এর নাম হচ্ছে যৌক্তিক প্রত্যাশা। এই যৌক্তিক প্রত্যাশার তত্ত্ব দিয়েই ১৯৯৫ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রবার্ট এমারসন লুকাস জুনিয়র। লুকাসকে বলা হয় সেরা ১০ অর্থনীতিবিদদের একজন। তিনি যদি সেরাদের অন্যতম হন তাহলে তার প্রাক্তন স্ত্রী কী?
রিটা লুকাসের সাথে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয় ১৯৮৮ সালে। তালাকনামায় একটা শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন রিটা। যদি রবার্ট লুকাস পরের সাত বছরের মধ্যে নোবেল পান তাহলে পুরস্কার মূল্যের অর্ধেক প্রাক্তন স্ত্রীকে দিয়ে দিতে হবে।
গল্পঃ কাঠের সেনাপতি
আব্বার সাথে রাশেদের আজ আশ্চর্য শত্রুতা। আজ সারাদিন, দিনমান। ছোট্ট চায়ের টেবলের দু’পাশে ওরা দু’জন ঠিক দুই যুযুধানের মতন দাবার গুটি নিয়ে বসে আছে সকাল থেকে। কখনও গালে হাত, কখনও বাঁকানো ভ্রু, কখনও চুপচাপ।
আব্বার অফিস ছুটি আজ, রাশেদের ইশকুলও তাই। ওদের সারা ঘরে ছুটির আমেজ এলিয়ে আছে, বসার ঘর থেকে রান্নাঘর, সেখান থেকে বারান্দায়, সবখানে। আপাতত শুধু ছুটি নেই দুজনের মাথার ভেতর, তুমুল তান্ডব তাতে,
সিসিবি-প্রকাশনী
আইজকা সক্কাল বেলা প্রথম আলোর শেষ পৃষ্টা দেইখ্যা আমি তো পুরাই টাশকি। চাইর ভাগের এক ভাগ জুইড়া হলুদ আর খয়েরী রংগের মিশালে আমাদের ব্লগের একটা সুবিশাল এড। হলুদ রঙ দেইখ্যা মিজাজটা খারাপ হইছে খুব, বদের বদ কাইয়ুম করছে এই কামটা। আবার একটা লোগোও দেখি বানাইছে, অর্ধেক অর্ধেক উপবৃত্ত সাতটা, এইগুলারে থাবড়া দিয়া চ্যাপ্টা কইরা পাশাপাশি সাজাই একটা পুরা অর্ধ-বৃত্ত করছে। চ্যাপ্টা উপবৃত্তগুলার একেকটার আবার একেক ধরনের রঙ।
বিস্তারিত»ধর্মঃ একটি নৃতাত্ত্বিক অধ্যয়ন – ১
Geertz’র ধ্রুপদী রচনা “Religion as a Cultural System”-এ লেখক ধর্মকে আরও বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি মূলত ধর্মের সমাজবিজ্ঞানভিত্তিক অধ্যয়নে ব্রিটিশদের সঙ্কীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। মার্কিন নৃবিজ্ঞানীরা লেখকের এই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন যার প্রতিফলন পড়েছে তাদের সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে। এর পর ১৯৭২ সালের এক প্রবন্ধে Geertz ধর্মের অধ্যয়নে তার ঐতিহাসিক, মনোবিজ্ঞানভিত্তিক, সমাজবিজ্ঞানভিত্তিক এবং শাব্দার্থিক প্রচেষ্টাগুলো তুলে ধরেন। পরিশেষে তিনি বলেন, ধর্মের একটি পূর্ণাঙ্গ তত্ত্বে এই সবগুলো ক্ষেত্রে ধর্ম অধ্যয়নের প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয় থাকবে।
বিস্তারিত»এক মানবী কতটা আর কষ্ট দিবে?
মাঝে মাঝে কিছু কবিতা পড়ে চমকে উঠে। আমি যদি কবি হতাম তাহলে ঠিক এই কথাগুলোই আমার হাত দিয়ে বের হত। তখন ঠিক কেমন লাগে কাউকে বুঝানো যাবে না। আনমনা হয়ে পড়ি। যখন খেয়াল হয় তখন বার দশেক কবিতাখানা পড়া হয়ে গেছে। খুব কাউকে শোনাতে ইচ্ছে করে। কবিতার ছলে বলা নিজের অনুভূতি। হেলাল হাফিজ আমার সবচেয়ে পছন্দের কবি। তার যতগুলো কবিতা পড়েছি মনে হয়েছে এ তো আমার কথা।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগঃ প্রবাসে, পথে-২
এর আগেঃ ছবি ব্লগঃ প্রবাসে, পথে-১
এই ছবিটা তোলা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে না। বাথ শহরে নামার পর পরই নতুন ক্যামেরায় এক্সপোজার, এপারচার সেটিং এইসব হাবিজাবি নিয়ে খেলাধুলা করতে গিয়ে রাস্তার দিকে তাক করে খামাখাই ছবি তুলছিলাম আর এলসিডি স্ক্রিনে দেখছিলাম কতটুকু অন্ধকার আসে ছবি…বা, আলো ঠিকমতন আসছে কিনা…। পরে ফিরে আসার পরে রুমে ল্যাপটপে ছবি নেয়ার সময় এই ছবিটা বের হয়ে গেল।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগঃ প্রবাসে, পথে-১
গেছিলাম ইংল্যান্ডের ভেতরেই বাথ শহরে। তাও বেশ আগে। তিন মাস হতে চলেছে প্রায়। ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে। ইউনিভার্সিটি থেকে মাঝে মাঝেই এদিক সেদিক ট্রিপে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে, যদিও শুধু নিয়ে যাওয়া আর ফেরত নিয়ে আসা পর্যন্তই তাদের মাথা ব্যাথা, তবু নিজের গাটের পয়সা খরচ করে যাওয়ার চাইতে ভার্সিটি বাসে গেলে যাওয়া আসার খরচটা ধাই করে অর্ধেকে নেমে আসে। তাই এমন মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করাটা নেহায়েতই বোকামি।
বিস্তারিত»