অবরুদ্ধ

বহুকাল ধরে দিগন্তের দৃশ্য একপলক দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ এই দুটি চোখ আজ যেন কাতর। দু চোখ মেলে যখনই চেয়েছি দৃষ্টিকে অসীমতার মাঝে হারিয়ে ফেলতে, নগরায়নের আশীর্বাদপুষ্ট দালানগুলো দাঙ্গার পুলিশ এর মত আটকে দিয়েছে তাকে।আনুভুমিক ভাবে যখন এই প্রয়াস বিফল, তখন সাহস করে আকাশের দিকে বিলম্ব না করেই উলম্ব ভাবে তাকিয়েছি।কিন্তু গগনচুম্বী অট্টালিকাগুলোর বদৌলতে আমি যেন নিজেকে মনে করছিলাম গুহাবাসী,গুহার ফোঁকরে যতখানি দেখা যায় আর কি।আমার মত কেও এরকম দৃষ্টিশক্তিকে উলম্ব অথবা আনুভূমিক দিকে ব্যয় করছে কিনা কৌতূহলী হয়ে চারপাশে যখন তাকাই তখন অদ্ভুতভাবে দেখি সবাই চতুষ্কোণা ANDROID সেট এর দিকে নিন্মমুখী হয়ে গভীর মনোযোগে নিবিষ্ট ।ভার্চুয়াল স্বর্গের কোন এক অপ্সরীর সাথে চ্যাটপচটন এ ব্যস্ত কেও,

বিস্তারিত»

পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভয়াবহ অন্তর্কলহের অজানা অধ্যায় (একটি পুরোনো-দেরাজ প্রকাশনা)

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত একটি প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে বাংলাওয়াশ করবার কারণে সারা বিশ্বে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রতিবেদকের নিদ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় ব্যপক গবেষণার মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমের অভ্যন্তরের সুগভীর অন্তর্দন্দ্বের গোপন সংবাদ। অসংখ্য সময় ব্যয় করে শত শত বই-পুস্তক ও দেশ বিদেশের অগণিত ডকুমেন্টারির ভিডিও ঘাঁটা-ঘাঁটি করে দলের মাঝে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত তিন-চারটি গ্রুপ ও উপদলের উপস্থিতির সন্ধান জানা গেছে।

নিখিল বঙ্গ লোয়ার অর্ডার গ্যাং থেকে সদ্য পলায়ন করা মাহমুদুল্লা রিয়াদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

বিস্তারিত»

বাঙলা পাঠ্য বই – হিন্দুয়ানী প্রভাব (১ম শ্রেণি বাঙলা বই)

২০১৩ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হয়। এতে পুরানো বইগুলো কে আধুনিকিকরণ করা হয়, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করা হয়। আমরা বাঙাল রা যেকোন পরিবর্তন কেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখি। নতুন পাঠ্যপুস্তক ও সন্দেহের চোখে পড়বে এটা বুঝে ওঠার জন্য বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। প্রায় শুরু থেকেই নতুন পাঠ্যবই গুলি কে চিহ্নিত করা হয় হিন্দুয়ানি দোষে দুষ্ট। রোজা চলছে, এই সুযোগে গত কিছুদিন যাবৎ এই প্রপাগান্ডা চলছে বেশ জোড়েসোড়ে।

বিস্তারিত»

ঘোলা জল – পরিষ্কার জল – পুরানো কথা – নতুন কথা

জাতি হিসাবে আমরা বেশ অদ্ভুত। যদিও নিকট অতীতে এক সার্ভেতে আমরা ১১তম সুখী রাষ্ট্র কিন্তু পরচর্চা, পরনিন্দা, পরকে ঘৃণা করা আমাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য বললে মনে হয় কম বলা হয় না। প্রতিবেশি ব্যাগ উপচে পড়া বাজার নিয়ে ঘরে ফিরলে বলি, এই দুর্মূল্যের বাজারে এতো টাকা পায় কই! আর খালি হাতে বা তলানি নিয়ে বাড়ি ফিরলে বলি, ছোটজাত, কোনদিন খেয়েছে নাকি, বাজার করা শিখবে কোথা থেকে!
আমরা ভালো কে ভালো,

বিস্তারিত»

পেঁয়াজমানব

অত্যন্ত যত্ন সহকারে নাকের লোম ছিঁড়ছিলাম। নিশ্চিত ছিলাম যে এই দৃশ্য কেউ দেখবে না- রেস্তোরাঁ পুরোই খালি। শৈল্পিক এই কাজে ডুবে যেতে যেতে টেরই পাইনি, মৌরি আমার পেছনে এসে দাঁড়িয়ে আছে ।

মৌরির গলা খাঁকারি আমায় বাস্তব জগতে ফেরালো। ঘাড় ঘুরিয়ে বিব্রত বোধ করলাম বেশ। চেয়ারের নীচে কোনমতে হাত মুছে উচ্ছ্বসিত ভঙ্গিতে বললাম, ‘আরে মৌরি, এসেছ?’
মৌরি তিক্ত দৃষ্টিতে আমার হাতের দিকে একবার তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিলো।

বিস্তারিত»

অনুগল্প : আরেকটি “ব্লক-কাহিনী” নিয়ে অডিও-ভিডিও ব্লগ

তিন মাস আগে……

ছেলেটি:
“ওগো তুমি যে আমার কতো প্রিয়
কেমন করে বোঝাই বলো
তুমি তো বোঝো না
জেনেও না, জানো না………”

মেয়েটি:
“যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে
মনেহয় এ দেহে প্রান আছে
বাকিটা সময় যেন মরন আমার
হৃদয় জুড়ে নামে অথৈ আঁধার………”

তিন মাস পরে……

ছেলেটি:
“তুমি নিজের মুখে বললে যেদিন
সবই তোমার অভিনয়
সত্যি কোন কিছু নয়
আমি দুঃখ পেলেও খুশি হলাম জেনে………”

বিস্তারিত»

~ প্যারিস থেকে স্ট্রসবার্গের সেই ফ্লাইট ~

[ দ্য টরান্টো ডেইলী স্টার-এ ৮ সেপ্টেম্বর ১৯২২-এ প্রকাশিত আর্ণেস্ট হেমিংওয়ের কলামের অনুবাদ ]

আমরা বসে ছিলাম সস্তারও সস্তা সেই রেস্টুরেন্টে। যেটা কিনা তীব্র কোলাহলময় সামান্য সেই গলিটাকে আরো সস্তা করে তুলেছিলো। প্যারিসের ‘রু দ্য পেটি চ্যাম্পস’ নামের সেই গলিটার কথাই বলছি।

আমরা মানে মিসেস হেমিংওয়ে, উইলিয়াম ই. ন্যাশ, ন্যাশের ছোট্ট এক ভাই আর আমি। লবস্টার আর ফ্রায়েড সোল মুখে চালান করার ব্যস্ততার ভেতর দিয়ে থেমে থেমে কথা বলে যাচ্ছিলেন মি.

বিস্তারিত»

আমার বানানো সম্পুর্ন নকল একটি অসম্পূর্ণ কবিতা

স্বপ্নমঙ্গল ReLoaded

হবুরাজের চুলে ছিল উকুনের দল
স্বপ্ন দেখিবার কালে করে কোলাহল,
আসিলো মর্কটত্রয়ী নাশিতে উকুন
তাহাতে রাজার জ্বালা বাড়িল ত্রিগুণ।
নড়িলে মারিছে চড়, মুরুব্বি না মানে!
ব্যাকুল হইয়া হবু চায় আসমানে,
উপরে আছেন পিতা উর্ধলোকে বসি
রাজার যাতনা দেখে কয় দিয়ে হাসি –
“দেহের আজাবে যদি এত কষ্ট হয়,
মনের যন্ত্রণা কি তা জাননা নিশ্চয়!”
এ বলিয়া কল-কাঠি নাড়িলেন তিনি
নিমেষে বাঁদর হাওয়া,

বিস্তারিত»

প্রেম আমার প্রেম আমাদের

কলা ভবন প্রাঙ্গণ আর রেজিষ্ট্রারের দাফতরিক ভবন, এই দুয়ের মাঝে সরু রাস্তার চেক চেক খোপ আঁকা একখান প্রান্তর, অসমান দূরত্বে বর্ষীয়ান বৃক্ষের বন্ধনে ছড়ানো ঘাসের ময়দান। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে অবসরে পাঁপড়ির মতোন পেখম মেলে আড্ডায় মেতে ওঠে তরুণ-তরুণীরা সেই চত্ত্বরের এখানে ওখানে। আকাশ থেকে দেখতে পেলে দেখা যেতো যেনো, আড্ডায় মানুষ নয়, মেলে আছে থোকা থোকা গোলাপ পাঁপড়িরা।

তরুণীরা সংখ্যায় কম, উচ্ছ্বলতায় অধিক খলবল।

বিস্তারিত»

চুম্বন! চুম্বন!!

বোনের আদেশ, “মজার কিছু লিখে ফেলো তো? কমেন্ট করে ভাসিয়ে দেই!”

চাইলেই কি আর মজার কিছু লিখা যায়?
তবুও ভাবলাম, “দেখি না একটা ট্রাই মেরে…”

যে কয়দিন থাইল্যান্ডে ছিলাম, অনেক কিছুই নিবিড় ভাবে পর্য্যবেক্ষন করেছি, যদি তা থেকে লিখার মত কোন কিছু খুঁজে পাই, এই ভেবে। কিন্তু “ভাগ্যটা ঘোলা জলের ঢোবা” খুজে যাও কিছু পাই, তা নিয়ে কি যে লিখা যায়,

বিস্তারিত»

পঞ্চ ভৌতুক

[ভৌতুকঃ ছোট  সাইজের হাসির গল্প যেমন কৌতুক, তেমনি ভৌতুক হল  দু’তিন কথায়  ভয়ের  অথবা ভুতের অদ্ভুত  গল্প]

কলিং বেল

প্রতিদিন বিকেলে কলিং বেল বাজিয়ে ভেগে যাওয়া হতচ্ছাড়াটাকে ধরার জন্য মিতু আজ আট ঘাট বেঁধে বসে ছিল। ঝট করে দরজা খুলে যা দেখল তার জন্য কিন্তু সে একেবারেই তৈরী ছিল না। পাশের ফ্ল্যাটের হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাটা হাসতে হাসতে তার চোখের সামনেই হাওয়ায় মিলিয়ে গেল না?

বিস্তারিত»

ওহ, মুস্তাফিজ? ও তো আমার…

(প্রথমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস আকারে দিয়েছি, প্রথম পাতায় আগে থেকেই দু’টি ব্লগ ছিল বলে এখানে দিতে দেরি হল!!)

বাংলাদেশ থেকে কলকাতা, নির্বাচক বা কোচ, সাংবাদিক বা আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুবান্ধব…গত কয়েকদিনে যে যেভাবে পারছে মুস্তাফিজের সাথে নিজের নাম জুড়ে দেবার চেষ্টা করছে। এমন ভাব যে তার কারণেই মুস্তাফিজ আজ এই অবস্থানে এসেছে!!
আজব আমাদের জ্যুস খাওয়া মেন্টালিটি!

এবার আসল কথা বলি!
২০০০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও শ্যামনগরে আমার বাবার পোস্টিং ছিল!

বিস্তারিত»

স্মৃতিনামচায় শৈশব আর বিলুপ্ত রেওয়াজের ঘেরাটোপ

আমাদের ছোটোবেলায় রোজার মাসের আগে থেকেই এক রকম রেওয়াজ-রীতির আয়োজন আর উদগ্রীব অপেক্ষা শুরু হতো।

শৈশবের এই বিষয়ক ভাবনার শুরুটা ছিলো কে কয়টা রোজা রাখতে পারলাম এটা নিয়ে। যে বেশী রাখলো তার বুকের ছাতি নাসের ভুলু পালোয়ান। আর অন্যরা সব যেনো রবিউল (ঐ আমলের হার জিরজিরে খ্যাংড়া কাঠি কৌতুক অভিনেতা)।

পাড়ায় মহল্লায় ছেলে পুলেদের আর একটা প্রতিযোগিতা ছিলো তারাবীর নামাজ পড়া নিয়ে।

বিস্তারিত»

একজন দীপাবলি

ও বাড়ীর কানা বুড়ী সকাল থেকে তারস্বরে চিৎকার করে যাচ্ছে, “আমার যে বড় কষ্ট হচ্চে গা”!

কিন্তু গল্পটা কানাবুড়ীর নয়। গল্পটা দীপার। দীপাবলি সেন! বাড়ীর আদর করে ডাকা নাম – দীপা/টুনি। টুনি নামটা অবশ্য বাবাই ডাকতেন। বাবা মারা যাওয়ার পর এ নামে তাকে আর কেউ ডাকে না।

কোলকাতায় দীপাদের জমিদারী সম্পত্তি ছিল। কিন্তু বাবা যেবারটায় খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন, সেবার সবকিছু বিক্রি করতে করতেই দীপাদের অভাব অনটনের শুরু।

বিস্তারিত»

মহল্লার মাস্তানের চা চক্র আর নোবেল নিয়ে বিশ্ব জুড়ে ঝড়

ভুখাকে এক বেলা খাওয়ালে খুশী । আরেক বেলার খাবার সাথে দিয়ে দিলে আরো খুশী । কিন্তু তাকে খেটে রোজগার করে ওই খাবারের যোগান জোটাবার জন্য কোনো কাজের ব্যবস্থা করে দিন । খুব একটা মনঃপুত হবে না অধিকাংশের । অথচ কারো উপকার করতে চাইলে শেষের পথটিই সত্যিকার অর্থে কার্যকর । যা অবশ্য বাস্তবে আমি-আপনি চাইলেও খুব একটা বেশী ঘটাতে পারবো না ।

আবার ধরুন বাহবা দেয়া ।

বিস্তারিত»