দগদগে ঘা নিয়ে পুড়ে চলেছি নিত্য
দহনের এত জ্বালা, একদম বিরতি ছাড়া
কেবলই পুড়ে খাক, তবুও আছি কেমন নির্বিকার
ঝুলানো হাসিটা হয়তো ভন্ডের; এত হাসি কোথায় পাও?
পুরোটা জুড়ে তো ভর্তি কয়লা আর তার ছাইভস্ম……
নাকি হীরা আবার?
হীরাই হয়তো……তাই কি এমন দীর্ঘ আগুন?
পুড়িয়ে পুড়িয়ে কয়লা কালো কালো আরো কালো
মসজিদ সমাচার
মসজিদ পবিত্র জায়গা, কিন্তু আমি নিশ্চিত ১০০% ক্যাডেটের মসজিদকে ঘিরে কিছু না কিছু মজার স্মৃতি রয়েছে। আমি ২/১ টা শেয়ার করছি।
০১।
তখন মাত্র ক্লাস সেভেন। সবেমাত্র কলেজে ঢুকেছি। লিস্ট অনুযায়ী সব কিছুই বাসা থেকে আনা হয়েছে। তার মাঝে সব চাইতে হাস্যকর রকম এর পোষাক হলো লং ক্লথের পাঞ্জাবী আর কিস্তি টুপি। পাতলা ফিনফিনে কাপড়। যা হোক, ২য় দিন ডাইনিং হলে টি ব্রেকের সময় দেখলাম দলে দলে ৭ এর ছেলেরা ডাইনিং হল প্রিফেক্ট ‘ক্যারী অন’
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (চিত্র প্রদর্শনী)
বিয়ের পর যখন মেজবোন বাসা ছেড়ে তার নতুন ঠিকানায় চলে গেলেন, তখন তার পেছনে ফেলে রেখে যাওয়া সমুদয় সাম্রাজ্যের অধিকারী হয়ে গেলাম আমি। রং, তুলি, আঁকার কাগজ, ক্যানভাস যা আগে তৃষিত নয়নে দূর থেকে দেখতাম, নিজের অধিকারে আসার পর সে সবের উপর চললো আমার নিরন্তন অত্যাচার। এরপর ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার পর ক্লাব বেছে নেওয়ার সময় একটুও দ্বিধায় পরতে হলো না। ইলোরা, সেতু, পলি, খুকু, নিতা,
বিস্তারিত»