দৌড়

এক অদৃশ্য হুইসেলের ফুঁৎকারে আমাদের দৌড় শুরু হয়।
নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আমরা দৌড়াতেই থাকি।
শেষ সীমারেখা দৃশ্যমান নয়।
যার পথ যত দীর্ঘ, স্মৃতির সম্ভার তার তত বেশি ভারী।

যার যার পথসীমা নির্দিষ্ট, তবে ট্র্যাক পৃথক।
রেলপথের মত কখনো দুটো ট্র্যাক এক হয়ে যায়,
আবার কখনো বাঁকা পথ নেয়।
পথ শেষ হওয়া সতীর্থরা পড়ে রয়, আমরা দৌড়াতে থাকি।

বিস্তারিত»

গোলাপ কি নগ্ন?

বল আমায়, গোলাপ কি নগ্ন?
না কি এটা তার একমাত্র পোশাক?

গাছেরা লুকায় কেন
শেকড়ের জাঁকজমক?

কে শোনে চুরি যাওয়া
মোটরগাড়ির অনুতাপ?

বৃষ্টিতে পড়ে  থাকা ট্রেন
আছে কি এর চে বিষাদ?

Tell me, is the rose naked?

–Pablo Neruda

Tell me, is the rose naked
Or is that her only dress?

বিস্তারিত»

বসন্ত তুমি

বসন্ত তু‌মি
ওবায়েদুল্লাহ

প্রকৃ‌ত পরাণ ছিল না কোন কালে
তু‌মি ছাড়া,
বিবসনা ছিল সুর ফাগু‌নের গান‌ে
‌মন দি‌শেহারা।
ফু‌টিল শাখা‌তে ফুল মৌভরা মুকুল
কা‌পে মধুবন,
গুন্জ‌রি ক‌লি কো‌লে ভ্রমর আকুল
সুখ আহরন।
শিমুল পলাশ সে‌জে‌ছে লাল ‌দেহভর
‌পোড়ায় পরাণ,
সর‌ষের মাঠ উন্মনা প‌ড়ে হলুদ শ‌াড়ি‌
প্রেম ভরা গান।

তোমার‌ি প্রে‌মে ব‌হিল মলয় দ‌ক্ষি‌নে
গা‌হি কুহুতান,

বিস্তারিত»

সময়

সময় একটি সতত বহমান নদী।
সে নদীতে আমরা মাত্র কিছুকাল ভেসে চলি।
কখনো চোখ বুঁজে উজানে সন্তরণে,
আবার কখনো ভেসে ভেসে ভাটায়, নির্লিপ্ততায়!

সময় বয়ে চলে জন্ম জন্মান্তর ধরে,
কালের সাক্ষী হয়ে রয় মানুষের কিছু অমর কীর্তি।
নশ্বর মানুষ বিলীন হয়ে যায় ধরিত্রীর মৃত্তিকায়,
কিছু কিছু মানব কর্মকে সময়ও সমীহ করে যায়।

এক জলে মানুষ দু’বার নামতে পারেনা
একটি মুহূর্তকে কেবল একবারই আঁকড়ানো যায়।

বিস্তারিত»

নতুন রূপে ‘নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই’

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫ তে প্রকাশিত হয়েছিল আমার প্রথম কবিতার বই ‘নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই’। ঐ বছর মেলাতেই বইটির প্রথম সংস্করণ শেষ হয়ে যায় এবং অভূতপূর্ব সাড়া পাই কবিতা প্রিয় পাঠকদের কাছ থেকে। এ বছর বইটির দ্বিতীয় পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে চৈতন্য প্রকাশন থেকে। বইটি মেলায় পাওয়া যাচ্ছে চৈতন্য প্রকাশনের ৬০৪-৬০৫ নম্বর স্টলে। এছাড়া অনলাইনে রকমারি এবং বইপড়ুন ডট কমের মাধ্যমে সংগ্রহ করার সুযোগ রয়েছে।

বিস্তারিত»

অনু কবিতাঃ নতুন ত্বক

লোকটার একটা গভীর ক্ষত ছিল।
সেই ক্ষতের উপরে কেউ একজন
এসেছিল নতুন ত্বক হয়ে।
সেই থেকে……
লোকটা খুব ভয়ে ভয়ে থাকতো,
কখন কে এসে ঘষে দিয়ে যায়!

ঢাকা
১৫ ডিসেম্বর ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

ধারাপাত ভুলে গেছি, পদ্য ভুলিনি

শৈশবে মুখস্ত করা ধারাপাত ভুলে গেছি,
নামতা ভুলে গেছি, পাটিগণিতের আর্য্যা ভুলে গেছি।
তবে মদনমোহন তর্কালঙ্কার এর নাম এখনো ভুলিনি,
কারণ শৈশব থেকেই কবিতাকে মনে মনে ভালবেসেছি।

মায়ের শেখানো ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি’ কিংবা-
‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইলো’- এসব স্বপ্নীল পংক্তিমালা
এখনো বিস্মৃতির অতল গর্ভে হারিয়ে যায়নি, এখনো এগুলো
প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছে, কন্ঠে নিত্য আবৃত্ত হয়,

বিস্তারিত»

অপেক্ষা : বিকশিত হোক নারী

নিহরীকার জাদুঘরে, নিউট্রন নক্ষত্রের কফিনে সে এক দুঃখ বিলাসিনী মায়া
ছায়াপথ আজ তার মোহে মহান, শালীনতার শিকলে মলিন তার ছায়া
কোলাহলের মাঝে লীন হয়ে হারিয়ে যায় তার নিঃসঙ্গ, নিষ্পাপ হাসি
অদ্ভুতূড়ে এই পাগলামিতে ধ্বসে পড়ে ব্যবিলন,মুগ্ধ দেবতারা দেয় কাশি
নিকষ কালো রাতের আধারে, শহুরে পথে সাইকেলে ঘোরা তার শখ
বেঁকে বসে সব দানব যাজক, থাবা দেয় তাতে কামুক ড্রাকুলার অশ্লীল নখ
মঞ্চ নাটকে ময়দা মুখোশের প্রতিযোগিতায় ,

বিস্তারিত»

উপেক্ষিতার সম্ভ্রম

ফুলের দোকানে সেদিন খুব ভিড় ছিল,
ফুলপ্রেমী ক্রেতাদের আনন্দোচ্ছ্বাস ছিল।
সুশোভিত, সুঘ্রাণ, সতেজ ফুলের মাঝে
পেছন সারিতে ছিল এক বাসি ফুল লাজে।

কারো কারো দৃষ্টি ছিল শুধু রঙের উপর,
কেউবা খুঁজেছিল কিছু গোলাপ মনোহর।
কেউবা মৃণাল হাতে শুভ্র রজনীগন্ধার,
স্মিতমুখে কিনেছিল প্রিয়ার উপহার।

দিনশেষে অবশেষে এলেন এক ঋষি,
পেছন সারিতে এসে তিনি হলেন খুশী।

বিস্তারিত»

সব অশ্রুফোঁটা জল নয় জোলোও নয়

সব অশ্রুফোঁটা জল নয়, জোলোও নয়।
কিছু কিছু ফোঁটা উঠে আসে
জলের নীচে ডুবে থাকা বর্ণহীন ভারী তরল থেকে।
ছোটবেলায় রসায়নে শেখা এইচটুও নয়, এইচটুওটু।
যেন জলের চেয়ে ভারী হাইড্রোজেন পারোক্সাইড।

কিছু কিছু অশ্রুফোঁটার জন্মই হয়
নীরবে নিঃশব্দে ঝরে পড়তে,
নিভৃতে, গোপনে, অন্ধকারের বিষণ্ণতায়।
সৌম্যতায়, মৌনতায়, ঐকান্তিকতায়।
নিবিড় স্মৃতির প্রতিবিম্বে, একান্তে, বিবিক্তবাসে।

কেউ সেসব ঝরে পড়ার সাক্ষী হতে পারেনা।

বিস্তারিত»

প্রেমের সংজ্ঞা

প্রেমের সংজ্ঞা।

এটাতো একলা একটা হৃদয়; কোন মহাকাশ নয়,
ছোট ছোট অভিমান; সুখ জাগানীয়া নয়।
তারপরেও সুযোগ আসে; হিয়ার চতুরতায়,
সত্যি প্রেমের প্রলাপ শোনে; মনের বর্বরতায়।
প্রেমের সংজ্ঞা কে দিতে পার
আমিতো পারিনা মোটে,
তুমি যদি পারো বলনা আমায়
কপালেতে যদি জোটে।।

যতদিন যায় ততবেশী দেখি; নতুনের রং পেলব,
মানেনা কিছুই ঘর সংসার;

বিস্তারিত»

প্রার্থনাঃ বিকশিত হোক নারী

নিহরীকার জাদুঘরে, নিউট্রন নক্ষত্রের কফিনে সে এক দুঃখ বিলাসিনী মায়া
ছায়াপথ আজ তার মোহতে মহান, শালীনতার শিকলে মলিন তার ছায়া
কোলাহলের মাঝে লীন হয়ে হারিয়ে যায় তার নিঃসঙ্গ, নিষ্পাপ হাসি
অদ্ভুতূড়ে এই পাগলামিতে ধ্বসে পড়ে ব্যবিলন,মুগ্ধ দেবতারা দেয় কাশি
নিকষ কালো রাতের আধারে, শহুরে পথে সাইকেলে ঘোরা তার শখ
বেঁকে বসে সব দানব যাজক, থাবা দেয় তাতে কামুক ড্রাকুলার অশ্লীল নখ
মঞ্চ নাটকে ময়দা মুখোশের প্রতিযোগিতায় ,

বিস্তারিত»

সবুজ পাতারা একদিন হলুদ হয়ে যায়

সবুজ পাতারা একদিন হলুদ হয়ে যায়,
বৃক্ষ তাদের ছেড়ে দেয়, মাটি ডেকে নেয়।
শিস দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদুমন্দ সমীরণ
গেয়ে যায় জীবনের শেষ গান, অনুক্ষণ।

মর্মর নৃত্যগীতে ওরাও গায় নিপতনের গান,
ভুলে যায় জীবনের যত না বলা মান অভিমান।
সব গ্লানি, সব গৌরব ভুলে দখিনা হাওয়ায়,
আনন্দ বিষাদ নিয়েই ওরা নেচে নেচে যায়।

ঊর্ধ্ব থেকে পরিত্যাক্ত হয়ে ওরা অধঃ পানে ধায়
পরম আদরে মাটি ওদের ডেকে বলে আয় আয়!

বিস্তারিত»

অব্যক্ত ভালোবাসা

প্রিয়ার অভিশাপ নিয়ে পুড়ে যাওয়া
ভালোবাসার লতা-গুল্মগুলোর উপহাস,
বারান্দায় টবে ঝুলানো মানিপ্ল্যান্ট গাছটির
অহংকার মেশানো দোল খাওয়া,
কোন কিছুই আমায় আজ
স্পর্শ করেনা প্রিয়তমা।
না দেয়া মিথ্যে আশ্বাস
সত্যভাষণের নীল কষাঘাত,
ছিন্ন ভিন্ন করে দেয় হৃতপিন্ড…।
রক্তক্ষরণ…?
সেতো বুকের মধ্যে চলছে…
চলুক…
না হয় কেউ না-ই বা দেখলো …
না-ই বা জানলো…

বিস্তারিত»

সাতাশ বছর পরে – পাঁচ

তোমার জন্য আবারো কবিতা পড়তে বসেছি
জীবনানন্দের কবিতা
“সুরন্জনা, ঐখানে যেও নাকো তুমি
বলোনাকো কথা ঐ যুবকের সাথে”।

যতোবার পড়ি, ততোবার একই কথা মনে হয়
এটা কি আমার জন্যই লিখেছিলেন
জীবনানন্দ?
নাকি নীলা, এই সুরন্জনাই তোমায় ভাবিত করেছে
ঐ যুবকের কাছে যেতে?

যতদূর পারি, চেস্টা করে গেছি,
হাঁটু গেড়ে ভুল স্বীকার করেছি,
যদিও তেমন কোন ভুল করিনি,

বিস্তারিত»