জিতু-মাজেদের আর্ট এগজিবিশন নিয়ে আপডেটেড রিপোর্ট: ডে-৩

ভাবছি, আর খুব বেশী আপডেট দিয়ে এই লিখাটিকে তেমন একটা ভারাক্রান্ত করবো না।
আমার লিখালিখিতে যতটা উৎসাহ, পাঠকগনের মনে হয় না ততটা উৎসাহ আছে তা পড়ায়।
কারো উপর অকারন চাপ সৃষ্টি করতে চাইছি না।
তবে,
ইসিএফ-এ দেয়া এই পোস্টটা এখানে আর্কাইভ করার ইচ্ছা দমন করতে পারছি না।
কারো বিরক্তির উদ্রেক হলে আগাম দুঃখ প্রকাশ করে রাখলাম……
*** *** ***
দুই এক্সক্যাডেট সৌখিন চিত্রশিল্পী সাবিহা জিতু ও ম্যাক্স মাজেদ-এর ৫-দিন ব্যাপী যৌথ চিত্র-প্রদর্শনি হচ্ছে ধানমন্ডি (রোড-১৩,

বিস্তারিত»

ধীরে বহে মেঘনা

সপ্তাহখানেক আগে খাবার টেবিলে অনেকটা আনমনেই বলছিলাম গ্রাম-বাঙলার মানুষের জীবনযাপনের কথা। তাদেরকে খুব কাছে থেকে দেখতে চাই। যেমনঃ পুকুরে জাল ফেলে মাছ ধরা কিংবা মৌসুমের প্রথম ধান লাগানোর দৃশ্য। কাকা এই কথাগুলো খেয়াল করছিলেন। এরপর দিন দুয়েক আগে হঠাৎ করেই মা বললো, ‘তোমার জাভেদ মামা কালকে মাছ ধরতে যাচ্ছে আমতলী। যাবা নাকি?’ জিজ্ঞাসায় জানতে পারলাম আমতলী হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের একটি গ্রাম এবং মামার শ্বশুড়বাড়ি।

বিস্তারিত»

শীতের ছবিঃ ছবির শীত

যাহ, উইন্টার শেষ হয়ে গেল! প্রতিবছর শীতের শুরুতে ভাবি জম্পেশ কিছু ছবি তুলব। গ্রামীণ এলাকায় থাকি… উঁচু-নিচু খোলা মাঠ, ফার্ম হাউজ, গাছপালা নিয়ে দারুণ সব স্নো-স্কেপ মাথায় আসে। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে সেসব ছবি মাথাতেই থেকে যায়।  আলসেমির কারণে আর ঠান্ডার ভয়ে ফটোওয়াক তেমন একটা  হয়ে ওঠে না। এবারো একই ঘটনা!

 

 

আসলে বরফের মধ্যে ছবি তোলার ঝামেলাও অনেক।

বিস্তারিত»

সিসিবি-তে কবিতা পাঠ

সাবিনা চৌধুরী অনেকদিন ধরেই পিছনে লেগে আছেন একটা ভিডিও ব্লগ যেন নামাই, সেইজন্য।
নানা অজুহাত দিয়ে অনেক সময় পার করলাম। কিন্তু শেষমেষ বুঝলাম, ফিতা না কাটা পর্যন্ত এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ নাই।
যদিও প্রধান অজুহাতই ছিল, “আমি তো ফটোজনিক না” – কিন্তু সাবিনা ওটা মানতে রাজী না।
অনুরোধের ঢেকি গিললাম কিন্তু তা যে ভবিষ্যতেও হবে সেই গ্যারান্টি কিন্তু নাই।

আমি তো পারি কেবলই “পাঠ-প্রচেষ্টা”

বিস্তারিত»

১৯৭১ বাঙলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধ

০১।
১৯৬৯ এর গন অভ্যুথ্বানের এই শিশুটি (টোকাই বা পথশিশু) একটি মিছিলের সর্বাগ্রে । ছবি রশিদ তালুকদার – অটোগ্রাফ এবিপি

child-1561

বিস্তারিত»

যা দেখছি, যা ভাবছি ইদানিং

Almost Famous (movie)

ক্লাসিক রক মিউজিক এন্থুসিয়াস্টিক হিসেবে গত শতাব্দীর ষাট আর সত্তুরের দশক নিয়ে আমার বিশাল আগ্রহ। রক এন রোল এই যুগের সবকিছুই আমার কাছে একটা হাতছানি দিয়ে ডাকা রহস্যময় ধোয়াশার মতন। Almost Famous মুভিটার নাম প্রথম জানতে পারি একটা মুভি ব্লগে। ভালো সাউন্ডট্র্যাক এর একটা মুভি খুজতেছিলাম। ঐখান থেকেই এই রিকমেন্ডেশন পাই। মুভির কাহিনী লিখতে আমার সবসময় আলসেমি লাগে। ইন জিস্ট কাহিনী টাকে সংক্ষেপে এরকম বলা যায় ,

বিস্তারিত»

বীরশ্রেষ্ঠ পরিচিতি

আমাদের গর্ব, আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ
Screen Shot 2015-01-02 at 17.50.05

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদক। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে ।

গুরুত্বের ক্রমানুসারে বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের অন্যান্য সামরিক পদক হল – বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরই এই পদকগুলো দেয়া হয়।

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ বাংলা গানের বুলবুলি

ক্যাডেট কলেজে বাংলা সংবাদ শোনাটা আমাদের বাধ্যতামূলক ছিল। “সব ক’টা জানালা খুলে দাও না” শুরু হলেই টিভির ভলিউম বাড়ানো হতো আর আমরা পড়িমরি করে ছুট লাগাতাম টিভি রুমের দিকে। দেশের খবর শোনাতে আমাদের আগ্রহ ছিল না মোটে, আমরা বরং এই গানের টানে যেতাম সেখানে। “ওরা আসবে চুপিচুপি যারা এই দেশটাকে ভালবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ” শুনলেই দিন শেষের ঝিমিয়ে পরা রক্ত উত্তাপ ছড়াতো সেই কৈশোরে!

যে মানুষটির গান শুনে দেশ আর মাটির প্রতি আমাদের প্রজন্মের ভালবাসা জন্মেছে তাঁর নাম আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

বিস্তারিত»

হাওরের দেশ, হাসন রাজার দেশ, নীলজলা নদীর দেশ

তোমরা ভ্যাকেশন কাটাতে যাও ব্যাংকক, পাতায়া, মানালী, কাঠমুন্ডু, মরিশাশ, বালি আর ফিরে এসে ফেইজবুকে ছবি ভরে দিয়ে আমাদের বুকের হাহাকার বাড়াও! টাকা খরচ করে, ভিসার ঝামেলা মাথায় নিয়ে, বিমানবালার হাতের ফ্রি খাবার খেয়ে, শীতোতাপ নিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল হোটেলের নরম বিছানায় গা না এলালে ঠিক যেন ভ্যাকেশনটাকে জাতে তোলা যায় না। আজকাল ফেবু কবিদের ভীড়ে আমরা এককালের কাগজ আর কালি খরচ করে গড়ে ওঠা কবিদের কথা মনেই রাখি না।

বিস্তারিত»

সুলতানের স্কেচ বুক

sm-sultan-5

এস এম সুলতান বা লাল মিয়া আমাদের সমাজের আর দশজনের চোখে পাগল ছিলেন বলা যায়। মেয়েদের মতো শাড়ি পড়তেন, কখনো বাঁশি বাজাতে বাজাতে ছুটতেন অজানায়, কখনো ঢাকার বুড়িগঙ্গার দিকে। ছোট চুলের কোন ছবি দেখি নি সুলতানের। হয়তো একই সাথে তিনি ছিলেন কৃষ্ণ আবার রাঁধা। স্যুট কোট, ক্যাডিলাক, পশ্চিমের আরাম-আয়েশ ছেড়ে অজ পাড়া গায়ে গিয়ে থাকা সহজ ব্যাপার নয়। সুলতান হয়তো পেরেছিলেন কারণ তিনি এই মাটিরই সন্তান ছিলেন।

বিস্তারিত»

ফেইসবুকে রুচি চানাচুর মেলে না তাই সিসিবির দরজায়।

(১) বাড়ছে টিউশন ফি, বাড়ছে ইন্সুরেন্সের প্রিমিয়াম এদিকে গাছ কেটে বসানো হয়েছে প্রমাণ সাইজের এক হাস্কি। জায়গার নাম হাস্কি প্লাজা। জনাব ব্লিজার্ড টি, হাস্কি।এই নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। তবে অামি মজা লুটে যাচ্ছি। মিশিগান টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্কট হলো এই হাস্কি। দেখতে নেকড়ের মত (সম্ভবত নেকড়ের দূরসম্পর্কের আত্মীয়) এই কুকুর ভবিষ্যতে পালার বড় ইচ্ছে।

(২) হাটাচলার রাস্তায় বেশী নকশা করতে নেই।

বিস্তারিত»

কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের পাশে শিবপুর বাজার। রাজশাহী শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ২৫ কিমি। শিবপুর বাজারের উত্তর দিকের রাস্তায় কিলো পাঁচেক গেলে পালি বাজার। পালি বাজার থেকে কিলো দুয়েক উত্তর পশ্চিমে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। মুঘল আমলের এই স্থাপনাটি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কিসমত মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির চারপাশে ফসলের ক্ষেত আর বাগান। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী তারিখে মসজিদটি দেখি।

বিস্তারিত»

বন কাঁঠাল

[একটি ফাঁকিবাজি ছবি ব্লগ]

বন কাঁঠালের কথা ছোট বেলা থেকেই শুনেছি । কিন্তু দেখা পেলাম এত দিনে। পুঠিয়া ত্রিমোহিনী মোড়ে প্রতিদিন বিকালে ফল বিক্রি হয়। এক ফল বিক্রেতার ডালিতে নতুন এক ধরণের ফল দেখে আগ্রহ জন্মালো। তার কাছেই জানতে পারি কেউ কেউ ফলটাকে ডেউয়া বলে আবার কেউ বলে বন কাঁঠাল। তার নিজের বাড়ির ফল। পারভেজ ভাইয়ের মত জীবন্ত ফসিল হবার ইচ্ছা হল। তাই একটু খোজ খবর নিলাম।

বিস্তারিত»

দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া, রাত্রি কাটিলো তাবু খাটাইয়া।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটা। ল্যাপটপের সামনে বসে ঘুম তাড়াচ্ছি। সিড়িঘরে পায়ের আওয়াজ পেয়ে বুঝলাম ওরা বুঝি এলো। অমিত, ধ্রুব, সনেট, প্রিয়ম, ও নির্ঝর। আমার রুমমেট জোসেফের এমআইএসটির বড় ভাই ও তার বন্ধুবান্ধবের দল। মিশিগান আপার পেনিনসুলার প্রাকৃতিক নৈঃসর্গের সুনাম শুনে গাড়ি ভাড়া করে চলেই এল ইলিনয়ের দক্ষিণের রাজ্য ইন্ডিয়ানা থেকে। দুষ্ট মস্তিষ্ক আরেক দুষ্ট মস্তিষ্কের কথার তরঙ সহজেই ধরে ফেলে। আমার রুমে এসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে দু-চার মিনিটের পরিচয় পর্বের মাথায়ই নির্ঝর মার্লবোরোর প্যাকেট বের করে জিজ্ঞাসা করলো,

বিস্তারিত»

পৃথিবী

 

Screen Shot 2014-07-30 at 16.55.58

পৃথিবী প্রায় ৪ বিলিয়ন বছর পুরোনো।
আর আমরা বা মনুষ্য প্রজাতি এর পৃষ্ঠে চড়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ২০০ হাজার বছর ধরে।
অন্যান্য হাজার হাজার প্রজাতিকে পিছে ফেলে আমরাই এখন এই পৃথিবীর বিধাতা। জ্ঞান-বিজ্ঞানের রথে চেড়ে শনৈ শনৈ এগিয়ে চলছে সভ্যতা।
কিন্তু আসলেই কি আমরা এগুচ্ছি?
নাকি ক্রমশঃ এগিয়ে চলছি ধবংসের দিকে?

Screen Shot 2014-07-30 at 16.56.40

ফ্যাক্ট ০১

Screen Shot 2014-07-30 at 17.09.38

Screen Shot 2014-07-30 at 17.09.49

Screen Shot 2014-07-30 at 17.09.53

 

বিস্তারিত»