আমার বন্ধুয়া বিহনে-৩

আমার বন্ধুয়া বিহনে-২
ক্লাস সেভেনে কলেজে জয়েন করার কিছুদিন পর আমরা প্রথম যে আন্ত-হাউজ প্রতিযোগিতা পেয়েছিলাম সেটা ছিলো ফুটবল। এবং সেখানে আমাদের ব্যাচের রুম্মান জুনিয়র গ্রুপের সেরা ফুটবলার। জুনিয়র গ্রুপ মানে সেভেন থেকে নাইন। সেখানে সেরা প্লেয়ার সব সময় ক্লাস নাইন থেকে হয় সেটা বাকি কলেজ জীবনের পুরোটা সময় দেখে এসেছি। কিন্তু সেই প্রথম (এবং সম্ভবত শেষ) ক্লাস সেভেনে নতুন গিয়েই কেউ সেরা ফুটবলার হয়ে গেলো।

বিস্তারিত»

ছন্নছাড়া স্মৃতি

ছন্নছাড়া(আগের পর্ব)

১. স্যার আমাদের ইসলাম শিক্ষা পড়াতেন। নাদুস নুদুস চেহারায় শিশুসুলভ হাসি লেগে থাকত, ক্যাডেট কলেজে অনেকটা বেমানান। এ বিষয়ের পরীক্ষা প্রস্তুতি হত সবচেয়ে আলাদা, বিভিন্ন রঙের কলম-পেন্সিলের জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যেত। পরীক্ষার খাতায় লেখার চেয়ে মিনার, মসজিদ, চাঁদ-তাঁরা আঁকাতেই আগ্রহী ছিলাম সবাই। শিল্পী মনটাকে উজার করে দিতাম পরীক্ষার খাতায়, দেখার মত জিনিস হত একেকজনের খাতা। সব সহ্য করতেন স্যার।

বিস্তারিত»

আমার বাংলা শেখা আর আমাদের হিজড়ারা

(এই লেখাটা আমার প্রথম বাংলা কিবোর্ডে লেখার অভিজ্ঞতা। কারও কাছ থেকে সামহয়ার সম্পর্কে শুনে ব্লগ লেখার একটা খায়েশ হয়েছিল। তবে সামহয়ারের তামশা খুব একটা বুঝে উঠতে পারার আগেই উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলাম। প্রথম যেকোন কিছুর ব্যাপারে সবসময়ই সবার একটা বিশেষ দুর্বলতা থাকে। অনেকটা প্রথম প্রেমের মত হয়ত। তাই লেখাটা মানে নিম্ন হলেও হারিয়ে ফেলতে চাইনি। বৈদ্যুতিক অন্তর্জালের কোন এক কোনায় নাহয় পড়ে থাকুক। আমি মাঝে মাঝে চোখ বুলাব,

বিস্তারিত»

পুরোনো কিন্তু সোনালি স্মৃতি

আগের কথাঃ লেখাটা ছিলো এই ব্লগে আমার প্রথম লেখা। তখন বাংলা টাইপ প্রায় পারতাম না। তাই লেখাটা বাংলিশ এ দিয়েছিলাম। সম্ভবত জিহাদ কষ্ট করে বাংলায় টাইপ করে দিয়েছিলো। আর যেহেতু লেখালেখি থেকে অনেকদিন দূরে ছিলাম তাই বেশি লিখতে পারি নাই। হঠাত লেখাটা চোখে পড়লো। মনে হলো অনেক কিছু লেখার ছিলো আরো। তাই কিছু অংশ সংযোজন করে আবার দিলাম।যারা পড়েন নাই, তাদের জন্য বিশেষ করে।
লেখার প্রেক্ষাপটঃ হঠাৎ খুঁজে পেলাম আমার পুরোনো একটা লেখা।এটা লিখেছিলাম কলেজ থেকে বের হবার দুই দিন আগের রাতের বেলা।হঠাত বের হবার আগে ভাব চলে আসছিলো।

বিস্তারিত»