দেখা

নীল সাগরের তল দেখিনি
দেখেছি তোমার নীল দু’চোখ
দেখেছি কত গভীর সে তা
সেথা ডুবেই না হয় মরণ হোক।

দেখেছি গোলাপ পাঁপড়ি আমি
দিন শেষে সেও হয় মলিন
রাঙা তোমার ঠোঁটের হাসি
বুকে আমার বাজায় বীণ।

শান্ত দিঘীর জল দেখেছি
কি মায়াময় রুপ যে তার
দৃষ্টি তোমার ততই গভীর
শিহরণে মন জাগে আমার।

বিস্তারিত»

ক্লান্তি

জেগে থাকার আছে
এক বিস্ময়কর ক্লান্তি

তবুও মানুষ জেগে থাকে
তার যাপিত জীবনের সমস্ত স্মৃতি নিয়ে
সেই কবে, পেয়ারা গাছে পাখির বাসা
পেঁপের ডাটিতে বানানো
সাবানের বুদ্বুদ,
সময়ের মতই যা গেছে উড়ে,
প্যারেড মাঠের কোনায়, কুমকুমদের বাড়ি ছুঁয়ে

এই তো কবে যেন, তোমার ঠোঁটে
আঁকতেই চুমু , গলে গেলো উত্তর মেরু
বিস্ফোরিত হোল ক্র্যাকাটাও
তোমাদের সেই বিখ্যাত চিলে কোঠায়

এই তো সেদিন
জয়নাল,

বিস্তারিত»

আশা মনে নিরাশা

মনটা আর মন নেই
চাওয়া পাওয়ার হিসেবক্লিষ্ট
রোগাক্রান্ত মন আজ
স্বপ্নভারে ন্যুহ্য
কি চাও তুমি মন? জানো কি তা?

পূর্ণিমারচাঁদ দেখতে সাধ হয়
হাসিতে জলতরঙ্গ
দৃষ্টিতে রঙধনু
কিংবা শব্দ সুরের মুর্ছনা….
বড্ড বেশী চাওয়া গো তোমার…..।

নিজ ভুবনের রাণী হয়ে
সে করছে রাজত্ব
আর আমি…..?
তার স্বপ্নে বিভোর হয়ে
না পাওয়ার অপূর্ণতায় ডুবে
একদিন না হয় শেষই হবো…..।

বিস্তারিত»

সময়ের সংলাপ

বাবলু তুমি দৌড়ে চলো, দৌড় ছাড়া আর চলবে না,
থামাথামি তো চলবে না, জোর কদমেও চলবে না।
সময় তোমার বড্ডো কম, এ ছাড়া আর গতি নেই,
পিঠের বোঝা ভারী হলেও চলতে হবে তা নিয়েই!

বাবলু তোমার মনটা খারাপ? দিশেহারা বড্ডো তুমি?
বুকটা তোমার হয়ে আছে মরু সাহারার বিরাণ ভূমি?
দিনভর তুমি কিসব লিখো, কার কাছে কি বলবে বলে,

বিস্তারিত»

মরিচীকা

মরিচীকা
মো ও খা ও।

উড়তে উড়তে উড়ে গেছি বহুদূর
সুদুর নীলিমা জুড়ে দিকহীন রোদ্দুর
প্রান্তর পাড় হয়ে  দাঁড় ফেলে
কালা পানি সাতারে ঢেঁকুর গিলে।
ঐযে আকাশ সেত কিছু নয়, শুন্য
চাঁদ যে কত সুন্দর খানা খন্দ পূর্ণ
বাতাস বাতাস নয় সে তোলে ঝড়
প্রেম কি সে প্রেম প্রবাহ প্রলয়ঙ্কর।

আছারিল জননী জঠর পিয়াতক
মাতোয়ার মহুয়া রসে ঢেউ পাঁক,

বিস্তারিত»

জল ও জোছনা

আকাশে জল এলে জোছনা হারিয়ে যায়
ধরণীর জলাধার বলে চাঁদনি আয় আয়!
জোছনার আলোয় ভাসে সাগরের বুক,
নাবিকের মনে ভাসে ফেলে আসা মুখ।
রূপোলী তরঙ্গ কাঁপে চন্দ্রালোকের মায়ায়,
কবি ও শিল্পী মগ্ন হয় কবিতায়, আঁকায়।
জল-জোছনা মিলে মিশে হয়ে একাকার,
রাতের পৃথিবীকে দেয় স্বর্গের বাহার!

ঢাকা
১৭ এপ্রিল, ২০১৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

বিনে সুতার মালা

বিনে সুতার মালা

নক্ষত্রখচিত ছায়াপথে
রেশমী জালের ন্যায়
অতিক্রান্ত হয় সময়
মাঝে কিছু বন্ধন রয়ে যায়।

কলমের কালির ফাঁদে
ধীরে ধীরে ধরা পড়ে
জোসনার নীলকান্তমনি
খুলে যায় আকাশের জানালা।

শব্দেরা রূপ নেয় কবিতায়
তোমার অলিন্দের গানের মুক্তো
মালা গাঁথে আমার নিলয়ের গভীরে

বছর যুগ বিভক্ত করে আমাদের
তবু প্রলম্বিত স্থাপত্যকৌশলে
বিজড়িত হয় শ্বাস প্রশ্বাস
আমাদের আত্মাযুগল।

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – ছয়

নীলার জন্য ছয়টি গোলাপ।
ঠিক ছয়টি মাসই ছিলো আমাদের
দেখা-কথা-প্রেম-ভালবাসা।

একটা হলুদ গোলাপ নীলার জন্য
একটা মাস শুধু বন্ধুই ছিলাম।
একটা গোলাপী গোলাপ নীলার জন্য
একটা মাস বন্ধুর চেয়েও বেশী।
দুটো লাল গোলাপ নীলার জন্য
যে দুই মাস প্রেম আচ্ছন্ন করে ছিলো।
বাকী দুটো লাল গোলাপ নীলার জন্য
আমি নিশ্চিত ছিলাম ঐ দুই মাস
এটা কোন প্রেম নয়,

বিস্তারিত»

ব্যর্থ আমি

ক’দিন থেকেই মনটা খারাপ…ব্যর্থ আমি শুনে
ক’বার যেন ব্যর্থ আমি? দেখি তো আজ গুণে!!
বউ কেন রোজ বকে আমায় ব্যর্থতাকে নিয়ে…
দেখি তো আজ নিজের জীবন…পিছন ফিরে গিয়ে!!
……………………………….
আমি ছিলেম সরল-সোজা…ভীষণ বোকা-সোকা
অনেক লোকই সুযোগ বুঝে দিয়েছিল ধোঁকা।
ছোটবেলায় পাইনি কভূ…ভাল হওয়ার দাম
লাভের মাঝে…লাভ হয়েছে…“ব্যর্থ ছেলে” নাম।।
ইশকুলেতে পড়তে গিয়ে…মিশতে সবার সাথে
ভাল থাকার ফল পেয়েছি…সটান…হাতে নাতে।

বিস্তারিত»

উজ্জ্বল পিঙ্গল কৈশোর

যে দুরন্ত বালকটি আজ দাপিয়ে দাপিয়ে
বন্ধুদের সাথে পাড়াময় খেলে বেড়াচ্ছে,
নোংরা ডোবায়, নালায় অনায়াসে নেমে
দু’হাত ভরে উল্লাসে ডানকানা মাছ ধরছে,
হৈচৈ করে কর্দমাক্ত হয়ে বাড়ী ফিরছে,
হায়! সে মোটেও জানেনা- এর পর
কিশোর বয়সে এসে সে একা হয়ে যাবে!
বন্ধুরা যদিবা থাকে আশে পাশেই, তবুও-
সে একা হয়ে যাবে, একা রয়ে যাবে!
একা পথ চলতে সে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।

বিস্তারিত»

সর্বংসহা তুমি, সর্বভূক তুমি

তোমার গর্ভে রোপিত হয় বীজ,
সে বীজে লুকিয়ে থাকে জীবন।
বীজ থেকে অংকুরোদ্গম হয়,
ফুলে ফলে শোভিত হয় কানন।

তোমার বুকে বড় হয় মানুষ,
সরীসৃপ, তৃণলতা, শস্যক্ষেত্র।
নীরবে সরবে বড় হতে থাকে,
তুমি বুক পেতে রাখো দিবারাত্র।

যে মানুষ এখন তোমার বুকে
চলেছে সদর্পে পদাঘাত করে,
সেই একদিন স্তব্ধ, জড় হয়ে
হারিয়ে যাবে তোমার গহ্বরে।

বিস্তারিত»

দৌড়

এক অদৃশ্য হুইসেলের ফুঁৎকারে আমাদের দৌড় শুরু হয়।
নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আমরা দৌড়াতেই থাকি।
শেষ সীমারেখা দৃশ্যমান নয়।
যার পথ যত দীর্ঘ, স্মৃতির সম্ভার তার তত বেশি ভারী।

যার যার পথসীমা নির্দিষ্ট, তবে ট্র্যাক পৃথক।
রেলপথের মত কখনো দুটো ট্র্যাক এক হয়ে যায়,
আবার কখনো বাঁকা পথ নেয়।
পথ শেষ হওয়া সতীর্থরা পড়ে রয়, আমরা দৌড়াতে থাকি।

বিস্তারিত»

গোলাপ কি নগ্ন?

বল আমায়, গোলাপ কি নগ্ন?
না কি এটা তার একমাত্র পোশাক?

গাছেরা লুকায় কেন
শেকড়ের জাঁকজমক?

কে শোনে চুরি যাওয়া
মোটরগাড়ির অনুতাপ?

বৃষ্টিতে পড়ে  থাকা ট্রেন
আছে কি এর চে বিষাদ?

Tell me, is the rose naked?

–Pablo Neruda

Tell me, is the rose naked
Or is that her only dress?

বিস্তারিত»

বসন্ত তুমি

বসন্ত তু‌মি
ওবায়েদুল্লাহ

প্রকৃ‌ত পরাণ ছিল না কোন কালে
তু‌মি ছাড়া,
বিবসনা ছিল সুর ফাগু‌নের গান‌ে
‌মন দি‌শেহারা।
ফু‌টিল শাখা‌তে ফুল মৌভরা মুকুল
কা‌পে মধুবন,
গুন্জ‌রি ক‌লি কো‌লে ভ্রমর আকুল
সুখ আহরন।
শিমুল পলাশ সে‌জে‌ছে লাল ‌দেহভর
‌পোড়ায় পরাণ,
সর‌ষের মাঠ উন্মনা প‌ড়ে হলুদ শ‌াড়ি‌
প্রেম ভরা গান।

তোমার‌ি প্রে‌মে ব‌হিল মলয় দ‌ক্ষি‌নে
গা‌হি কুহুতান,

বিস্তারিত»

সময়

সময় একটি সতত বহমান নদী।
সে নদীতে আমরা মাত্র কিছুকাল ভেসে চলি।
কখনো চোখ বুঁজে উজানে সন্তরণে,
আবার কখনো ভেসে ভেসে ভাটায়, নির্লিপ্ততায়!

সময় বয়ে চলে জন্ম জন্মান্তর ধরে,
কালের সাক্ষী হয়ে রয় মানুষের কিছু অমর কীর্তি।
নশ্বর মানুষ বিলীন হয়ে যায় ধরিত্রীর মৃত্তিকায়,
কিছু কিছু মানব কর্মকে সময়ও সমীহ করে যায়।

এক জলে মানুষ দু’বার নামতে পারেনা
একটি মুহূর্তকে কেবল একবারই আঁকড়ানো যায়।

বিস্তারিত»