প্রবাসে প্রাকৃতজন: পরিবেশ পরিচিতি (১ম ভাগ)

পূর্বের পর্ব: প্রবাসে প্রাকৃতজন: যাত্রা পর্ব – The Exodus

ডাক্তারের রুম থেকে বেরিয়ে আমাদের লাগেজ সংগ্রহ করে বেরিয়ে এলাম । এখন যাবো মাসুমের বাসায়, সে থাকে ইষ্ট লন্ডনের বেথনাল গ্রীন এলাকায়। ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে সার বেঁধে দাঁড়ানো অনেক ট্যাক্সি। নিয়মানুযায়ী সবার সামনে দাঁড়ানো ট্যাক্সির ড্রাইভার আমাদেরকে নিতে বাধ্য। কিন্তু গন্তব্য শুনেই বলল যে, সে যাবেনা। তবে আমরা কিছু বলার আগে সেই তাড়াতাড়ি বলল,

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রাকৃতজন: যাত্রা পর্ব – The Exodus

আমার দাদা ছিলেন ভ্রমন পিপাসু একজন দরবেশ টাইপের মানুষ। এমনকি তিনি পায়ে হেঁটে সুদূর মক্কা পর্যন্ত গিয়েছিলেন হজ্জ আদায় করতে। আমার বাবা এক্ষেত্রে একেবারেই বিপরীত, তিনি জীবনেও বাংলার বাইরে কোথাও যাননি। আমিও পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছি  টানা তেত্রিশ বছর পর্যন্ত। কল্পনায় চষে বেড়িয়েছি সারা বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড অথচ বাংলার বাইরে কোথাও এক পাও ফেলা হয়নি । কলকাতা আর দার্জিলিং গিয়েছিলাম বৈকি – কিন্ত তাওতো ঘুরে ফিরে ওই বাংলার মধ্যেই।

বিস্তারিত»

দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া, রাত্রি কাটিলো তাবু খাটাইয়া।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটা। ল্যাপটপের সামনে বসে ঘুম তাড়াচ্ছি। সিড়িঘরে পায়ের আওয়াজ পেয়ে বুঝলাম ওরা বুঝি এলো। অমিত, ধ্রুব, সনেট, প্রিয়ম, ও নির্ঝর। আমার রুমমেট জোসেফের এমআইএসটির বড় ভাই ও তার বন্ধুবান্ধবের দল। মিশিগান আপার পেনিনসুলার প্রাকৃতিক নৈঃসর্গের সুনাম শুনে গাড়ি ভাড়া করে চলেই এল ইলিনয়ের দক্ষিণের রাজ্য ইন্ডিয়ানা থেকে। দুষ্ট মস্তিষ্ক আরেক দুষ্ট মস্তিষ্কের কথার তরঙ সহজেই ধরে ফেলে। আমার রুমে এসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে দু-চার মিনিটের পরিচয় পর্বের মাথায়ই নির্ঝর মার্লবোরোর প্যাকেট বের করে জিজ্ঞাসা করলো,

বিস্তারিত»

জাম্প (Jump)

The White World above

19320_10200491878566480_299407434_n
“­Which one for you dear?”
একটু অবাক হয়েই উপরে তাকিয়ে দেখি একজন বয়স্কা মহিলা হাতে একটি ক্লিপবোর্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে। বুঝতে পারিনি আমাকেই জিজ্ঞেস করা হচ্ছে কিনা।
আসলে অনেক্ষন ধরেই বসে আছি এই অজানা জায়গাতে। একটি বড় রুম। রুমের এক সাইডে একটি বড় টিভি। আর সাথে টিভি দেখার জন্যেই বোধহয় অনেক গুলো চেয়ার রুম জুড়ে গোল করে সাজানো। আমি একা নই,

বিস্তারিত»

মালয়েশিয়া ধামাকা

পর্ব-১

৩ এপ্রিল ২০১৪

আরিফের ইচ্ছা হল মালয়েশিয়া যাবে। তাই ভিসার সব ফর্মালিটি সেরে ফেললো।কি মজা যে লাগছে! ১০ তারিখের টিকেট কেটে ফেলেছে! আমার জন্মদিনের অ্যাডভান্স ট্রিট এটা। কিন্তু রাতেই জানা গেল আজকাল মালয়েশিয়ার ভিসা পেতে ১০ দিন লাগে।সুতরাং ইচ্ছায় গুড়েবালি। ১০ তারিখে যাওয়া হবেই না! তাও বসে বসে দূয়া করি, যদি ৭ দিনে হয়! ৭ দিনে হলেও যাবার দিনেই পাওয়া যাবে ভিসা।

বিস্তারিত»

সান ফ্রান্সিসকোতে ফাঁস

(গল্পটি আগে একটি সাহিত্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।)

রুমমেট মেরি লী আর আমার সমস্যাটা এক। অথচ দু’জন এর সমাধান চাচ্ছি দুরকম পথে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ আমাদের মিলের থেকে অমিল বেশি। প্রথম এবং প্রধান মিলটার কথা আগে উল্লেখ করি। আমরা সমবয়সী। আমার বয়স চব্বিশ। মেরি লী আমার থেকে দু’বছরের ছোট। অমিল অনেক। সে বেশ সুন্দর। স্কুল-কলেজে পড়ার সময় তাকে একজন প্রথম সারির সুন্দরী বলে বিবেচনা করা হতো।

বিস্তারিত»

এভারেস্ট জয় করে ফেরা এক্স ক্যাডেট দের নিয়ে একটি ছবিব্লগ

হুজুগ শুরু হতে আমাদের সুনির্দিষ্ট কোন কারন লাগেনা। একটু মজা লুটার সুযোগ পেলে কেইবা সেই সুযোগ মিস করতে চায় ? এভারেস্ট এর চূড়ায় আরোহণ নিয়ে অতি সাম্প্রতিক কালে সৃস্ট বিতর্ক কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে  প্রাক্তন এক্স ক্যাডেট রা বেশ সাজ সাজ রবের সাথেই ফেসবুকে ছবি আপলোডের মাধ্যমে রেকর্ড সংখ্যক বারের মতন এভারেস্ট আরোহন করে ফেললেন। প্রথমেই পাসপোর্ট সাইজের ছবি সহ এভারেস্টের চূড়ায় উঠে দুই হাত উচু করে হেড়ে গলায় হুঙ্কার ছাড়েন এমসিসি ১৯৯৯ ইনটেকের তুহিন ভাই..

বিস্তারিত»

একটি অনাবিল আনন্দময় ও স্মরণীয় ভ্রমন অভিজ্ঞতা

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ১৫তম ইনটেকের (৭৮-৮৪) আমরা ১৮ জন বন্ধু (১৫ জন সস্ত্রীক) তাঁদের ২৭ জন সন্তান (একজন আবার এক্সক্যাডেট) সহ দিন কয়েক আগে দুরাত ও এক দিনের এক ভ্রমনে গিয়েছিলাম বরিশালে, আমাদেরই এক বন্ধু রিজভির আমন্ত্রনে, পৃষ্ঠপোশকতায়।

কথা ছিল ফিরে এসে ঐ অভিজ্ঞতার কথা লিখবে, যারা যারা লিখালিখি করে বা লিখালিখির সাথে জড়িত।

আমি এককিস্তি লিখেছিলামও। কিন্তু আমার বন্ধু বুয়েটের শিক্ষক মাহবুব সাড়ে চার কিস্তিতে এমনই এক স্বপ্নালু গদ্যের জন্ম দিয়ে ফেলল যে আমি আমার লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেললাম।

বিস্তারিত»

পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৭


পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে এমনিতেই একটি সিরিজ লেখা। তবে আজকের পর্বটি গত পর্বের ধারাবাহিকতা। গল্প একবার শুরু করলে শেষ হতে চায় না। লেখা শুরু করবার আগে আমি নিজেও জানি না যে আমার মধ্যে এতো গল্প জমে আছে। কেন আছে এর পেছনের কারণটি খুঁজে পেতে লক্ষ্য করলাম এই জীবন আমাকে অনেক রকম বৈচিত্র্যের মধ্যে দিয়ে ভ্রমণ করিয়েছে। জ্ঞান হবার পর থেকেই নানান রকম মানুষ আর ঘটনা এবং দুর্ঘটনা দেখে চলছি।

বিস্তারিত»

ফরেন থেকে ফাইভ ফিচারস

বিদেশী ছবিতে চুমু-তো অহরহ দেখি, তবু জানালা ভেঙ্গে ঢুকে শার্লক যেভাবে মলিকে চুমু খেলো সে কথা মনে থাকবে বহুদিন।
ছবিতে ছবিতে মনে এলো সুচিত্রা সেনের কথা, আমাদের প্রায় সবার বাপ চাচাদের বাংলা নায়িকা ফেটিশ ছিলেন হয়তবা সুচিত্রা সেন, সেবার পিরোজপুরে মামা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছি, কথায় কথায় উঠে এলেন সুচিত্রা সেন, মেজো মামা বললেন এক চমকপ্রদ কাহিনী।

টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে সিনেমা দেখার টিকেট যোগাড় হত,

বিস্তারিত»

আমেরিকার পথে পথে – ১

প্রথম ব্যাপারটা মাথাচাড়া দিয়েছিল গত জুন মাসে। কোনো এক মধ্যরাতে  Into the wild মুভিটা দেখে বিমোহিত হয়ে গেছিলাম। অন্য কোন মুভি দেখে আমি এতোটা প্রভাবিত হয়েছিলাম কিনা মনে পরে না.. মুভির নায়ক জীবনের প্রতি ব্রীতশ্রদ্ধ হয়ে একদম কপর্দকহীন অবস্থায় বেড়িয়ে পরে আমেরিকার পথে পথে.. ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ফেসিনেটিং মনে হয়েছিল। এতই বেশি রকম ভাবে যে , বিষয়টা একদম মাথায় খুটি গেড়ে বসেছিল।

বিস্তারিত»

ট্রেন রোল অন….

ট্রেনে চড়েছি। এই নিয়ে চতুর্থবার। অবরোধে প্রথম। তিস্তা এক্সপ্রেস, “ঝ” বগি। প্রথম সিটে, জানালার পাশে। ব্যাপক প্যানিকের মধ্যে আছি। বসেই আমি আর শিপু দুইজন মিলে ট্রেনের বেগ,বাতাসের বেগ,গতিশীল পিকেটারের গতিশীল ঢিলের বেগ,স্থির পিকেটারের গতিশীল ঢিলের বেগ,ঢিলের ট্য্রাজেক্টরি ইত্যাদি বলবিদ্যা বিষয়ক হিসাব কষা শুরু করলাম। সাথেসাথে আমরা পিকেটার হলে কোথায় ঢিল ছুড়তাম? বলবিদ্যা বিষয়ক হিসাবগুলা করতাম কিনা?ঢিল ছুড়ার জন্য সুবিধাজনক জায়গা কোথায় হত?কতটুকু দুরত্ব থেকে ঢিল ছুড়লে লক্ষ্যভেদ করার সম্ভাবনা বেশি হতে পারে?কত ডিগ্রি কোণে?

বিস্তারিত»

কলকাতার চিঠি

নিউমার্কেটের বাসে উঠেই বুঝলাম পূজার সিজনে বের হওয়া মোটেও উচিৎ হয়নি। অসম্ভব ভীড় আর গরমে দাঁড়িয়ে আছি (আমার সিট ভাগ্য খুব খারাপ) , এদিকে উচ্চতা কম বলে উপরের রডও নাগাল পাইনা, তাই হাতের ছাতা ব্যস্ততার সাথে ব্যাগে ঢুকিয়ে দুই সিট ধরে দাঁড়িয়ে গেলাম।
যে সিটের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম তাতে দুই বোন বসে ছিল, বড় বোন ছোট জনের চেয়ে খুব বড় না হলেও বুঝদারের মত জানালাটা তুলে দে,খুব রোদ,

বিস্তারিত»

ভ্রমণ বিড়ম্বনা……

(প্রত্যেকবার যখন ট্রেনে বা বাসে বড় কোন জার্নিতে যাই তখন ভাবি অনেক কিছু। কিন্তু বাস্তবে হয় তার পুরো উল্টো। অনেকবার নানা রকমের অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই গুলোই এখানে বলার চেষ্টা করলাম। )

কল্পনায়-
যাবো ট্রেনে বসবে পাশে, অচেনা এক মেয়ে;
সুন্দরী হবে খুব-দেখবো চেয়ে চেয়ে।
কথা হবে, হাসি হবে,হবে পরিচয়।
বিদায়ের আগে হবে নাম্বার বিনিময়।
অতঃপর দেখা হবে, প্রেম হবে এবার।

বিস্তারিত»

ছবি ব্লগ ৫ – মার্কিন রাজধানীতে রথ দেখা ও কলা বেচা

গত ০৫ সেপ্টেম্বর গিয়েছিলাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী অর্থাৎ ওয়াশিংটন ডিসিতে। কিছু দাপ্তরিক কাজে জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস যেতে হয়েছিল। টিকেট কাটার আগে ভাবলাম, যাচ্ছি যখন সপ্তাহটা বন্ধু শামসুজ্জামানের ওখানে কাটিয়েই আসা যায়। দশম শ্রেণীতে থাকতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো এই বন্ধুর সাথে শেষ দেখা হয়েছিল সোহরাওয়ার্দী হাউজের সামনে। এছাড়া প্রায় দুইবছর পর দেখা হতে যাচ্ছিল মিসৌরী অবস্থানরত আপন বড় ভাই সুহৃদ (মোত্তাকী, মকক ৯৪-০০) এর সাথে।

বিস্তারিত»