অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৯ : প্রসঙ্গ ‘হাকুল্লা’

অনেক দিন বাদে ব্লগর ব্লগর নিয়ে হাজির হলাম।
জীবিকার সাথে জীবনের সমঝোতায় আজকাল ক্লান্ত হয়ে যাই সহজেই। ব্যস্ত রুটিনের বেড়াজালে ক’দিন আগে বন্ধু ‘মইন’ এর সাথে ক্লাবে দেখা। ও বললো – “যোবা’র বইটা পড়ছস? জোস লেখে কিন্তু।ফেসবুকে তো ও রেগুলার দারুন দারুন স্ট্যাটাস দেয়।” … নজরুল হাউসে আমাদের পিঠাপিঠি ব্যাচের যোবা’র সাথে আমার খাতির এর জায়গা হলো – বাস্কেটবল। দুর্দান্ত খেলে। ‘মেকা’ রি-ইউনিয়নে গেলে বাস্কেট গ্রাউন্ডে ওর সাথে খেলতে গেলেই ফিরে পাই ফেলে আসা দিনের আমেজ।।

বিস্তারিত»

একদিনের ডে ট্যুরের অভিজ্ঞতা : বারো বাজার, ঝিনাইদহ ভ্রমন

এই ব্লগটি তাদের জন্য এড়ানো সম্ভব হবে না,যারা শুধু ভ্রমন পিপাসুই নয়, পুরাকীর্তি এর প্রতি আগ্রহী।

গত শনিবার আমি গিয়েছিলাম যশোর থেকে ২০ কিমি উত্তরে বারবাজারের মাজার আর প্রাচীন মসজিদ দেখতে। ঢাকা থেকে কেউ আসতে চাইলে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ এর পরেই এর অবস্থান। এখানে আরো আছে প্রাচীনতম বটগাছ আর নানা লোককাহিনী। স্বল্প এই ডে ট্যুর আপনি অবশ্যই উপভোগ করবেন।

shortly describe করছি আমার অভিজ্ঞতা…

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ ০১৭

১|
প্রায় ৪ বছর পর ব্লগ জগতে আসা । নতুন স্কুলে গেলে যেমন জড়সড় হয়ে বসে থাকা হয় নিজেকে তেমন জায়গায় দেখতে পেয়ে খুবই অবাক হচ্ছি। এক সময় ছিল দিনের শুরু হত এ জায়গায় এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগের কাজ ও ছিল এই সাইটে ঢুঁ মারা। কেমন আছে এখানকার সবাই আমি জানিনা। জুনায়েদ ভাই ও তারকে ভাই কে পেলাম লেখার মাঝে। মনে হল কেমন করে আমি এতদিন এখান থেকে এত দূরে থাকলাম।

বিস্তারিত»

‘Last In, First Out’

ছোটবেলায় স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার পর আমরা প্রায় প্রতি বছরই নানাবাড়ী, দাদাবাড়ী বেড়াতে যেতাম। উভয়বাড়ী উত্তরবঙ্গে হওয়ার কারণে আমরা ট্রেনেই বেশী যাওয়া আসা করতাম। খুবই আনন্দের ছিল এ জার্নিটা। তখন সারাদিনে ঢাকা থেকে মাত্র দুটো ট্রেন উত্তরবঙ্গে যেত, একটা সকাল ৮ টার দিকে ছাড়তো, নাম ১১ আপ দ্রুতযান এক্সপ্রেস। অপরটা রাত ১১টায়, নাম ৭ আপ নর্থ বেঙ্গল মেইল। প্রথম প্রথম ট্রেনগুলো নারায়নগঞ্জ থেকে যাত্রা শুরু করতো,

বিস্তারিত»

একটি উচ্ছ্বল প্রাণের ঊর্ধ্বারোহণঃ

Friends at a funeral

আমার বন্ধু জামান, অনেক প্রতিভা ও গুণের অধিকারী। ওর সব গুণের চেয়ে আমার বিবেচনায় সবচেয়ে বড় যে গুণটি সেটি হলো শত প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও ধীর স্থির এবং প্রতিক্রিয়াহীন থাকার সক্ষমতা। গত কয়েক বছর ধরে জানি যে ক্রমাগতভাবে ওর উপর দিয়ে নানা রকমের ঝড় ঝঞ্ঝা বয়ে চলেছে। প্রথমে ওর বড়ভাই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে কয়েকবার সিঙ্গাপুরে যাওয়া আসা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

বিস্তারিত»

রোহিঙ্গা ভাবনা

একটি অবুঝ শিশু
বর্মী বর্বরতার শিকার হয়ে গৃহত্যাগী
দীর্ঘ পথ হাঁটা ক্লিষ্ট, ক্লান্ত তার শরণার্থী মায়ের
পায়ের পাতার উপর মাথা রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।
খোলা আকাশের নীচে পাতা বিছানো কোন তরুতলের মাটি তার শয্যা।
মাটিতে বসে তার শীর্ণদেহী, স্নেহময়ী মা
পরম মমতায় আরেকটি শিশুকে বুকে নিয়ে আনমনে স্তন্যদান করছে।
সহায় সম্বলহীন, উৎকন্ঠিত,

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়াঃ সময়ের পালাবদল

নস্টালজিয়াঃ সময়ের পালাবদল
আহমদ মাহবুব-উল-আলম
[আহমদ, সিসিআর, ১৯৮৮-’৯৪]

১। ক্যাডেট কলেজে ৭ম শ্রেণীতে পড়ার সময় ক্লাস টুয়েলভের বড় ভাইদের দানবাকৃতির মনে হতো। সময় গড়ালো, আমরা যখন টুয়েলভে, নতুন ইণ্টেক যখন ক্লাস সেভেনে ভীতু-ভীতু চেহারা নিয়ে ভর্তি হতো, ভাবতাম ওদের মা-বাবা-দের কোন দয়া-মায়া নেই, এইটুকুন বাচ্চাদের কেউ ক্যাডেট কলেজে পাঠায়!!

২। আমাদের সময়ের এক প্রিন্সিপাল ম্যাডাম (মিসেস প্রিন্সিপাল) একবার তাঁর বাসায় তিনশ ক্যাডেটকে একসাথে দাওয়াত করে শবে বরাতের হালুয়া রুটি খাইয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

অনুকাব্য থেকে জোড়াকাব্য

রজনী যাপনে তোমারি স্মরণে, 
প্রতিক্ষামান এই আমি।
মুষ্টিবদ্ধ হস্তে শোভা পায় আমার-
লাল গোলাপের ডালি।
বিনিদ্র এই আঁখি আমার,
তোমার পথপানে চাহি।
তোমার ছবিখানা আমার এ মনেতে-
সর্বদা ধরে রাখি।
আহ! কতই না স্মিত হাসি,
স্বপ্নে কেবল তোমায় দেখি;
পার করি দিবানিশি।

নিঝুম রাতে-
আমি বসে আছি একা,
দু চোখ আমার রয় তোমারি আশায়,

বিস্তারিত»

কি করে অকৃতজ্ঞ হও?

স্বপ্ন দেখে দিন যায়, আধো ঘুমে রাত যায়,
সহজেই ভুলে যাওয়া বেকুব অকৃতজ্ঞ মানুষের কাছে সম্মান পাওয়ার স্বপ্ন ,
দুই দিনের দুনিয়ায় অনেক ধনী হবার স্বপ্ন।

আবার অবাক চোখে তাকিয়ে দেখি 
জেগেও দেখি, ঘুমিয়েও দেখি

একবারও কি স্বপ্নে দেখেছি পালনকর্তার সামনে দাঁড়ানোর মুহূর্তের কথা !!

###

সন্ধ্যার ক্লান্ত ঘরে ফেরা মানুষ দেখি
এবং আয়েশরত মানুষ
সন্ধ্যা-প্রভাত ভ্রমণ পিয়াসী মানুষ,

বিস্তারিত»

না মানে, এই আরকি

গত আট বছর ধরে ঈদের দিনে সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখতেছি। সবাই কই? রকিব, প্রিন্সু স্যারকে চা দে তো!

বিস্তারিত»

কুরবানি

মনের বড় খামারেতে তারই দেয়া আশকারাতে উঠছে বেড়ে অবিরত পশু কত শত শত। আছে সেথা ছিটে ফোটা মরুর মাঝে গুলবাগিচা প্রাণটি না কি ফুল বাঁচাবে উষর ভুমে জলের সেঁচা। ডাইনে বাঁয়ে আসীন যারা গুনছে সবই লিখছে তারা জমা খরচ কেমন ধারা পুষ্প পশু আছে যারা। আদর করে লালন করা যত্ন করে পালন করা সবল পশু কতশত কুরবানি দেই অবিরত। তবু কেন রক্ত নেবে অস্থি মাংসের প্রাণটি নেবে?

বিস্তারিত»

সোশ্যাল মিডিয়া কতখানি সোশ্যাল

“পুরানা যদিও কেচ্ছা তবু বর্বকত / সমঝাইয়া দিবে নয়া হাল হকিকত”
— সৈয়দ মুজতবা আলী, “গুরবে কুশতন শব ই আওয়াল” (মার্জার নিধন কাব্য), পঞ্চতন্ত্র

[ডিসক্লেইমারঃ এটা কোন গবেষণালব্ধ লেখা নয়; ব্যাপক পড়াশুনা করে ডেভলাপ করা কোন ড্রাফটও নয়। নিজের দেখা এবং অনুভব করা কিছু অভিজ্ঞতাকেই এখানে সাজানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। আসলে দুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পারিবারিকভাবে বেশ ঘনিষ্ট এবং যথেষ্ট স্নেহভাজন একজনের ক্রমাগত “মন খারাপ করা” ফেসবুক স্ট্যাটাসের কমেণ্টের ঘরে কিছু কথা লিখতে গিয়ে তার সাথে ভার্চুয়াল কমিউনিকেশনেই কিছুটা বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়।

বিস্তারিত»

ব্যাড ডেবট এক্সপেন্স

আপাতত রাতুল বসে আছে ফার্মগেট ওভারব্রিজে। বসার জায়গা নাই। প্রচুর মানুষের আনাগোনা। তার মধ্যেও সিঁড়ির এককোণায় জায়গা করে নিয়ে বসে আছে। দশটাকার বাদাম কিনেছিল একটু আগে। সেটাই চাবাচ্ছে। হঠাৎ করে রাতুলকে দেখলে মনে হবে বিধ্বস্ত। যেন রাজ্যের টেনশন ওর উপর ভর করে আছে। রাতুল ভিতরে ভিতরে আসলেও বিধ্বস্ত। মনে অনেক হিসাব নিকাশ। আচ্ছা ঠিক তের দিন আগে যাওয়া যাক।
হঠাৎ করেই এক ফ্রেন্ড ফোন দিয়ে বলল “টিউশনি করাবি?

বিস্তারিত»

লেখা আহবান (ধাবমান শারদীয় সংখ্যা)

প্রাক্তন ক্যাডেট কানাডা সংঘের সৌজন্যে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ধাবমানের ২০১৭ শারদীয় সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে শীঘ্রই। আমরা সকল লেখক লেখিকাদের কাছ থেকে লেখা আহবান করছি। প্রাক্তন ক্যাডেটরা এবং তাদের পরিবার পরিজন এবং বন্ধু বান্ধবরা যারা লেখালেখি করেন তারা বিশেষ ভাবে আমন্ত্রিত। লেখা যে কোন বিষয়বস্তুর উপর হতে পারে। লেখা মৌলিক কিংবা অনুবাদ হতে পারে কিন্তু অনুবাদের ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমতি নেবার দায়িত্ব অনুবাদকের (যেখানে প্রযোজ্য)। লেখা বাংলা কিংবা ইংরেজী দুটির যেকোন একটি ভাষাতেই হতে পারে।

বিস্তারিত»