যা পড়ছি এখন ।। ভাঙো দুর্দশার চক্র

কদিন ধরে পড়ছি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের নতুন বই ভাঙো দুর্দশার চক্র । কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পরই মনে হলো হতাশাগ্রস্ত লক্ষ্যহীন কিশোর-তরুণ কিংবা কেবল অর্থ উপার্জনের পেছনে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে থাকা বন্ধুটির হাতে এই বইটি পৌঁছে দেয়া অত্যন্ত জরুরি।

চারপাশে বাড়ছে আত্মকেন্দ্রিকতার খোলসে বন্দী মানুষের সংখ্যা। এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, আত্মহত্যা, পরমত অসিহষ্ণুতা। মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে,

বিস্তারিত»

কষ্টের জোছনা

সক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো, এপিডেমিক হিস্টোরি বলে একটা টার্ম আছে, এর মানে হলো ডাক্তার রোগীর কাছে জিজ্ঞাসা করে কিছু গুরুত্বপূর্ন ক্ষেত্রের প্রশ্নের উত্তর জেনে নেবে। যেমন ধরা যাক রোগী ছয় মাস আগে ডেন্টিসের চেম্বারে দাঁতের চিকিৎসা করিয়েছে, আর এখন তার জন্ডিস হয়েছে, ডেনিস্ট এর যন্ত্রপাতির কারনে ডাক্তার এখন হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং করাবে, কারন হেপাটাইটিস বি ভাইরাস মানুষের শরীরে চুপচাপ ছয় মাস পর্যন্ত বসে থাকতে পারে,

বিস্তারিত»

বাঙলা পাঠ্য বই – হিন্দুয়ানী প্রভাব (১ম শ্রেণি বাঙলা বই)

২০১৩ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হয়। এতে পুরানো বইগুলো কে আধুনিকিকরণ করা হয়, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করা হয়। আমরা বাঙাল রা যেকোন পরিবর্তন কেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখি। নতুন পাঠ্যপুস্তক ও সন্দেহের চোখে পড়বে এটা বুঝে ওঠার জন্য বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। প্রায় শুরু থেকেই নতুন পাঠ্যবই গুলি কে চিহ্নিত করা হয় হিন্দুয়ানি দোষে দুষ্ট। রোজা চলছে, এই সুযোগে গত কিছুদিন যাবৎ এই প্রপাগান্ডা চলছে বেশ জোড়েসোড়ে।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-২

পর্ব-১

বৃটিশদের সময় ১৮৭২ সালে সর্বপ্রথম সরকারিভাবে বাংলার জনসংখ্যা গণনা করা হয়। তৎকালীন বাংলার রাজনীতি, শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসাবাণিজ্য ছিল কলকাতাকেন্দ্রিক এবং সেখানে ছিল হিন্দুদের প্রধান্য; অপরদিকে মুসলমানরা ইংরেজপূর্ব শাসনকেন্দ্র মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গে কিছুটা প্রভাবশালী। তুলনামূলকভাবে অনুন্নত দক্ষিনবঙ্গ এবং পূর্ববঙ্গকে কলিকাতাকেন্দ্রিক বাংলার পশ্চাতভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এসব এলাকার জনগোষ্ঠী সম্পর্কেও খুব একটা আগ্রহ দেখা যেতো না। এদেরকে ধরে নেওয়া হতো নিম্নবর্ণের হিন্দু এবং অন্যান্য স্থানীয় আদিবাসী হিসেবে।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গোলাম মুরশিদের “হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি”


প্রখ্যাত লেখক+গবেষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার অধ্যাপক এবং পরবর্তীতে লন্ডনে বিবিসিতে কর্মরত ডঃ গোলাম মুরশিদ যে বইটার জন্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চায় চিরস্থায়ী আসন অর্জন করেছেন, তা হল “হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি” (২০০৫)। বই আকারে প্রকাশের আগে এর বেশ কয়েকটা অধ্যায় প্রথম আলো এবং ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। সেসময় বাংলা সাহিত্যের উপর লেখা অধ্যায়টি পড়ে পুরো বই সম্পর্কে বেশ আগ্রহ জেগেছিল। প্রথম আলো বইটিকে পুরস্কৃত করলে সেই আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

বিস্তারিত»

ইচ্ছা পূরণের রোডম্যাপ (একটি ভিডিও ব্লগ)

বেশ কিছুদিন আগে একটি ভিডিও ব্লগ বানিয়েছিলাম। পশ্চিমেতো সবসময় ভিডিও কনটেন্ট দেখছি। তখন মনে হতো বাংলাতেও এরকম বানিয়ে দেখি। এটি একটি এক্সপেরিমেন্ট। এটি সময় কিভাবে সামলে আনা যায় তার উপর ভিত্তি করে বানানো। বই বা রেফারেন্স এই ভিডিওটির মধ্যেই আছে। ধন্যবাদ। সবাইকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।

টাইম ম্যানেজমেন্ট

বিস্তারিত»

লেখাচুরি (plagiarism) নিয়ে কিছু দরকারি কথা

এবছরের মে মাসে আমেরিকার একাডেমিয়াতে বেশ একটা ঝড় বয়ে গেছে University of California Los Angeles (ইউসিএলএ) থেকে সদ্য পলিটিক্যাল সায়েন্স এ পিএইচডি সমাপ্ত করে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা মাইকেল লা’ক (Michael LaCour) এর লেখাচুরি বা প্লাজিয়ারিজম এর কাহিনী উম্মোচিত হলে। গত ডিসেম্বরে সুপ্রসিদ্ধ একাডেমিক জার্নাল ‘Science’ মাইকেলের একটা আর্টিকেল প্রকাশ হয়েছিল কিভাবে সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান কন্টাক্ট মাইনরিটিদের প্রতি কুসংস্কার (prejudice) হ্রাস করে এই বিষয়ে।

বিস্তারিত»

শেষের থেকে শুরুঃ এই আমি

There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx (Preface to the French Edition of Das Capital, 1872).

সিসিবিতে আজ আমার নিজের কথা বলবো, আকাশ ছুঁয়ে ফেলার যে স্বপ্নটা দেখা শুরু করেছিলাম ১৯৯৬-এর দিকে, সেই স্বপ্নের কথা।

সিসিআর থেকে পাস-আউটের পর আর সব ক্যাডেটের মতোই হঠাৎ করে পাওয়া স্বাধীনতার মাঝে খাবি খেতে থাকলেও মনের মধ্যে জন্মানো সমাজ পাঠের আকাঙ্ক্ষাটি কখনো হারিয়ে যায়নি।

বিস্তারিত»

প্রবাসের গল্প

অনুগল্প – ১ঃ পড়াশুনা আর টিকে থাকা

ইউরোপের উদ্দশ্যে উচ্চ শিক্ষার্থে দেশ ছেড়েছি ২০১২ সালে – তাও প্রায় আড়াই বছরেরও বেশি হয়ে গেল। মোটেও সোজা ছিল না শুরুর সময়টা। নতুন দেশ, পরিবেশ, পড়ালেখার ধরণ, খাওয়া-দাওয়ার কষ্ট, জন্মের ঠান্ডা, স্বর্ণকেশী/নীলনয়নাদের আনাগোনা – সব মিলিয়ে অনেক কঠিন মন বসানো। তারপরেও জীবন চলে যায় জীবনের নিয়মে।
ইউরোপীয়ানদের তুলনায় আমাদের ম্যাথের ব্যাকগ্রাউন্ড যথেষ্ট দুর্বল।

বিস্তারিত»

এশিয়া প্যাসিফিকঃ শান্তি- সমৃদ্ধি অথবা যুদ্ধের ডামাডোল ?

বিশ্বায়ন,শিল্পায়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতি- এই শব্দগুচ্ছ প্রচলিত হওয়ার কয়েক শত বছর আগে জন্ম চাঁদ সওদাগরের। তারও অনেক আগে থেকে বাঙালি জানে- ‘বাণিজ্যেই লক্ষ্মীর বসতি’।

এই একবিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করে না এমন দেশ খুঁজে পাওয়ার চেয়ে দু -একটা জ্যান্ত ডাইনোসর পাওয়া বরং বেশি সহজ। এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের ইঞ্জিনঘর। রাজনীতি ও অর্থনীতির মনোযোগী পাঠকের জন্য এই অঞ্চলের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বিস্তারিত»

করাতটা উপরে পাঠান। মগডালে বইসা আছি। সময় থাকতে কাইটা ফালাই।

প্রফেসর ডঃ জাফর ইকবাল। আমার মতে উনার হেটার্স ক্লাবের স্পেকট্রামের মত বড় স্পেক্ট্রামের হেটার্স ক্লাব আর কারো নাই। বাম, ডান, মধ্যম, আধা-বাম-কিছুটা-ডান, ছুপা সুশীল ইত্যাদি সবাই উনার কথাবার্তায় কম বেশী তেড়েফুঁড়ে উঠেন। কারণ সময়-অসময়ে উনার মতামত, চিন্তা-ভাবনা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। স্পেক্ট্রামের মানুষগুলো যেন আশা করে বসে থাকে, কবে মানুষটি একটি বিতর্কিত কথা বলবেন। কিন্তু যখন এই মানুষটি কিছু কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন, ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরণতির কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চান তখন উনার পাশে মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না।

বিস্তারিত»

কিভাবে কাউফি থুক্কু সেলফি তুলবেন

ব্যাটা ছেলে নিজের রুমের খাট কাটা শুরু করলে বাবা-মা যেমন সহজেই জেনে যায়, পুত্র বিবাহ করিতে ইচ্ছুক-ঠিক তেমনি আমরা সেলফি ছবি দেখলেই বুঝতে পারি ইহা সেলফি ছবি।
সেলফি ছবির ইতিহাস, নামকরণের যথার্থতা কিম্বা সেলফি- নন সেলফি ছবির পার্থক্যের ছক দিয়ে পাঠকের বিরক্তির উদ্রেক করিব নাহ।

নানান কারন থাকতে পারে, নানান মত থাকতে পারে তবে সেলফি জ্বরের মূল কারন অন্যকে ছবি তুলে দেবার জন্য বিরক্ত না করে নিজেই নিজের ছবি তুলে নেয়া গেলো।

বিস্তারিত»

পরিসংখ্যান বা গণিতের ছাত্রদের জন্য একটা দারুণ সুযোগ!

প্রিয় সিসিবিয়ান,

কারো যদি পরিসংখ্যান বা গণিতে আন্ডারগ্র্যাজুয়েশন করা থাকে এবং সে যদি আমেরিকাতে মাস্টারস করতে চায়, তাহলে তার জন্য একটা দারুণ সুযোগ আছে- জিআরই ছাড়া এবং টোফেলে মাত্র ৮০ থাকলেই ভর্তি হওয়ার সুযোগ, তাও আবার ফান্ডসহ!!! ৭/৮ বছরের স্টাডি-ব্রেক থাকলেও মনে হয় অসুবিধা নাই।

এইরকম কেউ থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলে গেলাম। কমেন্টে নিজের ই-মেইল আড্রেসসহ জানান দিয়ে গেলেই চলবে।

বিস্তারিত»

এবার আর “যৌনশিক্ষা নয়, (তবে) প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে আরেক কিস্তি”

ভূমিকা

বলেছিলাম, এই বিষয়টা নিয়ে আরও লিখবো। বলেছিলাম, দরকার হলে বড় বিজয়ের জন্য ছোট পরাজয় মেনে নেবো।

তাই আবার লিখলাম। “যৌনশিক্ষা”  বদলে দিয়ে “প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা”-র আমদানি করলাম।

দেখা যাক এবার কি ধরনের মারমুখি আচরনের সম্মুখিন হতে হয়।

মূল লিখা পড়া যাবে এখানে

আমি বেশ অসহায় বোধ করি, যখন কেউ বলেন, এমন যৌনশিক্ষায় আপত্তি নেই যা বিবাহবহির্ভুত যৌনচর্চা উৎসাহিত করবে না।

বিস্তারিত»

আই আই টি , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হয়েছিল আশির দশকে “কম্পিউটার সেন্টার” হিসেবে। তখন সারা বিশ্ববিদ্যাওলয়ের মধ্যে নেটয়ার্কিং এখান থেকেই নিয়ন্ত্রিত হত। (কিছুদিন আগ পর্যন্তও তাই হত। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সার্ভারটিকে রেজিস্ট্রার অফিসে স্থানান্তর করা হয়েছে)। মজার ব্যাপার হল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কম্পিউটারটি কিন্তু এখানেই স্থাপন করা হয়েছিল। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সুনাম জানি। এই বিভাগটির যাত্রাও শুরু হয়েছিল আই আই টির ভবন থেকেই।

বিস্তারিত»