ডিভোর্স এণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া

কিছু বিষয়ের অহেতুক সমালোচনা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। বিশাল এই সমাজের নিতান্তই একটা ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে আমার ধারণা, কিছু-কিছু সমালোচনা, হাসি-তামাসা বা তিরস্কার, ব্যাক্তি এবং সমাজ উভয়ের দৃষ্টিতেই অগ্রহনযোগ্য। হাসি-তামাসা টাইপের সমালোচনা বা কটাক্ষ, যা ইদানিং “ট্রল” নামে ব্যপকভাবে পরিচিত, এসবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু প্রকৃতার্থে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং রুচিজ্ঞানকেই জনসম্মুখে নিয়ে আসি। অনেকেই হয়ত মুখে কিছু বলে আমাদের এই অসুস্থ মানসিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন না,

বিস্তারিত»

‘লুয়াং প্রেবাং’ – বিলীয়মান নান্দনিক ইতিহাস দ্বিতীয় পর্ব

‘লুয়াং প্রেবাং’ – বিলীয়মান নান্দনিক ইতিহাস

 

দ্বিতীয় পর্ব

 

চন্দন গাছের শহরে বাইসাইকেল আরোহী

 

“Where I went in my travels, it’s impossible for me to recall. I remember the sights and sounds and smells clearly enough, but the names of the towns are gone, as well as any sense of the order in which I traveled from place to place.”- Haruki Murakami,

বিস্তারিত»

তউফিক স্যারের জন্যে প্রার্থনা!

আমি নিজে বিখ্যাত মানুষ না হলেও অনেক বিখ্যাত মানুষদের সাথে আমার পরিচিতি ও সখ্যতা ছিল। কৈশোরকাল হতেই। এই সুযোগটা মূলত সৃষ্টি হয়েছিলো মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে আমার পড়াশুনা করার সুবাদে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৩ সাল। ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে সবার একটা সাধারণ ধারণা যে সমাজের বিত্তবান শ্রেণীর অভিভাবকদের সন্তানরা এখানে পড়াশুনা করে। বিষয়টার বর্তমান সত্যতা সম্পর্কে আমি খুব বেশি ওয়াকিবহাল নই। তবে আমাদের সময়ে, তৎপূর্বে, এমনকি আমাদের পরের অনেকটা সময় জুড়েও ধারণাটা সত্য ছিল না।

বিস্তারিত»

নামে কী বা আসে? কী বা যায়?

এই তো মাত্র বছর তিনেক  আগের ঘটনা। তখন ক্রিকেটে বাংলা-বয়েজ এর শনির দশা চলছিল। ৫ মার্চ ২০১৪, এশিয়া কাপের ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছেও নাস্তানাবুদ হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ২২ বলে ৪১ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলে আমাদের সবার নয়নের মণি হয়ে গিয়েছিল জিয়াউর রহমান নামের অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল এক চৌকস খেলোয়াড়। বাংলা-ক্রিকেটের ভক্ত সমর্থকদের গভীর হতাশার মাঝে সে যেন এক হঠাৎ আলোর ঝলকানি। এই ছেলেটা আগামী দিনে আমাদের ক্রিকেটের একটা বড় নক্ষত্র হয়ে উঠবে এমনটা ভেবে ভেবে আমরা সবাই কমবেশি উচ্ছ্বসিত।

বিস্তারিত»

কালি-কলম কাহিনী/এই সময়

বা দিক থেকে Croco Rome Dile, Jinhao x250, Jinhao x750, Jinhao 992, Mini Pen without brand name (blue color), Traditional pen F002, KAIDULI এবং BAOER 516

আমার কালি কলমের “এই সময়” শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে। কি মনে করে KAIDULI নামক ব্র্যান্ডের একটা কলম কিনলাম যাতে Piston টাইপের ইংক কনভার্টার আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়েই। কারন রাবারের Bladder যুক্ত Squeeze টাইপ ইংক কনভার্টার আমার কাছে একেবারেই সেকেলে মনে হত। তারপর কিনলাম BAOER 516 ঐ বছরই একই জায়গা সেই নিউমার্কেট থেকে। লিখে যা আরাম…। সেকেলে ইংক কনভার্টার থাকা সত্ত্বেও এরপর কিনলাম এক নাম না জানা (কলমের গায়ে কোন Brand Name খোদাই করা নেই) গাঢ়হ‌্ নীল রং এর ছোট একটা কলম।

বিস্তারিত»

আজ-কাল-পরশু

আজ-কাল-পরশু

আজ বাতাসে মেঘের সুবাস নেই,
আজ ভাবনায় তোমার কথা নেই।
আজ মননে প্রেম ভালবাসা নেই,
আজ নিলয়ে জীবনের ব্যাথা নেই।

কাল সারাদিন আমি থাকবো দূরে,
কাল বিকেলেই তুমি যেয়োনাতো দূরে।
কাল পরিহাসে ভালবাসা গেছে দূরে,
কাল প্রেমহীনা কপোতীরা আছে দূরে।

পরশু রাতে অর্থহীনা স্বপ্ন দেখেছিলাম,
পরশু ভোরে খুব সকালে হাটতে গিয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

ঈদ মুবারক!


আজ সন্ধ্যে ৭টা ২০ মিনিটে আমার শয়নকক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর নতুন চাঁদের ছবি।


আজ সন্ধ্যে ৭টা ২০ মিনিটে আমার শয়নকক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর নতুন চাঁদের ছবি।

রমজানের শেষ দিনে আজ ঘরে বসেই মাগরিবের নামাজ পড়লাম। নামাজ পড়ে বেডরুমের পর্দাটা সরিয়ে দেখি, আকাশের বুকে একফালি চাঁদ। ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর চাঁদ। জীবনে এর আগে কখনো ঘরে বসে শয়নকক্ষ থেকে নতুন উদিত কোন চাঁদ দেখিনি,

বিস্তারিত»

ছেলেমানুষের ভবিষ্যত

ছেলেমানুষেরা যে একগুঁয়ে, মাথামোটা আর অনমনীয়, ব্যাপারটার একটা ভালো উদাহরণ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।ফ্যাশন জগতে মেয়েদের কাপড় চোপড় নিয়ে যে পরিমান পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় তার দু ভাগও ছেলেদের পোষাক নিয়ে করা হয় কিনা সন্দেহ! কারনটা কি? এই সেক্টরে মেধবী মানুষজন নাই? নাকি বাজার চায়না? অথবা হয় ছেলেদের ফ্যাশনে আগ্রহ নাই, একটা হলেই হল নয়ত তাদের নতুনে আগ্রহ নেই, নতুন কিছু বের করলেও বাজারে বিকোয়না, এর বাইরে তো আর কোন কারন হতে পারেনা,

বিস্তারিত»

দু:সময়।

দু:সময়
ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী

এত জল বুকে শুয়ে হে জলধি
জগৎ জ্বলে খরতাপে,
পুডে খাক চরাচর ঘর বাড়ী
জলে দাউ দাউ লোলুপ বহ্নি শিখা,
নিষ্ঠুর নির্দয় আক্রোসে আস্ফালন
উমর্িলা কি পরাক্রমশালী?
অস্থির উৎকন্ঠায় গোকুলের কুলবাসি,
গর্জন হুংকারে উথালি বাণে
ধাবিত জলোচ্ছ্বস,
ভেসে যায় বসত শতাব্দীর
সুনামির তান্ডব প্রলয় নাচে
প্রকৃতির কোলাহল স্তব্ধ চিরতর।

বিস্তারিত»

নিহত কি ?

নিহত কি?
ওবায়েদুল্লাহ্ খান ওয়াহেদী।

খুডছে শুকরে মাটি নেহাতই কঁচুর খোজে
টুকছে তাল বসে কুত্তা শিয়াল ইতর সাজে,
তার মাঝে বুনেছে ফসল উঠবে গোলায় ধান
দিচ্ছে ঢেকিতে পার আর গাইছে শিবের গান।
উসকিয়ে দিল যে আগুন জ্বেলে খড়ের গাঁদা
বেনিয়া বুঝেছে ঠিক বোঝেনি ভারবাহী গাধা,
ইংরেজ গেল উদর্র্ু গেল হলো না বাংলা বলা
স্যার বলে ঠুকছি সালাম যাকে বলবো শালা।

বিস্তারিত»

কাতার সোজা করেন, ভাইসব কাতার সোজা করেন …

ট্রাম্প সাহেবের মনে শান্তি নেই। চমকদার ভঙ্গিতে চটকদার সব কথাবার্তা বলে মার্কিন মুলুকের অর্ধেক আদমকে বেকুব বানিয়ে সাদাবাড়ীর চাবির দখল নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু কেউ তার “লীডারশীপ” কে যথাযথভাবে সন্মান দেয় না, কেয়ার করে না। এমনকি বিবি মেলানি ও কথা শোনেনা, লোকজনের সামনে ঝামটা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নেয়। বড়ই অসৌন্দর্য্য অবস্থা।

এরই মধ্যে একদিন উপদেষ্টাদের পরামর্শ অনুযায়ী মুসলিমদের সাথে “সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন” স্থাপন করার উদ্দেশ্যে তিনি স্থানীয় এক মসজিদে গেলেন।

বিস্তারিত»

আম বৃত্তান্ত

তখন আমি ক্লাস ইলেভেন এ। একাডেমিক ব্লকে ক্লাস টেন বি ফর্মের কোনায় শেডের পাশে একটা ছোট আম গাছ ছিল। গাছে লিচুর চেয়ে সাইজে সামান্য বড় আম গুলো অনেকদিন ধরে চোখে চোখে রাখি, কবে পাকবে। তো আমগুলো কেবল মাত্র পাকা শুরু হয়েছে। এক বৃহস্পতিবার মিল্কব্রেকের পর কোনো এক স্টেজ কম্পিটিশনের সময় অডিটোরিয়াম থেকে পালিয়ে গিয়ে শেডে উঠলাম, সাথে বন্ধু শাহাদুজ্জামান। দুজন মিলে গাছ ছাফা করে দিলাম।

বিস্তারিত»

অশনি সংকেত-১

গত কয়েকদিন ধরেই দেখছি রাজনৈতিক অসহনশীলতার চুড়ান্ত মাত্রা। তাও আবার এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যাকে চাইলেই ঘায়েল করে ফেলা যায়। অন্তত বাংলাদেশের সামাজিক এবং রাজনৈতিক বাস্তবতায়। নির্দোষ স্লোগানে। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর স্লোগান আমি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের মিছিলে শুনেছি। সিরাজগঞ্জে। ‘চাইয়া দ্যাখ খালেদা, আইতাছে তোর বাপেরা’। সেই তুলনায় সনাতনের, ‘ছি ছি হাসিনা, লজ্জায় বাঁচি না’ তো নির্দোষ স্লোগান। লজ্জার অনুভূতি তখনই হয় যখন ব্যক্তি নিজেকে নিজের কাছেই অপরাধী সাব্যস্ত করে।

বিস্তারিত»

সুপ্রীমকোর্টের ভাস্কর্য সরানো ও কিছু ব্যক্তিগত ভাবনা

কাদের মোল্লার হাইকোর্টের রায়ের সময়ও একটা বিশাল জনগোষ্ঠী ও জনমত ফাসীর দাবির পক্ষে ছিলো। কিন্তু সে জনমতটা রাজপথে দৃশ্যমান ছিলোনা। সরকার ঠিক যে প্রক্রিয়াতে সেই জনমতটা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছিলো , কাজ শেষে অন্য এক প্রক্রিয়াতে আবার সেই জিনিস টা কে ভেঙ্গে দিয়েছিলো (যদিও আমি ভেঙ্গে দেয়ার ব্যাপারটার বিরোধী ব্যক্তিগতভাবে)।

সুপ্রীমকোর্টের ভাস্কর্য সরানোর আগেও সেইরকম প্রক্রিয়া অবলম্বন করা যেতে পারতো। একটা বিশাল জনগোষ্ঠী ও জনমত ভাস্কর্য সরানোর বিপক্ষে।

বিস্তারিত»

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে কুঁড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি

আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ,  প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১১৮তম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে কবির প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা। নজরুলগীতি এর প্রতি দুর্বলতা আমার সব সময়ই।   কবির সৃষ্টি সব অসাধারণ গানের মধ্য থেকে একটি গান গাইলাম। হৃদয়ছোঁয়া এই গানটি আশাকরি সবার ভাল লাগবে।

বিস্তারিত»