গতকাল আমার কাঠ খড় কেরোসিন সংক্রান্ত পোষ্টটির পরে অনেকেই কমেন্টস এ আমার যুক্তি গুলো জানতে চেয়েছিলেন। আমি আপনাদের কাছ থেকে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছিলাম যুক্তিগুলো গুছানোর জন্য। আজ সারাদিন অফিসে কাজের ফাকে ফাকে যুক্তিগুলো মনে করার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ১৪ বছর আগের চাপাবাজি কি এত সহজে মনে পড়ে? তাও আবার সেই চাপাবাজি ছিল কয়েক মুহুর্তের ফসল যার সম্মন্ধে আমি নিজেও খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না।
বিস্তারিত»জুতা পালিশ
সবাই কে লিখতে দেখে ভাই-বোনেরা আমারো খুব লিখতে ইছ্ছা করছিল। যার ফসল এখন আমি, যে অখাদ্য আপনাদের গিলাতে যাচ্ছি…,,,
আমরা তখন ক্লাশ ৮ এ। একদিন শুনতে পেলাম সোহরায়ার্দী হাউসের ক্লাশ ৭ এর (নাম বললাম না)…একজন সানসেটের উপর উঠেছিল।
পরে আমাদের ব্যাচের কয়েকজন তাকে সানসেটের উপর দেখে, সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করার পর, এক রুমের ভিতর নিয়ে গিয়ে রিমান্ড শুরু করে।
পরে রিমান্ডের রেজাল্টে জানা গেল……….সে আত্মহত্যা করতে সানসেটের উপর উঠেছিল।
প্রাপ্তবয়ষ্ক – ১
টাইটেল দেখেই বোঝা উচিত এই পুষ্ট খানা সকলের জইন্য প্রযোজ্য নাও হইতে পারে। তয় আমার ধারনা ইহা সকলেই পড়িবে এবং সকলের জইন্যই ইহা প্রযোজ্য হইবেক।
আজ রবিবার ছিল। এমনিতে রোযা, তারওপর বাসায় কোন কাজ নাই। সন্ধায় এক বাসায় ইফতার এর দাওয়াত আছে। তাই সকালে (আমার উইকএন্ড এর সকাল মানে আবার দুপুর বারোটার পর) ঘুম থেকে উঠে ভাব্লাম বাসায় কাম কাজ যহন নাই, যাই অফিস গিয়া কম্পিউটার গুতাই গিয়া।
বিস্তারিত»হজ্জ সম্পর্কিত একটি গল্প এবং আমার এক বড়ভাইঃ
হজ্জ সম্পর্কে খুব ছোটবেলায় একটি গল্প শুনেছিলাম।এক ব্যক্তির আপ্রাণ শখ হজ্জে যাবার। কিন্তু দরিদ্রতার কারণে তা হয়ে ওঠেনি।প্রতিবছর তিনি তিল তিল করে টাকা জমান হজ্জে যাবার জন্যে।তার পাশেই থাকতেন এক দরবেশ যিনি প্রতিবার হজ্জে যেতেন।তো প্রতিবার যাবার সময় তিনি ওই ব্যক্তির খোঁজ নিতেন- এবার তিনি যাচ্ছেন কিনা, টাকা পয়সার কতদূর ব্যবস্থা হল ইত্যাদি।এরকম এক বছর ওই দরবেশ শুনলেন যে তাঁর প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি অবশেষে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন।দরবেশ অত্যন্ত আনন্দিত হলেন এবং হজ্জের পথে রওয়ানা হলেন।হজ্জ শেষে তিনি যখন আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন,তখন তিনি গায়েবী আওয়াজ শুনতে পেলেন যে এবছর সবার আগে কবুল হয়েছে তাঁর সেই প্রতিবেশীর হজ্জ।দরবেশ অত্যন্ত আনন্দিত হলেন এবং এই সুসংবাদ দেবার জন্যে সাথে সাথে তাঁর প্রতিবেশীর বাসায় গেলেন।গিয়ে তিনি দেখলেন,তাঁর প্রতিবেশীর চোখে ভ্রমণজনিত কোন ক্লান্তি নেই,কি এক আভায় তার মুখ জাজ্জ্বল্যমান।দরবেশ তখন জানতে চাইলেন,
বিস্তারিত»কোথায় পাবো তাদের-৭
১.
ভুগোলের নুরুল হোসেন স্যারের একটা অভ্যাস ছিলো। যে কোন জায়গায় প্রিন্সিপাল সোহরাব আলী তালুকদার কে দেখলে উনার হাত কচলানি শুরু হইয়া যাইতো। প্রিন্সিপালের যে কোনো কথার জবাব স্যার দুই হাতের তালু একটা আরেক টার সাথে ঘষতে ঘষতে দিতেন। আমাদের বদ্ধমুল ধারনা ছিলো এই রকম হাত কচলানোর ফলে স্যারের হাতের রেখা বলতে কিছু নাই। সেই জন্যে স্যার ক্লাস নিতে আসলেই আমরা নানা ভাবে উকিঝুকি দিয়া তার হাতের রেখা দেখার চেষ্টা করতাম।
বিস্তারিত»