আমার ইমিগ্রেশন অভিজ্ঞটা (২)

বিভিন্ন দেশ ঘুরে ইমিগ্রেশনের ও এয়ারপোর্টের কিছু মজার মজার অভিজ্ঞতা হয়েছে । এগুলো শেয়ার করার জন্যই লিখছি :
আগের পর্ব এখানে :

ইন্ডিয়া ইমিগ্রেশন :
সম্ভবত: চেকিং এর সবচাইতে বেশি বাড়াবাড়ি দিল্লী এয়ারপোর্টে। দিল্লী এয়ারপোর্টে চেকিং এর এতস্তর যে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। কমসে কম চার/পাঁচবার চেকপয়েন্ট পার হতে হয়। জামা,জুতা, বেল্ট সব খুলতে হয়। দিল্লী ইমিগ্রেশনে এক বাচাল অফিসারের পাল্লায় পড়েছিলাম।

বিস্তারিত»

ম্যাডাম ভাল ……… করে

লেখার প্রথমেই বলে নিচ্ছি ভাইরা আমি সিসিবিতে একেবারে নতুন। মাত্র গত ১৫ জুলাই কলেজ থেকে বের হইছি। সিসিবির মোস্ট জুনিইয়র মেম্বার। আর এটাই আমার প্রথম লেখা। কোনরকম ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন। এবার আসল কথায় আসা যাক।

মাত্র ক্লাস নাইন উঠেছি। ক্লাস সেভেন ও এইটে পরাশুনা না করে বাদরামি করার ফলে এইটে বার্ষিক পরীক্ষার পর যখন নিজের নাম মানবিক শাখার একজন যোগ্য সদস্য হিসেবে শুনলাম তখন অবাক হইনি।

বিস্তারিত»

নিরুদ্দেশ

১.
অনেকক্ষণ ধরে পজিশন নিয়ে আছে অপু। জানালার ফাঁক গলে এয়ারগানের নলটা বাড়ির পাশেরই এক গাছে তাক করা। গাছে চড়ুই পাখির বাসা আর জানালার এপাশে বিছানার উপর অপু। নতুন বাঁচ্চা ফুটেছে চড়ুইটার, দুটো ছানা। মা চড়ুইটা বাসায় আসলেই বাচচাগুলো কিচির মিচির করে মায়ের মুখ থেকে খাবার কেড়ে খায়, অপুর দেখতে ভাল লাগে। মা-টা আশেপাশেই আছে হয়ত, খাবার খুঁজতে ব্যস্ত। কিন্তু আজ মা চড়ুইটার নিস্তার নেই অপুর হাত থেকে,

বিস্তারিত»

দশ বছরের ক্যাডেট জীবনঃ বিদায়বেলার কথা

আইইউটি-তে ‘০৫ ব্যাচে আমরা মির্জাপুরের ৬ জন আছি। কলেজে ছয় বছর কাটিয়ে আসার পর কখনও ভাবিনি আবার একই প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাবো। অন্তত আমি ভাবিনি। প্রথম আইইউটি-তে এসে যখন ইমন আর তুহিনকে দেখলাম তখন কেমন অনুভূতি হয়েছিলো বলে বোঝাতে পারবো না। তিনজনে মিলে এক রুম নিয়ে নিলাম। পরে দেখলাম আমাদের কলেজের আরও তিনজন আছে: শামীম, জিহাদ আর মামুন। এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ ছিল না যে,

বিস্তারিত»

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

মিশন এলাকায় একই স্থানে আবদ্ধ থাকতে থাকতে এবং একই কাজ করতে করতে একঘেয়েমি চলে আসে। এটা কাটানোর জন্য যৎকিঞ্চিত বিনোদনের যা ব্যবস্থা আছে তাও অপ্রতুল মনে হয়। তারউপর আছে পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকার কষ্ট। এই সবকিছু মিলিয়ে একটা মানসিক ক্লান্তি আমাদের সবার উপর ভর করে বসে যেটাকে সহজভাবে “স্ট্রেস” বলে আখ্যায়িত করা হয়। আর এটাকে কমানোর জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপই “স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট”।

আমরা যে স্থানে থাকি সেটা “কারী কমপ্লেক্স”

বিস্তারিত»

ইংরেজি খাতা

১। টার্ম এন্ড এর খাতা দিতে এসে ‘খান’ সার বললেন, “আই ইয়ে কতা হছছি গিয়ে কতা তা না,তোরা সবাই পাশ করেছিস একজন ছাড়া,আর উনি হলেন…।।”থাক নাম টা বললাম না। এরপর খান সার ওর খাতা থেকে একটি ট্রান্সলেশন আমাদের পড়ে শুনালেন।
মানুষ সৃষিঠর সেরা জীব
ম্যান ইজ দি কিং অফ এনিম্যাল
২। আমাদের এই বন্ধু যখনি আমাদের ডর্মে আসতো,সে বলতো, “ম্যা আই কমিন প্লিজ ছার”

বিস্তারিত»

উদ্ভট ফ্যান্টাসী

অনেকদিন ধরে কিছু একটা লিখবো চিন্তা করতেছিলাম। এখন সিসিবি এর যেই লেখার স্রোত চলতেছে, ভাবলাম, উদ্ভট কিছু দেয়ার এইতো সময়।
১।
জিহাদ এর ফোনে হঠাৎ ঘুম ভাংলো।
“রবিন ভাই, নেক্সট উইকে যে সিসিবি গেট টুগেদার আছে, মনে আছে?”
ওহ, তাইতো, ভুলেই গেসিলাম।
“না ভাই, ভুলবো কেন?” খুব ভাব নিয়ে বললাম।
“তুমি আমাকে প্রোগ্রাম ডিটেইলস টা আমার কমিউনিকেশন মডিঊলে সেন্ড করে দিও।“

চিন্তা করতে লাগলাম,

বিস্তারিত»

রং বেরংয়ের ভুল

গোলাম মুরশিদ এইবার প্রথম আলোর ঈদ সংখ্যায় একটা প্রবন্ধ লিখেছেন, শিরোনাম – (অ) শিক্ষার ইতিকথা। আত্নজীবনী ধাচের এই লেখায় তিনি নিজেকে অকাট মূর্খ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। যাইহোক জ্ঞানী গুনীরা বিনয় দেখিয়ে অনেক কিছুই বলে কিন্তু তার সবই ধর্তব্য নয়। নিজের মূর্খতার প্রমাণ স্বরূপ তিনি লিখেছেন- এম, এ ক্লাসে যখন রবীন্দ্রনাথের ‘বিসর্জন’ পড়ানো হচ্ছিল তখন তিনি অবলীলায় লিখে গেছেন “বিষর্জন” । আবার তিনি বহু বছর পর সুদূর লন্ডনে গিয়ে বিবিসিতে নিজের একজন প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়ে স্বান্তনা পেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

আমরাই পারি বনাম আমরা পারিও

১। কলেজে ফল বলতে ম্যাক্সিমাম সময়-ই দিতো কলা। কালে-ভদ্রে অন্য ফল দিত। সেই রকম এক কালে-ভদ্রে লাঞ্চে ‘আম’ দিয়েছে। ডিউটি মাস্টার সেইদিন কেমিষ্ট্রির ম’আলি। তিনি আবার খুবই পরিপক্ক প্রোনান্সিয়েশানের সহিত ইংলিশে টক করতেন। ডাইনিং-এ ঢুকে তিনি বীকট শব্দে ঘন্টা বাজায়ে ঘোষনা দিলেন ‘জেন্টেলমেন, ম্যাংগো হ্যাজ বিন গিভেন। পার ম্যাংগো, ওয়ান ম্যান’।

২। ভূগোল ক্লাসে ফয়জুল হাসান স্যার কে ধরে রাখা যেত না। শুরু ভূগোলে হলেও তিনি কোথায় যে শেষ করতেন।

বিস্তারিত»