রবীন্দ্রনাথ যে বয়সে জল পড়ে, পাতা নড়ে লিখেছিলেন সে বয়সে আমার কাব্য প্রতিভা রবি ঠাকুরের চাহিতে কিঞ্চিৎ বেশী ছিলো। বছর পরিক্রমায় কবিগুরুর কাব্য প্রতিভা চরমভাবে বিকশিত হইলো, আর আমারটা কালের গর্ভে চিরতরে হারিয়ে গেলো। যাহা হউক, আমার শৈশবের প্রতিভার অল্প কিছু ঝলক একটি খাতায় সংরক্ষিত ছিলো আজ আপনাদের সম্মুখে উপস্হাপন করিতেছি।
বিস্তারিত»উপন্যাস: সবুজ বুড়ি ০১
আমাদের বয়স যখন তেরো থেকে বেশি, চৌদ্দ ছুঁই ছুঁই করছে- তখন একদিন, এক শীতের দিন- দাদীজানের সবুজ রঙের শাড়ীটা চুরি হয়ে গ্যালো।
শীতের ভোরে বেশ আয়েশ করে ঘুমোচ্ছিলাম। লেপমুড়ি দিয়ে, কান ঢেকে, তখনকার ছোট্ট ছোট্ট চুল শুধু লেপের বাইরে রেখে, হয়তোবা জানালার কাছে একেকটা শীতের পাখি এসে ডাকাডাকি করছিল, ঘুম ভাঙানোর জন্য। সে ঘুম ভাঙলো শান্তাতে। লেপ সরিয়ে শান্তা হৈ হৈ করে উঠলো,
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৩ (কক্সবাজার ট্যুর)
পদ্যাতীত : পুনর্লিখন
(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কবিতাটা আবার লিখলাম…)
পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার-
‘ইটাবৎ কঠিনেষু’ কিংবা রসালো।
হাতে-পায়ে ধরাধরি, করে সাধাসাধি
দু-চার চরণ ছড়া চলে তবু যদি;
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি,
অতিশয় গুরুপাক চতুর্দশপদী!
সবাই সবাই …
আমাদের এক স্টাফ ছিলেন। কালা রাজ্জাক। তার সব কথার আগে পরে থাকতো “সবাই, সবাই”!! এই যেমন, “সবাই সামনে তাকাও, সবাই সবাই”। আরেকজন ছিলেন জামিল স্টাফ। উনি করতেন ঘেউ ঘেউ। ছুটি শেষে কলেজ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ফলিন। উনি প্যারেড স্টেট দেওয়ার আগে-“ঘেউ ঘেউউউউ ঘেউউউউউউ, ঘেউউউউউউউউ (তারপর কোমলএবং মেয়েলি স্বরে পড়ুন) ক্যামন আছ সবাই???”
অনেকদিন পর নেট আসলো। নেট কানেক্ট করার পর থেকেই মাথার মধ্যে খালি রাজ্জাক স্টাফ আর জামিল স্টাফের মতো বাজছে,
বিস্তারিত»যখন আমি বাবার মতো হতে চাই না
বাবাকে আমরা চার ভাই বোন ভয় পেতাম। এমনিতেই দেখা হতো কম, অফিস করতেন। বাসায় আসলে আমরা থাকতাম দূরে দূরে। বাবা এই রুমে তো আমরা দ্রুত অন্য রুমে চলে যেতেন। আমাদের সময় বাবাকে ভয় পাওয়াটাই ছিল রীতি।
সে সময়ে বাবারাও কি ভয়ের সম্পর্ক রাখতে চাইতেন? কখনো কখনো সেটাই মনে হয়। বাবা মানেই গুরুগম্ভীর একজন, বাবা বাসায় থাকা মানেই ফিসফাস কথাবার্তা।
আমার মনে আছে আমি তখন এইটে পড়ি,
পড়ছি এক মাইনক্যা চিপায়ঃ উদ্ধার পাবার উপায় আছে কি? (সাময়িক পোষ্ট)
আজ স্বপ্নের দিন
১.
পুরানো কাগজপত্রগুলো গুছাচ্ছিলাম। হঠাৎ কাগজটা চোখে পড়লো, ১২ লাইনের ছোট্ট একখানা কবিতা। আমার খুব প্রিয় একজন মানুষের লেখা। বয়সটা আমার চেয়ে খানিকটা বড়, কিন্তু মনটা বোধহয় বয়সের সাথে পাল্লা দেয়া গাম্ভীর্যের আতিশায্যে আটকা পড়েনি। দেশ ছেড়েছে প্রায় বছর আটেক হলো, আর দেশে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়েছিল বলে বাংলার সাথে তার সখ্যতাটা সেভাবে গড়ে উঠেনি। কথা ঝরঝরে বাংলাতেই বলেন, কিন্তু লিখতে গেলেই অশনি সংকেত।