পুরোনো কিন্তু সোনালি স্মৃতি(পর্ব-১)

আমি এই ব্লগের একজন নীরব পাঠক।এখানে নতুন লেখা পড়ার জন্য প্রতিদিনই আসা হয়।

অনেক দিন ধরে পড়তে পড়তে হঠাৎ ইচ্ছা জাগলো কিছু লিখি।কি লিখবো খুঁজে পাচ্ছিলাম না।হঠাৎ খুঁজে পেলাম আমার পুরোনো একটা লেখা।এটা লিখেছিলাম কলেজ থেকে বের হবার দুই দিন আগের রাতের বেলা।পুরো লেখাটাকে দুই খন্ড করে আজকে প্রথম অংশটুকু দিলাম।

ঘড়ি বলছে এখন রাত বারোটা বেজে দশ মিনিট।এই চুপচাপ রাতে কোথাও একটা সুর বাজছে।বেদনার এবং বিদায়ের।বারবার যা মনে করিয়ে দিচ্ছে কলেজে আমাদের থাকবার দিন ফুরিয়ে এলো বলে।সত্যিই ভাবতে অনেক অবাক লাগে কেমন করে ছয় ছয়টা বছর পার করে দিলাম।সেই ক্লাস সেভেনে এসেছিলাম।কি সহজ সরল একেকটি মুখ।কত হাসি,কত দুঃখের স্মৃতি।যাবার বেলায় একে একে সব কিছু মনে পড়ছে।

বিস্তারিত»

কিছু কথা….আজো মনে পড়ে..

ক্লাস নাইনের কথা।ইন্টার হাউস বাস্কেট নিয়ে খুব উত্তেজনা…নুতন নতুন ল্যাপ করা শিখেছি..মজাই আলাদা।
দেখতে দেখতে কম্পিটিশন চলে এলো।তিতুমিরের সাথে শাহজালালের খেলা।তো খেলার মাঝখানে আমি একটা ল্যাপ নিয়ে শাহাজালালের জোন ভেঙ্গে ঢুকবো…নতুন নতুন ল্যাপ তো প্রবল বেগে এসে কোনো দিকে না তাকিয়ে ল্যাপ করলাম ঠিক আমাদের এক ফ্রেন্ডের গায়ের উপর।এবং আমার হাটু গিয়ে লাগলো ঠিক ওর মিডল স্ট্যাম্পে…!!!তারপর শুধু দেখলাম ও গ্রাউন্ডে পরে গেলো আর মুখ দিয়ে শুধু পানি পরছে….সাথে সাথে আমাদের ওই প্রায়প্রয়াত বন্ধুটাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো।আমার ত তখন মনের অবস্থা বারটা।

বিস্তারিত»

বয়স: এক যুগ

[লেখাটি একক এর রিইউনিয়ন ২০০৮ এর স্যুভেনিরে প্রকাশিত। কুমিল্লা ছাড়া অন্যদের জন্য তুলে দিলাম]কোথায় যেন পড়েছিলাম, দিন যত যায়, স্মৃতি তত মলিন হতে থাকে। যেই পন্ডিত একথা লিখেছিলেন তিনি হয়ত তার জন্মে কোন ক্যাডেট দেখেননি। তা না হলে ক্যাডেটদের জন্য এর থেকে বড় ভুল উক্তি বোধকরি আর দ্বিতীয়টি হয় না। ক্যাডেট কলেজের সাথে সম্পর্কের এক যুগ হয়ে গেল। তার অর্ধেকটা স্মৃতি যোজনের, আর বাকী অর্ধেক রোমহন্থনের।

বিস্তারিত»

আমাদের প্যাঁচালী

(আমার এই লেখাটি ৩১ আগস্ট ২০০২ সালে প্রথম আলোর ছুটির দিনে তে প্রকাশিত হয়েছিল। কপিরাইট আমার। তাই কপি মারায় দোষ কি? ওইটাই তুলে দিলাম।)বছর দুই আগের কথা। আমি তখন কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের একাদশ শ্র্রেনীর ছাত্র। সদ্য স্কুল পেরোন সহপাঠীদের মধ্যে তখন অনেকেই নব প্রেমের জোয়ারে হাবুডুবু খাচ্ছে। আমরা কজন সেই গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে নিরপেক্ষ ভ্যেনুর নিরপেক্ষ গ্যালারীতে বসে তা দেখছি।

বিস্তারিত»

প্রেস্টিজ পর্ব- ২

তপু ভাইয়ার গবেষণার সাথে আমি আরও কিছু যোগ করি ………..

ক্লাস সেভেনঃ
এদের প্রেস্টিজ না থাকলেও ক্লাস এইটে উঠলে ওরা টের পায় কিছু কিছু কথায় তাদের প্রেস্টিজ গেছে..এখন তারা বুঝতে পারছে..যেমন সেভেনে কেনো কোনো প্রেপমনিটর আসতে চাইতো না,কেনো প্রেপ মনিটর ভাইয়ারা রুমে সাবান আছে কিনা জানতে চাইতো

বিস্তারিত»

সেভেন ডেইস এর ছবি….

আমার মিডটার্ম শেষের দিকে তাই এটাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি……..

ঘটনাটা আমাদের ইলেভেনের সেভেন-ডেইস এর পরপর।আমরা সবাই তখন কে কেমন ছবি তুলছে ,কারটা কত ভালো আসছে এইটা নিয়েই বিজি।তো আমি আর ফয়েজ(তানভির-আই.ইউ.টি) তখন সবসময় একসাথেই থাকি,অল্প অল্প দুস্টামী করি,অনেক পোলাপাইনদের মদন বানানোর ধান্দায় থাকি।তো হঠাৎ ফয়েজের মাথায় দুস্টামী একটা চলে আসছে।ও রিফাতকে ডাকলো “দোস্ত শোন,তোর খুব সুন্দর একটা ছবি আমার কাছে আছে..দেখবি??

বিস্তারিত»

আমাদের কলেজ-২(ছড়া version)

আরও একটা part আমি লিখলাম……অন্য যে কেউ পরেরটুকু লিখে আমাকে বাঁচাতে

পারেন(মাথায় শুধু এটাই ঘুরতেছে…..)

কাধের ওপর দুই দাগ নিয়ে
সামনে কটা কেশ,
রুমক্রিকেট আর আড্ডা নিয়েই
যাচ্ছে জীবন বেশ।

বিস্তারিত»

আমাদের কলেজ-১(ছড়া version)

ধারাবাহিক উপন্যাসটা তো খুব হিট করেছে। তাই এবার একটা ধারাবাহিক ছড়া………….. যে কেউ পরের টুকু লিখতে পারেন…..

ভরদুপুরে “একশ তিনে”..
চলছে সমাবেশ,
“এইট” শালাদের অত্যাচারে
জীবন তাদের শেষ।

বিস্তারিত»

নরসুন্দর

কলেজের প্রথম দিন। সব গাইডরা আমাদের রিসিভ করতে আসছে। আমারতো মজা। তপু ভাইয়া এসে কপালে একটা আদর দিয়ে আমাকে রিসিভ করলো (পরে শুনেছি আমাদের এক ফ্রেন্ড এইটা দেখে নাকি খুব ভয় পাইছে.. ও ভাবছিলো সব গাইডরা বুঝি এভাবেই রিসিভ করবে..!!!!!)
যাই হোক, ভাইয়া রুমে নিয়ে আসলো ..ড্রেস পরালো..সমস্যা হলো ক্যাপ পরানোর সময় …কিছুতেই আমার মাথায় ক্যাপ লাগছে না..তো তপু ভাইয়া তখন বলতেছে সমস্যা নাই কালকেই ক্যাপ মাথায় লাগবে…

বিস্তারিত»

জীবনের প্রথম অবস্ট্যাক্‌ল

কলেজে সর্বসাকুল্যে পাঁচবার অবস্ট্যাক্‌ল কোর্স করতে হয়েছে। কোন অবস্ট্যাক্‌লে যে কি কাহিনী ঘটিয়েছিলাম কিচ্ছু মনে নেই। কাহিনী অনেকই মনে আছে কিন্তু কোনটা কোন বছরের তা বের করাটা সহজ না। ক্লাস টুয়েলভের টাও তেমন মনে পড়ছে না। কিন্তু স্পষ্ট মনে আছে ক্লাস এইটে করা জীবনের প্রথম অবস্ট্যাক্‌লের কথা। কারণ তো বোঝাই যাচ্ছে, ব্যতিক্রমী কিছু ঘটেছিল। সে কাহিনীটাই বলতে চাচ্ছি এবার।

জীবনের সবচেয়ে জটিল রোগগুলো হয়েছিল ক্যাডেট কলেজে থাকতেই।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ

আমাদের বাসায় একটা ছোট্ট মেয়ে থাকে, নাম চাঁদনী। আজকে সে বসছে আমার ক্যাডেট কলেজের অ্যালবাম নিয়ে। কিছুক্ষণ পর পর এক একটা প্রশ্ন,

-আপু, তোমরা কই গেসিলা?-কক্সবাজার-কক্সবাজারে বলে অনেক বড় সমুদ্র আছে?

-হু।-আপু, পৃথিবী যত বড় তত বড়?-না রে (এখন তাকে বুঝায় বলেতে হয় সমুদ্রের পাড় কি জিনিস। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা বীচ)।-আপু, ঢাকা শহরের সমান বড়?

-হু? হুমমম (ঢাকা শহরের লেন্থ আমি জানিনা!)

বিস্তারিত»

স্বপ্নহন্তা

ক্লাস নাইনে উঠেছি কেবল। জানুয়ারি মাস হবে। বুঝলাম আমাকে কেউ ফাঁসিয়ে দিয়েছে। এক অল্টারনেট সিনিয়রের কাছে। বুঝতে হল কারণ, কোন প্রমাণ ছিল না। কেউ জানে না কে বলেছে, কিন্তু আমাদের হাউজের জনৈক অল্টারনেট সিনিয়র জেনেছেন, আমার হাতের লেখা নাকি ভাল। অল্টারনেট সিনিয়ররা তখন এসএসসি ক্যান্ডিডেট। পরীক্ষার চাপ আর রচনা নোট করার কাল। নোটের কাজটা আমাকে দিয়ে সারিয়ে নিতে মনস্থ করলেন তিনি। একটা বড় সাইজের কলেজ খাতা ধরিয়ে দিলেন,

বিস্তারিত»

কেন আমি ঋণী?

ক্যাডেট কলেজের কাছে ঋণের কথাই বলছি। গত কয়েক দিন ধরে ভেবে বেশ কিছু কারণ বের করলাম যার জন্য আমার আজীবন ঋণী থাকা উচিত, ক্যাডেট কলেজের কাছে। ব্যাপারগুলো মোটেই হালকা নয়। ভেবে দেখলাম, ক্যাডেট কলেজে না গেলে আমার জীবন একেবারে অন্যরকম হয়ে যেতে পারত এবং সেই জীবন আমার পছন্দ হতো না। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, আমার যে সেই জীবন পছন্দ হচ্ছেনা তা তখন আমি বুঝতেও পারতাম না।

বিস্তারিত»

না বলে চলে যাওয়া এক প্রিয় মানুষের কথা

কিছু কিছু মানুষ চলে যাবার পরেও চলে যেতে অনেক সময় নেয়। কিছু কিছু মানুষ আবার আরেকটু বেশি ত্যাদোড় টাইপের। নিজে চলে গেলেও ছায়াটুকু কখন যেন পেছনে ফেলে যায়। বাস্তবতার কড়া রোদে পুড়েও পুরোপুরি তা’ মুছে যায়না। সময় অসময়ে, রাতে বিরাতে মনের দরজায় এসে খট খট করে শুধু। বয়স কতইবা হল। সবে মাত্র একুশের নৌকায় পা ডুবিয়ে বসে আছি। এমন বয়সে চলে যাওয়া মানুষের চেয়ে কাছে আসা মানুষের মুখচ্ছবিতেই পুরো বুক ভরে থাকার কথা।

বিস্তারিত»

অন্যরকম খাওয়া দাওয়া

আচ্ছা,খাইতে কেমন লাগে?? নাহ, এই প্রশ্ন বাদ।তারচেয়ে বলেন,খাওয়ার কথা শুনলে প্রথম কিসের কথা মনে পড়ে?? হুম্‌ম… একেক জন নিশ্চয়ই একেকরকম খানাপিনার কথা ভাবতেসেন। কিছু মানুষ আছে যাদের খানাপিনার কথা শুনলে মাথার মধ্যে খালি খাওয়া দাওয়ার ছবিই ঘুরে না, কোত্থেকে জানি সেইসব খাবার এর গন্ধও নাকে এসে ধাক্কা মারে।পারলে তখনই খেতে বসে যায় এমন একটা অবস্থা।খাওয়ার কথা শুনে আপনার কি মনে হয় আমি সেটা বলতে পারবোনা।গ্যাজ মাইরা কলেজ লাইফে বহুত অবজেক্টিভ প্রশ্ন মিলাইসি।

বিস্তারিত»