random header image

বিভাগ আর্কাইভ — ছড়া

বিরহী ছড়া

শক্ত হাতের আঙ্গুলে ছাঁচ,
সেই ছাঁচে আজ হবে যে নাচ।
চতুর্দিকের বাতাস ভারী,
আসবে যে আজ আমার নারী!
মনের নেশায় ভাসাভাসা,
যায় কি দ্যাখা? ওই যে আসা!
স্মৃতির রুপেই তুমুল; খোসা
ভাঙলে ঝরে মিথ্যে আশা।
অনেকদিনের চিন্তামাখা,
চেতনারই রঙে আঁকা,
আবেগটানে আঁকাবাঁকা
রুপে যে আজ হবে দ্যাখা।
আমার নারী, আমার নারী,
মনটা ক্যানো করো ভারী?
তোমার ছবি, তোমার সুরে-
মন যে আমার শুধুই পোড়ে!

মোটেও যে নয় মশকরা, যায়না মশা বশ করা!

আমাদের পাড়াতে
নালায়েক মশাগুলা
থাকে বিনা ভাড়াতে।
যেথা আছে ডোবা-নালা
যেথা আছে কর্দম
মশাদের ছানাপোনা
খেলে সেথা হরদম।
ধীরে ধীরে সন্ধ্যাতে
নেমে এলে রাত্র
মশাগুলো ঘুম ভেঙে
হাই তোলে মাত্র।

ভ্যালেন্টাইনের কবিতা

ক্লাসের সময় চুপটি করে
তোমার দিকে তাকাই
ছাদে তুমি হাঁটতে গেলে
মোড়ের টোঙে চা খাই
না পেয়ে ওই হাতটি হাতে
গাছটা ধরে ঝাকাই,

ফালতু পোস্টঃ মুভি ডাউনলোড কেম্নে করে [পার্ট টু]

vreel বন্ধ হয়ে গেছে শুনলাম, তাইফুর ভাইয়ের কাছ থেকে। তাই বলে কি আমাদের মুভি দেখা থেমে থাকবে? কাভি নেহি। torrent, rapidshare এর যুগে মানুষ মুভি ডাউনলোড করবেই।
vreel এর বদলে এসেছে www.stagevu.com , তবে এদের মুভির কালেকশন কেমন, সেটা নিয়ে একটু সন্দিহান। তবে মোটামুটি নতুন সব ছবিই পাওয়া যায় এখানে। সাইটের একেবারে ওপরেই রয়েছে সার্চ বাটন। [...]

এই ছড়াটা খাপ ছাড়া!

সত্যি বড় খাপ ছাড়া!
চাকরি এসে দিচ্ছে ধরা
আত্নীয় বা বাপ ছাড়া
দর্জি বানায় সকল পোষাক
পূর্ব কোন মাপ ছাড়া!
সত্যি বড় খাপ ছাড়া!
চা বেচে আজ রকিব মিয়া
চায়ের কোন কাপ ছাড়া
ঘূর্ণিঝড়ও হচ্ছে হঠাৎ
নিম্ন কোন চাপ ছাড়া!
সত্যি বড় খাপ ছাড়া!

টাইমপাস নাম্বার – ৩

এই দুনিয়ায় কেউ কারো নয়
চলতে হবে একার
ক্যামনে সেটা বুঝবা মিয়া
নাই যদি হও বেকার?

টানাপোড়েন

দ্বিধায় আছি, দ্বন্দে আছি
অজানা সুর ছন্দে আছি
আছি অবাক মোহে মায়ায়
কিংবা শীতল গাছের ছায়ায়
জগৎ জুড়ে আগুন জ্বলে
তবুও হৃদয় সিক্ত জলে
অবাক দ্বন্দ!পাইনা ভাষা
কোনটা আমার মনের আশা?

টাইমপাস নাম্বার – টু

আহারে যে হলো একি
যা করিনি চিন্তাই
ব্যাচেলর এ মন খানা
হয়ে গেছে ছিনতাই!

ঈদ মুবারক

রমজানের ঐ ঈদ এলো রে
উচ্ছ্বাসী এক প্রথা
এই খুশিতেও একটু ভেবো‌
সেই ছেলেটার কথা।
যার মুখেতে তোমার মতন‌
ফিরনী, পায়েশ জুটলোনা
শাওয়াল মাসের আধখানা চাঁদ
যার আকাশে উঠলোনা।
আতর মাখা সুগন্ধতে‌
এই খুশি আর আনন্দতে‌
সময় করে সঙ্গে নিও তাকে‌
পাশের বাসার ন্যাংটো ছেলেটাকে…

টাইমপাস নাম্বার ওয়ান

আজকে গিয়া চায়ের দোকান
হইলো হাসি একান ওকান।

আড্ডা

বিকেলের আড্ডায় আব্দুন নাফি-
বলে মামা তাড়াতাড়ি দেও চার চা-ফি
সাথে থাকে রুম্মান, আমি আর মরা,
ওই তোরা ৩ টা বেনসন ধরা।
জ্বলন্ত বেনসন-এ দিয়ে সুখ টান-
গুন গুন করে মরা ধরে এক গান।
কথা চলে নোয়া আর ভপ্পিকে নিয়ে

দুপুর বেলার পাখি

আমি হব দুপুর বেলার পাখি,
সবার পরে ঘুমের ঘোরে উঠব আমি ডাকি।
সুয্যি মামা জাগার পরে যাব আমি শুতে,
মা বলবে বিছনা ছেড়ে এসো নাশতা খেতে।
বলব আমি আলসে ছেলে ঘুমিয়ে তুমি তাকো,
হয়নি সকাল আমার এখন আমায় কেনো ডাকো?
আমরা যদি চোখ না খুলি কেমনে সকাল হবে?
তোমার ছেলে উঠলে মাগো সকাল তখন হবে।

কে কারে কি কয়?

[ এই ছড়ার কোন মানে নাই। নেই কাজ তো খই ভাজার বাইপ্রোডাক্ট ]
ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!
সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!

রোজার দিনে বেজার দিনলিপি

দিনগুলা যায় ভালোই চলে
বেশতো সাধা সিধা
দু:খ খালি যায়না খাওন
লাগলে পেটে খিদা!
এই রোজাতে যায়না বোঝা
ক্লাস টাইমের পড়া
বোর্ড জুড়ে ভাসতে দেখি
বুট, বেগুনী, বড়া!

শব্দজট

শব্দগুলো জট পাকিয়ে
মাথার ভিতর খেলা করে,
ইচ্ছে করে লিখে ফেলি
গল্প কিংবা কবিতা।
খাতার পাতায় মুক্ত হয়ে
শব্দগুলো প্যারেড করে,