জেগে আছে ঝাউপাতা আর সব বাদামী প্রেমিকেরা
এখন তীব্র নীল হয়ে কবির লেখার খোরাক জোগায়
মৃদু আলো জ্বেলে মৌমাছিরা জোনাক সেজেছে
কবিদের কাছে তার প্রিয় আবদার
“মেঘ থেকে জল এনে দাও,ভাত ফোটাই”
অতঃপর দরোজার কাছে অবহেলে পড়ে থাকা পুরোনো জুতো,ময়লা মোজা,ভাঙা ডাস্টবিন ভরা ছুড়ে ফেলা কাগজের দলা,দেয়ালে এটে থাকা ডিম ভরা পেটের কুৎসিত টিকটিকি,পুরোনো বছরের ক্যালেন্ডার আর মাকড়সার জালে অন্ধকার ছাদ,নিচে ঘুণে ধরা কাঠের টেবিলের উপর নিউজপ্রিন্ট কাগজ নিয়ে কবি লিখছেন তার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে-
“এসো,আমরা পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসি
অথবা একটা ট্রেঞ্চ খুড়ে-যে রকমভাবে
যুদ্ধরত সৈনিকেরা শত্রুর মুখোমুখি কাঁধ ঠেকিয়ে দাঁড়ায় সাহসী
অথবা পলিড্যামাস ভাইদের মত-দু’জনে পাশাপাশি সিংহাসনে
মুখ্যত আমরা তো আসলে একজন নারীকে শাসনের ব্যাপারে কথা বলবো
আমার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিক-অথবা ভৃত্য
আমি কঠিন কবিতা লিখবো না,কবিতার নামে আসলে তোমাকে
একটি ম্যাসেজ পৌছে দিচ্ছি,সহস্র বছরের পূর্বপুরুষেরা যেরকম
আমাদের দিয়ে গেছেন পথনির্দেশিকা,সহজ চলার পথ অথবা
একটি সার্বজনীন মেড ইজি সলিউশান।
তোমার গোপন নারীটি,অর্থাৎ আমার নারী
মানে যে আমার ছিল,এখন তোমার
তাকে কখনো অবহেলা করো না,আর কিছু সম্ভাষণ
পুরোনো এবং নিয়মিত
তাকে প্রশান্তি দেয় সহজ সূত্রের মতো
আর তার গান-অর্ফিয়ুসের গান শোনার অভাববোধে আফসোস করবে না
দ্যাখো,আর পেনোলোপির মতো তার শুদ্ধতা,
তোমাকে সত্যিই মুগ্ধ করবে।
ওর আঁকা ছবিগুলো দ্যাখো,লাল রঙের আধিক্য দেখে খুশি হয়ো না
লাল আমাদের কাছে উজ্জ্বল দিন ও উৎসবের,সমৃদ্ধি ও পর্যাপ্ততার রঙ হলেও
তোমার নতুন প্রেমিকাটি মনে করে লাল দুঃখ ও বিষাদের রঙ
আসলে আমরা যে যাই বলি না কেন-মেয়েটা কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুঃখীই
আমি ভুল প্রেমিকের মতো ওর দীর্ঘশ্বাসগুলো শুনতে পাই নি কেবল
অসময়ে ব্যস্ত ছিলাম রক্ত মাংসের আলোড়িত লোভে।
এবং তার প্রিয় মা-এর কথাও চিন্তা করতে হবে তোমাকে
একটি অসমান দায়বদ্ধতা-তোমাকে জয় করতে হবে
নিজেকে বদলে অথবা খানিকটা সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
ততক্ষণ তোমাদের দুরত্ব নির্বিকার মেনে নেবে ফ্রয়েডীয় ঝাউবন।
তুমি রাতগুলোর কথা ভাববে
মাঝরাতে টেলিপ্যাথির মতো বালখিল্যতায় বসবে
আর মুঠোফোনে খুনসুটি।ইথারের তরঙ্গে-
তার মায়ামাখা প্রেম নিবেদনগুলো কিউপিডবিহীন সম্পর্কের নতুন বিপ্লব।
উত্তরাধিকার,তোমাকে জানাই লাল সালাম।”



(৪ভোট, ৩.৭৫/ ৫)
১৩ টি মন্তব্য
১ম!!
জবাব দিন
ভালো…ফোন টা তো ধরা খাইসে ফোন বাজতেছিলো বলে…কার ফোন ছিল…বলে দেই??
জবাব দিন
বলো…বলে দেখো খালি……!
জবাব দিন
পুলাপান!
আমরা ওয়াকম্যান নিয়া ধরা খাইতাম আর এরা খায় “টকম্যান” নিয়া। দিন বদলায়া গেলো।
জবাব দিন
আরোও কিছু টাইম যাইতে দাও। দেখবা তখন মাল্টি কমুনিকেটর নিয়া ধরা খাইতেসে
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
এক্স হওয়ার আগেই ব্লগে ঘুরঘুর করায় লুবজানা আর শাহরিয়ার এই দুইটার ব্যাঞ্চাই।

পুলাপান অকালে পেকে যাচ্ছে।
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন
জবাব দিন