কাল রাতে ঘুম এল না
জানালার পর্দা ভেজিয়ে দিয়েও
তোমায় আড়াল করা গেল না ।
পশ্চিম আকাশের রাঙ্গা মেঘ
নিঙড়ে এসে আমার ঘরের ছাদে
দখল নিল ।
তোমার সোনায় ঝলসানো বাহূর
রশ্মি আমার মেঘের ঢাল ছিন্ন করে
আমায় জাপটে নিলো ।
সমুদ্রসীমা, পররাষ্ট্র কৌশল এবং মায়ানমার
অনেকদিন পর আবার লিখতে বসলাম। ভয় আছে বানান ভুল করি কিনা। অনেক কিছু ঘটেছে, তবে লেখার মত কিছু ছিল না। সম্প্রতি সমুদ্রে জলসীমা নির্ণয়ে জটিলতা আমাদের পররাষ্ট্র কৌশল নির্নয়ে সমস্যা সৃষ্টি করছে। আরেকটি নতুন চ্যালেঞ্জ হল মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মোড়।
(১)
২৮ বছর হয়েছে আমরা সমুদ্রসীমা নির্ধারনে অবহেলা করেছি। একদিন যে সমস্যাটি ক্ষুদ্র প্রয়াসে সমাধান করা যেত তা আজ মহীরুহ হয়ে দাড়িয়েছে।
ভালো আছি, ভালো থেকো
আমার রুম থেকে বেরিয়ে করিডোরে দাঁড়িয়ে চোখ দুটো সোজা করে তাকালে সারি বাঁধা ইউক্যালিপ্টাসগুলো চোখে পড়ে সবার আগে। ওরা এমনিতে খুব চুপচাপ। শুধু হঠাৎ হঠাৎ যখন বাতাস এসে চুরি করে গায়ে এসে আছড়ে পড়ে তখন আনন্দে ওরা মাথা নাড়ে ঝিরঝিরে পাতাগুলো নাড়িয়ে । আমার এমনিতেই সচরাচর কোন কাজ কাম থাকেনা। যখন কিছুই করার থাকেনা তখন চুপচাপ করিডোরে ইউক্যালিপটাসগুলোকে সামনে রেখে দাঁড়িয়ে থাকতাম। থাকতাম বলাই ভালো।
বিস্তারিত»ফিকশন না, ফ্যাক্ট !
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘৃণাস্তম্ভ বলে একটা স্তম্ভ আছে। ৭১ এর রাজাকারদের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানানোর উদ্দেশ্যে এখানকার শিক্ষার্থীরা এই স্তম্ভ নির্মাণ করেছে। ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার সামনে অবস্থিত এই স্তম্ভের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আপনাকে শুধু একটু কষ্ট করে এই স্তম্ভটির কাছে গিয়ে থুথু নিক্ষেপ করতে হবে। ব্যস হয়ে গেল; যুদ্ধাপরাধীদের আপনি জানিয়ে দিলেন আপনার মনের অনুভূতিটি। যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে পারেন না কিংবা কোন ফোরামে প্রকাশ করতে পারেন না নিজের মতামত তাদের জন্য এটি একটি এই অনন্য সুযোগ ।
বিস্তারিত»বিচ্ছিন্ন আবেশ
অনুভূতিহীনতা অথবা তীব্র অনুভূতিপ্রবণতা কিংবা বিচ্ছিন্ন অনুভূতির অসংলগ্ন জালে আটকে গেছি আমি। সাধারণ ভাবনা চিন্তার উর্ধ্বে মনে হচ্ছে নিজেকে। আমার কাছে সময়ের হিসাব নেই ভেবে আমি আৎকে উঠি। আমি কোথায় ছিলাম কেমন করে এখানে আসলাম সে হিসাব গুলো থাকছে না। সেটার দরকার আছে কি এখন- পরিষ্কার হয়না। আমার কানের কাছে ক্রমাগত বোঁ বোঁ শব্দ বেজে যাচ্ছে। চোখ দিয়ে তাকিয়ে চারপাশ দেখার চেষ্টা করছি। একটা বদ্ধ রুমের মাঝে আছি আমি।
বিস্তারিত»জামীকথন
ব্লগে গত এক/দুইদিন কোন নতুন লেখা দেখছিনা-অনেকটা খরা যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।এই সুযোগে ভাবছি হালকা একটা লেখা দিয়ে দেই।ক্যাডেট কলেজে লেইম জোকস(দুঃখিত,ভাল বাংলা প্রতিশব্দটি জানা নেই-অর্থহীন কৌতুক শব্দটি কতটা যুক্তিযুক্ত ঠিক বলতে পারছিনা) আমাদের অনেকেরই বেশ প্রিয় ছিল।কঠোর ক্যাডেট জীবনের ফাঁকে ফাঁকে এই লেইম জোকস বা অর্থহীন কৌতুকগুলোই যে অন্য সময়ের অনেক নামকরা কৌতুকের চেয়ে বেশি হাসির খোরাক যোগাত সেটা বোধহয় সবাই স্বীকার করবেন।একটা উদাহরণ দিচ্ছি-এথলেটিক্স মিটে আমার কুমিল্লার বন্ধুদের একটা জোক ছিল এমনঃ এক লোক তিনতলা একটি বাড়িতে উঠছে।প্রথম তলায় গিয়ে দেখে তার জন্যে রুটি আর সবজি রাখা,দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখে সেখানে পোলাও কোরমার ব্যবস্থা।আর তৃতীয় তলায়??সেখানে গিয়ে দেখে কিছুই নেই।এই হল লেইম জোক আর এটা শুনেই অনেকেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়েছি(কিছুটা সম্ভবত গল্প বলিয়ের মুন্সিয়ানার কারণেই!)।ক্যাডেট কলেজের বাইরে আসার পর এ জাতীয় জোকগুলোর সাথে খুব একটা মোলাকাত ঘটেনি-এই মাত্র ক’দিন আগে ছাড়া।নিচের গল্পগুলোর স্রষ্টা আমাদের জিহাদ,তুহিনদের ব্যাচের জামী নামের জনৈক ছাত্র-আইউটিতে যার বিচরণ।তুহিনের মুখে ওর গল্প শুনে এবং ফেসবুকে “জোক্স অফ জামী”
বিস্তারিত»