এই বর্ষণসন্ধ্যায় দুইখানা

[কুড়ানী পইড়া মনের মধ্যে হু হু কইরা উঠলো। আজকে ভারি বর্ষণে আমার শরীর ভিজাইছি। সাথে মনও কি সিক্ত হয় নাই? ঠাহর পাইলাম বাসায় ফির‌্যা, এই লেখাটা পইড়া। ফয়েজ ভাই, মাইনুল ভাই দুইজনকেই ধন্যবাদ। এখন নিজের কুলিখিত দুইখানা নিবেদন করতেছি। ]

বর্ষামাঠের ওপর মেঘের ঘর

১.
এই ঘরে মগ্নতায় আমার অনিদ্রাযাপন, ফ্রিজিয়াম-বিরহ
রাতের বয়স বাড়ছে, ক্রমেই কমেছে জীবনের আয়ু
আমি খুশি হই,

বিস্তারিত»

কুড়ানী —— মণীশ ঘটক

ফয়েজ ভাইয়ের আদেশ শিরোধার্য করে, মণীশ ঘটকের লেখা আমার খুবই প্রিয় একটা কবিতা, কুড়ানী দিয়ে দিলাম। এই কবিতাটি আমি পড়েছিলাম ক্লাস এইটের শেষ দিকে, সেই থেকে আমার খুবই প্রিয় একটা ফ্যান্টাসি —
বন্ধুত্ব ……… প্রনয় ……… পরিণয় ………


স্ফীত নাসারন্ধ্র. দু’টি ঠোঁট ফোলে রোষে,
নয়নে আগুন জ্বলে। তর্জিলা আক্রোশে
অষ্টমবর্ষীয়া গৌরী ঘাড় বাঁকাইয়া,
“খট্টাইশ, বান্দর, তরে করুম না বিয়া।”

বিস্তারিত»

আউলা চিন্তা – মানবতার গান।

(আগের সর্তকবানী মনে আছে তো, মনে না থাকলে এই পোষ্ট পড়ার দরকার নাই। আর একটা কথা, আমার পোষ্টে সিরিয়াস আলোচনা একদম নিষেধ।)

“আচ্ছা তুই আমারে বল, চুরি না কইরা কোন শালা বড় লোক হইছে, আর কর্পোরেট হাউস কখনো নিজের স্বার্থ ছাড়া নেতাদের টাকা খাওয়াইছে, তুই এটা বিশ্বাস করিস? এই যে মোবাইল কোম্পানী গুলার কাছ থেকে এত এত ল্যাপটপ অনুদান হিসেবে নিছে সেনা-প্রধান,

বিস্তারিত»

বৃষ্টি দেখে কলেজের কথা মনে পড়ে গেল………….

কলেজে বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে খারাপভাবে শুরু হতো দিনটা, না!!! হোক ড্রিল ডে বা পি.টি., উফ…..ক্লাশের বারান্দার সামনে গিয়ে কসরত করা লাগতো…… ~x( ~x(

রেস্ট টাইমে বৃষ্টিটা হতো অসাধারণ………বোম্বাস্টিং খেলা হতো চরম………

অনেকদিন লাঞ্চে গিয়ে দেখতাম খিচুড়ি…….সত্যি মনটা খুশী হয়ে উঠতো……..

আরেকটা ছিল, কাঁঠাল চুরির মজাটা………একবার তো একদিনে ৫৪টা কাঁঠাল চুরি হয়েছিল……..প্রিন্সিপাল মোকাররম স্যার নাকি সব শুনে স্যারকে বলেছিলেন…..ভালই তো করেছে,

বিস্তারিত»

দূরত্ব-

দূরত্ব
———

দুয়েকটা মাছরাঙার গলা টিপে দিতে মন চায়।

জানালা খুলে নির্নিমেষ চেয়ে থাকি।
চারটে বনভূমি পেরিয়ে- কোন এক বোকা মানবীর
অশ্রু ঝুলে থাকে মাকড়সার জালে;
আমি তাকে মধু ভেবে খেয়ে নিই।

আমি ছুয়ে দিতে গেলে-
সরে সরে যায় শুধু মেঘ।
আহা রঙধনু, তোমাকে মাখিয়ে মুখে
সুখ নিতে চাই, তাই, আকাশের সাথে
বাড়ে আমার শত্রুতা।

বিস্তারিত»