সানাউল্লাহ ভাইয়ের চুল নিয়ে মন্তব্য ধরে কামরুলের সম্ভুদা’র চুল কাটা’র প্রসঙ্গেই আমার এই লেখাটি লেখার ইচ্ছে জাগলো। ঘটনাটি আমার দুই বন্ধুকে কেন্দ্র করে। দুজনেই ছিলো শরীয়তউল্লাহ হাউসে। ঘটনাটি ছিল বোধ হয় আমরা যখন ক্লাশ নাইনে পড়ি তখনকার। কলেজে আমরা এমন একটা বয়স পার করে এসেছি যেটা হলো কৈশোর এবং যৌবনের সন্ধিঃক্ষন। এই বয়সটা বড়ই জটিল। এই বয়সে সবাই একটু নিজেকে আলাদা করে ভাবার চেষ্টা করে।
বিস্তারিত»ছাপার আগে-১
[বহুদিন পর আবার অনুরোধে ঢেকি গিলছি। ফলাফল একটি ফান ম্যাগাজিনে আবারো লিখতে শুরু করেছি। ভাবছি লেখাগুলি চামে এই ব্লগে শেয়ার করব, প্রকাশের আগে]
আহা! মেলামাইনের কি সোয়াদ!
১.
ইত্যাদিতে দেখেছিলাম একবার এক ভদ্রলোক কচ কচ করে কাচ খাচ্ছেন। কাচ সম্পর্কে আমার ধারণা সেদিনই কাচের টুকরার মত ভেঙে যায়। কাচ খুবই সেনসেটিভ জিনিস। তার সাথে একটু আধটু ইতরামি করলেই রক্তারক্তি কান্ড ঘটে যায়।
অনুঘটনা-২
ছোটখাট কিছু ঘটনা নিয়ে আগে একটা লেখা দিয়েছিলাম। অনুঘটনা-১ আজ কিছু লেখতে গিয়ে দেখি কিছু মনে পড়ছেনা।ক্যাডেট কলেজের সব কাহিনী বলা হয়ে গেছে। ছোটখাট ২/১ খানা বাকি আছে।
১
আমরা কলেজে ঢুকেছিলাম ৪ঠা জুন।সেদিন ছিল মঙ্গলবার। আমাদের কলেজে মঙ্গলবার রাতের মেনু ছিল রুটি আর সাথে গরুর মাংস।আমরা প্রথমদিন ডিনারে ডাইনিং হলে গিয়ে দেখি ভাত নাই। বাসায় থাকতে দিনে দুইবার ভাত খাওয়া হবে না সেটা কখনো চিন্তা করিনি।
স্বপ্নের অনেকগুলো দিন
কয়েকদিন ধরেই ভাবছিলাম লিখব, মাগার কি নিয়ে লিখব এইটা বুইঝা উঠতে পারতেছিলাম না। এইমাত্র কামরুল এর সাথে অনলাইন এ কথা হচ্ছিলো। অফিসে বইসা অর ব্লগ পরতাছিলাম আর ভাবতাসিলাম কি লিখি। শেষ পর্যন্ত অর টাইটেলটাই চুরি করলাম (একটু পরিবর্তন কইরা আরকি, আবার কপিরাইট আইনে মামলা না খাই)। তবে উলটাপালটা লেখার সম্ভাবনাই বেশি। পাঠক সাবধান!
কামরুল এর লেখা দেইক্ষা মনে পরলো এমন স্বপ্নতো আমিও মেলা দেহি।
বিস্তারিত»কিংবদন্তি’র কথা-১
লে. কর্নেল সোহরাব আলি তালুকদার নামটা আমাদের ,মানে সিলেটের ক্যাডেটদের কাছে প্রায় কিংবদন্তির মতো। কিংবদন্তি সাধারনত ইতিবাচক অর্থে বলা হয়। এই ক্ষেত্রে অবশ্য উল্টা। তিনি এমন একজন ছিলেন যে তার সময়ে প্রিন্সিপাল হিসাবে তিনি একাই কলেজ দাবড়িয়ে বেড়াতেন আর বাকি সব প্রাণী ছিল সাধারণ দর্শক মাত্র। কামরুল ভাই যেমন আগেই বলেছেন তার নাম শুনলে ক্যাডেটে-স্যারে এক ঘাটে জল খেতো।
কিন্ত ভুলে গেলে চলবে না আমরা ক্যাডেট।
আখেরি আবজাব…
০১. দুপুরে রেস্ট টাইমে রুম ক্রিকেট চলাকালে হঠাৎই কলেজ ডিউটি মাস্টার এর আগমনে সবাই যে যেভাবে পারলো লুকিয়ে পড়ছে। কেউ ঘুমের ভান করে পড়ে আছে, কেউ সাবান নিয়ে ঢুলু ঢুলু চোখ বানিয়ে টয়লেটের দিকে রওনা দিয়েছে। শুধু হোসেন নামাযে দাঁড়িয়েছে। এবং সে’ই ধরা পড়লো শুধু। বেচারা তাড়াহুড়ায় স্লিপিং শার্টের সাথে হাফপ্যান্ট পড়ে বেশ মনোযোগ দিয়ে মুনাজাত করছিলো।
০২. মাগরিবের নামায শেষে ইভনিং প্রেপে যাওয়ার জন্য হাউসের সিড়ির সামনে এসে ডিউটি ক্যাডেটের খুব খুব জোরে জোরে হুইসেল দিচ্ছে।
বিস্তারিত»