রঙ মিস্ত্রির স্টুডিও দর্শন

ইদানিং ক্যামেরা নিয়ে ঘোরাফেরা করা হয় না। তাই ছবিব্লগ লেখার মত ছবি তুলতে পারছি না। গত গ্রীষ্মের মত এবার খুব একটা গায়ে বাতাস লাগিয়ে চলাফেরা করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডিং এর মেয়াদ ফুরিয়েছে গত বসন্তেই। তাই জীবিকার সন্ধানে সামার স্টুডেন্ট কাস্টডিয়ান হিসাবে কাজ নিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তম ছাত্রাবাসটিতে। বলে রাখি এই ছাত্রাবাসটির একটি বিশেষত্ব আছে। তা হলো এটি দৈর্ঘ্যে সিকি মাইল লম্বা অর্থাৎ কিলোমিটারে রূপান্তর করলে প্রায় ৪০০ মিটার।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ ফুটবল, আমেরিকা, লাল সাদা ও নীল

“Can I have a brown ale?”
“Umm…sorry! We ran out of brown ale today!”
“What?! I thought only I drink that beer!”
“Unfortunately, that’s our second hit after November!”
“I’ll take a galaxy then!”
……………………………
“Good choice!”
ঘুরে তাকালাম। শশ্রুমন্ডিত আনুমানিক পঞ্চাশোর্ধ ভ্দ্রলোক। গেলাসে থাকা পানীয়ের রঙে আন্দাজ করলাম উনি গ্যালাক্সি নিয়েছেন। গ্রীষ্মকালীন ধাক্কা দেবার জন্য গ্যালাক্সী আই,পি,এ (ইন্ডিয়ান পেইল এইল) এই পানশালার বাৎসরিক বিখ্যাত সিগনেচার বিয়ার।

বিস্তারিত»

নিকের মেলা

তোলা মাটিতে কলার বাগান
ইট গাঁথা লিন্টন সমান
পাল্লা চৌকাঠ জানালা
দরজা নাই বাঁচলো তালা
মেঝের উপর আকাশ খোলা
বসবে হেথায় নিকের মেলা
তাইরে নাইরে নাইরে না
বৃষ্টি হলে ঘামবে না
রোদ হলে ভিজবে না
নিক বাবা কি কানা ?

বিস্তারিত»

অরিগ্যামির নিয়ে একটি অন্যরকমের স্মৃতি

ক্লাস এইট বা নাইনে থাকতে অরিগ্যামির উপরে একটা বই পেলাম লাইব্রেবীতে। তবে বইটার নাম ছিল “পেপার ফোল্ডিং এন্ড মডেলিং”।
নির্দেশন পড়ে পড়ে আর ছবি দেখে দেখে কাগজ ভাঁজ করে বেশ কিছু মজার মজার  জিনিস বানানো শিখে ফেললাম।
যখন সেগুলো বানাতাম, অনেকেই খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতো, খুলতো কিন্তু আর আগের অবস্থায় নিতে পারতো না। ব্যাপারটা বেশ মজারই ছিল।

আমাদের একজন ডেমুনেস্ট্রেটর ছিলেন যিনি হঠাৎ অসুস্থ্ হয়ে পড়েন।

বিস্তারিত»

সুশীল অবকাশ

সুশীল অবকাশ

রাজপথে ছুটে চলে কলের দানব যত
লোকটা ঘুমায় অঘোরে  জিন্দালাশের মত
মাছি বসলেও নড়ে না
কারও দিকে তাকায় না
সুশীল অবকাশে মানবতা নত।

[ শিরোনামটি মোকাব্বির সরকারের ব্লগ থেকে ধার করা]

Humanoid

বিস্তারিত»

টিটোর গপ্পোঃ খেজুর পাতার হরিণ

নিজের হাতে কিছু তৈরী করার মজাই আলাদা।সেটি যদি বিনা খরচে করা যায় আর সুন্দর হয় তাহলে তো কথাই নেই। মাত্র দুইটি খেজুরের পাতা দিয়েই তৈরী করুন হরিণ আর বিশেষ কিছু হয়ে যান আপনার সন্তানের কাছে।আমি এটা তৈরী করা শিখেছিলাম আমার বোন রিনা রহমানের (রিনাবু) কাছে।কাউকে শিখাতে পারিনি।পাটি বুননের মত করে পাতা দিয়ে বোনা হরিণ । একে লোক শিল্প বলা যায় কি না তা বলতে পারি না।

বিস্তারিত»

ওয়েস এন্ডারসন : এ যুগের সত্যিকারের একজন জিনিয়াস

ক্যাডেট কলেজ, মিলিটারী একাডেমি আর নেভাল একাডেমি র কারনে কখনো থিতু হয়ে কোথাও কোন মুভি দেখতে পারিনাই। এসব জায়গায় ব্যক্তিগত পছন্দে কোন মুভি দেখার সুযোগ নেই.. সেন্ট্রালি চয়েজ করে সবাইকে মুভি দেখানো হয়.. কলেজে থাকার সময় আর ১০ টা মানুষের মতন হলিউডি একশন মুভি আর হিন্দি সিনেমা দেখেই বিস্তর মজা পেতাম। আর কোন অপশন ছিল না। আর সামরিক একাডেমি গুলো তে ঘুম বঞ্চিত আমাদের ঘুমের সুবর্ণ সুযোগ ছিল মুভি দেখানোর সময় টুকু।

বিস্তারিত»

টিটোর গপ্পোঃ গিট্টু, প্যাঁচ ঘ্যাচ

অতীত ভ্রমন সম্ভব। বিশ্বাস হচ্ছে না ? গাল গল্প নয়। আপনিও পারবেন। এজন্য বিশাল কিছু হবার প্রয়োজন নেই।ওয়ার্প স্পীডে ছোটার মত নভোযানও লাগবে না।টাইম মেশিনও দরকার নাই।প্রথমে একটু প্রমান দেই।চাঁদ তারা দেখুন।অতীত দেখা হয়ে যাবে।এবার কাজের কথায় আসি।নারকেল গাছে উঠুন। গিট্টু, প্যাঁচ ঘ্যাচ দিয়েই পাঠিয়ে দিবো আপনার শৈশবে।

প্রথমে একটা নারকেল পাতার শলার এক পাশ থেকে একফালি কাটুন।ফালিটার মাথা থেকে একটা ছোট অংশ কাটতে হবে।ছোট অংশের দৈর্ঘ্য ফালিটার প্রস্থের তিনগুনের কম হতে হবে।ছবি অনুসরন করে গিট্টু দিন।হাতের কব্জির সাথে প্যাঁচ দিন।তৈরী হয়ে গেলো ঘড়ি।গিট্টুর দুই দিকে প্যাঁচ দিয়ে দুপাশে শলা লাগান।পেয়ে গেলেন চশমা।কয়েক ফালি পাতা নিয়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে চোঙা বানান।বড় পাশে শলা আটকান।ছোট পাশে সমান দুই টুকরা পাতার ফালি ঢুকিয়ে দিন।

বিস্তারিত»

রাইট টাইম, রাইট ক্লিক

আসুন কিছু ছবি দেখি।
নাম দিলাম রাইট টাইম, রাইট ক্লিক।
13925689535300ea79d611e

মনে হইতেছে দুই দোস্ত। পাখিটা মাইন্ড করছে আর তিমিটা খেলা দেখাইয়া দোস্তের মান ভাঙ্গাইতেছে।
13925689645300ea841b35e

বেটা আমার দেখা বেষ্ট সার্ফার।
13925689735300ea8d5e3da

বলতো আমি কয়জন?
একের ভিতর তিন।

13925689835300ea974a3cb

সারাটা দিন গ্লাভস পইড়া বইসা ছিলাম।

বিস্তারিত»

এভারেস্ট জয় করে ফেরা এক্স ক্যাডেট দের নিয়ে একটি ছবিব্লগ

হুজুগ শুরু হতে আমাদের সুনির্দিষ্ট কোন কারন লাগেনা। একটু মজা লুটার সুযোগ পেলে কেইবা সেই সুযোগ মিস করতে চায় ? এভারেস্ট এর চূড়ায় আরোহণ নিয়ে অতি সাম্প্রতিক কালে সৃস্ট বিতর্ক কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে  প্রাক্তন এক্স ক্যাডেট রা বেশ সাজ সাজ রবের সাথেই ফেসবুকে ছবি আপলোডের মাধ্যমে রেকর্ড সংখ্যক বারের মতন এভারেস্ট আরোহন করে ফেললেন। প্রথমেই পাসপোর্ট সাইজের ছবি সহ এভারেস্টের চূড়ায় উঠে দুই হাত উচু করে হেড়ে গলায় হুঙ্কার ছাড়েন এমসিসি ১৯৯৯ ইনটেকের তুহিন ভাই..

বিস্তারিত»

টিটোর গপ্পোঃ মূল্যহীন খেলনা

বাঁশ পাতার নৌকা

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে অনেক কিছু।এখনকার বাচ্চারা রিমোট কন্ট্রোলড গাড়ী  বিমান হেলিকপ্টার বা শীপ নিয়ে খেলে।এত দামী খেলনা সবার নাগালের মধ্যে নয়। তবে সারা বছর বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দামের খেলনা পাওয়া যায়। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন শুধু মেলাতে খেলনা পাওয়া যেত।ব্যাং গাড়ী, শোলার পাখি, কুমির, ঘর; মাটির পাখি পুতুল, হাতি, ঘোড়া, বাঘ,হরিণ, বিড়াল; লোহার চাকু, দা, কাগজ ও শোলার চরকি এবং আরও অনেক কিছু।

বিস্তারিত»

বিষয় বিবর্তনঃ বইয়ের প্রচ্ছদ

আমি ব্লগ লিখি। এবং বইও লিখি। ব্লগে ব্লগর ব্লগর করি আর বইয়ে ফিকশন লিখি। সেই ফিকশন পড়ে আমার স্বল্প পরিচিতরা মনে করেন আমি আসলে আমার জীবনকাহিনী লিখছি। পরিচিতরা কিছু বলেন না। কারণ তারা আমার বই পড়েন না। পড়লেও এখন চুপচাপ থাকেন। একজন-দুজন ছাড়া। এর পেছনে একটা কারণ আছে। আমার প্রথম উপন্যাসে এক-দুবার হয়তো প্রকৌশলীদের ঘুষ খাওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলাম। আমার পরিবার একটি প্রকৌশলী-অধ্যুসিত পরিবার।

বিস্তারিত»

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (পরিশিষ্ট)

স্বয়ং প্রিন্সিপাল স্যার ফ্রগ জাম্প দিচ্ছেন ! বিশ্বাস হচ্ছে না ? একেবারে গাছপাকা কথারে ভাই ( এবং আপু), গুল মারছি না । ফটোশপের ক্যারামতি নয়। আসল ছবিই দেখাব । কি মনে করছেন ? কিভাবে ফ্রগ জাম্প দিতে হয় তাই দেখাচ্ছেন স্যার ? মোটেও তা নয় ! তিনি পানিশমেন্ট খাচ্ছেন । রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের রিইউনিয়নে, রিভার্স অর্ডারে। তখনকার প্রিন্সিপাল স্যার যে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজেরই এক্স ক্যাডেট।

বিস্তারিত»

মতি ইউ আর ডেড হলদে এডিটর

সত্যি বলছি মতি ভাই বা মতি মিঞার প্রথম আলো মতান্তরে প্রথম আলু একসময় আমার প্রিয় পত্রিকা ছিলো। সত্য এই যে এখনো আমরা অনেক সময়ই প্রথম আলোর লিঙ্ক শেয়ার করি রেফারেন্স দিই।

ছবি লিঙ্ক পেলাম শামস রাশেদ জয় এর ওয়াল থেকে। ক্লিক করুন।

ডোন্ট বিলিভ আলু এনি মোর। তাই ওদের লিঙ্ক সহ স্ক্রিন শট দিলাম। অন্যান্য ছবির ক্ষেত্রেও একই কাজ করবো।

বিস্তারিত»

আমেরিকার পথে পথে – ১

প্রথম ব্যাপারটা মাথাচাড়া দিয়েছিল গত জুন মাসে। কোনো এক মধ্যরাতে  Into the wild মুভিটা দেখে বিমোহিত হয়ে গেছিলাম। অন্য কোন মুভি দেখে আমি এতোটা প্রভাবিত হয়েছিলাম কিনা মনে পরে না.. মুভির নায়ক জীবনের প্রতি ব্রীতশ্রদ্ধ হয়ে একদম কপর্দকহীন অবস্থায় বেড়িয়ে পরে আমেরিকার পথে পথে.. ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ফেসিনেটিং মনে হয়েছিল। এতই বেশি রকম ভাবে যে , বিষয়টা একদম মাথায় খুটি গেড়ে বসেছিল।

বিস্তারিত»