কুয়াশার-চাদরে আবৃত কান্না

রাত আনুমানিক ২টা বাজে। বাস থেকে নেমে প্রায় ১ কিঃমিঃ যাওয়ার পর আমার বাড়ী। এত রাতে পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। মেইন রাস্তা থেকে কিছুটা পথ হেটে আমার বাড়ীর যাওয়ার রাস্তায় পা দিতেই কিছু সময়ের জন্য একটু থমকে গেলাম। কুয়াশার চাদরের আবরণ এতই যে এক হাত দূরের কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না। অনেক অনেক দিন পর আজকে এই রকম কুয়াশা দেখলাম। যাকে বলে “কুয়াশার-চাদর”।

বিস্তারিত»

হঠাৎ হাওয়ায় নির্বাপিত

হঠাৎ হাওয়ায় নির্বাপিত

২৯ ডিসেম্বর ২০১৬। অন্যান্য দিনের মতই সকালে ঘুম ভাঙ্গার পরেও একটা ঘুম ঘুম আমেজ নিয়ে কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়ে র’লো রুখসানা। বিছানায় শুয়ে শুয়েই স্মৃতির যাবর কাটতে থাকে। একদিন কত ব্যস্ত ছিল তার দিন! সেই সাত সকালে ঘুম থেকে ওঠা, বাচ্চাদেরকে স্কুলের জন্য তৈরী করা, স্বামী অফিস যাওয়ার আগে তার নাস্তাটা টেবিলে পরিবেশন করা, তারপর একে একে সবাই বেরিয়ে গেলে নিজের ঘর সংসারের কাজে মন দেয়া।

বিস্তারিত»

লতাগুল্মের গালগল্প

আমাদের শহরে এখন সন্ধ্যা নামছে। দিনশেষের এই সময়টুকু আমার বড় প্রিয়। এখানে গ্রীষ্মের দিনগুলি অনেক লম্বা। ‘ঠাডাপড়া’ গরমে স্থানীয় লোকজন দেখি কেবল সমুদ্র সৈকতের দিকে দৌড়োয়। মাঝেমধ্যেই তাপমাত্রা একশো ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়। দিনভর তুমুল গরম থাকলেও সন্ধ্যা আসে প্রশান্তি নিয়ে। সারাদিনের প্রচন্ড দাবদাহে গাছেরা তৃষ্ণাতর্ হয়ে থাকে। আমাদের বাড়ির সামনে পেছনে খোলামেলা সবুজ সমতল জায়গা আছে। সামনের চত্বরে আগে কেবল বুনো লাল গোলাপ ছিল, আর দক্ষিণের সীমানা ঘিরে ছিল ঘন সবুজ ফার্ণের ঝোপ ও জেরানিয়াম।

বিস্তারিত»

Poetry for friendship

© Mostafizur Rahman Tito

সেপ্টেম্বর ১৯,২০০৬ সাল। সাইক্লোন থেকে নিজের জাহাজ এবং নাবিকদের বাঁচাতে গিয়ে হারিয়ে যান বানৌজা শহীদ ফরিদ এর ক্যাপ্টেন ফিরোজ কবীর। তাঁর বীরত্বগাঁথা বিশ্ববাসীকে বলার জন্য লিখেছিলাম Ballad for a Sailor. এটি ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এবং অলপোয়েট্রিতে প্রকাশ করি। অলপোয়েট্রি কবিদের এক বিশাল ওয়েবসাইট। কোন কবিতা  বা গল্প প্রকাশ হবার কিছুক্ষনের মধ্যেই তা পিছনে চলে যায়। তাই অন্যদের তা পড়ানর জন্য একটি কবিতা প্রতিযোগিতা আয়োজন করি।

বিস্তারিত»

টাশকি অফ দ্যা ইয়ারঃ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৬

টাশকি অফ দ্যা ইয়ারঃ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৬

২০১৬ সালটা আর সব বছরের মতই মিশ্র কিছু অনুভূতি নিয়ে বিদায় নিচ্ছে। এত কিছুর মাঝে এই ডিসেম্বর বেশ মজার একটা অভিজ্ঞতা, কিংবা বলা চলে “শিক্ষা” দিয়ে গেল।

ঘটনাটা এমনঃ ফেসবুকের প্রায় সবকিছুতেই বৌকে ট্যাগ করে দেই। এখানে বৌ-প্রীতি বা বৌ-নেওটা টাইপের কোন বিষয় না, বরং নিয়মিত পালন করে যাওয়া অভ্যাসটাই আসল। যাহোক, ফেসবুকে “লাইক-প্রেমী”

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ চিকেন টামালে কিংবা খগেন জে্যঠুর চালতার আচার

এক
সাতদিনের জন্য কেটি এসেছিল আমাদের বাড়ি; চৌদ্দ দিন পুরিয়ে অবশেষে সে ফিরে গেল কানেকটিকাটে। তবু কি যেতে চায়? আমিই প্রায় ঠেলে ধাক্কিয়ে পাঠিয়ে দিলাম। কেটির বাবা এবছর অবসর গ্রহণ করেছেন। বাবার সূত্রে কন্যা বছরে বিমানে তিনটে ট্রিপ নিতে পারে বিনা টিকিটে। ওর আটলান্টা ট্রিপটা এমনই একটা ফ্রি ট্রিপ ছিল।

চার পুরুষ আগে কেটি আরমানিনির পরিবার ইটালী থেকে এদেশে এসেছিল বসতি গড়তে।

বিস্তারিত»

কষ্টের জোছনা

সক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো, এপিডেমিক হিস্টোরি বলে একটা টার্ম আছে, এর মানে হলো ডাক্তার রোগীর কাছে জিজ্ঞাসা করে কিছু গুরুত্বপূর্ন ক্ষেত্রের প্রশ্নের উত্তর জেনে নেবে। যেমন ধরা যাক রোগী ছয় মাস আগে ডেন্টিসের চেম্বারে দাঁতের চিকিৎসা করিয়েছে, আর এখন তার জন্ডিস হয়েছে, ডেনিস্ট এর যন্ত্রপাতির কারনে ডাক্তার এখন হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং করাবে, কারন হেপাটাইটিস বি ভাইরাস মানুষের শরীরে চুপচাপ ছয় মাস পর্যন্ত বসে থাকতে পারে,

বিস্তারিত»

ঢাকার রাস্তার সবচেয়ে বড় আতঙ্ক- হর্ন!

বর্তমানে ঢাকার রাস্তার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম হর্ন। জ্যামে আমরা অভ্যস্ত (বাধ্য) হয়ে গেছি। ছিনতাই, রাহাজানি বা দুর্ঘটনা উপরওয়ালার হাতে ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু হর্নের কোন ব্যবস্থাই করা যাচ্ছে না।

অবশ্য, সেটা হবেই বা কিভাবে? আমাদের শ্রবণশক্তি তো আর রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব নয়! গবেষণায় দেখা গেছে শব্দের মাত্রা ২৫ ডেসিবল পর্যন্ত আমাদের শ্রবণযন্ত্রের জন্য স্বাভাবিক। এরচেয়ে বেশি হলেই শুরু হয় ঝামেলা।

কী কী ঝামেলা?

বিস্তারিত»

টলমল জল মোতির মালা দুলিছে ঝালর –পলকে!!!

ফযরের আযান শুনে নীলার ঘুম ভাংলো। উঠি উঠি করেও অভ্যেস বশতঃ কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়েই এপাশ ওপাশ করলো। তারপর গা ঝারা দিয়ে উঠে সে বিছানার পাশে দখিনের জানালার পর্দাটা সরিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ বাইরে তাকিয়ে থাকলো। দুই একজন মসজিদমুখী মুসল্লীর হেঁটে যাওয়া নির্বিকারভাবে তাকিয়ে দেখলো। জানালার কাঁচটা কিছুটা সরিয়ে দিয়ে নেটের ফ্রেমটা টেনে দিল। ঝিরঝিরে মৃদু সমীরণ শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছিল। নীলা ওযু করে এসে ফ্যানটা অফ করে দিয়ে নামাযে দাঁড়াল।

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাস্টিক বিস্ট এ্যান্ড হোয়ার টু ফাইন্ড দেম

বসুন্ধরা সিটির আট তলার ফুড কোর্টে বসে টুকটাক খাচ্ছিলাম আমি ও আমার বান্ধবী। বিভিন্ন কথার মাঝে হাসতে হাসতে জানালো গত বৃহস্পতিবার সপ্তাহান্তের বাড়ি যাবার সময় এবং আজকে ঢাকা আসবার সময় দুই বারই ট্রেনে ইভ টিজিং এর স্বীকার হয়েছে সে। মোটামুটি দুই বারই উত্তম জবাব দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে দুই পশুকে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ভাল মতন ধরলে না কেন? উত্তরটা আসলে বাস্তব সম্মত। ভিক্টিম ব্লেমিং ও শেমিং করা সমাজে বেশী ধরার চেষ্টা করলে উল্টো বলবে হয়রানি করা হচ্ছে।

বিস্তারিত»

স্মৃতিকথন

 

ক্লাস ফাইভে থাকতে স্কুলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহে দুইটা বই প্রাইজ পেয়েছিলাম।‘শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু’ আর ‘সায়রা সায়েন্টিস্ট’। দুপুরের দিকে বাসায় এসেই সঙ্গে সঙ্গে ‘শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু’ বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম। বই পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি যাবার মত অবস্থা হয়েছিল। বিকালে মা স্কুল থেকে আসলে দাদু মাকে বলেছিলেন, ‘ওর যেন কি হইছে, একা একা বারান্দায় বসে জোরে জোরে হাসতেছিল’। সেই শুরু।

বিস্তারিত»

শেষ না হওয়ার গল্প

ক্যাডেট কলেজের রাতগুলো নগর জীবনের রাতের চাইতে ভিন্ন ছিল। আমাদের ময়মনসিংহের শহরতলীতে সন্ধ্যা নামতো ঝুপ করে। এমজিসিসির তিন দিকে ছিল ধানক্ষেত, বছরের ছয়মাস জুড়ে সেখানে হাঁটু জল থাকতো। কলেজের দক্ষিণে ধারে কাছে কোথাও শেয়ালকূলের ঘর গেরস্থালি ছিল। সন্ধ্যা হতে না হতে পরিবার পরিজন সহ শতেক শেয়াল একসাথে হুক্কাহুয়া রবে চারদিক কাঁপাতো আর আমাদের শহরবাসী অনভ্যস্ত কান সেই ডাকাডাকিতে ভীত হয়ে পড়তো! শৃগাল সংগীত শুরুর আগে গেমস শেষে হাউসের স্বনামধন্য দৌড়বাজ ক্যাডেটরা বাথরুমের দখলদারিত্ব নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিত।

বিস্তারিত»

লুৎফুল ভাইয়ের কাব্যিক মন্তব্য গুচ্ছ

আমার বিভিন্ন পোস্টে  লুৎফুল (৭৮-৮৪)  ভাইয়ের কাব্যিক মন্তব্য গুচ্ছ

লাল মাফলার মোরগ ডাকা
নতুন বছর হোক ঝাকানাকা

বাহহ!
এক্কেবারে ডিএসলআর
ফকফকা
ছবির বাহার…
পড়তে পড়তে মুখ থেকে বুঝি কিছু ধোঁয়াও বেরিয়ে গেলো…

অনাদরে ফাটা
ঠোঁটময় ল্যাপটানো শীত
আজ সব ধূসর অতীত
মুঠোতে আঁটা

 

প্যান্ডোরার সিন্ধুকে
মিনোটর নারীর মন
মন্দ বলে নিন্দুকে

বাহহহ !

বিস্তারিত»

~ প্রত্যুত্তরের পঙক্তিমালা ~

প্রত্যুত্তরের পঙক্তিমালা ও কিছু পূর্বকথন

আমার ফেসবুক পেজে বা অন্য কোথাও, যেমন সিসিবিতে কারো লেখা পড়েই দু-পাঁচ লাইন কবিতার অবয়বে মন্তব্য জুড়ে দেয়া দীর্ঘদিনের অভ্যাস। পড়বার সময় মনটা বেশী বিক্ষিপ্ত না থাকলে আর পড়ে ভালো লাগার অনুপ্রাস মনের মধ্যে কিছুমাত্র ঘটলে এ নিয়মের অন্যথা ঘটেছে খুব কম। সিসিবিতে কারো কারো কাছ থেকে প্রাণিত প্রতিমন্তব্যও জুটতো। যেমন নূপুর ও সাবিনা, সাইদুর ভাই কিংবা খায়রুল ভাইয়ের কাছ থেকে।

বিস্তারিত»

স্ট্যাটাস সমাচার

অনেকদিন সিসিবি তে আসা হয় না। আজকে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা হলো। কিন্তু কি লিখবো ভেবে পাচ্ছি না। তাই ভাবলাম সাম্প্রতিক কিছু ফেসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার করি। ব্লগের নিয়ম ভঙ্গ হয়ে থাকলে এডমিন এটা রিমুভ করে দিতে পারেন।

 

১.

অনেক আফা ই মনে করেন যে ছেলেরা শপিং করতে পারে না/পছন্দ করে না। এই ধারণা একদম ভুল।
তার হাতে একবস্তা টাকা দিয়ে কোনো ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটস এর দোকানে ঢুকিয়ে দেন,

বিস্তারিত»