“সিসিবিতে ভিজিটর কমে গিয়েছে কিংবা নীরব পাঠকের সংখ্যা বেড়েছে। লেখা ও তেমন আসছেনা। হয়তোবা সবাই ই ব্যস্ত।”…এগুলো নিয়েই কথা বলছিলাম আমাদের সিসিবির পরিচিত মুখ কামরুলের সাথে ইয়াহু মেসেঞ্জারে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে। তারাবীহ শেষ করে রুমে ঢুকে ড্রেস চেঞ্জ না করেই কম্পিউটার অন করলাম। মেসেঞ্জারে কামরুলকে অন লাইন দেখে কথা বলার লোভ সামলাতে না পেরে নক করলাম। একবারো ভাবিনি যে কামরুল ফ্রি আছে কি নেই।
বিস্তারিত»আমাদের বাপ ও বেটারা
আমাদের ব্যাচে তিনজন স্যারের পোলা ছিল। তাদের মধ্যে ২জন স্যার আবার আমাদের ২ফর্মের ফর্ম মাস্টার ছিল। এই সুযোগটা কলেজ লাইফে আমরা বহু কাজে লাগিয়েছি। যে কোন আবদার (অন্য কথায় অন্যায় আবদার যাকে বলে ) করলে আমাদের স্যাররা তা পূরণ করার চেষ্টা করেছেন। আমাদের ব্যাচকে যদি কোন সিনিয়র বেশী পাংগাইছে তো তার খবর হইয়া গেছে…ইত্যাদি,ইত্যাদি,
যা হোক দুই ফর্মমাস্টার আবার বিপরীতধর্মী, একজনকে কিছু বললে,
বিস্তারিত»ইমরুলের জন্যে
সেটা ২০০০ সালের কথা। আমার মেডিকেলের ১ম দিন। তো হোস্টেলে উঠলাম বিকাল বেলা। ঘুরাঘুরি করছি, দেখি কেউ পরিচিত পাই কিনা। সিনিয়র বা ক্লাসমেট পাচ্ছি অনেক কিনতু কাউকেই তো আর চিনি না তাই কথা বলতে পারছি না। এভাবে সন্ধা হয়ে এলো, দম বন্ধ লাগছে। এভাবে কথা না বলে কতক্ষণ আর থাকা যায়? এসময় এক সিনিয়র রুম এ এলো পরিচিত হতে। আমি ক্যাডেট কলেজ থেকে শুনে বলল তিনি অন্য আরেক রুম এ আরেকজন পেয়েছেন ক্যাডেট কলেজের।
বিস্তারিত»ঠেলা
বুজতাসি ঠেলা কারে কয়। সকালে নয়টায় অফিসে আইসি, হারাদিন রোজা, সন্ধায় ইফতারির সময় খাইসি এক কাপ কফি। এহনো গনক মহাশয়ের সামনে বতাম টিপি। রাইত সাড়ে দশটা বাজে। কহন যে বাড়ী যামু? লগে আইজকা আবার বিড়ির পাকিট খান আনি নাই। ভাবছিলাম বাসাইয় গিয়া ত টানমুই। অহন খিদার চে লাগছে বিড়ির নিশা।
বিস্তারিত»