মাঝেমাঝে হারিয়ে যাওয়া ভাল!!

মাঝেমাঝে হারিয়ে যাওয়া ভাল!!

আয়োজন ছাড়া বা আয়োজন করে
প্রয়োজনে কিংবা বিনা প্রয়োজনে
এইতো আমার আশ্ পাশ্ থেকে
মাঝেমাঝে হারিয়ে যাওয়া ভাল!!

কিছুটা বুঝে বা পুরোটাই না বুঝে
একটু চিনে কিংবা একেবারে না চিনে
এইতো আমার আশ্ পাশ্ থেকে
মাঝেমাঝে হারিয়ে যাওয়া ভাল!!

স্বল্প শিখে বা একদম না শিখে
শুন্য হাতে কিংবা দুই হাত ভরে
এইতো আমার আশ্ পাশ্ থেকে
মাঝেমাঝে হারিয়ে যাওয়া ভাল!!

বিস্তারিত»

অপার্থিব ইচ্ছেগুলো…

আমি এমন একটা শান্তির দেশে যেতে চাই,
যেখানে উচ্চঃস্বরে কেউ কোন কথা বলেনা,
কেউ উল্টো পথ ধরে আসা যাওয়া করে না।
যেখানে পাখিরা নির্ভয়ে উড়ে যেতে পারে
ব্যস্ত বেখেয়াল মানুষের মাথার ওপর দিয়ে,
একান্তে বলে যেতে পারে তাদের মনের কথা।

একদিন কোন এক নির্জন গিরি চূড়ায় উঠে
পাখির চোখে আমি পৃথিবীটাকে দেখতে চাই।
সে পাহাড়ের বুক চিরে এক আনমনা বহমান
উচ্ছ্বল ঝর্ণা নেচে যাবে তার আপন খেয়ালে।

বিস্তারিত»

বোনেরা নদীর মত

দুই সহোদরা বোন দুই নদীর মত,
যাদের জন্ম হয়েছে একই উৎসে-
শৈলচূড়ায়, গলিত হিমবাহে কিংবা
অন্য কোন উচ্চস্থানে। ওরা একসাথে
কিছু পথ পাড়ি দিয়ে ভাগ হয়ে যায়-
প্রকৃতির অদৃশ্য ইশারায়।

দুই সহোদরার জন্ম হয় একই পরিবারে।
ওরা বেড়ে ওঠে একসাথে, আনন্দে দুখে।
তারপর ওরা ভাগ হয়ে যায় দুই সংসারে,
দূরত্ব রচিত হয় তাদের মাঝে, চিরতরে।

বিস্তারিত»

অস্তাচলের ভাবনা

সন্ধ্যা ঘনায়ে এলো,পাখি খোঁজে নীড়,
মেঘ তুমি ভেসে যাবে ছড়িয়ে আবির।
আমি হেথা দেখে যাবো রঙের খেলায়
তোমার হারিয়ে যাওয়া আঁধার বেলায়।

মেঘ তুমি ভেসে যাবে কোন দেশেতে?
অনুপম এ রঙে তোমায় কে এঁকেছে?
সোনালী আভায় মোড়া নীল ধুপছায়া
প্রেয়সীর কপোল সম কোমল কায়া!

বিস্তারিত»

প্রভুর ক্ষমা, মায়ের আশীষ

নিজের লেখায় কখনো তৃপ্ত বোধ করি না। যতবার পড়ি, ততবারই সম্পাদনা করতে ইচ্ছে হয়। নিজের লেখা পুরনো কবিতার ঝাঁপি খুলে আজ এই কবিতাটাকে হাতের কাছে পেলাম। পড়ে ভাল লাগলো, কবিতা লেখার পেছনের অনুভূতিটার কথা মনে পড়ে গেল। সাথে সাথে মাকে ফোন করলাম, দোয়া চাইলাম। মা জানালেন, সব সময় আমরা তাঁর দোয়ায় আছি। মাথায় তাঁর অদৃশ্য হাতের পরশ অনুভব করলাম। মায়ের হাসিমাখা কথাগুলো কানে গেঁথে রইলো।

বিস্তারিত»

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো

সে রাতে আকাশ যেন ভেঙে পড়েছিলো,
জলভরা মেঘগুলো নেমে এসেছিলো,
পাখিদের নীড়গুলো ভিজে গিয়েছিলো,
নিশাচর পথিকেরা বাড়ী ফিরেছিলো।

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো,
মেঘ ভরা জলধারা ঝরে পড়েছিলো,
সরীসৃপেরা সারারাত বিবরে ছিলো,
বাহিরের কিছু প্রাণী ভেসে গিয়েছিলো।

সে রাতে আকাশ থেকে নেমে এসেছিলো,
এক সুন্দরী জলপরী মায়ায় ভরা।
এক ঘুমহারা পাখিকে ঘুম পাড়িয়ে,

বিস্তারিত»

পাগল

পাগল

দু’চোখ যখনি খোলে তখনি সকাল
ক্ষিধায় সে বুকে বাঁজে কাহারবা তাল
তখন যেভাবেই হোক লাগবে খাবার,
ভয়-টয় দেখিয়ে করবে যোগাড়
উলঙ্গ বেশবাসে কাটে সারা বেলা,
পানি আর সাবানের নেই ঝামেলা
তাকায় না অনেকেই লজ্জার ঘৃণাতে,
স্বতন্ত্র অবহেলা অনেকের চোখে
কাটতে হয়না নখ, দাড়ি-গোঁফ কিছু,
মাঝেসাঝে দুষ্টেরা নেয় তার পিছু
সারাক্ষণ গুন গুন আপন ভাষায়,

বিস্তারিত»

খুঁজি অহর্নিশি

যারে খুঁজি অহর্নিশি
সুখে কিংবা দুঃখে ভাসি’
ব্যস্ততা বা বিরামে বসি’
অদেখা তারে ভালবাসি।

ভালবাসি বলেই খুঁজি,
জেগে কিংবা চক্ষু বুঁজি,
শিশু যেমন খোঁজে মা’কে
তেমনি আমি খুঁজি তাকে।

ঢাকা
২০ জুন ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

যদি এবং নদী

যদি এবং নদী

ভালবাসায় জয় পরাজয়
প্রশ্ন ওঠে যদি,
প্রেম ভেসে যায় ঢেউয়ের সাথে
ঝর্না থেকে নদী।।
সবার জীবন প্রশ্নে ভরা
আদি আর অনাদি,
আমার জীবন ভরা শুধু
যদি এবং নদী।।………

অভিমানের দেয়ালটাতে
ছত্রাক জমে যদি,
গান মরে যায় সুরের আগে
কষ্ট নিরবধি।।
সবার জীবন প্রশ্নে ভরা
আদি আর অনাদি,

বিস্তারিত»

কাহলিল জিবরান পড়তে বসে মনে উঁকি দেয়া কিছু টুকরো ভাবনা


“Your children are not your children.
They are the sons and daughters of Life’s longing for itself.
They come through you but not from you,
And though they are with you yet they belong not to you.”
Kahlil Gibran

১৯৯২-এ যখন আমাদের বিয়ে হয়, আমি তখন সদ্য সাতাশে। উনি তখনো একুশ পেরোননি।
বিয়ের ষষ্ঠ দিনে আমরা সংসার করতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেই মহানগরের চেয়ার কোচে।

বিস্তারিত»

দু:সময়।

দু:সময়
ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী

এত জল বুকে শুয়ে হে জলধি
জগৎ জ্বলে খরতাপে,
পুডে খাক চরাচর ঘর বাড়ী
জলে দাউ দাউ লোলুপ বহ্নি শিখা,
নিষ্ঠুর নির্দয় আক্রোসে আস্ফালন
উমর্িলা কি পরাক্রমশালী?
অস্থির উৎকন্ঠায় গোকুলের কুলবাসি,
গর্জন হুংকারে উথালি বাণে
ধাবিত জলোচ্ছ্বস,
ভেসে যায় বসত শতাব্দীর
সুনামির তান্ডব প্রলয় নাচে
প্রকৃতির কোলাহল স্তব্ধ চিরতর।

বিস্তারিত»

চক্রব্যুহ

আমার এখানে যখন গভীর অমানিশা,
অন্য কোন দূর দিগন্তে তখন অরুণোদয় হচ্ছে।
সেখানে পাখিরা ভোরের প্রার্থনা সঙ্গীত শুরু করেছে,
বিশ্বাসীরা দল বেঁধে উপাসনালয়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আর কিছুক্ষণ পরে,
সেখানে সোনালী আলোর রশ্মি ছড়িয়ে পড়বে।
পাহাড় উপত্যকা পেরিয়ে, লোকালয়ে, বিস্তৃত মাঠে।
মানব মানবীরা বেড়িয়ে পড়বে নিত্যদিনের যাপন কর্মে।

কৃষ্ণপক্ষের পরে শুক্লপক্ষ,
আঁধারের পর আলো,

বিস্তারিত»

পাকাপোক্ত ভিনগ্রহী

অথচ কিছু উচ্ছ্বাসের গণ্ডিতে-
আমিও ছিলাম উপস্থিত,
চাঁদ-রূপ গণ্ডি আধা-চাঁদ হয়ে
একদিন অমাবস্যা নামলো।
এরপর এল বরষা
তবু ছাতাটি আর মেললো না,
বরষা কিন্তু থেমে থাকেনি।

এরপর আকাশের ভাগাভাগি হয়ে গেল
ভাগ হলো জোছনাও,
এখন পাকাপোক্ত ভিনগ্রহী হয়ে জোছনা দেখি।

আহ, আকাশের চাঁদটা কি পরিপূর্ণ গোলাকার!!

June 06, 2017

বিস্তারিত»

ক্ষমা করো প্রিয়তমা

চোখের জলে ভেসে যাওয়া বুকে
গুমরে ওঠে কান্নারা
মুক্তোয় গড়া অশ্রু ফোটা
মনকে করে দিশেহারা।

অভিশাপ দাও প্রিয়তমা আজ
ভালোবাসার যোগ্য নই আমি
দু’পায়ে দলেছি প্রেম সকলই
দিয়েছো উজাড়ে যা তুমি।

রিমঝিম ঝিম বৃষ্টির সুরে
একাকার হবো দু’জনেতে
ছোট্ট নীড়ে তুমি আর আমি
আর তো কিছু চাওনি যে।

পারিনি দিতে চেয়েছিলে যা
ক্ষমা করে দিও তুমি মোরে
খেলিনি আমি তোমায় নিয়ে
ভালোবাসি আজো অন্তরে।

বিস্তারিত»

কবি মানস

কবির মনে যখন কোন আঁধার নেমে আসে,
তিনি নিশ্চুপ থেকেই আলোর সন্ধান করেন।
তিনি আত্ম সমর্পিত চিত্তে সব মেনে নিলেও
অন্তর্দৃষ্টিতে তিনি আলোর সন্ধান করে যান।

গভীর অনুতাপেও কবি কবিতা খুঁজে বেড়ান,
প্রভাময় প্রেমের উৎস অনুসন্ধান করে চলেন।
জীবনের প্রেমতাড়িত প্রত্যাশা ও প্রত্যাখানের
পুলক নৈরাশ্য নিয়ে কবিতা লিখেন ও পড়েন।

ভারী হৃদয়েও মুখে হাল্কা হাসির প্রলেপ মেখে
কবি বিচরণ করেন নিজ বাসভূমে,

বিস্তারিত»