আহারে যে হলো একি
যা করিনি চিন্তাই
ব্যাচেলর এ মন খানা
হয়ে গেছে ছিনতাই!
বিভাগ আর্কাইভ — ছড়া
টাইমপাস নাম্বার – টু
ঈদ মুবারক
রমজানের ঐ ঈদ এলো রে
উচ্ছ্বাসী এক প্রথা
এই খুশিতেও একটু ভেবো
সেই ছেলেটার কথা।
যার মুখেতে তোমার মতন
ফিরনী, পায়েশ জুটলোনা
শাওয়াল মাসের আধখানা চাঁদ
যার আকাশে উঠলোনা।
আতর মাখা সুগন্ধতে
এই খুশি আর আনন্দতে
সময় করে সঙ্গে নিও তাকে
পাশের বাসার ন্যাংটো ছেলেটাকে…
টাইমপাস নাম্বার ওয়ান
আজকে গিয়া চায়ের দোকান
হইলো হাসি একান ওকান।
আড্ডা
বিকেলের আড্ডায় আব্দুন নাফি-
বলে মামা তাড়াতাড়ি দেও চার চা-ফি
সাথে থাকে রুম্মান, আমি আর মরা,
ওই তোরা ৩ টা বেনসন ধরা।
জ্বলন্ত বেনসন-এ দিয়ে সুখ টান-
গুন গুন করে মরা ধরে এক গান।
কথা চলে নোয়া আর ভপ্পিকে নিয়ে
দুপুর বেলার পাখি
আমি হব দুপুর বেলার পাখি,
সবার পরে ঘুমের ঘোরে উঠব আমি ডাকি।
সুয্যি মামা জাগার পরে যাব আমি শুতে,
মা বলবে বিছনা ছেড়ে এসো নাশতা খেতে।
বলব আমি আলসে ছেলে ঘুমিয়ে তুমি তাকো,
হয়নি সকাল আমার এখন আমায় কেনো ডাকো?
আমরা যদি চোখ না খুলি কেমনে সকাল হবে?
তোমার ছেলে উঠলে মাগো সকাল তখন হবে।
কে কারে কি কয়?
[ এই ছড়ার কোন মানে নাই। নেই কাজ তো খই ভাজার বাইপ্রোডাক্ট ]
ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!
সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!
রোজার দিনে বেজার দিনলিপি
দিনগুলা যায় ভালোই চলে
বেশতো সাধা সিধা
দু:খ খালি যায়না খাওন
লাগলে পেটে খিদা!
এই রোজাতে যায়না বোঝা
ক্লাস টাইমের পড়া
বোর্ড জুড়ে ভাসতে দেখি
বুট, বেগুনী, বড়া!
শব্দজট
শব্দগুলো জট পাকিয়ে
মাথার ভিতর খেলা করে,
ইচ্ছে করে লিখে ফেলি
গল্প কিংবা কবিতা।
খাতার পাতায় মুক্ত হয়ে
শব্দগুলো প্যারেড করে,
আমার ক্যাডেট বেলা -৭ (ক্যান্ডিডেটস টাইম)
প্রথম পর্ব থেকে
কি তামাশা! মহান দয়াল আল্লাহ তাআলায় কৃপায়
আরেকটা ক্লাস রইয়াছে ক্লাস টেন-ইলেভেন চিপায়!
উপ্রে যে তার ক্লাস ইলেভেন, ক্লাস টেন ও ঠিক নিচে
এই ক্লাসেতেই ইনভিজিবল পুচ্ছ গজায় পিছে!
দাগেই শেখা, দাগেই মজা – এই কথাখান ভুলে
শিখবো – আশায় এপুলেটের সবগুলা দাগ তুলে
মনটা থাকার চুক্তি ছিল পুস্তকে আর খাতায়
তা’ রেখে সব [...]
বর্ষা মানে
ডিসক্লেইমার: আজকাল ডিসক্লেইমার দিয়াও তেমন কোন লাভ হয়না। পাবলিক খুব খ্রাপ হয়ে যাইতেসে। এই ছড়াটা দুইদিন আগে লেখা। সানা ভাইয়ের চেইন পোস্টেরও আগে। কাজেই সেখানকার কোন ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই ছড়ার কোন লাইন লেখা হয়নাই। ড্রাফটে পড়ে ছিল। আরেক্টু বাড়ানোর খায়েশও ছিল। কিন্তু এডু স্যারের খসড়া ধমকানি শুনে পাবলিশ করে দিলাম [...]
আমাদের কলেজ-৩(ছড়া version)
আমাদের কলেজ-১(ছড়া version)
আমাদের কলেজ-২(ছড়া version)
পরলো ধরা সেভেন-গুলা
মিটিং করার ফাঁকে,
ক্লাস এইটের ক্যাডাররা-সব
আসছে ঝাকে ঝাকে।
সেই আট-ই ফাগুনে
কত কথা ব্যাকুলতা
আমাদের ভাষাতে
কত জনে দিলো প্রাণ
বাংলার আশাতে।
বরকত, শফিউর
সালাম আর জব্বার
রাজপথে ঢেলে দিল
তাজা লাল সব্বার।
তার বিনিময়ে হলো
সূর্যটা কিনা রে
আজো সেটা ঝুলে আছে
শহীদের মিনারে।
শুধু বাংলা কবিতা আর ছড়ার লিঙ্ক চাই
আমি কবিতা খুব একটা লিখতে পারিনা। কবিতা লিখতে গেলে ছড়া হয়ে যায় অথবা প্যারোডি জাতীয় কিছু। কবিতা লিখতে গিয়ে দেখি ঘুরেফিরে আমার ছন্দ গুলো ছোটবেলা পড়া ছড়া বা কবিতার ভিতর চলে যায়।সিসিবিতে আসতে আসতে আমকে এক ধরনের নস্টালজিয়াতে ভোগা শুরু করেছি। ইদানিং আমার সেই পুরাতন কবিতাগূল(সত্তরের দশকে প্রাথমিক এবং হাই স্কুলে পাঠ্য ছিল) পড়তে ইচ্ছে [...]
নেট ওয়ার্ক বিড়াম্বনা
সিসিবিকে ছেড়ে থাকতে পারলামনা। তাই এক আঙ্গুলে লিখা আমার প্রথম এবং সিসিবিতে আমার দ্বিতীয় ছড়া। মন্তব্যের উত্তর কিন্তু দিতে পারবোনা। হাতে এখনো দারুন ব্যাথা। ( শেষ ছন্দে সাফদার ডাক্তারের সাথে কিছুটা মিল থাকতে পারে)
ল্যাপটপে ভরে গেছে এ্যাডওয়ার
আমি কম কিসে ? আমি সারওয়ার !
এ্যাডওয়ার গুলু খুব দুষ্ট
আমারে যে দেয় শুধু কষ্ট,
এই ব্যটা বড় পাজি
আমারে [...]


