আমি ঠিক জানি না জানি নাকি নিয়ে লিখব, এম্নিতেই চিন্তাগুলো কে ঢেলে দেবার চেষ্টা করছি এলোমেলো র্যা ন্ডম বিন্যাসে, পারিসাংখ্যিক কেন্দ্রীয় প্রবনতার কারনে হয়ত সেগুলো একটা আকৃতি পাবে তবে নিশ্চিত ভাবে সেই আকৃতি অবয়ব কোনো পূর্বপরিকল্পনার অংশ নয়।
একসময় যখন জীবনটা ব্যাপকভাবে বিক্ষিপ্ত এবং মোটামুটই ভাবে উদ্দেশ্যহীন ছিল(তবে আল্টিমেট পাগলা ছাড়া ছাতার জীবনে হলুদ পাঞ্জাবীর “হিমু” মার্কা নির্লিপ্ততা পাওয়া মোটামুটি ভাবে অসম্ভব ব্যাপার। জীবনকে ঊদ্দেশ্যহীন বলা একরকম আধুনিকতা আক্রান্ত হতাশা বিলাস বলা যেতে পারে)তখন এই একটা ব্যাপার নিয়ে হেভী গবেষনা করতাম।
বিবর্তনবাদ – a Review (৩)
বিবর্তনবাদ – a Review (১) – (২)
নাস্তিক বিবর্তনবাদীদের জোড়ালো যুক্তিগুলো “বিবর্তনবাদ – a Review (১)” তে দেয়া আছে। আস্তিক বিবর্তনবাদীদের এবং আস্তিক অবিবর্তনবাদীদের অনেক যুক্তি আছে “বিবর্তনবাদ – a Review (২)”-এ। আগের দুটি অংশ পড়ে এই অংশ শুরুর অনুরোধ রইলো।
৪.৪ ফসিল রেকর্ড
বিবর্তনের ফলে তৈরী হওয়া প্রজাতিগুলির বিভিন্ন ধাপে কি ধরনের ফসিল পাওয়া উচিত তা বুঝতে ব্যাঙের রুপান্তর একটি আদর্শ উদাহরণ।
হাতের ওপর হাতের পরশ রবেনা, আমার বন্ধু আমার বন্ধু হবেনা…
এক… দুই… তিন….
গুনে গুনে ঠিক তিনজন ছিলাম আমরা।
এর মধ্যে একটু আগে মারুফ এসে বলে গেল – “দোস্ত, থাকিস কিন্তু। রাতে এসে একসাথে ডিনার করবো।”
আমি জেনে শুনে সতর্কতার সাথে ঢিলটা ছুড়ে মারলাম- “ডেটিং এ যাচ্ছিস নাকি?”
মারুফ কিছু বলেনা। শুধু কেমন করে জানি হাসে। আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাই।
কাজেই রইলো বাকি দুই।
কিন্তু সেটাকে এক হিসেবেও ধরা যায় ।
বিস্তারিত»এবং প্রেম ৪
আমরা যদি এ বিশ্বের নৃতত্ব পুনরায় ঘাটি
আর তালিকাবদ্ধ করি সমাজের উন্মেষ নৈর্বত্তিক দৃষ্টিতে
তবে উপেক্ষায় কাদবে সাদামেঘসমুহের আকাশে নীলের সঙ্গম।
কিভাবে লাল সুর্যোদয় হয়ে উঠে প্রেমিকার ঠোটে চুম্বন
পৃথিবী কোন দিক হতে সবুজ হয়ে ঊঠল আর কিভাবে বিমুর্ত সঙ্গীত
পটভুমিকায় বেজেই চলল,
সিক্স ডেজ সেভেন নাইটস – শেষ পর্ব
সিক্স ডেজ সেভেন নাইটস – ০১ – ০২
খাওয়ার পরে সিগারেট ধরিয়ে সবাই একসঙ্গে বের হলাম সমুদ্রের পারে হাঁটতে । খোলা গলায় এবং হেড়ে গলায় গান চললো কিছুক্ষণ। অনেক্ষণ পর ফিরে এসে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিলাম, কিন্তু রুমে গিয়ে বিছানায় শুয়ে দেখি এই গরমে রুমে ঘুমানো সম্ভব না। বালিশ তোশক নিয়ে একজন বারান্দায় এসে শুয়ে পড়লো, তার দেখাদেখি বাকি সবাই।
বিস্তারিত»একটি জিজ্ঞাসা
রাস্তায় পথ চলতে চলতে একটি স্বনামধন্য হাউজিং কোম্পানির বিজ্ঞাপণের একটি বাক্যে চোখটা আটকে গেল। একটি প্রশ্ন- শেষ কবে খালি পায়ে শিশির ছুঁয়েছেন? আসলেই প্রশ্নটা অবাক করার মতোই! এই ইট পাথরের শহরে ভোরের নরম ঘাসে শিশির আজকাল দূর্লভ হয়ে ঊঠেছে।
এই প্রশ্নের সমান্তরালে আরো একটা প্রশ্ন এলো মাথায়, শেষ কবে কলম দিয়ে একপাতা বাংলা লিখেছি? এই মুঠোফোনের যুগে বাবার কাছে টাকা চেয়ে পুত্রের পত্র লিখতে হয়না,
বিস্তারিত»বৃষ্টি-৩
কোন দূরদূরান্তে পড়ে রয়েছো
বৃষ্টি দ্যাখোনা কতকাল,
কতকাল শোনোনা ঝমঝম বরিষণ
আজ তোমার বাড়ি যাবার পথে তাই
কিনে নিয়েছি
এক বাক্স উৎকৃষ্ট বৃষ্টি।
ভেজার একটা উপলক্ষ আজ