মানব মনের বিষন্নতা এবং প্রকৃতিঃ

গত বুধবার সকালে ল্যাপটপে লেখালেখির কিছু কাজ করছিলাম। হঠাৎ ছোট বোনটা ফোন করে জানালো, আম্মার শরীরটা বেশী ভালো নেই, যেন ফোন করি। কয়েকদিন আগেই ফোনে আম্মার সাথে কথা বলেছিলাম, তখন তিনি ভালো ছিলেন। আমার স্ত্রীও আগের দিনই কথা বলেছিলেন, তখনো ভালোই ছিলেন এবং অনেকক্ষণ ধরেই কথা বলেছিলেন। তাই হঠাৎ কি হলো, এ কথা ভাবতে ভাবতেই আম্মাকে ফোন করলাম। আম্মা জানালেন, তার কিছু ভালো লাগেনা। যেন একবার গিয়ে দেখা করে আসি।

বিস্তারিত»

আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব

আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব

যারা ১ম পর্বটা মিস করেছেন, তারা এখানে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন। ১ম পর্বটা না পড়ে থাকলে ২য় পর্বটা খুব বেশি সাব্জেক্টিভ মনে হতে পারে।

[শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা আমার পুরোনো একটা ব্লগে আমারই একটা প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকে বেশ খানিকটা এডিট করে এই ব্লগটা লিখেছি।]

প্রায় ১০/১২ বছর আগের একটা অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল।

বিস্তারিত»

সিডনীর ইফতারের গল্প

এক

গেল বছরের মত এবারও আমেরিকাতে খুব কড়া রোজা চলছে। সতের ঘণ্টার দীর্ঘ দিনে বিকাল চারটার পর মানুষের মুখে আর কথা সরেনা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাড়িতে বসে, খেজুর খুরমা রুহ আফজার রোশনাইতে নিমগ্ন মানুষেরা কী করে দরিদ্র মানুষের দুঃখ কষ্ট বুঝবে সেটি অবশ্য আমার মাথায় ঢোকেনা। সিডনীতে এখন শীতকাল; দিনগুলিও ছোট। বাংলাদেশের আষাঢ় মাসের মত দেখি ঝুম বৃষ্টি হলো এই শীতে। আমেরিকার রোজাটা যদি হয় লাল আটার লোফের সাথে শুকনো মোৎসারেলা তবে সিডনীর রোজাটা হবে নিতান্তই ডাল ভাত!

বিস্তারিত»

অস্ট্রেলিয়ার টুকিটাকি

অস্ট্রেলিয়ায় আসা অবধি পঁচিশ কুড়ি মাইলের মাঝে ড্রাইভ করছি বটে; কিন্তু কোন কিছুতেই ঠিক জুত পাচ্ছি না! পুরো সিডনী জুড়ে চাপা চাপা রাস্তাঘাট; সেই সাথে মরার ওপর খারার ঘায়ের মত একটু পরপর রাউন্ড এ্যাবাউট! এদের ড্রাইভারস সিটখানা গাড়ির উল্টো দিকে, রাস্তায় গাড়িও চলে উল্টো দিকেই। দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে পথের ডানদিক বরাবর ড্রাইভ করে এসেছি তাই উল্টো রাজার দেশে এসে খানিক বিড়ম্বনা যে হচ্ছেনা তা নয়।

বিস্তারিত»

কাহার অভিষেকের তরে সোনার ঘটে আলোক ভরে

(এ লেখাটি গত ০৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে আমার ফেইসবুক পাতায় এবং অন্য একটি ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিলো। ঈষৎ সম্পাদনা করে আজ এখানেও প্রকাশ করছি। হয়তো এক্স ক্যাডেটরা এবং আমার প্রাক্তন সতীর্থরা এ লেখায় তাদের অভিজ্ঞতার সাথেও অনেক মিল খুঁজে পেতে পারেন)

“এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার?
আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হল কার?
কাহার অভিষেকের তরে সোনার ঘটে আলোক ভরে
উষা কাহার আশিস বহি হল আঁধার পার?

বিস্তারিত»

ভবঘুরের গপ্পোঃ দেবশিশু দর্শন

জগৎ সংসারে মায়া দুই প্রকার – অপরাপর মানুষের মায়া এবং তাহার চারপাশের নশ্বর পৃথিবীর কিয়দংশের প্রতি সৃষ্ট মায়া। ব্যক্তি বিশেষের মায়া ছাড়িয়া থাকিলে একাকীত্ব চাপিয়া ধরে, আর পরিপার্শের বস্তুসর্বস্ব নিবাসের প্রতি মায়া উঠিয়া গেলে মানুষ হইয়া যায় ভবঘুরে। কথায় আছে না – এক জায়গায় বেশিদিন থাকিলে মায়া পড়িয়া শেকড় গজাইয়া যায়? আমাদের নরেন বোধহয় এই শেকড়ের ভীতিতে কাবু। নইলে ছোটাছুটি করিবার আর কোন হেতু আছে বলিয়া মনে হইতেছে না।

বিস্তারিত»

আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব

আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব

শিক্ষকতার পেশায় এক যুগেরও বেশি সময় পার করে আজ আমি ভাবতে বসেছি, আমি কি? আমি কি পড়াচ্ছি? আসলেই কি পড়াতে পারছি? আমি জানি যে, আমি নিজেও অনেক কম জানি। যত দিন যাচ্ছে, নিত্যনতুন বিষয় জানছি। নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও টের পাচ্ছি। আসেপাশের কারো কাছে যেকোন ধরনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় যখনই পাচ্ছি,

বিস্তারিত»

গভীর তমসায় আলোক রশ্মির সন্ধানে….

ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান, দেশের প্রখ্যাত এনডক্রিনোলজিস্ট। বারডেম হাসপাতালে চাকুরী করতেন, দীর্ঘদিন ধরে প্র্যাকটিস করেন ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। মাঝে মাঝে সপ্তাহান্তে ছুটির দুই দিন সিলেটেও প্র্যাকটিসের জন্য বসেন তার ভক্ত রোগীদের আহ্বানে। মাস ছয়েক আগে চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছেন। আমার বাল্যবন্ধু, ১৯৬৭-৭৩ সালে মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে এক সাথে পড়াশুনা করেছি, একই হাউসে ছিলাম। সেইসব দিনগুলো থেকেই তাকে দেখেছি, ক্যাডেট কলেজের কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা তার পছন্দের ছিলনা।

বিস্তারিত»

“মা” — স্মৃতি রোমন্থন আর অনুধাবন

FB_IMG_1462551329951

ছবিটা অসাধারন হয়েছে!
ছবির বক্তব্যটাও আনপ্যারালাল!

ইদানিং ফেসবুকে এই ছবিটা অনেকেই শেয়ার করছেন। বেশ ইমোশন প্রভোকিং একটা ছবি। কিন্তু এটা কি বাস্তব চিত্র, নাকি শুধুই একটা মডেলিং ফটোগ্রাফ, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কোথায় যেন একটা ত্রুটি আছে এই ফটোগ্রাফে। বাচ্চাটার যে বয়স, তাতে সুচ ফোটানোর বিষয়টিতে তার ভয় পাবারই কথা, কিন্তু সেটা তার চোখেমুখে নেই। আবার বাচ্চা যদি এতটাই সাহসী বা সুচ ফোটানোতে এতটাই নির্ভীক,

বিস্তারিত»

ABCD অথবা বাংলা শক – ১

বিঃ দ্রঃ ঘটনা গুলো সব সত্য, কিছুটা পরিমার্জিত (নাম, পরিচয়, স্থান উহ্য রেখে)। কাউকে অসম্মান অথবা আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজের চিন্তার শুদ্ধতার লক্ষেই এই অসলগ্ন চিন্তাকে লেখায় রূপান্তর। অন্যকারো অভিজ্ঞতার সাথে মিনিয়ে বিচিত্র মানুষের ততধিক বিচিত্র কর্মকান্ডের ব্যাখা খোঁজার অপচেষ্টা।

 

কালচারাল শক !!! দেশের বাইরে প্রথম যে বিষয়টি ফেস করেতে হয় তা হল, নিজেকে অন্য একটি দেশের/জাতির সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা। 

বিস্তারিত»

উইনিপেগে নববর্ষ

                                                                                     1000

উইনিপেগে আজ পহেলা বৈশাখ। স্কুল কলেজে সরকারি ছুটি। সিটি মেয়র ব্রায়ান বাওম্যান এসেছিলেন বাঙালিদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে। তাপমাত্রা এখনও বাংলাদেশের বৈশাখের পর্যায়ে পৌছেনি। শীতের মধ্যে পান্তাভাত ভালো লাগেনা। বাঙালি বউরা গরম টরম করে বহু কষ্টে পান্তা ভাতে বাংলাদেশি স্বাদ ধরে রেখেছেন। মরিচ ভর্তা দিয়ে সেই ভাত খেতে গিয়ে ব্রায়ানের মুখ চোখ লাল হয়ে, যাচ্ছে তাই অবস্থা। তারপরও তিনি দুইবার ভাত চেয়ে নিয়েছেন।

বিস্তারিত»

ভাল আছি …. ভাল নেই

জীবন বড়ই বিচিত্র। খুব কম সময়ই আমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে খুশি থাকি, ভাল থাকি। সেই সাথে জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও সদাসংশয়। এই উইকএন্ডে আম্মার কথায় চাপা ঊৎকন্ঠা, অদূর ভবিষ্যতে ভূমিকম্পে ঢাকা দাঁড়িয়ে থাকবে কিনা তা নিয়ে। ক্যান্সার সার্ভাইবার মা আজ অপরিকল্পিত নগরায়ণের ভয়ে নিজেই সদাকম্পিত।

ব্যক্তি আমি হয়তবা ভূমিকম্প হতে নিরাপদ (ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে)। কাগজে কলমে জীবনের নিরাপত্তাও আছে।আসলে কি তাই ……

ঘটনা একঃ স্প্রিং ব্রেকে ০৪ দিনের ছুটিতে আমার স্ত্রী বেড়াতে এসেছে।

বিস্তারিত»

ছবি থেকে শোনা দু’টি অনুগল্প

এক ছোট বোনের আঁকা এই ছবিটা চোখে পড়লো সকাল।

AfrinJahanArtলিখলাম “ছবি দেখার সময়, অনেক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই সেটা দেখি।
এই যেমন: শিল্পির হার্ডওয়ার্ক, ক্রিয়েটিভিটি, কালার কম্বিনেশন, টেক্সচার, ইত্যাদি।
এর যে কোনোটাই দর্শক হিসাবে আমাকে আকৃষ্ট করলে, ছবিটা দীর্ঘক্ষন নিয়ে দেখে যাই।
কিন্তু সবচেয়ে বেশি আন্দোলিত হই, যখন প্রথম দর্শনেই ছবিটা একটা গল্প শোনায়।
তখন শুধু ছবিটা দেখেই ক্ষান্ত হই না,

বিস্তারিত»

অনিশ্চিত তীর্থযাত্রা-২

অনেক প্রতীক্ষার পর গত ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে অবশেষে আমার আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা “জীবনের জার্নাল” বইটি ‘বইপত্র প্রকাশন’ এর স্টলে ( নং ১২৭-১২৮) আবির্ভূত হয়। ঐদিন সন্ধ্যের পর আমি বইমেলায় গিয়েছিলাম। বইটিকে স্টলে দেখতে পেয়ে মনটা প্রফুল্ল হয়ে উঠেছিলো। অনেকক্ষণ বসেছিলাম, দেখি অনেকেই এসে স্টলের অন্যান্য বই এর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ আমার বইটা হাতে নিয়ে পৃষ্ঠা ওল্টাতে থাকে। আমি বেশ রোমাঞ্চিত বোধ করতে থাকি,

বিস্তারিত»

প্রজন্ম-প্রজন্মান্তর

রংপুর ক্যাডেট কলেজের আমাদের ব্যাচ (১৯৮৮-‘৯৪)-এর দুজন (লেঃ কর্নেল হুমায়ুন এবং অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শহীদ)-এর সন্তান বর্তমান প্রজন্মের ক্যাডেট। হুমায়ুনের বড় ছেলে ফৌজদারহাটে ক্লাস এইটে পড়ছে, আর শহীদের বড় মেয়ে আজ জয়পুরহাটে সপ্তম শ্রেনিতে ভর্তি হলো। নতুন প্রজন্মের সবার জন্য দোয়া, অভিন্দন, শুভকামনা এবং ভালবাসা!

আমার মেয়েটার কেবল সাড়ে তিন বছর বয়স। স্বপ্ন দেখি তাকেও ক্যাডেট বানানোর। কিন্তু ইদানিং কালের দূর্ঘটনাগুলো আসলেই মনে চাপ ফেলছে।

বিস্তারিত»