০।
আপনি প্রথম কখন প্রেমে পড়েছিলেন? আমি কিন্তু পড়েছিলাম অনেক ছোট থাকতেই, এই ধরুন গিয়ে ক্লাস ফোর। বয়সটা অবশ্য তখন বেজায় ছোট কিন্তু তাতে কী। মন তো আর তাতে বসে থাকে না। শান্ত শিষ্ট আমাকে বালিকারা বরাবরই ভাল পায় না কিন্তু তাতে কী মন তো তাও পাত্তা দেয় না। তাই অনেক আগে ক্লাস ফোরে, ১৯৯৬ সালের কোন এক সকাল অথবা বিকাল বা দুপুর কিংবা রাতের বেলায় আমি প্রেমে পড়ে গেলাম।
আমাদের সময়ের সেইসব গান
আমরা হলাম ববিতা-শাবানা যুগের মানুষ। আমাদের সময়ে জনপ্রিয় গানগুলোর সাথে কণ্ঠ মিলাতো ববিতা না হয় শাবানা। পাশাপাশি ছিল সুচরিতা অলিভিয়া এরা। পরে আসলো রোজিনা ও অঞ্জু। গানগুলাও ছিল জোস। অশ্লিল গান ছিল না তেমন। বড় জোর শাবানা সমুদ্রের পানিতে ঝাপাঝাপি করে গাইতো ‘ও দরিয়ার পানি তোর মতলব জানি। তোর ছোঁয়ায় যৌবনে মোর লাগলো শিহরণ, লাগলোরে কাঁপন……….’। আফসুস, এই গানটা বহু খুঁজলাম, পাইলাম না। 😛
তবে খুঁজতে যেয়ে পেলাম সেই সময়ের বিখ্যাত কিছু গান।
আচার ০২৪: পরবাসীর রোজনামচা
১.
গত মাসের শেষে মাস্টার্স থিসিস জমা দিয়ে দিয়েছি। থিসিসের ডিফেন্সও শেষ। হাতে কাজ নাই বললে ভুল বলা হবে। থিসিসের কাজ-কর্ম রিপোর্ট করে একটা জার্নাল পেপার লেখার তাগাদা সুপার দিয়ে যাচ্ছেন থিসিস শেষ করার আগে থেকেই। সেই কাজে হাত দিয়ে বুঝলাম ব্যাটারির চার্জ ফুরায়ে গেছে, মায়ের হাতের রান্না আর বউয়ের বানানো পুডিং না খেলে ব্যাটারি রিচার্জ হবে না। অগাস্ট মাসটা চুপচাপ থাকি বরং, ছুটিতে গিয়ে পেপার লেখার ব্যাপারে চিন্তা করা যাবে।
আচার ০২৩: হ্যাকিং
দেখতে দেখতে আমার সিরিজটার ২৩ নম্বর কিস্তি চলে আসল। ২৩ নাম্বারটা একটা স্পেশাল নাম্বার, মাইকেল জর্ডান এইটা পরতেন জার্সি নাম্বার হিসাবে। শিকাগোর ইউনাইটেড গার্ডেন এরিনাতে এই জার্সিটা রিটায়ার করে রাখা হয়েছে তাঁর সম্মানার্থে। জর্ডানের সাথে ব্র্যাডম্যানের একটা এনালজি দেয়া যায়। ব্র্যাডম্যানের সাথে তুলনা অনেকেরই হবে, কিন্তু তর্কের শেষে ব্র্যাডম্যানকে হিমালয়সমান উচ্চতায় রাখতেই হবে। জর্ডানও এমন একজন খেলোয়াড় ছিলেন, বলা হয় বাস্কেটবলের ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়। কোর্টে তার ইম্প্রোভাইজেশান খেলাটাকেই পরিবর্তন করে দিয়েছে।
বিস্তারিত»