন্তর্জালে মগরাজ্য

সেপ্টেম্বর/২০১৭ থেকে রোহিঙ্গা সমস্যা আমার মগজের বেশ কিছুটা দখল করে নিয়েছে।রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ঢল, তাদের দুর্দশা টিভি আর দৈনিক সমূহে দেখে মনে হল বিষয়টি বার্মা কি ভাবে দেখছে জানা দরকার।আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোই বা কেন বার্মাকে সমর্থন করছে? তখন থেকে মাঝে মাঝে বার্মা এবং রোহিঙ্গা বিষয়ে জানার জন্য অন্তর্জালে ঘোরা শুরু করি।টুইটারে কিছু বার্মিজের প্রোপাগান্ডা দেখলাম। একটি স্ক্রীন শট-

 

বিস্তারিত»

আমরা সবাই রাজা

লিজার্ড লগ পার্কে পৌঁছুতে মনে হলো কোন অলিম্পিক ভিলেজে এসেছি বুঝি। উনিশশো ছিয়ানব্বইতে আটলান্টা অলিম্পিকে বিভিন্ন ইভেন্ট দেখার পাশাপাশি ঘুরে ঘুরে শহরের সাজসজ্জা দেখেছিলাম। ইসিএফ অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত ক্যাডেটস ডে আউটের বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখে অলিম্পিকের পুরনো স্মৃতি ফিরে এলো মনে। পার্কে আমরা পৌঁছুতেই চারপাশের উৎসবমুখরতা চোখে পরে! এখানে শীতের শেষে গাছে গাছে নবীন পাতা আর রংবাহারী ফুলের মেলায় আলো ছড়াচ্ছে প্রিয় সব মুখ। ব্যানার, ফেস্টুন, বেলুন আর কলেজের পতাকায় বর্ণময় বসন্ত সকাল!

বিস্তারিত»

মানব মনের বিষন্নতা এবং প্রকৃতিঃ

গত বুধবার সকালে ল্যাপটপে লেখালেখির কিছু কাজ করছিলাম। হঠাৎ ছোট বোনটা ফোন করে জানালো, আম্মার শরীরটা বেশী ভালো নেই, যেন ফোন করি। কয়েকদিন আগেই ফোনে আম্মার সাথে কথা বলেছিলাম, তখন তিনি ভালো ছিলেন। আমার স্ত্রীও আগের দিনই কথা বলেছিলেন, তখনো ভালোই ছিলেন এবং অনেকক্ষণ ধরেই কথা বলেছিলেন। তাই হঠাৎ কি হলো, এ কথা ভাবতে ভাবতেই আম্মাকে ফোন করলাম। আম্মা জানালেন, তার কিছু ভালো লাগেনা। যেন একবার গিয়ে দেখা করে আসি।

বিস্তারিত»

DSLR ক্যামেরা কিনছেন? পর্ব- ২ ( লেন্স পরিচিতি )

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আমাদের প্রায় সবারই ফটোগ্রাফির প্রতি খানিকটা দুর্বলতা আছে, এটাই স্বাভাবিক। হরেক রকমের সোস্যাল নেট ওয়ারকিং আর ফটো আপলোডের এত প্লাটফর্ম থাকায়, সবাই এখন ভালো ছবির কাঙ্গাল। ভালো ছবির জন্য DSLR ক্যামেরা একটি অন্যতম মাধ্যম।আমদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন হইতো চিন্তা করছেন DSLR কিনবেন, কিন্তু বাজারে এত বেশি অপশন থাকায় ঠিক ধরতে পারছেন না , কি করা উচিত।

বিস্তারিত»

কায়রোর দিনলিপি

ছবিতে দেখা সুবিশাল গগনচুম্বী পিরামিড,পবিত্র কুরআনে পড়া অত্যাচারী ফেরাউন, নীলনদ, মুসা নবী আর মমির গল্প- মিশর সম্পর্কে আগ্রহহীন মানুষ সম্ভবত পৃথিবীতেই বিরল।পিরামিড,মরুভুমি, নীলনদ, ফেরাউন আর মমি আমাকে যেমন টেনেছে, তেমনি কৈশোরের নায়ক মাসুদ রানার কায়রোর বিভিন্ন মিশনও আমাকে করেছে দুর্নিবার আকর্ষণ। আবার একই সাথে আরবের বেদুঈন আর মহানবী (সঃ) এর মক্কা মদীনাও আমাকে টানে সমানভাবে। কিন্তু বাংলাদেশে বসে এত দূরদেশে ভ্রমণের চিন্তা বিলাসিতার পর্যায়ে পড়ে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে স্বল্প পরিসরে এক্স ক্যাডেটদের “একুশের বইমেলা”

ক্যাডেট কলেজ ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ, নবীন ও প্রবীণ, উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত এক্স ক্যাডেট কবি-লেখকদের এবং তাদের কাজকে সকলের সামনে তুলে ধরার এক অনন্য সুযোগ দানের জন্য। বিশেষ করে শাওনকে (এসসিসি/৯৫-০১) ধন্যবাদ, কারণ সেই প্রথম আমাকে টেলিফোন করে এই মহতি অনুষ্ঠান আয়োজিত হবার খবর দেয়, এবং এ ব্যাপারে আমাকে নানা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে। যদিও এ ব্যাপারে ইসিএফ এ একটা পোস্ট দেখেছিলাম, তথাপি স্মৃতিভ্রমের কারণে অনুষ্ঠানটির কথা আমি ভুলেই যেতে বসেছিলাম।

বিস্তারিত»

কিশোর পারেখ

কিশোর পারেখ নামক এক ভারতীয় ফটো জার্নালিষ্ট মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাঙলাদেশে যুদ্ধকালীন সময়ের ছবি তুলে তিনি বিখ্যাত হন। এতে তিনি পাকিস্থানী সামরিক বাহিনীর বর্বরতা সহ বাঙালি জণগণের দুঃখ-দুর্দশা এবং আশাবাদ তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন কিশোরের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে পাবলো বার্থলমিউ বলেন,

“Bangladesh was Kishor’s highest point. Self-assigned, self-funded, driven by his own instincts, emotions and guts, in a two week period he produced a startling set of images that became a powerful book and statement.”

বিস্তারিত»

জলজ

চট্টগ্রামে পানির ধারে আমার বড় হওয়া। শহরের ভেতরেই ফয়েজ লেক, পা বাড়ালেই কর্ণফুলীর তীর আর পতেঙ্গা সৈকত, একটু দূরে কাপ্তাই লেক, কক্সবাজার, টেকনাফ, উখিয়া — কত দিন যে কেটেছে এসব জায়গায়! পানির সেই টান এখনো ছাড়েনি। ভাগ্যক্রমে সহধর্মিনীরও একই নেশা। বেড়ানোর  সুযোগ পেলেই আমরা খুঁজে বের করি পানির কাছাকাছি কোন জায়গা। ঘুরতে গিয়ে এমন বিভিন্ন জলাশয়ের পাশে তোলা ছবি জোর করে জুড়ে দিয়ে তৈরি এই  এলেবেলে জলজ প্রেমের ছবিগল্প।

বিস্তারিত»

ছবিতে পালো ডুরো ক্যানিয়ন

এই উইকএন্ডে ঘুরে এলাম পালো ডুরো ক্যানিয়ন, অ্যামারিলো টেক্সাস এ। ছবিতে ছবিতে  ঘুরে আসি আমরাও…..

স্টেক আর রেড নেক টেক্সানদের গল্পটা সামনে লিখব ইনশাল্লাহ ………..

বিস্তারিত»

আলোকচিত্র

ক্রমে ক্রমে নির্গুণ হয়ে যাচ্ছি। শখের ফটোগ্রাফার ছিলাম। মোবাইল ফোনে ক্যামেরা যুক্ত হওয়ায় এখন সবাই তাই। কম্পিউটার শিখেছিলাম নিরানব্বইতে সালে। সেটা এখন কে পারে না ? টুকটাক কবিতা লেখি। ফেসবুকের কল্যাণে এখন প্রচুর কবি। তাই প্রথমে যা ছিলাম এখনও তাই। বিশেষ কিছু নই, একদমই সাধারণ। আমার পছন্দের কয়েকটি সাধারণ আলোকচিত্র আপলোড করলাম। আশা করি ভালো লাগবে।

বিস্তারিত»

নিজেকে নিয়ে লিখা একখানা ছবিতা

কেমন লাগে দেখতে আমায়,
ভাবি যখন তোমার কথা?
একলা বসে
আপন মনে
আগুন হাতে
উদাস চোখে –

কখনো তুমি এমনি ভাবে
ঠাই দিয়েছো তোমার মনে?
আনমনেতে
আমায় নিয়ে
গেথেছো কি
কথার মালা?

লাগেবে কেমন দেখতে তোমায়,
ভাবো যদি আমার কথা?
সেসব ভেবে
উদাস কাটে
সারাবেলা
হেলাফেলা………

বিস্তারিত»

ইসিএফ-এর চলমান ইভেন্ট টয়েজ আর ইওরস…

যতদুর জানি, ইসিএফ (এক্সক্যাডেটস ফোরাম) এখনো কোন আনুষ্ঠানিক সংগঠিন না। মূলতঃ এটি তরুণ এক্সক্যাডেটদের একটি ফেসবুক ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম।
কোন সংগঠনকে কার্যকর হতে হলে তাঁর আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব যে জরুরী হতেই হবে, এমন ধারনার প্রতি তাই ইসিএফ একটি চ্যালেঞ্জ।

তবে আশার কথা, ইসিএফ নিয়ে ভাবনা চিন্তা ও প্রস্তুতি চলছে একে আনুষ্ঠানিক রূপ দেবার। আশা করছি, অচিরেই তা হয়ে যাবে।

আজকের লিখাটা ইসিএফকে পরিচয় করানোর জন্য না।

বিস্তারিত»

ঝড়ের বেগে ফাইল শেয়ার করুন SHAREit দিয়ে

অ্যাণ্ড্রয়েড ফোন আর ল্যাপটপ পিসির মধ্যে সংযোগ স্থাপন নিয়ে বেশ ঝামেলায় ছিলাম। ইউএসবি পোর্টে সমস্যা। কেবলে সমস্যা। ড্রাইভার নাই। ম্যালা হ্যাপা। ব্লটুথেও ঝামেলা কম নয়। একটা যন্ত্র আরেকটাকে চিনতে পারে না। পাসওয়ার্ড চায়। গতি কম। আরেক জনের ফোনের কিছু পছন্দ হল।সে টা নিতে হলে এপিকে ফাইল দরকার। আরও কত কি ? এর সমাধান পেলাম শেয়ার ইট অ্যাপের কাছে।লেনোভো কোম্পানী তৈরী করেছে দুর্দান্ত এই অ্যাপটি। প্রথম দিকে শুধু অ্যাণ্ড্রয়েড থেকে অ্যাণ্ড্রয়েডে ডেটা আদান প্রদান করা যেত।

বিস্তারিত»

লাল গোলাপ শুভেচ্ছা

সিসিবিতে বেশ কিছু ইমোটিকন বা স্মাইলির অভাব বোধ করি। কেউ হয়ত ভাল কোন কাজ করেছেন কিংবা অর্ধ শতক/শতক/ সার্ধশতক/ দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। তাকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাতে হবে। ফুল না থাকলে কেমন হয়। তাই নেটে বেশ ঘাঁটাঘাটি করে বিনা মূল্যের এক সফটওয়্যার নামিয়ে বানিয়ে ফেললাম একটা এনিমেশন। আপলোড করলাম। সবাইকে পুরাদস্তুর বাঙ্গালের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা

red rose greetings  ওহ একটা কথা।

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকারঃ জেনারেল উবাচ

“দ্যাশের অবস্থা খুব খারাপ। সাবধানে যাও ব্যাটা। বিজয়ী হয়া ফিরি আসো। যদি খারাপ অবস্থা চলতেই থাকে বা আরো অবনতি ঘটে, আয়সো না।ইচ্ছা করলে বিয়া করি ওখানে থাকতে পারো। তুমার মা, ভাই বোনদের লিয়া ভায়বিনা। অরে আমি দেখি রাখব।” কথাগুলো বলছিলেন আনসার বাহিনীর প্লাটুন কমাণ্ডার মতিউর রহমান সরকার।অনেক কষ্টে মানুষ করা প্রথম সন্তানকে যুদ্ধে পাঠানর সময়।

তখন মে মাস, ১৯৭১ সাল।ফুফাতো ভাই রফিক মাসখানেক আগেই ভারতে চলে গেছে।

বিস্তারিত»