ক্যাডেট নম্বর ১৮৬২-অসময়ে হারিয়ে যাওয়া অতি আপনজন(শেষ পর্ব)

[পর্ব-১] [পর্ব-২]
ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হবার পর আলাদা হয়নি আমরা একেবারে। বের হয়ে ঢুকে পড়লাম বুয়েট কোচিং এ।কেউ গেল মেডিকেল কোচিং কেউ আই বি এ আবার কেউ বা আর্মি।তাতে কী?সবার কোচিং সেন্টারই ছিলো ফার্মগেট।ফল দাড়াতো এই আমরা কোচিং করতাম এগারোটা পর্যন্ত তারপর সারাদিন আড্ডা মারতাম ডিব্বা নামক এক জায়গায়।সেটা অবশ্য কোচিং করতে আসা সকল ছেলেরাই চিনতো।সেই দিন গুলো কেটে যেত বৈচিত্র‌হীন অথচ আনন্দময়।প্রতিদিন শেষেই মনে হত যেন এমনভাবে দিন কেটে যেত অনেকদিন -অসীম সময়।

বিস্তারিত»

আচার০০৭ : অবিবাহিতের অভিজাত পেটপূজা

২০০৬ সালের অক্টোবরের শেষ অথবা নভেম্বরের শুরু। বাংলাদেশে তখন ক্ষমতার মসনদ নিয়ে দুই দলের শকুন শেয়ালের টানাটানি চলছে। কোরবানী ঈদের পরপরই আমার বিশেষ প্রয়োজনে ঢাকা আসতে হলো। ঢাকায় তখন থাকি নিকুঞ্জে, ব্যাচেলারদের মেস বাসায়। বুয়া এসে রান্না করে দিয়ে যান, আমরা খাই। ঈদের ছুটিতে সবাই যে বাড়ি গিয়েছিল, ফেরেনি তখনো কেউ, বুয়াও ফেরেননি। আমি একলাই ফিরে আসলাম এবং মাইঙ্কা চিপায় ধরা খেলাম। ঢাকার ভেতরের দিকে তখন চরম গন্ডগোল,

বিস্তারিত»

সেইরকম আবজাব – বেইনসাফ পর্ব

নাহ্, আজকালকার দুইন্নায় ইনসাফ বইলা কিস্সু নাই। এই জিনিসটা অনেক আগেই উপরে উইঠা গ্যাছে।

বয়স বাড়তাছে। মানে বুড়া হইতাছি। অটোমেটিক বাড়তাছে, নিজের দোষে না। কোটেশন মার্কের ভিতরে অবস্থান করা জাস্ট দ্বারা শুরু হওয়া সম্পর্কগুলার এফ.এম বা ডিজুস টাইমটা অল্প কয়েকটা বছর আগে জন্মাইবার অপরাধে ধরতাম পারলামনা। এইটাতেও নিজের কোনো দোষ খুঁইজা পাইলামনা। টার্ণ আউট জিনিসটারে দীর্ঘ এক দশক আগে একশত পচাশি একরের এক জায়গায় নিজের আত্মা সহ রাইখা আইছি,

বিস্তারিত»

আফসোস…!!!

কলেজে ক্লাস সেভেনের অবস্থা থাকে অনেকটা অবলা নারীদের মতন। বুক ফাটে তো মুখ খোলে না…ছোট-বড় নানান সমস্যা-কাকে জানাব, কিভাবে জানাব…এইসব নানান ভাবনায় জানানোই হয়ে ওঠে না…ব্যাপারটা এমন যে সমস্যাটা কাউকে জানানোটাই একটা সমস্যা!

আমার জীবনের দীর্ঘতম জুমআর নামাজগুলোর সবগুলোই কলেজের ক্লাস সেভেনে থাকতে পড়া…নামাজে যেতাম আযানের ১০/১৫ মিনিট আগে…নামায শেষ করে বের হতে প্রায় ঘন্টা দেড়েকের মামলা…ঐ দীর্ঘ সময়ে যে কারও প্রাকৃতিক ডাক আসাটা খুবই স্বাভাবিক…বেশিরভাগ সময়ে সবাই যা করত তা হল- জুমআর নামাজ ব্রেক অফের পর ভরা ব্লাডার নিয়ে কোনমতে দৌঁড়ে গিয়ে ডাইনিং হলের অথবা হাউসের কোন টয়লেটে গিয়ে সেরে আসত…খুব কমই ছিল যারা নামাজের মধ্যে উঠে মসজিদের টয়লেট ব্যবহার করত।

বিস্তারিত»

পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম

তৌফিক ভাইয়ের আচার পোস্ট পৈড়া মনে হইলো এখনি সময়। তাওয়া গরম থাকতে থাকতেই পরোটা ভেজে ফেলা ভাল। দেখতে দেখতে এই ব্লগের বেশ ভাল সময় পার হয়ে গেল। আর কয়দিন পরেই এক বছরে পড়তে যাচ্ছে সি সি বি। সদস্যও আল্লায় দিলে খারাপ না। প্রত্যেকদিনই টুকটাক মেম্বার জয়েন করতে করতে তিনশোর ল্যান্ডমার্ক পার হয়ে এখন সাড়ে তিনশোর দিকে‍‍‍ যাচ্ছে । তো যেই জন্য এত কিছু বলা। আমাদের ব্লগের কে ক্যামনে এই ব্লগের হদীস পাইলেন সেটা জানতেই একটা হালখাতা খুল্লাম।

বিস্তারিত»