দেবালয়

Asbestos, the beloved virgin
essential material to build
mansions on earth for
the mighty Gods.

Now the city is burned,
loyal wind blows up
signs of settlement
temple remains untouched.

অক্ষতযোনি এসবেসটস
অলিম্পাসবাসিগণের প্রিয়
মর্ত্যের আধুনিক বাগানবাড়ি
প্রস্তুতের অপরিহার্য অনুসঙ্গ।
এখন নগর পোড়ে, অনুগত বাতাস
উড়িয়ে নিয়ে যায় বসতির চিহ্ন
আর দেবালয় রয়ে যায় অক্ষত।

বিস্তারিত»

Why The Caged Bird Sings?

খাঁচার পাখি কেন গায়?

বনের পাখি ঝাঁপ দেয়
চড়ে বসে বাতাসের পিঠে
ভেসে চলে প্রবাহের
শেষ সীমায়
ডানা ঝাপ্টে ঝেড়ে ফেলে
গোধুলির আলো
যেন আকাশটা তারই।

কিন্তু যে পাখি বন্দী
খাঁচার নিষ্ঠুর শিকের
ফাঁক দিয়ে সে তো
বলতে গেলে বাইরের
কিছুই দেখতে পায় না
তার পাখা ছাঁটা
পা শিকল দিয়ে বাঁধা
গলাটাই শুধু মুক্ত
তাই গলা বের করে
সে গান গায়।

বিস্তারিত»

যদ্যপি প্রেম যদ্যপি প্রণয়

যদ্যপি প্রেম যদ্যপি প্রণয় গদ্যের আকারে প্রকাশিত হলেও আদতে এটি একটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ।লিখেছেন লুৎফুল হোসেন।কবির সাথে সাক্ষাত হয়েছিল ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে।ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লেখালেখির সুবাদে তাঁর সাথে আমার পরিচয়।তার পর ফেসবুকে যোগাযোগ।অন্যদের উৎসাহ এবং স্বীকৃতি দিতে এই বৃহত্তম বদ্বীপের মহান অধিবাসীদের রয়েছে অকৃপন কৃপনতা।সে দিক থেকে লুৎফুল হোসেন ব্যতিক্রম। তিনি অন্যের লেখা পড়েন, মন্তব্য করেন এবং সে লেখাতে মন্তব্যগুলোও পড়েন। এমন সুহৃদ মেলা ভার।সাক্ষাতের সময় তিনি আমাকে দুইটি অসম্ভব সুন্দর বই উপহার দেন।

বিস্তারিত»

সে জানতো…

পাকা ফল হয়ে সে ঝুলে ছিলো।
যে কোন সময়ে…
টুপ করে ঝরে পড়ার অপেক্ষায়।
কতটুকু কাঁপুনি হলে সে ঝরে পড়বে-
তা মাপার জন্য কোন রিখটার স্কেলের প্রয়োজন নেই,
সে জানতো…

শুধু একটু শিরশিরে বাতাস…
কিংবা একটি ক্ষুদ্র পাখির চঞ্চুচুম্বন,
ব্যস, এটুকুতেই সে ঝরে পড়তে পারে-
সে জানতো।
অন্তঃসারশূন্য, কীটাক্রান্ত ফল মাটি ছাড়া কেউ খায় না,

বিস্তারিত»

আপন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্ক

মহাশূন্যের অনন্ত অন্তরীক্ষে আমরা সবাই
একেকটি ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্ক।
জন্মাবধি আপন কক্ষপথ ধরে ঘুরছি সবাই;
কখনো একাকী, কখনো যুগলবন্দী, আবার
কখনো গুচ্ছদলে আবদ্ধ গ্রহানুপুঞ্জের মত
হাত ধরাধরি করে। একবার হাত ছুটে গেলে
ছিটকে চলে যাই বহু দূরে, দূর হতে দূরান্তরে,
নতুন কোন কক্ষপথ বেয়ে।

আমাদের পথ হয়ে যায় ভিন্ন। ভিন্ন পথগুলো
ঘুরতে ঘুরতে যদিওবা কখনো
খুব কাছাকাছি চলে আসে,

বিস্তারিত»

স্থলবিমুখ জাহাজ

সাগরের বুকে ভাসমান সব জাহাজ
কখনো না কখনো পোতাশ্রয় খোঁজে,
রাতের আঁধারে গতিপথ সন্ধানে
সমুদ্রতটে বাতিঘর খোঁজে।

আমি এক স্থলবিমুখ জাহাজ,
আমি না খুঁজি কোন পোতাশ্রয়
না খুঁজি কোন বাতিঘর।
সাগরের প্রশস্ত বুক আমার সাকিন।

সম্মুখের অনন্ত জলরাশি আমায় ডাকে,
কখনো তরঙ্গে তরঙ্গে হয়ে উঠি উদ্বেলিত
কখনো নিস্তরঙ্গ মৌনতায় সাগর আমায়
স্থৈর্যের মন্ত্র দান করে দীক্ষিত করে তোলে।

বিস্তারিত»

আমি কেউ না

আমি কেউ না! তুমি কে?
তুমিও কি “কেউ না “?
বেশ, তা হলে আমরা
হয়ে গেলাম এক জোড়া।
হিস্…, একদম চুপ
কাউকে বলবে না।
ওরা আমাদের একদম
শেষ করে দিবে, জানো!

“কেউ” হয়ে ওঠা যে
কী বিষন্ন ব্যাপার!
প্রকাশ্যে কোলা ব্যাঙ
কেমন এক জীবন!
কাদা ভর্তি আত্মগরবী
জলাশয়ের সামনে
সারা বেলা সেই এক ঘেঁয়ে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ!

বিস্তারিত»

পাহাড়টাকেই নিলাম বেছে (অনুবাদ কবিতা)

নিম্ন-সমতলভূমি আমায় ডেকে
স্বাধীন বসতি গড়ার আহ্বান জানায়
দখলদারিত্বের কোন শ্রম ব্যতিরেকে,
আমি তাতে সাড়া দিতে উদ্যত হই।

তাই না দেখে পাহাড়টাও গুরুভার,
চাল মেরে দেয় তার। কঠিন পথের
পিচ্ছিল বাঁক বেয়ে ওপরে ওঠার
ইশারায় আমন্ত্রণ জানায় সে আমায়।

দুটো আমন্ত্রণেই একসাথে সাড়া দিতে
পারি না আমি; যে কোন একটা পথ
বেছে নিতে হবে আমায়,

বিস্তারিত»

এই বেশ আছি

এই বেশ আছি।
থাকা না থাকায় আছি; দেখা না দেখায় আছি।

জীবন অচল ভেবেছো যাকে ছাড়া, সে দিব্যি চষে বেড়াচ্ছে পৃথিবী।

ফিরবে আবার ক্লান্ত এ’মুখো হয়ে রোজকার মতো।
পথ তাঁর ঠিকই ফুরোবে শুধু ক্ষয়ে যাবে সময়,
বদলে যাবে আশপাশটা।
ধ্রুপদী অস্পষ্টতায়ে মলিন হবে ভাবনারা
বটের পাতার মতো নুয়ে রোদপোড়া মুখটা হয়তো ঢেকে দেবো না আর।
কালো-কষ্টের রং নদীর মৌনতায় ধুয়ে যাবে;

বিস্তারিত»

অনলাইন ডায়েরীর পাতা থেকে

এক

একান্ত অনুগত ভালোবাসা
প্রত্যেক অভিব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্ত
চিনির পরিমাণ সঙ্গত
১১.০৮.২০১৮

দুই

truth  isn’t beautiful
it never was
even the gods play tricks

31.07.2017

তিন

Geometry of life
third quadrant
occupied largely

30.07.2017

চার

কালপুরুষ অন্যপাশে
সেকেন্ডের প্রতি পদক্ষেপে
বাড়ে অশ্লীল নিরবতা
২৭.০৭.২০১৮

পাঁচ

সিমেন্টের জঙ্গল
ছপেয়ে পাখির দল
পনপনিয়ে রাত জাগায়।

বিস্তারিত»

স্বগতোক্তি

আসসালাতু খায়রুম মিনান্নাউম
রাতের আঁধার চিরে দৃপ্ত ঘোষনা
কথা গুলো এখনো কানে ভাসে
“বেটা ওঠ, বেলা দশটা বাজে“
মুচকি হাসি চলে আসে
জানি, কেন এমন বলতে।
আমি কি কম চালাক ছিলাম?
দরোজা একটু ফাঁক করে
নিশ্চিন্তে লম্বা ঘুম দিতাম।
এভাবে তোমাকে ঠকাতে গিয়ে
নিজেকেই ঠকিয়েছি বারবার।
এখন বড্ড কষ্ট লাগে
বাবা হবার আগে কেন
বাবাকে বোঝা যায় না?

বিস্তারিত»

লুকোচুরি

টিল্লো–ও, ধাপ্পু, টুকি টুকি
ছোটরা খেলে লুকোচুরি
খুজে পায় বা নাই পায়
খেলাতেই মজা ভারি।
বড়রাও খেলে লুকোচুরি
লুকায় লুকায় চুরি চুরি
কি লুকায় খুজে দেখি
কে বা আছে এত সাহসী!

একান্ত সেই গোপন কোটরে
লুকিয়ে রাখি কত কী যে!
না পাওয়ার দুঃখ রোগ
টাকা কড়ি গোপন ভোগ
লুকিয়ে রাখি চোখের জল
আর লুকাই বুকের অনল।

বিস্তারিত»

থেমিস কি অন্ধ?

 

 

 

 

 

 

থেমিস কি অন্ধ না কি তার চোখ বাঁধা?
সে দেবী না মানবী এ এক দুর্বোধ্য ধাঁধাঁ!

তার দাঁড়িপাল্লায় পূণ্যের শূণ্যতা
থাকে নিরাপদ উচ্চতায়
সুবিচার প্রার্থী বিপদে থাকে
নাঙ্গা তলোয়ারের ঘায়!

তার   জালে চুনোপুঁটি আটকা পড়ে
আর রাঘববোয়াল দাপিয়ে বেড়ায়
থেমিস কি অন্ধ? 

বিস্তারিত»

ভালবাসার উহ্য ভাষাঃ

“আজ সকালে Delights & Shadows কবিতার জন্য ২০০৪ সালে পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত ৭৯ বছর বয়স্ক আমেরিকান কবি Ted Kooser এর Porch Swing in September কবিতাটি পড়ছিলাম। কবিতাটি পড়ে কবি সম্বন্ধে জানতে তার ‘সংক্ষিপ্ত পরিচিতি’ তে গেলাম। সেখানে এক জায়গায় তার পরিবার সম্বন্ধে লেখা আছেঃ

He lives near the town of Garland, Nebraska, with his wife, Kathleen Rutledge, and their dogs, Alice and Howard. He also has a son,

বিস্তারিত»

শিথিল ভাবনা

মুঠোভরা সর্ষেদানা মুঠোয় ধরে রাখা যায় না।
সুরসুর করে একসময় সব পড়ে যায়,
মুঠো খালি হয়ে যায়।
কবির ভাবনাগুলোও যেন ঠিক তেমনি—
কবি যতই মাথায় ভরে রাখেন না কেন,
সুরসুর করে একসময় ওরা সবাই
কোথায় যেন হারিয়ে যায়! আবার-
শূন্য মাথায় নতুন ভাবনা এসে অকাতরে জড়ো হয়।

ঘাস বিচালি যা কিছুই মুঠোয় আঁকড়ানো হোক না কেন,

বিস্তারিত»