ABCD অথবা বাংলা শক – ১

বিঃ দ্রঃ ঘটনা গুলো সব সত্য, কিছুটা পরিমার্জিত (নাম, পরিচয়, স্থান উহ্য রেখে)। কাউকে অসম্মান অথবা আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজের চিন্তার শুদ্ধতার লক্ষেই এই অসলগ্ন চিন্তাকে লেখায় রূপান্তর। অন্যকারো অভিজ্ঞতার সাথে মিনিয়ে বিচিত্র মানুষের ততধিক বিচিত্র কর্মকান্ডের ব্যাখা খোঁজার অপচেষ্টা।

 

কালচারাল শক !!! দেশের বাইরে প্রথম যে বিষয়টি ফেস করেতে হয় তা হল, নিজেকে অন্য একটি দেশের/জাতির সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা। 

বিস্তারিত»

কৈশোরের চাঞ্চল্য, একটি অপমান ও কিছু কথা (১)

পনের বছর আগের কথা। তখন ২০০১ সাল, এস এস সি পরীক্ষা দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সম্ভবত, কলেজে শুধু আমরাই আছি। পরীক্ষার দিন তিনেক বাকি। সবার মন খারাপ, গ্রেডিং সিস্টেম চালু হচ্ছে। কেউ জানেনা কিভাবে  গ্রেডিং হবে। স্যাররাও কনফিউজড। সবারই বেশ টেনশন । এর মধ্যে কারো একজনের উর্বর মাথা থেকে আসলো, শেড  ক্রিকেট খেলতে হবে। টেনশন কমে যেতে পারে। যেই কথা সেই কাজ, কর্ক এর বল জোগাড় করা হল,

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৩০

প্যারেন্টস’ ডে
সপ্তম থেকে নবম শ্রেণীতে পড়া পর্যন্ত প্যারেন্টস’ ডে গুলো আমার খুব ভালো লাগতো। প্রতি মাসের শেষ রবিবারে প্যারেন্টস’ ডে হতো। যে মাসে দু’সপ্তাহের কম কলেজে থাকতাম, সে মাসে হতো না। দিবসগুলোর দিকে মুখিয়ে থাকতাম। প্যারেন্টসদেরকে আমাদের হাউসে আসতে দেয়া হতোনা। কলেজ অডিটরিয়াম, ক্লাসরুম, করিডোর, গ্যালারী, কলেজ হাসপাতালের সামনের খোলা জায়গা, ইত্যাদি স্থানে প্যারেন্টসরা এবং ভাইবোনসহ অন্যান্য আত্মীয় স্বজনেরা ক্যাডেটদের সাথে নিভৃতে বসে কথাবার্তা বলতে পারতেন।

বিস্তারিত»

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (প্রথম পর্ব)

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (প্রথম পর্ব)

শান্তির সময়ে শিশুদের বয়স দ্রুত বাড়েনা! কিন্তু আন্দোলন, বিপ্লব, যুদ্ধ, এমনকি দুর্যোগ বা দুর্ভিক্ষের সময়ে তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে। আমি এই কাল, সেই কাল, এই দেশ, সেই দেশ এবং যুদ্ধ বা শান্তির সময়ের পরিক্রমা থেকে এধরনের একটা সিদ্ধান্তেই উপনীত হয়েছি! কারন এই সময়গুলোতে বড়রা এমন সব বিষয়ে নিজেদেরকে সর্বক্ষণ নিয়োজিত রাখেন যে, শিশুরা কখনই তাদের স্বভাবগত শিশুসুলভ কোন বৃত্তি সমূহকে লালন বা পরিচালনা করতে পারেনা।

বিস্তারিত»

২৫ ফেব্রুয়ারির স্মৃতি

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯। উচ্চতর গণিত পরীক্ষা দিয়ে এসে জানতে পারি ঢাকায় সেনাবাহিনীর সাথে গন্ডগোল চলছে বিডিয়ারের। খুব বেশি কিছু জানার সুযোগ ছিল না। কারণ, আমরা বাস করি এমন এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপে যেখানে বাইরের পৃথিবীর খবরগুলো সেন্সর করে আমাদের কাছে পাঠানো হয়। সব খবর আমাদের জন্য প্রাসংগিক না। এ কারণেই হয়তো এমন করা। কলেজের শৃং্খলা রক্ষায় নিয়োজিত জলপাই রং পোশাকের মানুষগুলোর বিচলিত মুখ দেখে বুঝতে পারি কোন সাধারণ ঘটনা নয়।

বিস্তারিত»

চিন্তা খেলা করে ৩

সম্পর্কের রসায়ন

কি জটিল প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে জানা নেই। জানি না এই শহরে কেমন করে প্রেম হয়। গড়ে ওঠে সম্পর্কের বীজ। চারদিকে অজস্র সম্পর্ক গড়ে ওঠার মিছিল দেখে মাঝেমাঝে ইচ্ছে হয় ভীড়ের মাঝে আমিও ঢুকে পড়ি। কিন্তু এইসব মিছিলে নিজেকে ‘ফিশ আউট অফ ওয়াটার’ মনে হয়। ভাবি, গড়পরতা এইসব সম্পর্কের শেষটা আসলে কোথায়?

কলাভবনের সামনে তেঁতুলের আচার চাটতে দেখে যে নারীকে অপার্থিব সৌন্দর্যের দেবী মনে হয়েছিল,

বিস্তারিত»

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়! (তৃতীয় পর্ব)

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়! (তৃতীয় পর্ব)

গডরিচ জেলেপাড়া

সমুদ্র সৈকতে যাবার অনুমতি এখনো মেলেনি!কারন সিয়েরালিওনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধুলার ভেতরে লালমাটিতে স্থাপিত বাংলাদেশ সেক্টর সদর দপ্তর এখনো আমাদের ওপরে রুষ্ট। তারপরেও সমুদ্র প্রতিনিয়ত আমাদেরকে টানে। কারন মানুষের জীবনে জল একটা প্রধান অনুষঙ্গ।বিবর্তনের প্রাথমিক স্তরে জলজ জীবন থেকেই একদিন সে ডাঙায় উঠে এসেছিলো!

এপ্রিল ২০০২ সন। আমরা ইতিমধ্যেই জাতিসংঘের সরবরাহকৃত এ্যাম্বুলেন্স সাইজের ফ্রিজের ভেতরের বরফে রুপান্তরিত ফসিলের মতন কঠিন সামুদ্রিক মাছ-মাংশ ভক্ষন করতে করতে প্রথমে নিরাসক্ত এবং পরবর্তীতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।বিশাল আকৃতির টার্কি মুরগিগুলোকে ফ্রিজ থেকে বের করার পর সকালের উজ্জ্বল আলোতে শিকারির গুলিতে নিহত হরিন শিশু বলে মনে হয়।

বিস্তারিত»

রসনায় স্মৃতিযাপন

রিইউনিয়নের দিনতারিখ ঘনিয়ে আসছে, কিভাবে যাওয়া হবে কোথায় থাকা হবে এই ছুতোয় ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে আড্ডা দিতে বসেছি এক শনিবার দুপুরে। কথার তুবড়ি ছুটছে, পেটে ছুঁচোর কেত্তনও শুরু হয়ে গেছে। দুপুরের খাবারের মেন্যুতে সেদিন ক্লাবে দেখি খিচুড়ি, দেখেই আমাদের আলাপের বিষয় হয়ে গেল কলেজে থাকার সময় বুধবার লাঞ্চের মেন্যু। খেতে খেতেও চলল একই আলাপ, কারণ ক্লাবের খিচুড়ির স্বাদ নাকি কলেজের খিচুড়ির মতই এবং এতক্ষণ ধরে চলে আলাপে আমাদের বহুমত থাকলেও এই একটা ব্যাপারেই আমরা দ্রুত একমত হয়ে গেলাম।

বিস্তারিত»

জুলিয়েটের ঝুল বারান্দায়

জুলিয়েটের ঝুল বারান্দায়

অনেক সময়ে কাল্পনিক চরিত্ররাও বাস্তব মানুষের চেয়ে বেশি জীবন্ত এবং প্রভাব সৃষ্টিকারী হয়ে উঠতে পারে! যেমন কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস’! ১৯১৭ সালের প্রকাশিত হবার পর থেকে দেবদাসের ক্রমাগত মৃত্যু দৃশ্যের বর্ণনা বা মৃত্যুদৃশ্যের অবলোকন চোখের কোণায় অন্তত জল টেনে আনেনি এমন পাষাণ হৃদয়ের বাঙালি আদৌ আছে/ছিল কিনা সে সম্পর্কে আমার ধারনা নেই। ১৯৩৫ সনে প্রমথনাথ বড়ুয়া নির্মিত এবং অভিনীত দেবদাস থেকে শুরু করে ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খানের আধুনিক ‘দেবদাস’ সকলেই শুধুমাত্র বাংলা ভাষাভাষীদের নয়,

বিস্তারিত»

এবারের একুশে বই মেলায় আমার দুটো বই

ইন শা আল্লাহ, আগামী সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে এবারের একুশের বইমেলায় আমার দুটো বই আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। প্রথমটা কবিতার বই “গোধূলির স্বপ্নছায়া”, প্রকাশক- জাগৃতি প্রকাশনী, স্টল নম্বর ১৭৩-১৭৫। দ্বিতীয়টা আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা “জীবনের জার্নাল”, প্রকাশক- বইপত্র প্রকাশন, স্টল নম্বর ১২৭-১২৮।
সিসিবিয়ানদের সাদর আমন্ত্রণ রইলো।

wp_ss_20160118_0001

Design-1

এ পোস্টারটা আমার প্রকাশক পাঠিয়েছেঃ
F-B-Ad

বিস্তারিত»

যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ডায়েরীর পাতা: কেন লিখছি কি লিখছি

 

ডায়েরী লেখার অভ্যাস প্রথম হয় ক্যাডেট কলেজে গিয়ে। কেমন জানি একটা নিয়ম ছিল সব ক্যাডেটকে বাধ্যতামূলক ডায়েরী লেখা লাগবে। এতো তেল সব ক্যাডেটের থাকত না। দেখা যেত হাউজ ইন্সপেকশনের দিন সব গোছানো শেষে কয়েক সপ্তাহের ডায়েরী একবারে লিখে ফেলতো। আমার আবার শরীরে তেল চর্বি না থাকলেও এইসব হাবিজাবি কাজে ভালই তেল ছিল। ক্লাস এইট থেকে মোটামুটি নিয়মিত ডায়েরী লিখছি। এমনো হইছে দুইটা ডায়েরী লেখা হইছে।

বিস্তারিত»

পিতা-কন্যার হ্যাং আউট-১

অনেক সময়ই দেখা যায়, একটা বয়সে পৌছুলে পুত্ররা আর বাবা-মায়ের সাথে বেরুতে চায় না।
এটার একটা কারন হতে পারে এই যে, মামা’স বয় বা ড্যাডি’স বয় – এদুটো পরিচয়ের কোনোটাই তারা পেতে চায় না।
কন্যারা এই দিক দিয়ে সুবিধায় থাকে। মামা’স গার্ল হতে কিছু আপত্তি থাকলেও ড্যাডি’স গার্ল হতে তাদের কারোরই কোনো আপত্তি থাকে না।
বাবার সাথে তারা শুধু যে বেরোয়, তাই না,

বিস্তারিত»

টুকিটাকি – ৩


কারমা আর নিউটনের তৃতীয় সূত্র এক নিয়ম মেনেই কাজ করে। কে ভেবেছিল পলাশীতে যে সূর্য ডুবেছিল ২৫০ বছর পরে তাই আবার একদিন উদিত হবে সিলিকন ভ্যালিতে। স্বর্গ আর নরকের মাঝামাঝি নো ম্যানস ল্যান্ডে এসে নবাব সিরাজুদ্দৌলা নাকি উত্তেজিত স্বরে লর্ড ক্লাইভকে প্রায়ই শাসিয়ে যায়, ‘ তোমাদের ছিল কূট বুদ্ধি আর আমাদের হলো ইঞ্জিনিয়ারিং বুদ্ধি।’
‘ইয়োর মাজেস্টি, তার জন্য কী আমাডের প্রণীট এডুকেশন দায়ী নয়?’,

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ২৯

সাধারণতঃ তিন শ্রেণীর ক্যাডেটদের জন্য ক্যাডেট লাইফটা চরম আনন্দের ও আত্মতৃপ্তির হয়ে থাকে। প্রথম শ্রেণীতে পড়ে যারা স্পোর্টস এবং এ্যথেলেটিক্সে ভালো হয়ে থাকে। এরা বাকী ক্যাডেটদের জন্য, বিশেষ করে জুনিয়রদের জন্য রোল মডেল হয়ে থাকে। তারা খুবই জনপ্রিয় হয়ে থাকে। হাউসের জন্য তারা পয়েন্ট অর্জন করে থাকে বলে তারা হাউস মাস্টার, হাউস টিউটর এবং হাউস এনসিওদের প্রিয়ভাজন হয়ে থাকে। এজন্য এদের ছোটখাট দোষ ত্রুটিও হাল্কাভাবে দেখা হয়।

বিস্তারিত»

আমাদের হারুন স্যার

আমাদের হারুন স্যার

“পুত্রশোকাতুর রবীন্দ্রনাথ রাত্রে ট্রেনে আসতে আসতে দেখলেন জ্যোৎস্নায় আকাশ ভেসে যাচ্ছে, কোথা কিছু কম পড়েছে তার লক্ষণ নেই। তাঁর মন বললে, কম পড়েনি- সমস্তের মধ্যে সবই রয়ে গেছে, আমিও তারি মধ্যে। সমস্তর জন্যে আমার কাজও বাকি রইল। যতদিন আছি সেই কাজের ধারা চলতে থাকবে। সাহস যেন থাকে, অবসাদ যেন না আসে, কোনওখানে কোনও সূত্র যেন ছিন্ন হয়ে না যায়- যা ঘটেছে তাকে যেন সহজে স্বীকার করি,

বিস্তারিত»