ছেলেমানুষের ভবিষ্যত

ছেলেমানুষেরা যে একগুঁয়ে, মাথামোটা আর অনমনীয়, ব্যাপারটার একটা ভালো উদাহরণ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।ফ্যাশন জগতে মেয়েদের কাপড় চোপড় নিয়ে যে পরিমান পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় তার দু ভাগও ছেলেদের পোষাক নিয়ে করা হয় কিনা সন্দেহ! কারনটা কি? এই সেক্টরে মেধবী মানুষজন নাই? নাকি বাজার চায়না? অথবা হয় ছেলেদের ফ্যাশনে আগ্রহ নাই, একটা হলেই হল নয়ত তাদের নতুনে আগ্রহ নেই, নতুন কিছু বের করলেও বাজারে বিকোয়না, এর বাইরে তো আর কোন কারন হতে পারেনা,

বিস্তারিত»

কাতার সোজা করেন, ভাইসব কাতার সোজা করেন …

ট্রাম্প সাহেবের মনে শান্তি নেই। চমকদার ভঙ্গিতে চটকদার সব কথাবার্তা বলে মার্কিন মুলুকের অর্ধেক আদমকে বেকুব বানিয়ে সাদাবাড়ীর চাবির দখল নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু কেউ তার “লীডারশীপ” কে যথাযথভাবে সন্মান দেয় না, কেয়ার করে না। এমনকি বিবি মেলানি ও কথা শোনেনা, লোকজনের সামনে ঝামটা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নেয়। বড়ই অসৌন্দর্য্য অবস্থা।

এরই মধ্যে একদিন উপদেষ্টাদের পরামর্শ অনুযায়ী মুসলিমদের সাথে “সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন” স্থাপন করার উদ্দেশ্যে তিনি স্থানীয় এক মসজিদে গেলেন।

বিস্তারিত»

অবরুদ্ধ

বহুকাল ধরে দিগন্তের দৃশ্য একপলক দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ এই দুটি চোখ আজ যেন কাতর। দু চোখ মেলে যখনই চেয়েছি দৃষ্টিকে অসীমতার মাঝে হারিয়ে ফেলতে, নগরায়নের আশীর্বাদপুষ্ট দালানগুলো দাঙ্গার পুলিশ এর মত আটকে দিয়েছে তাকে।আনুভুমিক ভাবে যখন এই প্রয়াস বিফল, তখন সাহস করে আকাশের দিকে বিলম্ব না করেই উলম্ব ভাবে তাকিয়েছি।কিন্তু গগনচুম্বী অট্টালিকাগুলোর বদৌলতে আমি যেন নিজেকে মনে করছিলাম গুহাবাসী,গুহার ফোঁকরে যতখানি দেখা যায় আর কি।আমার মত কেও এরকম দৃষ্টিশক্তিকে উলম্ব অথবা আনুভূমিক দিকে ব্যয় করছে কিনা কৌতূহলী হয়ে চারপাশে যখন তাকাই তখন অদ্ভুতভাবে দেখি সবাই চতুষ্কোণা ANDROID সেট এর দিকে নিন্মমুখী হয়ে গভীর মনোযোগে নিবিষ্ট ।ভার্চুয়াল স্বর্গের কোন এক অপ্সরীর সাথে চ্যাটপচটন এ ব্যস্ত কেও,

বিস্তারিত»

পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভয়াবহ অন্তর্কলহের অজানা অধ্যায় (একটি পুরোনো-দেরাজ প্রকাশনা)

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত একটি প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে বাংলাওয়াশ করবার কারণে সারা বিশ্বে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রতিবেদকের নিদ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় ব্যপক গবেষণার মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমের অভ্যন্তরের সুগভীর অন্তর্দন্দ্বের গোপন সংবাদ। অসংখ্য সময় ব্যয় করে শত শত বই-পুস্তক ও দেশ বিদেশের অগণিত ডকুমেন্টারির ভিডিও ঘাঁটা-ঘাঁটি করে দলের মাঝে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত তিন-চারটি গ্রুপ ও উপদলের উপস্থিতির সন্ধান জানা গেছে।

নিখিল বঙ্গ লোয়ার অর্ডার গ্যাং থেকে সদ্য পলায়ন করা মাহমুদুল্লা রিয়াদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

বিস্তারিত»

ত্যাল

ইঞ্জিনে ঢালে, খাবারে মেশায়,
কুন্তলে মাখে বালিকা;
তরল সে এক পদার্থ ভাই,
তেল- জগতের চালিকা।

কিন্তু ভ্রাতারা, জান কি তোমরা, সকল তেলের মাসী-
আছে সে ‘ত্যাল’ এক, অসীম শক্তি, সিংহকে করে খাসী?
মাখামাখি ওই তরলে আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-জনগণ,
সেই ত্যালেরই গুণ গাহি আজ, শুনিও ভ্রাতারা দিয়া মন।

ত্যালের প্রকৃতি অদ্ভুত বড়, মধুর মতই মিষ্ট;
কষ্ট ছাড়াই আনিবে ঠিক সে,

বিস্তারিত»

আবোল-তাবোল (গ্রাভিটেশনাল ওয়েভ)

একশ বছর বছর আগে আইনস্টাইন নামে এক ইহুদি পণ্ডিত অংক কষে এর কথা অনুমান করেছিলো। প্রায় আধাশ’ বছর আগে হকিং নামের এক নাছারা বিজ্ঞানী উপায় বাৎলে ছিল, কোন ঘটনার দিকে নজর দিলে তারে ছোঁয়া যাবে, মাপা যাবে। আর এইতো সেদিন, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫, আমেরিকা নামের এক নচ্ছার দেশের বিজ্ঞানীরা সেইসব কল্পনা আর অনুমানকে বাস্তবে পরিনত করে গ্রাভিটেশনাল ওয়েভকে পর্যবেক্ষন করে ফেলল। গোপনে বলি, এই ১৪ই সেপ্টেম্বর দিনটা আবার এই আধমের জন্মদিন ও বটে।

বিস্তারিত»

তিনটি প্রতিক্রিয়া (//)

এক

দুই

একটি কৌতুক দিয়ে শুরু করি। খুব সম্ভবতঃ হুমায়ুন আহমেদের এলেবেলে তে পড়েছিলাম। উচ্চ শিক্ষার্থে এক মেধাবী শিক্ষার্থী গেছে মার্কিন মুলুকে। কিছুদিনের মধ্যেই সেখানকার অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের সাথে পরিচয়, বন্ধুত্ব হয়ে গেল। সেখানকার ছেলেমেয়েদের মাঝে সে একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করল। কথাবার্তার মাঝে কেউ একজন হঠাৎ একটা নাম্বার বলে ওঠে আর অন্যরা হো হো করে হেসে ওঠে। বিদেশী ছেলেটি কিছু বুঝতে না পেরে বোকার মত তাকিয়ে থাকে।

বিস্তারিত»

ফেসবুক বন্ধ করা ও খুলে দেবার পরে …

[ফেবু বন্ধ করার পরে] –

শুনিয়া আঁতেল  সবে করে ধিক্‌-ধিক্‌,
কোথাকার গণ্ডমূর্খ পাষণ্ড নাস্তিক!
ফেবু নাকি হতে পারে অশান্তির আকর
একথা কেমন করে করিব স্বীকার!
জগৎ-বিখ্যাত মোরা ‘জ্ঞান-অন্ত’ জাতি –
জবান বাঁধিয়া  দিবে! দুপুরে ডাকাতি!

[ফেবু পুনর্বার খুলে দেবার পরে] –

সভাস্থ সবাই ভাসে আনন্দাশ্রুনীরে,

বিস্তারিত»

আমার বানানো সম্পুর্ন নকল একটি অসম্পূর্ণ কবিতা

স্বপ্নমঙ্গল ReLoaded

হবুরাজের চুলে ছিল উকুনের দল
স্বপ্ন দেখিবার কালে করে কোলাহল,
আসিলো মর্কটত্রয়ী নাশিতে উকুন
তাহাতে রাজার জ্বালা বাড়িল ত্রিগুণ।
নড়িলে মারিছে চড়, মুরুব্বি না মানে!
ব্যাকুল হইয়া হবু চায় আসমানে,
উপরে আছেন পিতা উর্ধলোকে বসি
রাজার যাতনা দেখে কয় দিয়ে হাসি –
“দেহের আজাবে যদি এত কষ্ট হয়,
মনের যন্ত্রণা কি তা জাননা নিশ্চয়!”
এ বলিয়া কল-কাঠি নাড়িলেন তিনি
নিমেষে বাঁদর হাওয়া,

বিস্তারিত»

ডক ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (ভূমিকা পর্ব)

ভানুঃ (গুনগুন করে নিজের মনে কীর্তন গাইছে) 
ভজো দুহাত তুলিয়া ভজো কাঞ্চন গোঁসাই …
তাঁর জোরে সবাই তোমায় বাপ ডাকবে ভাই …
ওরে থাকলে তিনি ট্যাঁকের মাঝে বুকে বাড়ে বল …
স্ত্রী পুত্র ভাই বন্ধু তোমার পদতল …
ওরে টাকাই ধর্ম টাকাই কর্ম কলিযুগের সার …
সত্য নিষ্ঠা আইন কানুনের মাথায় ঝাঁটা মার …
ভজো দুহাত তুলিয়া…

আগন্তুকঃ আরে আরে দেখি,

বিস্তারিত»

সারফেস অ্যানাটমি

মৌসুমীর লগে দেখা হইলো চার বছর পর। লোকাল বাসে ক্রুশবিদ্ধ যীশুর মতো ঝুইলা ঝুইলা যাইতে ছিলাম। শাহাবাগ টু কাকরাইল। আট নাম্বার বাস। এই বাস গুলাতে সিট পাওয়া যায় না। অনেক সময় ধইরা ঝুইলা আছি দেইখা মৌসুমী ডাক দিলো।

ওই তুমি মাহফুজ না?? প্রথমে আমি মাহফুজ পরিচয় দিতে রাজি হই নাই। এই রকম ঝুইলা ঝুইলা যাওয়া একটা প্রেস্টিজের ইস্যু। এছাড়া মৌসুমীর লগে একবার আমি আকাম করছিলাম।

বিস্তারিত»

টিকটিকির কাটা লেজ

20150611_161248
ছবির এই লোকের নাম আমি জানি না। জানতে ইচ্ছেও হয়নি। কারণ আমি তখন অবাক বিস্ময়ে তাকে দেখছিলাম। তার মুখ দিয়ে গল গল করে ফেনা বের হচ্ছিলো আর সারা দেহ কাঁপছিলো ঠিক টিকটিকির কাটা লেজের মত। টিকটিকির সদ্য কাটা লেজ জীবনে না দেখলে আমি হয়ত এই লোকের কাঁপাকাঁপির কোন উপমা খুঁজে পেতাম না।

এভাবেই সে DMCH এর admin wing এর সামনে মাটিতে পড়ে ছিল।

বিস্তারিত»

ওহ, মুস্তাফিজ? ও তো আমার…

(প্রথমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস আকারে দিয়েছি, প্রথম পাতায় আগে থেকেই দু’টি ব্লগ ছিল বলে এখানে দিতে দেরি হল!!)

বাংলাদেশ থেকে কলকাতা, নির্বাচক বা কোচ, সাংবাদিক বা আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুবান্ধব…গত কয়েকদিনে যে যেভাবে পারছে মুস্তাফিজের সাথে নিজের নাম জুড়ে দেবার চেষ্টা করছে। এমন ভাব যে তার কারণেই মুস্তাফিজ আজ এই অবস্থানে এসেছে!!
আজব আমাদের জ্যুস খাওয়া মেন্টালিটি!

এবার আসল কথা বলি!
২০০০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও শ্যামনগরে আমার বাবার পোস্টিং ছিল!

বিস্তারিত»

দুঃখবিলাস

দুঃখ পেতে কেমন লাগে?

দুঃখ আমার নাই,

সুযোগ পেলে দুঃখীজনের

দুঃখ বেচে খাই।

 

গাড়ি বাড়ি আছে আমার

আছে হালের ফ্যাশন

দুঃখ বেচার দোকানদারী

আমার লেটেস্ট প্যাশন।

 

পান্তা ইলিশ বড়ই মজা

হালের সাথে যায়,

নুন আর ঝালে সারাবছর

কেমন করে খায়?

বিস্তারিত»

মহল্লার মাস্তানের চা চক্র আর নোবেল নিয়ে বিশ্ব জুড়ে ঝড়

ভুখাকে এক বেলা খাওয়ালে খুশী । আরেক বেলার খাবার সাথে দিয়ে দিলে আরো খুশী । কিন্তু তাকে খেটে রোজগার করে ওই খাবারের যোগান জোটাবার জন্য কোনো কাজের ব্যবস্থা করে দিন । খুব একটা মনঃপুত হবে না অধিকাংশের । অথচ কারো উপকার করতে চাইলে শেষের পথটিই সত্যিকার অর্থে কার্যকর । যা অবশ্য বাস্তবে আমি-আপনি চাইলেও খুব একটা বেশী ঘটাতে পারবো না ।

আবার ধরুন বাহবা দেয়া ।

বিস্তারিত»