ভালবাসার আশা

ভালবাসায় রেখো আমায়,
শাস্তিতে নয় কভু,
ভুলের পথে পা বাড়ালে
শুধরে দিও প্রভু।

তুমি যাদের ভালবাসো
ফেরেশতারাও আকছার
ডাকে তাদের সসম্মানে
মানুষ তো কোন ছার!

প্রতিপালক একাই তুমি,
স্রষ্টা আমার, মানি
সৃষ্টিরা সব বেঁচে থাকে
তোমার দয়ায়, জানি।

ভুলের পাহাড় মাথায় নিয়ে
পথ চলেছি যত,
ভুলের বোঝা বেড়েই গেছে
হিসেব নেই কত।

বিস্তারিত»

কর্ণফুলীর মুহূর্তরা

ফিরে যদি যেতেই হয়
তবে আজ আর দীর্ঘশ্বাস নয়;
আজ শুধু মেনে নেয়ার পালা।
যুদ্ধ করতে করতে সবগুলি তারা খসে গেছে
দূরত্ব ক্রমশ হয়েছে সমুদ্রের মত
তবুও একটি মুহূর্ত কোথাও উল্লেখিত হয়নি।

তুষারে কি ঢাকা পড়েছে তোমাদের শহর?
মধ্য রাতের নীল রঙ দেখার ইচ্ছায় কি রাত জাগা হয়?
চাঁদের সাথে মেঘেদের লুকোচুরি
আঙ্গুস এবং জুলিয়াস্টোনের গান এখনো কি বাজে?

বিস্তারিত»

মৌ

মৌ,
জন্মান্তরে সাহসী হবো।

এ জন্মে-
পরাজিত সৈনিকের মতো
মাথা নিচু করে ফিরেছি আমি।

জন্মান্তরে এমন হবে না।
জন্মান্তরে সাহসী হবো।

তোমার হাতে হাত
চোখে চোখ রেখে –
হৃদয়ের সব কথা বলবো।
তুমি তৈরি থেকো।

নিসঙ্গ প্রহরে মনে হয়
পূর্বজন্মেও আমাদের দেখা হয়েছিলো।
সেবারও ফিরেছি আমি
শূন্য হ্রদয়ে ।

বিস্তারিত»

আজ আমার মন ভাল নেই

আজ আমার মন ভাল নেই। তাই-
আজ সকালে কোন পাখি ডাকেনি,
আমিও তেমন নিবিষ্ট মনে ডাকিনি
তোমাকে সারাদিনে, হে দয়াময় প্রভু!

আজ আমি
নতুন কোন কবিতা লিখতে পারিনি।
কী বোর্ডে সমন্বয়হীন চাপ দিলেও,
মনিটরে কোন চেনা অক্ষর ভেসে ওঠেনি।

আজ আমি
কোন কবির কবিতাও পড়তে পারিনি।
মনিটরে কবিতার কালো অক্ষরগুলো
ঝাপসা হতে হতে ফিকে হয়ে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»

হাঁপরের টানে

বিবেক আছে,
তাই ক্রন্দনও আছে।
ঔচিত্যবোধ আছে,
তাই দহনও আছে।

মনের ঘন্টা বেজে চলে,
ঢং ঢং করে বেজে যায়।
অদৃশ্য কামার চুপি চুপি
বুকের হাঁপর টেনে যায়।

হাঁপরের টানে জ্বলে ওঠে
অগ্নিশিখা ও কয়লা দগ্ধ।
লোহা কাঁসা তামা সবই
ছাঁচে পড়ে হয় পরিশুদ্ধ।

ঢাকা
০৪ এপ্রিল ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

দেশাত্মবোধক গানঃ সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য…..

দেশের গান করতে গেলে আমার মধ্যে অনেক বেশি আনন্দ আর আবেগ এসে ভর করে। দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন যাপন করার জন্যই এমন হয় কি না জানিনা। গত বছর বড়দিন এর ছুটিতে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সুযোগ হয়েছিল গ্রাম এর বাড়িতে যাবার। বরাবর এর মতোই গ্রামে গেলে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হই। এবারও দেখলাম হলুদ রাঙ্গা সর্ষে ক্ষেত, মেঠো পথ, আর চারিদিকে সবুজ আর সবুজ, মনটা জুড়িয়ে যায়।

বিস্তারিত»

অন্তর্গত দাবানলের ভিতর বসবাসকারী তাবৎ কবিদের প্রতি রইলো বিশ্ব কবিতা দিবসের শুভেচ্ছা

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে কবিতার জন্য একটা বিশেষ দিন পালনের এক রীতির শুরু। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো প্রতি বছর ২১ মার্চ তারিখে এ দিন পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

আজ ‍’বিশ্ব কবিতা দিবস’ (World Poetry Day)। গোটা বিশ্ব যে দিবস পালন করছে তা আমরা কতোটা জানি-মানি পালন করি! কবিতাকে কতোটা ব্যবচ্ছেদ করি, কবিকে করি কতোটা! কাব্যচর্চা বা কাব্য আন্দোলন আসলে কোথায় পড়ে আছে আমাদের নিজেদের দেশে সমাজে কী সাহিত্য চর্চার ডেঁরায়।

বিস্তারিত»

অন্ধকার

আমি অন্ধকার দেখেছি

রাত্রির কোমল শরীরে যার প্রগাঢ় ছায়া।

আমি অনেক হেঁটেছি;

শহরের এমাথা-ওমাথা,এগলি-ওগলি

প্রহরীর সজাগ দৃষ্টিতে যখন ক্লান্তির মায়া।

হঠাৎ থেমেছি

পায়ের চলার শব্দ থামিয়ে কান পেতেছি

বাতাসের পরে ভেসে আসে কার দীর্ঘশ্বাস?

নাকি কান্নার আভাস?

হৃদয়ে? নাকি অন্ধকারে?

অনেক বৃষ্টির পরে-

যেমন ধুসর মেঘের আকাশ।

বিস্তারিত»

মায়াবতী মেঘ

এক মায়াবতী মেঘ আমায় ছায়া দিয়েছিল,
হাওয়ায় ভেসে ভেসে আমার কাছে এসেছিল।
সে মেঘ আমায় কথার ছলে গল্প বলেছিল,
তার গল্প শুনে আমার চোখে স্বপ্ন ভেসেছিল।

মায়াবতী মেঘের বুকে অনেক কান্না জমা ছিল,
দেখতে পেলাম চোখ দুটো তার যখন ঝরেছিল।
যখন তৃষিত এক মরু বুকে তার অশ্রু পড়েছিল,
লক্ষ গোলাপ একটি রাতেই হঠাৎ ফুটেছিল!

ঢাকা
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

শেষ আশ্রয়

নাম্বারটাও বন্ধ করে দিলে!
কিছুই রাখলে না আমার জন্য!
কই? কখনো তো কোন বিরক্ত করি নি
তবে কেন?

জান! মাঝে মাঝে যে
রং নাম্বার গুলো থেকে কল আসত তোমার
ওইযে, যে কল গুলোয় ওপার থেকে
কেউ কথা বলত না-
তুমি হ্যালো হ্যালো বলে
বিরক্ত হয়ে ফোন রেখে দিতে,
হয়ত ইংরেজীতে খুব সুন্দর করে বলতে-
“স্ট্রেঞ্জ!

বিস্তারিত»

জীবনের খসড়া খাতায়

ইচ্ছে হলেই সব কথা বলা যায় না। তবে না বললেও-
কিছু কিছু মনের কথা ছড়িয়ে পড়ে আকাশে বাতাসে,
না বলা কথাগুলো মাঝে মাঝে ভেসে ওঠে চোখে মুখে।
যার শোনার, সে শুধু শুনেই যায়, মুখে কিছু বলে না।
যার দেখার, সে দেখে শুধু মনে মনে ছবি এঁকে যায়।

এ জীবনে অনেক কথা শুধু কল্পনায় বলা হয়ে থাকে।
অনেক কথা আমৃত্যু না বলাই থেকে যায় মনের মাঝে।

বিস্তারিত»

~ অযুত নিযুত জীবনের অপার আনন্দ – জীবনানন্দ ~

[ প্রিয় কবির ১১৮তম জন্ম দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি ]

কুসুমকুমারী দাশ যখন লিখেছিলেন – “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে / কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?” তখন নিশ্চিত তাঁর জানা ছিল না আপন গর্ভে তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষকে, বাংলা ভাষার একজন প্রধান কবিকে ধারণ করবার মহিমা অর্জন করবেন।

পিতামহ সর্বানন্দ দাশগুপ্ত (১৮৩৮-৮৫) বিক্রমপুর থেকে বরিশাল গিয়ে আবাস গড়েন।

বিস্তারিত»

অক্ষর

অক্ষরগুলো ফিকে হওয়া থেকে
বাঁচাতে পারেনি কোন হিমাগার,
সময়ের ট্রানজিসনে কালো থেকে ধূসর-
ধূসর থেকে ধূসরতর।
মাঝের সময়ে হারিয়েছে তুলি
অক্ষর জমাট বাঁধতে না পারলেও
জমাট বেঁধেছে রঙ
ইচ্ছেও হারিয়ে ফেলেছে রঙ তুলির কবি।

নিজের অজান্তে যে অক্ষর লেখা হয়েছিল
ফিকে হচ্ছিল একেবারে প্রত্যক্ষে।
ফিকে হতে হতে আজ অপরিচিত প্রায় সে অক্ষর;
সে অক্ষর –

বিস্তারিত»

আজ এটুকুই ফাল্গুন থাক

    অনেকদিন পর কিছু লিখছি সিসিবিতে। বসন্তই যখন, একটা কবিতা লেখাই যায়।

    আজ এটুকুই ফাল্গুন থাক
    আসছে বছর নাহয় বাকীটুকু নিও
    নিয়তির নিয়তে গড়া গতবছরের স্মৃতি
    অতীত ভেবে না হয়ে ভুলেই যেও।

    সেদিনও ছিল না তেমন একটা ফুল
    গাছে গাছে
    কিংবা কোকিলের কুহু ডাক
    যা ছিল তা কেবল তোমার
    ওই খোপাতেই
    আর, ওই মিষ্টি হাসিতে।

বিস্তারিত»

~ কফিপেয়ালায় পরিত্যাক্ত স্মৃতি ~

চুম্বনে নি:শেষিত কফিকাপ
জানুদেশে ফেনার চাদর গায়
ফ্যাকাশে টেবিলে উৎকীর্ণ
প্লেসম্যাট জুড়ে শুয়ে আছে –
ক্লান্ত, শ্রান্ত, অবসাদ প্লাবিত;
পাকা শিল্পীর তুলিতে আঁকা
জলজ্যান্ত স্টিললাইফ
তেলরঙ মাতানো ক্যানভাস;
চিনি দুধের ব্যবহৃত
ছেঁড়াখোঁড়া শ্যাশে,
সাবাড় করা কুকির গুঁড়ো আভাস
এইসব দৃশ্যপটে সেজে,
এলায়ে আছে সে আজো
নাজুক মনের নকশাকাটা আঙ্গিনায়;
গ্লোরিয়া জিনসের ওয়েটার,

বিস্তারিত»