জীবনটাকে উপভোগ করে গেল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী

[এক বছর আগে এইদিনে চিরবিদায় নিয়েছিল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী। তাকে নিয়ে এই লেখাটা সামেহায়ারইনে গতবছর এইদিনে দিয়েছিলাম। লেখাটায় কোনো পরিবর্তন না করে এই ভূমিকাটুকু যুক্ত করে ক্যাডেট কলেজ ব্লগে দিলাম।]

জীবন একটাই, আর সেটাকে পুরোপুরি উপভোগ করে আমাদের চোখের আড়ালে চলে গেল সঞ্জীব চৌধুরী। আমার বন্ধু। আমাদের কাছে এই মৃত্যু ভাবনায় ছিল না, কামনার তো নয়ই। মাত্র ৪৪ বছরের জীবন! কেউ এই সময়টাকেই যথেষ্ট মনে করেন,

বিস্তারিত»

টেবিল পার্টি

বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এর একটা ট্রেডিশন ছিল যে কোনো ব্যাচ যাবার আগে টেবিল মেটদের সাথে টেবিল পার্টি দিবে। তো এই টেবিল পার্টির সময় বিভিন্ন সমস্যা হয়।আমাদের ব্যাচ এর সমস্যাগুলো আমি টেবিল হিসেবে এখানে লিখছি: B-)

১। ৪ নং টেবিল এর পার্টি হয় ৩০৪ নং রুমে। খুব ভাল ভাবে পার্টি শুরু হল,পরীক্ষার্থী নাইম তো ব্লেজার,টাই,সু পরে পার্টি তে আসলো।গান বাজনা খাওয়া দাওয়া শেষ এ আমরা টয়লেট থেকে হাল্কা ধুয়া পান করে এসে করিডরে গল্প করতেসি ঔ সময় ডিউটী মাষ্টারের হাউসে আগমন।এসে দেখে ঔ রুম থেকে জুনিয়ররা মুড়ী,মিষ্টীর প্যাকেট,চানাচুর এর প্যাকেট ঝাড়ু দিতেসে।স্যার এসে তার মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে ফেললো।(কেউ ভাব্বেন্না যে সে n-95 নামক ৫ মেগা pixel ক্যামেরা দিয়ে ছবিটা তুলসে।তিনি তার vga ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে ভাব মারতে মারতে হাউসে ঘোড়াঘোড়ি করলো ) সেদিন তাকে বিট দেয়ার কথা ছিল কিন্তু এই কারণে দেয়া হলনা।তিনি অবশ্য পরে আর তা রিপোর্ট করেন্নাই।

বিস্তারিত»

আমার বন্ধুয়া বিহনে-৩

আমার বন্ধুয়া বিহনে-২
ক্লাস সেভেনে কলেজে জয়েন করার কিছুদিন পর আমরা প্রথম যে আন্ত-হাউজ প্রতিযোগিতা পেয়েছিলাম সেটা ছিলো ফুটবল। এবং সেখানে আমাদের ব্যাচের রুম্মান জুনিয়র গ্রুপের সেরা ফুটবলার। জুনিয়র গ্রুপ মানে সেভেন থেকে নাইন। সেখানে সেরা প্লেয়ার সব সময় ক্লাস নাইন থেকে হয় সেটা বাকি কলেজ জীবনের পুরোটা সময় দেখে এসেছি। কিন্তু সেই প্রথম (এবং সম্ভবত শেষ) ক্লাস সেভেনে নতুন গিয়েই কেউ সেরা ফুটবলার হয়ে গেলো।

বিস্তারিত»

ছন্নছাড়া স্মৃতি

ছন্নছাড়া(আগের পর্ব)

১. স্যার আমাদের ইসলাম শিক্ষা পড়াতেন। নাদুস নুদুস চেহারায় শিশুসুলভ হাসি লেগে থাকত, ক্যাডেট কলেজে অনেকটা বেমানান। এ বিষয়ের পরীক্ষা প্রস্তুতি হত সবচেয়ে আলাদা, বিভিন্ন রঙের কলম-পেন্সিলের জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যেত। পরীক্ষার খাতায় লেখার চেয়ে মিনার, মসজিদ, চাঁদ-তাঁরা আঁকাতেই আগ্রহী ছিলাম সবাই। শিল্পী মনটাকে উজার করে দিতাম পরীক্ষার খাতায়, দেখার মত জিনিস হত একেকজনের খাতা। সব সহ্য করতেন স্যার।

বিস্তারিত»

পুরোনো কিন্তু সোনালি স্মৃতি

আগের কথাঃ লেখাটা ছিলো এই ব্লগে আমার প্রথম লেখা। তখন বাংলা টাইপ প্রায় পারতাম না। তাই লেখাটা বাংলিশ এ দিয়েছিলাম। সম্ভবত জিহাদ কষ্ট করে বাংলায় টাইপ করে দিয়েছিলো। আর যেহেতু লেখালেখি থেকে অনেকদিন দূরে ছিলাম তাই বেশি লিখতে পারি নাই। হঠাত লেখাটা চোখে পড়লো। মনে হলো অনেক কিছু লেখার ছিলো আরো। তাই কিছু অংশ সংযোজন করে আবার দিলাম।যারা পড়েন নাই, তাদের জন্য বিশেষ করে।
লেখার প্রেক্ষাপটঃ হঠাৎ খুঁজে পেলাম আমার পুরোনো একটা লেখা।এটা লিখেছিলাম কলেজ থেকে বের হবার দুই দিন আগের রাতের বেলা।হঠাত বের হবার আগে ভাব চলে আসছিলো।

বিস্তারিত»

আমি কি মিস করি?

আমি আসলে লেখক না, তাই মনের ভাব ঠিকমত প্রকাশও করতে পারিনা, লেখকরা বলে কিছু লিখতে গেলে, আগে নিজের ভেতরে একটা ভাব আসা দরকার, তারপর লেখাটা বেরিয়ে আসে….আমি যখন সি.সি.বিতে ঘোরাঘুরি করি, একা একা থাকি তখন খুব ভাব আসে…আর তখননি একটা Text Document নিয়ে বসে পড়ি, লিখার চেষ্টা করি..কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখি ” রাশেদ ভাইয়ের গানের মত ” আমি পারিনা, পারিনা, কিছুই পারিনা…” আর মনে মনে নিজেকে গালি দেই ”

বিস্তারিত»

মাসল টি ব্রেক

স্কুল কলেজে টিফিন টাইম বলে দশটা থেকে এগারোটার দিকে যেই সময়টা পাওয়া যায় ক্যাডেট কলেজে তার নাম “মিল্ক ব্রেক”। এসময় দুধসহ সামান্য নাস্তা পরিবেশন করা হয়। আর বিকেলের নাস্তা পানীয়ের নাম “টি ব্রেক”। নামেই এর পরিচয় – বিকেলে দুধের পরিবর্তে চা পরিবেশিত হয়।

সন্ধ্যার আগে টি ব্রেকের এই সময়টা খুব সংকীর্ণ। গেমস, গেমসের পর দ্রুত গোসল এবং মাগরীবের নামাজে হাজিরা দেবার ফাঁকে সময়টা যেন হুশ করে উড়ে যায়।

বিস্তারিত»

এই লেখাটা তোর জন্যে

আমরা দু’জনে বসেছিলাম। রাত অনেক, প্রায় এগারটা বাজে। একটু দুরে স্ট্রীটল্যাম্পেরা ছাড়া আর কেউ নাই। আমরা দুজন বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে বসেছিলাম। চারপাশে বেশ দমকা বাতাস আজকে। আমি আর তুই কংক্রিটের মাঠে পা ছড়িয়ে বসছিলাম চুপচাপ। আমাদের মাঝে খালি অনিশ্চিত নীরবতা।

তোর সাথে আমার বিরাট ঝগড়া চলতেছে। আমি অনেক নাড়া খেয়েছি ভিতরে ভিতরে। তুই আমার সাথে এরকম করতে পারলি?

ঝামেলাটা কী নিয়ে লেগেছিলো ভুলে গেছি।

বিস্তারিত»

তোমাকে ভালবাসি বাবা

আমি সারাজীবন নিজের মতো চলতে চেয়েছিলাম। নিজের যা পড়তে ভালো লাগে, যা করতে চাই, যা হতে চেয়েছিলাম- সবই একে একে অর্জন করে চলেছি।
শুরুতে বাবা চেয়েছিলেন সেনা কর্মকর্তা হই, পরে চেয়েছিলেন অর্থনীতি পড়ি, অবশেষে সরকারি কর্মকর্তা হই। বাবার চাওয়া এসবের কোনোটাই আমি পুরণ করিনি।
এককালে রাজনীতি করেছি। সাংস্কৃতিক আন্দোলন করেছি। প্রিন্ট মিডিয়ায় দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেছি। এখনও মিডিয়ায় আছি।

বিস্তারিত»

বারি কোথায়?

আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে হেডিং দেখেই আপনারা মনে করবেন, ছেলেটা একদম ট্রাস। সামান্য বাড়ি লিখতেও বাড়াবাড়ি রকম বানান ভুল করে।কিন্তু বিশ্বাস করুন হে প্রিয় ব্লগারগণ- আমি বানান বিশারদ নই, তবু আজও বাড়িকে বাড়ি বলে চিনতে পারি। এই বারি সেই বাড়ি নয়। এ এক অন্য বারি, যার অনেক গল্প বলবার আছে।

বারি আমার বন্ধুর নাম। ভাল নাম মোহাম্মদ আব্দুল বারি। আমার কলেজ জীবনের প্রথম রুমমেট।

বিস্তারিত»

দ্বিতীয় জন্ম

[এই লেখাটি লিখেছিলাম ৪ঠা জুন। ১৯৯৬-এ যারা ক্যাডেটে ঢুকেছে তাদের ইনটেক-বার্থডে। তবে অনুভূতি মনে হয় সবার ক্ষেত্রেই সমান। সেখানে সবাই সমানভাবে তাড়িত হয় ইনটেক-বার্থডে নিয়ে। এখনও যে শহরে থাকি, সেখানে এই দিনে আমরা চেষ্টা করি একত্রিত হবার। দেখা করে একটু স্মৃতিচারণ, একটু নস্টালজিক হওয়া।….. এই বছর আমি সেটা করতে পারি নাই। ইচ্ছা থাকা সত্বেও জীবন আর বাস্তবতা আমাদের অনেককিছুই করতে দেয় না। সেসময় নিজের কথাগুলো ব্লগোস্ফিয়ারে লিখে রেখেছিলাম।

বিস্তারিত»

রেজা, ইকবাল ও আমি

ইকবাল ও রেজা। নাম দুইটা সবসময় একি ব্র্যাকেটে চলে আসে। তার সাথে আসে ১১ই নভেম্বর। প্রতি বছর যখন এই দিনটা আসে আমি রাতে আকাশের তারা দেখি। আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু উত্তর খুজি।

রেজা, ইকবাল আর আমি একি ফরমে ছিলাম। আমাদের প্রথম টেস্টে রেজা হল ৪র্থ আর ইকবাল হল ৯ম। আমার অবস্থা বরাবরের মতই খারাপ।

ফরম মাষ্টার আমার সীট বসাল ইকবালের সামনে।

বিস্তারিত»

কিছু ঘটনা – ২

অনেকদিন আগে এমজিসিসি নিয়া কিছু ঘটনা লিখেছিলাম।কালকে হঠাত আরেকটা মনে পড়ে গেলো।
(যারা পড়েন নাই, তাদের জন্য আগের লিঙ্ক)
হঠাত কালকে আমাদের যুবায়েদ ফোন করে বল্লো “ওই ২৬ তারিখে ফ্রি থাকিস”
আমিঃ কেন?
যুবায়েদঃ “আমার বিয়ের রিসেপশন। সেনা কুঞ্জে।“
আমিঃ “ঠিক আছে। চলে আসবো। নো প্রব্লেম।“

বিস্তারিত»

অন্ধকারে শোনা গেল ধুপ ধাপ শব্দ আর চিত্কার !!

১৯৭৫ সাল। তখন ক্লাস এইটে পড়ি আমরা। ২১তম ব্যাচে বান্দর হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গেছি আমি আর ফয়সাল (অপু)। দুইটা কি তিনটা এক্সট্রা ড্রিল ইতোমধ্যে আমাদের একাউন্টে জমা হয়ে গেছে। ওই সময় ইডিতে ২১তম ব্যাচে আমরা দুজন সিনিয়র ছিলাম। পের অবশ্য ইজাজ আহমেদসহ অনেকেই আমাদের ডিঙ্গিয়ে গেছে।

প্রেপে পড়াশুনা? এটা আবার কি? লাইব্রেরি থেকে ইস্যু করে আনা গল্পের বই তাহলে আছে কি জন্য? আর সেটারও যদি স্টক ফুরিয়ে যায়,

বিস্তারিত»

ম্যাডাম ভাল ……… করে

লেখার প্রথমেই বলে নিচ্ছি ভাইরা আমি সিসিবিতে একেবারে নতুন। মাত্র গত ১৫ জুলাই কলেজ থেকে বের হইছি। সিসিবির মোস্ট জুনিইয়র মেম্বার। আর এটাই আমার প্রথম লেখা। কোনরকম ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন। এবার আসল কথায় আসা যাক।

মাত্র ক্লাস নাইন উঠেছি। ক্লাস সেভেন ও এইটে পরাশুনা না করে বাদরামি করার ফলে এইটে বার্ষিক পরীক্ষার পর যখন নিজের নাম মানবিক শাখার একজন যোগ্য সদস্য হিসেবে শুনলাম তখন অবাক হইনি।

বিস্তারিত»